somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চেতনা বদলের কাল।

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনী ইশতেহারে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছে। দেশের মানুষ কে স্বপ্ন দেখিয়েছে। সে নির্বাচনী ইশতেহারের কি কি এ পর্যন্ত আওয়ামী রেখেছে? আমরা কি সেই ১/১১ পুর্ব রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছি না? এক নির্বাচনী রায়ে ৫ বছরে যা কিছু করার করা যাবে। কেউ তাদের বাধা দিতে পারবে না! বিরুদ্ধী দল কে ৫ বছরের জন্য শান্ত ছেলের মতো বসে বসে দেখতে হবে। কিন্তু ক্ষমতাবান সরকারের যা কিছু মন চায় তা করবে!




আওয়ামী লীগ শুধু সরকারে থেকে কেন, ক্ষমতায় না থেকে ও যা খুশি তা করার ক্ষমতা রাখে! কারন দেশটা জাতির পিতার। নীতি পরিবর্তন হয় কিন্তু ক্ষমতার চেতনা অপরিবর্তীত থাকে। গত ১৫/২০ বছরের গনতন্ত্রের নানা ক্রটি বিচ্যুতি দেশের মানুষ কি পরিমানে হতাশ করেছে সে উপলব্ধি আমাদের রাজনীতিবিদের হয়নি! এ দেশের সব রাজনীতিবিদেরা দুই পরিবারের পালক কুকুরের মতো। তাদের যা কিছু সাধানা আরাধনা সবই হাসিনা খালেদা কেন্দ্রিক। যার কারনে মনিব কুকুরদের শত অন্যায় অপরাধের মধ্যে ও রাজনীতির ষড়যন্ত্র আবিস্কার করে। তাতে অবশ্য নিপুন ভাবে সাড়া দেয় আমাদের হাইকোর্ট সুপ্রিমকোর্ট।








আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে একমাত্র এরশাদ ছাড়া আমাদের বিচার বিভাগ কি কোন দুর্নীতিবাজ ষড়যন্ত্রকারি কে শাস্তি দিয়েছে? ঝুলিয়ে রাখা ছাড়া? শুধু চাষা ভূষা অসহায় গরীব মানুষের বিচার করার জন্য তো হাইকোর্ট সুপ্রিমকোর্ট গঠন করা হয়নি? অন্যতম এক বড় পালাতক দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী বাফুফে কে ২০০ কোটি টাকার জমি দান করে মইন সালাউদ্দিন ঘটা করে তা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করে! শাহ আলমেরই বা কি দোষ যদি সালাম এফ রহমান আ.লীগের নেতা হয়? মইন চেতনা বদল করেছে! নাকি লুংগির তলে লুকিয়ে রেখে ছিলো? হয়তো আগামী কয়েক বছর পরে তারে বিশাল এক সুশীল লেংটা হয়ে নয়তোবা আ.লীগের বিশাল নেতা হয়ে
হাজির হবে। যেই দিন থেকে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী কে সরানো হয়েছে আর্মি থেকে সেই দিন থেকেই সব চোর বাটপার ফালুরা সে আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে টাকার পুজা করে! নীতি তুমি এখন কোথায়? দুর্নীতির সে সব মামলা ঘুমাইবো যুগ কে যুগ হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টে! কেন? আবার সে আইনজীবি, রাজনীতিবিদেরা আইনের শাসনের কথা বলে ফেনা পালাইবো। আওয়ামীলীগ বিএনপি সরকারের আমলে দায়ের করা মামলা ক্ষমতায় এসে প্রত্যাহার করবে রাজনীতির ষড়যন্ত্রের চুতো খুজে! তবে আদালতে যাবে না রায়ের জন্য! কারন রায় যদি ধানমন্ডি অথবা মইনুল রোডে দেয়া যায় আদলতে যেয়ে কি হবেX(( কিন্তু গরীব জজ মিয়ারা ঠিকই জেলে যাবে। বিনা অপরাধে ৭/৮ বছর জেলে পইচা মরবে! কিন্তু দুর্নীতির মামলায় ২২ বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামী মহিউদ্দিনীরা আদলত থেকে জামিন নিয়ে নেত্রীর কদমবুচি করে নির্বাচনে প্রার্থী হবে প্রতীক পাগল জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবে! নেত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলবে কিন্তু সাজাপ্রাপ্ত( জামিন আছে) মহিউদ্দিন কে আইন বিষয়ক সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি বানাবে! মহিউদ্দিন নেত্রীর নির্দেশে সেই হাসান মাশহুদের স্হায়ী কমিটিতে তলব করবে! অনেকটা এ রকম চোর সুযোগ পেয়ে বিচারপতি কে কান ধরে উঠ বস করাবে! প্রতিশোধ। চির বিরুদ্ধী বিএনপি ও এই খুশিতে আত্মহারা! নির্শতে একমত। বাকী সবে দ্বিমত।
গত কিছু দিন যাবৎ প্রায় শ'খানেক দুর্নীতিবাজ মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছে! সবই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র!





রাজনীতির দুই দলীয় খেলায় যে কেউ কাটা পড়তে পারে। তা গনতন্ত্রের স্বার্থে মেনে নিতে হবে। তা নিয়ে কিছু দিন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে কালো ব্যাজ ধারন করতে হবে নুর হোসেনের জন্য। কিন্তু ২০০৮ সালে স্বৈরাচার কে একই মন্চে নেয়ার জন্য টানা টানি করতে হবে! হে চেতনা হে আপোশহীন নীতি তুমি কোথায় থাকো তখন?




এই কিছু দিন আগে ঢাকার এক আদালত এরশাদের ক্ষমতা দখল কে বৈধতা দান করেছে(মানে মামলা প্রত্যাহার করেছে)! কার ইশারায়? যাদের ইশারায় এরশাদের ক্ষমতা দখল কে বৈধতা দেয় তারা(ইশারা দাতারা) কোন মুখে জিয়ার সমালোচনা
করে? এই আওয়ামী লীগ জামাতের সাথে আন্দোলন করেছে! কিন্তু কেন? হে চেতনা তুমি কেন তখন ঘুমিয়ে ছিলে? কেন তখন ঘুমিয়ে ছিলো আমাদের সেক্টর কমান্ডারেরা? এ সব বলতে নেই তাতে চেতনার লুঙ্গি খুলে যায়। আর মানুষ লজ্জাজনক পরিস্হিতিতে পড়লে সাধু ভাষায় রচনা লিখে;) কেউ শুইতে পারবে কিন্তু আপনি কইতে পারবেন না! ইহা রাজাকারীর লক্ষণ। বড় রকমের ব্লগীয় বিনোদন:-/ । যদি ও হাসিনা এই পর্যন্ত সেই আওয়ামী লীগ জামাতী জোটের অন্তররঙ্গ আন্দোলনের জন্য ক্ষমা চায় নি! এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না কারন রাজাকাদের সাথে চেতনা শুয়ে ক্ষমতা জন্ম দিতে পারবে কিন্ত উপাদানের গুনা গুনের কথা লেখা যাবে না!






এই সরকারের প্রথম মাসে বিডিআর বিদ্রোহ হয় যদি ও তা বিদ্রোহ ছিলো না। এই ঘটনার সাথে কিছু মন্ত্রী/ সাংঘাতিক সম্পাদকের জঙ্গি কানেকশন আবিস্কার! তাদের নিজস্ব শিরা সূত্রের!তদন্ত কমিটির নয়। আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি জঙ্গিদের তিন নম্বর স্তরের নেতা! বড়ই সুস্বাদু প্রচারনা। সেক্যুলার বলে কথা। যেখানে নীতি ঘুমায় সেখানে সেক্যুলার জাইগা উঠে। সেক্যুলারিত্বের জন্য অনেক গোপন গেম খেলা লাগে। জয়েরে গবেষনা, আব্দুল গাফ্ফার চৌ গৃহযুদ্ধের আহবান জানিয়ে স্বাধীনতা পদক পায়! , শাহরিয়ারের বর্বর ইসলাম ধর্ম এবং বর্বর সেনাবাহিনী সূত্র, "র" এর সাবেক প্রধানের বিডিআর প্রবন্ধ, সাবেক ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধানের নজর, সাবেক মার্কিন রাষ্টদূত বলে ছিলেন বাংলাদেশ ভারতীয় গোয়ান্দা সংস্হা এবং পাকিস্তানের গোয়ান্দা সংস্হার খেলার ময়দান।




ছাত্র রাজনীতির নামে যে ছাত্ররা ক্ষমতা লোভী নেতাদের হয়ে কাজ করে তা প্রমানিত সত্য। শুধু যে রাজনীতিবিদেরা ছাত্রদের ব্যবহার করে এমন ও নয় প্রায় সব ক্ষমতা লোভী চক্র জড়িত। তার মধ্যে শিক্ষক, ব্যবসায়ী, মাদক চক্র সবই জড়িত। বর্তমান যুগের ছাত্র সমাজ যে সেই ৬০/৭০ দশকের নীতি আদর্শের মধ্যে নেই তা দেশের প্রতিটি সাধারন মানুষ বুঝতে পারলে ও আমাদের রাজনীতিবিদেরা বুঝে ও না বুঝার ভানে আছে! কারন ৯৯% রাজনীতিবিদের ছেলে মেয়েরা বিদেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়া লেখা করে। রাজনীতিবিদের দায়িত্ব শুধু টাকা কে ডলার বানিয়ে বিদেশে পাচার করা। ওহ্ শুধু যে রাজনীতিবিদের ছেলে মেয়েরা বিদেশে পড়া লেখা করে তাও নয়! বলা যায় এই গরীব এদেশের এলিট শ্রেনী ওয়ালাদের সব ছেলে মেয়ে
বিদেশে পড়া লেখা করে। তার মধ্যে আমলা, ব্যবসায়ী, পেশাজীবি ভন্ডচেতনাবাদী পত্রিকার সম্পাদকদের ছেলে মেয়েরা পর্যন্ত আছে! তাই তারা পত্রিকায় লিখে গাছের গোড়া কাটলে তো সমস্যার সমাধান হবে না প্রয়োজন পরিবর্তন। কুত্তার লেজ কি সোজা হয়? গোড়া বারাবর না কাটিলে?


বিডিআর বিদ্রোহ, ছাত্রদের নৈরাজ্যের কারনে প্রায় সব কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় বন্ধ, বিদ্যুৎ নাই, পানি নাই, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা অবস্হা তাই ৩০০০ কোটি টাকার সহায়তা। এর মাঝে আওয়ামীলীগ বুদ্ধিজীবিদের মাথায় মইনুল রোডের বাসাটা নাযিল হয়েছে!! অনেক কিছু ঢেকে দেয়ার জন্য খালেদা জিয়ার বাড়ির
লিজ বাতিল করা হয়েছে। এটা কি পরে করা যেত না? তার মধ্যে বিডিআর হত্যাকান্ডের বিচার প্রক্রিয়া অন্যতম। শুধু তদন্তের তারিখ পরিবর্তনের খেলা চলিতেছে। কত সমস্যা সৃষ্টি করা যায়..



৩০০০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা দেয়া হবে! কাকে কাকে দেয়া হবে? যাদের অনেক তেল তাদের কে আরো তেল দেয়া হবে? পৃথিবীর সবচেয়ে সুবিধা ভোগী ব্যবসায়ী সমাজের বাস বাংলাদেশে। যারা হাজার রকমের সুবিধা ভোগ করার পরে ও
তারা .... ১. শ্রমিকদের সঠিক সময়ে বেতন না দেয়া ২. অতিরিক্ত সময় কাজ করিয়ে নেয়ার পরে ও ওভার টাইমের পয়সা না দেয়া । ৩. কাজের সুস্হ পরিবেশ নাই। ৪. টাক্স
ফাঁকি দেয়া। আবার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন!(লজ্জা শরম বলতে কি এদের কিছু আছে?) ৫. বিদেশে অর্থ পাচার ৬. শেয়ার মার্কেট নিয়ে খেলা।
৭. গোপন কারসাজির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ পত্র মজুদ করে দ্রব্যমুল্যের দাম বাড়িয়ে অতি মুনাফা ভোগ করা। ৮. মেয়াদত্তীর্ণ পন্যো বাজারজাত করা। ৯. সঠিকমান নির্ধারন না করে উৎপাদন করা। ১০. রাজনীতিবিদের অর্থ দিয়ে অবৈধ সুযোগ লাভ করা।

আরো অনেক অপরাধ আছে যার সাথে প্রায় ৮০% ব্যবসায়ী সমাজযুক্ত। দেশের ১৫ কোটি মানুষের মাথায় কত টাকার ভোজা দিয়ে এই ৩০০০ কোটি টাকার সহায়তা দেয়া হবে? নাকি লুটপাট করা হবে। এখন দেখতাছি আমাদের আমপন্হি বামেরা চুপ!!! ঘটনাটা কি? তাদের কে কি হাসিনা মুহিতের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফেরা খরিদ
কইরা পালাইছে? আমি জানি না ঠিক আমাদের দেশের শ্রম আইনের কি অবস্হা। আইনে যাই থাকুক তার যে কোন কার্যকারিতা নাই তা প্রমান হয়েছে। শ্রমমন্ত্রনালয়ের
কর্মকর্তাদের কোন কাম নাই। বাংলাদেশের প্রয়োজন একটা কঠোর শ্রম আইন এবং তার
প্রয়োগ। না হলে ৩শ হাজার কোটি টাকায় শুধু ধনীরা ধনী হবে আর শ্রমজীবি মানুষ সে ৩০০০ কোটি টাকার দেনা মাথায় নিয়া ঘুরবে।




>> আরো অনেক কিছু কইবার ছিলো! আরো অনেক ফটুক দিবার ছিলো কিন্তু... ;)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×