রগকাটা শিবির

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:১০

শেয়ারঃ
0 0 0

ছাত্রশিবির, নামটা শুনতেই চমকে ওঠার মত। কারন এদের সম্ভন্দে পত্রপত্রিকায় যে সব লেখা থাকে তা পড়লে সাধারণ মানুষের এমনই হওয়া কথা। প্রায়ই পত্রিকায় রিপোর্ট বেরহয় ছাত্রশিবিরের ক্যাডার বাহিনী রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়, চিটাগং বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের ক্যাডারদের তান্ডবলিলা। তার কারো পায়ের রগ কেটে দিয়েছে, ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন করছে এইসব রিপোর্ট পড়লে তো আতকে ওঠারই কথা। আমার তো মনে হয় এমন একটা সময় হয়ত আসবে যে সময় মায়েরা তার শিশু সন্তানদের ঘুম পড়ানোর সময় ভুতের গল্প না বলে ভয়দেখানোর জন্য হয়ত শিবিরের গল্প বলবে।

কিন্তু এর পরের চিত্র ভিন্ন। শিবিরের দাবী তারা কোন সন্ত্রাসের সাথে জড়িত না। তারা দাবি করে তাদের বিরদ্ধ তথ্য সন্ত্রাস করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শিবিরের সাবেক দুই কেন্দ্রীয় সভাপতি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমান করতে পারলে তারা শিবির করা ছেড়ে দিবে। এমনকি মাওলানা মতিউর রহমান নিজামি 1991 সালের সংসদে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শিবির রগ কাটে এটা যদি কোন সংসদ সদস্য প্রমান করতে পারেন তাহলে তিনি তার দলের সংসদ সদস্য সহ পদ ত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দিবেন। এর পরে অনেক সময় পার হয়েছে পদ্মা মেঘনা যমুনায় অনেক পানি প্রবাহিত হয়েছে কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ এই প্রমান সংগ্রহ করতে পারেনাই। এর ফলা ফল এখন শিবিরের বিরুদ্ধে রগকাটা অপবাদ অনেক কমে গেছে।

কিন্তু গত 21/11/06 তারিখে চট্টগ্রামে ঘটেছে এক ভয়ংকর ঘটনা। সেখনে খোদ মুক্তিযুদ্ধের সপরে শক্তির বিরুদ্ধে রগকাটার অভিযোগ। আর রগকাটা হয়েছে শিবিরের চট্টগ্রাম মহানগরী দনি সভাপতি জাহিদুল ইসলামের। এই ঘটনায় চট্টগ্রাম ছাত্রদল সভাপতি প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছে "আগে শুনতাম শিবির রগ কাটে এখন দেখছি ছাত্রলীগ রগকাটে"।রিপোর্ট প্রথম আলো 22/11/06।

এখন জাতি কি বলবে। জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২৩
হাসনাত বাপপী বলেছেন: *ভাই প্রফাইল দিতে ভয় করে?
*চুরিকরে চোর কখনই বলেনা সে চোর।
*আপনার বাড়ী রাজশাহী থেকে দুরে না হলে আসতে পারেন।
*দুভর্াক্রমে আমি চট্টগ্রামেও বড় হয়েছি। সেখানকার অবস্থাও ভালো করে জানা।
*পোস্টের শেষ প্যারাতে "মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি" বলে নিজেদের কে কি বিপক্ষের দল বলা হয় না?
*সর্বশেষে বলব, 'শালা তোদের পাছায় লাথি।'
২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৭
অতিথি বলেছেন: কি প্রমাণ দিতে হইবো তাগো? মানে কি ধরনের প্রমাণ দিতে হইবো জনাব?
৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৮
অতিথি বলেছেন: তা বাপপী ভাই,
রাজশাহীতে আর চট্টগ্রামে কি দেখেছেন?
৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৮
সুর বাংলা বলেছেন: হালায় মনে লয় লগি-বৈঠা আর নব্য রগকাটুয়াদের ডরে পোরোফাইল দেয় নাই
৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৬
অতিথি বলেছেন: আপনার নাম দেখে মন্তব্য করে আসলাম, পোস্ট সম্পর্কে কিছু বলার নেই। আপনি রাজীবের 'হিল্লা বিয়ে' সংক্রান্ত পোস্টে আমার কাছে দলিল চেয়েছিলেন আমার কথার। কয়েকটা কারণে জবাব দেই নি, সেই কারণগুলো ব্যাখ্যা করছি এখানে।

প্রথমত, আমার জানা মতে হিল্লা বিয়ে কনসেপ্ট ইসলামে কখনই ছিলো না। হিল্লা বিয়ে এক ধরণের 'কনটাক্ট ম্যারিজ', সাময়িক বিয়ে, বউরে 'ভুলে' তালাক দিয়ে দিলে সেই মেয়ের কারো সাথে এক রাত কাটাতে হয়, বিয়ে করে, তারপরে নাকি আবার আগের স্বামীর ঘরে ফিরে যেতে পারে। এটা অদ্ভূত একটা নিয়ম উদ্ভাবন করা, আল্লাহর সাথে চিটিংবাজির জন্য। এর কোন অস্তিত্ব রাসূলের (সা) যুগে ছিল বলে আমার জানা নেই। তবে, এক ধরণের 'সাময়িক বিয়ে', নিতান্তই চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে প্রচলিত ছিল, মূতা' বিয়ে। এর নিয়মটা ছিল এরকম, কিছু টাকার বিনিময়ে সাময়িক বিয়ে হতো একজন পুরুষ আর নারীর। এই সময়টা শুধুই সংগের অভাব পূরণের জন্য তারা এক সাথে থাকতো। ইচ্ছা করেই কোন সন্তান গ্রহন করতো না। সময় ফুরিয়ে গেলে তালাক, এবং যে যার পথে ঢুশ ঢাশ। এটা হচ্ছে শর্তভিত্তিক বিয়ে, যাকে এখন মানুষ বলে লিগালাইজড প্রস্টিটিউশন, আসলেই, তাই ছিল সেটা। হিল্লা বিয়ে তারই আরেকটা ফর্ম।

মূতা' বিয়ে নিষিদ্ধ করেছেন রাসুল (সা)। আমি খুব বেশি রিসার্চ করি নি দলিলের জন্য, কারণ খুবই বিরক্ত হয়েছি আপনার আমাকে চ্যালেঞ্জ করার ভংগি দেখে। হিল্লা বিয়ের কনসেপ্টই বলে দেয়, এটা ইসলামে হালাল হতে পারে না, ইটস টোটালি রিডিকুলাস। তবু আপনি হিল্লা বিয়ের সপক্ষে দলিল না চেয়ে চাইলেন আমি যে একে হারাম বললাম তার সপক্ষে দলিল।

মূতা' বিয়ে হারাম হওয়ার সপক্ষে প্রথম যেই হাদীস পেলাম তাই দিলাম:
BUKHARI VOL.5 NO. 527B
Narrated Ali bin Abi Talib


On the day of Khaibar, Allah's Apostle forbade the Mut'a (i.e. temporary marriage)
and the eating of donkey-meat.
Narrated Abdullah ibn Abbas


The temporary marriage applied only in the early days of Islam. A man would come to
a settlement where he had no acquaintance and marry a woman for the period it was
thought he would stay there, and she would look after his belongings and cook for him. But
Ibn Abbas said that when the verse came down, "Except their wives or the captives their
right hands possess," intercourse with anyone else became unlawful.

Tirmidhi 942

আর, শেইখ ইউসুফ আল কারাজাভী তাঁর 'ইসলামের হালাল হারামের বিধান' বইয়ে মূতা' বিয়ে সম্পর্কে যা বলেছেন:

Marriage in Islam is a strong binding contract based on the intention of both partners to live together permanently in order to attain, as individuals, the benefit of repose, affection, and mercy mentioned in the Qur'an, as well as to attain the social goal of the reproduction and perpetuation of the human species. Almighty Allah says: "And Allah has made for you spouses of your own nature, and from your spouses has made for you sons and grandsons...." (An-Nahl: 72)

Now, mut`ah marriage (marriage for the sake of sexual gratification) is a marriage that is contracted by the two parties for a specified period of time in exchange for a specified sum of money. While the Prophet (peace and blessings be upon him) permitted mut`ah marriage during journeys and military campaigns before the Islamic legislative process was made complete, he later forbade it and made it Haram on a permanent basis.

It was initially permitted because the Muslims were passing through what might be called a period of transition from Jahiliyyah (the pre-Islamic period) to Islam. Fornication was widespread among the Arabs before the advent of Islam. After Islam, when Muslims were required to go on military expeditions, they were under great pressure as a result of being away from their wives for long periods of time. Some of the believers were strong in faith, but others were weak. The weak in faith feared that they would be tempted to commit adultery, which is a major sin, while the staunch in faith, on the contrary, were ready to castrate themselves. Ibn Mas`ud narrates: "We were on an expedition with the Messenger of Allah (peace and blessings be upon him) and did not have our wives with us, so we asked Allah's Messenger (peace and blessings be upon him) 'Should we not castrate ourselves?' (The reason for this request was the desire to preserve their chastity, which was in danger of being affected by their unmet needs.) He forbade us from doing so but permitted us to contract marriage with a woman up to a specified date, giving her a garment as a dowry (Mahr)." (Reported by Al-Bukhari and Muslim)

Thus, mut`ah marriage provided a solution to the dilemma in which both the weak and the strong found themselves. It was also a step toward the final legalization of the complete marital life in which the objectives of permanence, chastity, reproduction, love, and mercy as well as the widening of the circle of relationships through marriage ties were to be realized.

We may recall that the Qur'an adopted a gradual course in prohibiting wine and usury, as these two evils were widespread and deeply rooted in the pre-Islamic society. In the same manner, the Prophet (peace and blessings be upon him) adopted a gradual course in the matter of sex. First, he permitted mut`ah marriage as an alternative to zina (fornication and adultery), and at the same time coming closer to the permanent marriage relationship. He then prohibited it absolutely, as all and many other Companions reported. Muslim reports this in his Sahih (Authentic Collection of Hadiths), mentioning that Al-Juhani was with the Prophet (peace and blessings be upon him) at the conquest of Makkah and that the Prophet (peace and blessings be upon him) gave some Muslims permission to contract mut`ah marriages. Al-Juhani said: "Before leaving Makkah, the Messenger of Allah (peace and blessings be upon him) prohibited it." In another version: "Allah has made it Haram until the Day of Resurrection."

আশা করি পরের বার সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন!
৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৫৭
অতিথি বলেছেন: *কনট্রাক্ট হবে
৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৪
অতিথি বলেছেন: পোস্টটা অলমোস্ট ফালতু.....
৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৮
অতিথি বলেছেন: ... আর এই অলমোস্ট ফালতু পোস্টে আমিও একটা কমেন্ট কইর্যা ফেললাম!
৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৪
অতিথি বলেছেন: আমি আবার বাদ যামু ক্যা? শিবিররে দু'দিন ধইরা চিনি না। 12 বছর ধইরা চিনি। হেরা কী কাটে সেইটা ভোরের সূর্যদয় দেখবে কি করে। হেতো দেখে ভোর। রাইত তো আর দেখে না। হেই এ রহম মন্তব্য কইরতেই পারে।
১০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৯
অতিথি বলেছেন: আস্তাগফেরুল্লাহ। দোস্ত এইসব কী উলটা পালটা পোস্ট দিতাছো? পাবলিক এমনিই আমাদের রগকর্তনের কথা ভুলে গিয়াছিলো। এখন তোমার এই পোস্টের জন্য ওইটা নিয়া আবার গবেষণা শুরু হবে। তোমাদের মাথা আসলে 5 বছরে গেছে। আরে তখন দেশে রগকাটার যে প্রচলন করছিলাম সেটি মডেল হতেই পারে। এটা তো আমাদের ক্রেডিট। তোমারে মিয়া কী যে করবো বুঝতে পারতাছি না। শালা বেকুব কোথাকার! খালি বেকুব না তুমি আস্ত একখান বোকাচোদা। খালি বোকাচোদা না বোকাচোদা দ্যা গ্রেট।
১১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৮
দুররা বলেছেন:
ইসলামে 'হিলা বিয়ে' বলতে আদৌ কিছু নেই।তবে 'হিলা-নীতি' আছে।আর সেটা হচ্ছ্তে-- প্রথম স্বামী তালাক দেয়ার পর সেই স্বামীকে পুনরায় বিয়ে করা জায়েজ হবেনা।যতন পর্যন্ত না দ্বিতীয় স্বামীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপিত হবে এবং সেই বিয়েও তালাক হবে।এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট আল-কুরআনে আছে---"তারপর যদি স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়,তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়।অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়,তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই।যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে।আর এই হলো আল্লাহ কতর্ৃক নিধর্ারিত সীমা;যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়।--সূরা বাক্বারাঃ230
স্যরি ভোরের সূযের্াদয় পোস্ট বহির্ভুত কমেন্টের জন্য।
১২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৩
মদন বলেছেন: যার মনে চায় রগ কাটুক নাকি **** কাটুক তাতে কার কি?
রগ কাটা কি শিবিরের পৈত্রিক সম্পত্তি যে তারা ছাড়া আর কেউ কাটতে পারবো না?
১৩. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:৪৫
অতিথি বলেছেন: ঠিক , মদন ভাই ঠিক । দেখা যাক শুরুটা কিভাবে হয় । ;))
১৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৪০
অতিথি বলেছেন: আমার কথা ভাই কিলিয়ার, আমরা সবার রগ কাটবার পারুম নারায়ে তকবির আল্লাহুআকবার কয়া কিন্তু তোমরা শালার আমগোর রগ কাটবার পারবা না। কারণ আমাগো লগে কাথা বালিশ লয়া ধর্ম থাকে। তোমগোর কাছে কি থাকে? আর দ্যাশের অবস্থা দেইখ্যা টের পাও না, আগামী দিন আইতাছে আমগোর দিন? আমরাই তো আগামীর ভবিষ্যত। দেখ না ক্যামনে ঘাড়ে সওয়ার হয়ে কাম ফায়সালা করন লাগে। এমন চোদনে চোদন, শালার সারাজীবন ধরে যে শফিক রেহমান জামতরে চুইদা হোর কইরা দিয়া আইলো, সেও আইজকা একটা টুটা শব্দ করবার পারে না। আরে এইডাই তো পলিসি। কাজেই সাবধান।
১৫. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১৪
অতিথি বলেছেন: ভোরের সূর্যদয়- (পোষ্টের বাইরের কিছু কথা আমিও বলি)
চরম বেয়াদবদের বেয়াদবীতে যদি মন খারাপ করে লেখালেখি বা আপনার ছবি পয়েন্টের চিন্তাধারা শেয়ার করা বন্ধ করে দেন, তাহলে তো ব্লগটা এই সব ছিন্নমূল বেয়াদবদের জন্যই দিয়ে দিলেন।
হয়তো ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, অনেকদিন হলো নতুন পোষ্ট না দেখেই বললাম। কোন বেয়াদবকে আপনার ব্লগে দেখতে না চাইলে ডিলিট দেন, ভদ্রতা শেখানোর তো এখানে আর কোন পথ নাই। কারণ, জ্ঞানের কথা তো আকাংখীরাই শুনবে, নাকি?

পোষ্ট সম্পর্কে আর কি বলবো- ইসলাম আর ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করতে করতে দেখা যায় যে, একসময় ওরাই কাহিল হয়ে ক্ষ্যান্ত দেয়। আর বাস্তব চিত্রসমূহের একটা তো আপনিই তুলে ধরলেন।
১৬. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৪১
আলী বলেছেন: ভোরের সূর্যদয়
জামাতের দালালী করতে মজা লাগে ?
১৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১২:৪৭
আমি কে বলেছেন: আরে, এই পোস্ট তো পড়ি নাই।
১৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
ফজলে এলাহি বলেছেন: আওয়ামীলীগের রগকাটাদর ছাত্রলীগের ইতিহাস তো দেখি আরো পুরোনো!!!

ধন্যবাদ বিবেক সত্যিকে Click This Link এ পোষ্টে লিংকটা শেয়ার করার জন্য।
১৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯
ফজলে এলাহি বলেছেন: আওয়ামীলীগের রগকাটাদর ছাত্রলীগের ইতিহাস তো দেখি আরো পুরোনো!!!

এ লাইনে একটু ভুল হয়ে গেছে টাইপিংয়ে- হবে:

আওয়ামীলীগের রগকাটা দল(ছাত্র সংগঠন) ছাত্রলীগের ইতিহাস তো দেখি আরো পুরোনো!!!
২০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১০
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: ........
ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ছাত্রলীগের সম্মেলনপূর্ব কর্মিসভা পণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় দু’পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। এদের মধ্যে অপু তাহের নামে দশম শ্রেণীর এক ছাত্রের দুই হাতের রগ কেটে দিয়েছে ছাত্রলীগের এক গ্রুপের ক্যাডাররা।.....
Click This Link

২১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: ....ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ঢাকা ইউনিভার্সিটির সলিমুল্লাহ হলে আরেক ছাত্রলীগ নেতার রগ কেটে চিরতরে পংগু করে দিয়েছে। আর ওই আহত ছাত্রলীগ নেতাকে রক্ত দিয়ে বাচিয়েছে শিবির কর্মীরা।....
২২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: comment by: মদন বলেছেন: যার মনে চায় রগ কাটুক নাকি **** কাটুক তাতে কার কি?
----
লগি-বৈঠার পর রগ কাটা-কাটি... আচ্ছা প্রথম আওয়ামী লীগ কখন থেকে রগ কাটা আরম্ভ করেছিল? আবার কবে ক্ষ্যামা দিল?
এখন আবার শুরু...
২৩. ১১ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
আসিফ ইশতিয়াক বলেছেন: ছাত্রলীগ শিবির দুটাই যার যার ক্যাটাগরীতে জঘন্য।

শিবিরের ভিতর রাজাকারের রক্ত।

ছাত্রলীগের ভিতর চারালের রক্ত।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯০৯২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খাই দাই গান গাই।

মাঝে মাঝে মানুষরে ফ্রি কম্পিউটার জ্ঞান বিতরন করি।

থাকি আজিজ সুপারের পাশে। তবে ওখানে অবস্থান রত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ