এই রোবটটিকে দা ভিঞ্চি নামে নামকরণ করবার কারণ, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি প্রথম রোবট তৈরী করবার পরিকল্পনা করেছিলেন। তাও সেটি পনেরশো শতাব্দীতে – নিখুঁতভাবে এঁকেছিলেন একটি রোবট, লিখেছিলেন কি কি করতে সক্ষম হবে সেই রোবট।
দা ভিঞ্চি নামের এই রোবটটির কারণে রূগীর শরীরে আগের চাইতে কাটাছেঁড়া কম করতে হয়, আমেরিকার ১০ সেন্টের (ডাইম) একটি কয়েনের সমান ফুটো করে শরীরে করে ফেলা যায় বহু জটিল সার্জারী। এভাবে সার্জারী করবার সুবিধা হচ্ছে রুগী খুব অল্প সময়ে ভাল হয়ে যায়, সংক্রমন কম হয়, ব্যথা কম পায় রুগী, রক্তক্ষরণ কম হয় এবং সর্বপরি রুগী খুব অল্প সময়েই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।
বোঝাই যায় যে এমন রোবট কেনা ব্যয়সাধ্য ব্যপার – একটি রোবট কিনতে খরচ পড়ে যায় এক মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
এমন রোবট আগের চাইতে অনেক নিখুঁতভাবে জটিল সার্জারীগুলো করে ফেলছে। এতে বেঁচে যাচ্ছে ডাক্তার এবং নার্সদের সময়, রুগীরাও লাভবান হচ্ছে অনেকদিক থেকে। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন যে ভবিষ্যতে দা ভিঞ্চি বা এর চাইতেও উন্নত রোবটের ব্যবহার কি শল্যচিকিৎসকদের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনবে? নৈতিকতার একটি প্রশ্ন চলে আসে। কিন্তু কে জানে, হয়তো এমন দিনও আসতে পারে যখন কনসোল থেকে আর রোবটকে চালানোর দরকার পড়বে না, রোবটেরা নিজেরাই নিজেদের চালনা করতে পারবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

