পাকিস্তনের আগে ও পরে জিন্নাহ বলেছিলেন পাকিস্তনের রাল্ট্রীয় কাঠামো জনগণ্ই নিজ হতে গঠন করবে। মুসলিম সরকার পাকিস্তানের কনস্টিটিউশন রচনা করবেন এ কথার মানেই জনগণ করবে। কিন্তু পাকিস্তান হাসিলের পরপরই বাঙলার মুসলিম লীগ ভেংগে দেওয়া হয়। তাদের যুক্তি ছিল বাঙলা ভাগ হয়ে গেছে তাই মুসলিম লীগ সঙগঠন বাংলায় ভেংগে দিতে হবে অথচ পান্জাব বিভক্ত হওয়ার পরেও পান্জাব মুসলিম লীগ ভাঙগা হয়নি।
দ্বিতীয়ত নিজেদের বাধ্য অনুগত লোক দিয়ে এডহক কমিটি গঠন করলেন।
তৃতীয়ত মুসলিম লীগ গঠনের জন্য প্রাইমারি মেম্বররশিপের রশিদ বই বগল দাবা করে। মুসলিম লীগ কর্মীদের পক্ষে জনাব আতাউর রহমান খা ও বেগম আনোয়ারা খাতুন প্রথমে মাওলানা আকরম খা ও পরে চৌধুরী খালিকুযযামানের কাছে দরবার করেও রশিদ বই পান নাই। তারা নাকি স্পপষ্ট বলে দিয়েছিলেন এখন তারা আর লীগের বেশি মেম্বর করতে চান না । এখন শুধু গঠনমূলক কাজ দরকার ।
লীগ নেতৃত্বের এই মনোভাব ছিল অযৗক্তিক ও অবৈজ্ঞানিক। তবে কি মুসলিম লীগ নেতারা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃবৃন্দের পন্থা অনুস্ণ করছেণ। কমিউনিস্ট বা ফ্যাসিস্ট ইত্যাদি বিপ্লবী পার্টির সাঙগঠনিক জোট ও শক্তির জন্য এব নেতৃবৃন্দের নিরাপত্তার খাতিরে অনেক সময় সাবধানতা অবলম্বনের দরকার হয় । পাটি আদর্শের বিরোধী লোকের নিতান্ত গণতান্ত্রিক উপায়ে পাটিতে ঢুকে বিভীষণ বা পঞ্চম বাহিনীর কাজ করে থাকে। সেজন্য পার্টির লোকেরা এক্সেসিভ গ্রোথের বিরুদ্ধে হুশিয়ার থাকে। কিন্তু মুসলিম লীগ তেমন ফ্যাসিস্ট ছিল না। কাজেই সাবধানতার কোন দরকার তার ছিল না। অগত্যা মুসলিম লীগ কর্মীরা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রথমে নারায়নগন্জে ও পরে টাঙ্গাইলে কর্মী সম্মিলনী করে নেতাদের কাজের তীব্র প্রতিবাদ করেন। এবং মুসলিম লীগের দরজা খুলে দেবার দাবি করেন। নেতারা কর্লপাত না করায় ১৯৪৯ সালে কর্মীরা নিজেরাই মুসলিম লীগ গঠন করেন । সরকারী সুসলিম লীগ হতে পার্থক্য দেখাবার জন্য তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম রাখলেন আওয়ামী (জনগণের) মুসলিম লীগ ।
তথ্যসূত্র: আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর।আবুল মনসুর আহমদ
কিন্তু পচাত্তরে একবার আর এখন আবার গনমাধ্যম কন্ঠ রুখে নতুন ভাবে ফ্যাসিজমের দিকে ধাবিত হচ্ছে আওয়ামীলীগ। আওয়ালীগ কতটুকু সচেতন আওয়ামীলীগ বিরোধীরা কতটুকু সচেতন আর আমরা সচেতন জনগণ কতটুকু সচেতন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



