somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“রাতের গর্ভে শুয়ে থাকা দিনের পিতা”

০৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



“রাতের গর্ভে শুয়ে থাকা দিনের পিতা”

অজ্ঞানতার কুলীন চাদরখানা টেনে নিলীমা ঘুমায় । রাতের গর্ভ ছিঁড়ে দিনের আলো শুদ্ধতম রোশনাইয়ের পিদীমখানা জ্বেলে দিলেও নিলীমা অন্ধকারের চাদরখানা জড়িয়ে রাখে মনের শরীরে । আড়মোড়া ভাঙেনা, ওম দিয়ে পড়ে থাকে । মনের নাবুঝ ডিমখানা তার আধখেঁচরা ওমে ভেতরে ভেতরে এক একটা ক্লেদাক্ত ভ্রুনের জন্ম দিতে থাকে । এক থেকে দুই, দুই থেকে চার, চার থেকে ........ ।
সে বীজভ্রুন ছড়িয়ে যায় সবখানে , নিলীমার যতো আকাশ আর পাতাল আছে তার সবখানে । সে বীজ থেকে আপাতঃ উজ্জ্বল সোনার বরণ স্বর্ণলতার কচি তনুখানি ডানা মেলে দিলেও সে ডানায় আছর করে থাকে পৌরানিক নির্বুদ্ধিতার বিষ । কলুষিত জ্ঞানের পঁচাগলা গন্ধম রস । অবুঝ নিলীমা আবেশে জড়ায় তাকে । তার দেহকোষের প্রানভোমরা যে তাতে শ্বাসরূদ্ধ হয়ে ওঠে নিলীমা বোঝেনা তা ।
দু’কলম পাশ দিয়েই নিলীমা ভাবে , যা কিছু ছিলো জানার তা হয়েছে শেষ । এখন স্তবের গান শোনাই তার শেষ পারানীর কড়ি । উৎরে যাবে সে স্বর্গের কৈবল্যধাম । স্বর্ণলতার সে মোহময় জালে আটকে যায় নিলীমার মনের চৌহদ্দি । ফুল ফল বিহীন সে লতা অজগরী পাঁকে ফেলে গিলে খায় তাকে । নিলীমা আচ্ছন্ন হয়ে থাকে তার বুদ্ধির ঘরে ঝোলানো রং-তামাশার নামাবলীর বদখত কারূকাজে। সে নামাবলী জনে জনে ডেকে ডেকে দেখায় নিলীমা। দেখনেওয়ালারা বুঁদ হয়ে দেখে যায় সে নামাবলীর গায়ের নকশা কাটা ঘুলঘুলির অন্ধকার । সে দেখায় অন্ধকারের গর্ভে শুয়ে থাকা দিনের পিতার আদল দৃশ্যমান হয়না ! তাদের জ্ঞানের চোখে লাগানো ঠুলির আস্তরণ পেড়িয়ে সূর্য্যের আলো ঢোকেনা কোথাও, পড়ে থাকে অন্ধকার ।

বাইরের পৃথিবীতে সহোদরা রাতের গর্ভে শুয়ে থাকা দিনের পিতা যখন ধীরে ধীরে আড়মোড়া ভাঙে , নিলীমার খোয়াব দেখা চোখে তার রোশনাই ধরা পড়েনা । পিতার পৌরুষে যে সপ্তসমুদ্র মন্থনের বীর্য্য অমরতা ছড়ায় ধরা পড়েনা তা । ধরা পড়েনা তার উর্দ্বারোহনের বাসনায় সে যে তার নিজের পতনকেই কামনা করে চলেছে নিয়ত, তা-ও । জরাতুরা বসুন্ধরার মতো নিলীমার বুদ্ধির ভাড়ার ঘরে অস্তরাগে লীয়মান আলোর অঞ্চল সীমিত হয়ে এলে অজড়, অমর কম্পমান পত্রাবলীর সংগীত শোনা হয়না তার ......................



[ এরপর থেকে আমার নতুন লেখা দেখার আমন্ত্রন রইলো আমার নতুন ব্লগ পোস্টএ এখানে
অতল জলের আহ্বান]

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৩
২৩টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-১০)

লিখেছেন আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:২৫


আত্মজৈবনিক উপন্যাসঃ স্বপ্ন বাসর (পর্ব-৯)

চাও নাহি চাও, ডাকো নাহি ডাকো,
কাছেতে আমার থাকো নাহি থাকো,
যাবো সাথে সাথে, রব পায় পায়, রব গায় গায় মিশি-

পরদিন সকাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ল্যান্ড অব অপরচুনিটি

লিখেছেন সালাহ উদ্দিন শুভ, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৪



বাংলাদেশ..
বলা হয়ে থাকে ল্যান্ড অব অপরচুনিটি।
গভর্নমেন্ট থেকে শুরু করে ইয়ুথ ফোরামগুলো সবাই আপনাকে উদ্যোক্তা হতে বলবে। আপনিও অনার্স পাস করে শুরু করবেন লাখ টাকা ইনভেষ্টে আপনার পদযাত্রা। অতঃপর আসল... ...বাকিটুকু পড়ুন

এমন যদি হতো আহা!

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৯



©কাজী ফাতেমা ছবি

এমন যদি হতো হঠাৎ, ঘুমের ঘোরে আমি,
ডানা মেলে উড়ে গিয়ে, মেয়েবেলায় থামি!
যেখানটাতে গরুর রশির, দোলনা আছে পাতা,
মাথার উপর যেখানটাতে, বটবৃক্ষের ছাতা।

এমন কেনো হয় না আহা, অতীত পাই না... ...বাকিটুকু পড়ুন

রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই!

লিখেছেন সৈয়দ তাজুল ইসলাম, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭


রেলমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবী তুলাই যায়, তবে আপনাকে বুঝতে হবে এমন ঘটনা বাংলাদেশে এবারই প্রথম নয়। এদেশে এরকম ভূরিভুরি ঘটনার জন্ম হয়ে অপ্রাপ্ত অবস্থাতেই মৃত্যু ঘটেছে। সুতরাং কেউ যদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাপড় দেবো- খুলে.....

লিখেছেন কিরমানী লিটন, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪



শুনো প্রভু, নাটের গুরু
শুনো প্রিয় মোদি,
দেশটা পুরো নিতে পারো
বিনিময়ে গদি।

ফেনী সেঁচে পানি দেবো
ইলিশ দেবো ফাও,
মংলা দেবো পায়রা দেবো
টিপাই যদি চাও।

পদ্মা বেঁধে রাস্তা দেবো
সাগর দেবো তুলে,
যুদ্ধ বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×