মহানবী হযরত মোহাম্মদ(সঃ) ছিলেন নারীবাদী। সপ্তম শতকের আরবে আল্লাহর নামে তিনি যে ধর্ম প্রচারণা শুরু করেন তাতে নারীদের সমৃদ্ধিই ঘটেছিল। স্থানীয় পৌত্তলিক সমাজে নারী শিশুকে জ্যান্ত কবর দেয়া হত। মহিলারা পুরুষদের কাছে স্রেফ সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার হত; তবে ইসলামী আইন নারী শিক্ষাকে একটি পবিত্র দায়িত্বে পরিণত করে। মহিলাদের নিজস্ব এবং সম্পত্তির অধিকার দেয়া হয়। মোহাম্মদ (সঃ) এমনও ঘোষণা করেছিলেন, যৌন তৃপ্তিতে মেয়েদেরও হক বা অধিকার রয়েছে। ঘরে এবং বাইরে সব জায়গাতেই তিনি ছিলেন সমান উদার। পরনের কাপড় তিনি নিজেই সেলাই করতেন। তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে ছিলেন ব্যবসায়ী, যোদ্ধা, মুচি এবং ইমামও।
আজ থেকে চোদ্দশো বছর আগে মুসলমান মেয়েরা হযরতের দয়ায় যে স্বাধীনতা ভোগ করেছে, একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে সেই স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত অনেক মুসলিম দেশের নারীই। বেশিরভাগ মুসলিম দেশের নারী শুধু পরাধীন জীবন-যাপনই করছে না, মৌলিক অধিকার থেকেও তারা অনেকখানি বঞ্চিত। কিছুদিন আগেও তালেবান অধু্যষিত আফগানিস্তানে মুসলমান মেয়েরা কি রকম মানবেতর জীবন-যাপন করেছে তা কারও অজানা নয়। ইসলামের নামে তাদের শুধু গৃহবন্দী করে রাখাই হয়নি, মৌলবাদী পুলিশের হাতে নানা ছুতো নাতায় অমানুষিক নির্যাতনও সহ্য করতে হয়েছে অনেককে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


