রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠের পাশে বিশ্ববিদ্যালয় পশ্চিম পাড়া শিশুপার্কের দণি সীমানার পূর্ব ও পশ্চিম ধারে ছিলো কৃষ্ণচূড়া গাছ দু'টি। সমপ্রতি পার্কটির সংস্কার কাজ শুরু হয়। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নতুন দেয়াল নির্মানের। তা করলে গাছ দু'টির শেকড় দেয়ালে ফাটল ধরাবে এই অজুহাতে প্রকৌশল দপ্তর এ দুটি গাছসহ পার্কের 3টি গাছ কেটে ফেলার পরামর্শ দেয়। এর প্রেেিত গত 27 মার্চ কৃষি প্রকল্প দপ্তর গাছ 3টি কেটে ফেলার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করে। এবছরের এপ্রির্ল মাসের এক সকালে পার্কের একটি আকাশমনিগাছসহ বারো বছরের পুরানো কৃষ্ণচূড়া গাছ দুটি কেটে ফেলা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে ওই গাছগুলো দেখে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল ও কলেজের এমন কয়েকজন শিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুরানো দেয়াল যেখানে ছিলো নতুন দেয়ালটিও সেখানেই নির্মাণ করা হচ্ছে। গাছগুলো রেখে পুরানো দেয়াল নির্মাণ করা গেলে নতুন দেয়াল নির্মাণ করতে গাছ কাটতে হলো কেনো? এ প্রশ্ন গাছ কাটতে আসা দু'জন শ্রমিকেরও। দেয়ালের নির্ধারিত জায়গা থেকে গাছ দু'টোর দুরত্বও প্রায় 4 ফুট। তারা প্রশ্ন রাখেন, এতো দূরত্ব থাকার পরেও যদি সমস্যা হতো তাহলে দেয়াল সামান্য পিছিয়ে নির্মান করে গাছ দুটি বাঁচিয়ে রাখা যেত। কিন্তু তা না করে কেন গাছ দুটি কেটে ফেলা হলো?
তবে কেটে ফেলা কৃষ্ণচূড়া গাছদুটির লাল টকটকে ফুল নিয়ে খেলা করলেও সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী তিশা বলেন, প্রতিদিন কৃষ্ণচূড়ার লাল ফুল দেখে ভালো লাগতো। এখন থেকে স্কুলে এসে ফুলগুলো আর দেখতে পাব না ভেবে খারাপ লাগছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ কাটার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও মসজিদের নির্ধারিত জায়গা থাকার পরেও কাজলা গেটের কাছে 45 টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলা হয়। একের পর এক নির্মাণ কাজের জন্য গাছ কাটা হলেও সে তুলনায় গাছ লাগানো হয়নি।
এভাবে আর কত বৃক্ষ নিধন করা হবে? আসুন আমরা সবাই মিলে বৃক্ষ নিধনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


