somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাহমুদুর রহমান
আমার নাম- মাহমুদুর রহমান।কোন কুসংস্কারে বিশ্বাস করি না।যে কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকে ঘৃণা করি।নিজের ধর্ম ইসলামকে খুব ভালোবাসি।ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে মানবিক হতে শিখায়,সহনশীল হতে শিখায়,সামাজিক হতে শিখায়।নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি।

হযরত ঈসা (আঃ) এর জন্ম বিষয়ে আমার মতামত।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ থেকে পাচ শতাধিক বছর পূর্বে মানুষ বিফ কিংবা চিকেন বার্গার সম্পর্কে কোন ধারনা রাখতো না।অথচ আজ মানুষ সেগুলো তৈরি করে ফেলেছে।এখন যদি আপনি পাঁচশত বছর পূর্বে গিয়ে বলেন, আমরা বিফ বার্গার খাই।প্রতিউত্তরে সে মানুষগুলো বলবে, বেটা পাগল হয়ে গেছে।খুবই স্বাভাবিক কিন্তু তাই না? এই যে হ্যাঁ আপনাকেই বলছি,তারা বলবে আপনি পাগল।আর আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করে ভাই বার্গার এই জিনিস্টা খাওয়া পরে আগে বলেন দেখতে কেমন?আপনি বলবেন, আজব!কিংবা বলতে পারেন ,বার্গার দেখতে গোল।এটা দুইভাগে বিভক্ত।এর যে মধ্যাংশটা সেখানে বিভিন্ন সস,সালাদ আর মাংস মিক্স করে রাখা হয়।এক কামড়েই শান্তি।আহ!কি মজা।এখন বলুন তো আদিকালের সেই মানুষগুলো কি বার্গারের স্বাদ অনুভব করতে পারবে?এক কথায় উত্তর হবে না।

আবার ধরুন, গ্রামের একজন কৃষককে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কাকা আপনার কাছে আইফোন সিক্স হবে?উত্তরটা দেওয়া পরে, আগে সে হতভম্ব হবে তারপর বলবে এটা আবার কি?অথবা আপনি একটা মোবাইল কম্পানির দায়িত্বে আছেন,একজন কৃষক এসে বললো, বাপজান আমারে একটা মোবাইল দেন।আপনি স্যামসাং এর এন্ড্রেয়েড ভার্সনের একটি মোবাইল বের করে বললেন, এটা আমাদের এখানকার ল্যাটেস্ট ভার্সন, অনেক ফিয়েচার আছে।মানুষটা বলবে, হইছে বাপজান, ঐ যে টিপ দিয়ে যে কল করে ঐ রহোম একটা দেও।আপনি মনে মনে বলবেন, বেটা তো দেখছি অশিক্ষিত, আমার কথাগুলোই মূল্যায়ন করছে না, আদিকাইল্যা খ্যাত!

মুসলিম জাতির অন্যতম প্রান হযরত ঈসা (আঃ) এর জন্ম ইতিহাস যদি আজকাল কোন নাস্তিকের কাছে বলতে যান, সে নির্দ্বিধায় আপনাকে কটূ কথা বলবে।এর কারন তাদের অবস্থা ঐ কৃষক কিংবা মোবাইল কম্পানির মানুষটার মত।ঈসা (আঃ) এর জন্মকাল অনেক বছর পূর্বে।তিনি কিভাবে জন্ম গ্রহন করেছেন সেটা আমরা স্বচক্ষে কখনও প্রত্যক্ষ করি নাই।তবে আমরা বিশ্বাস করেছি।কাকে? আমাদের মহান রবকে।যে রব মানুষ সৃষ্টি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বিস্তারিতভাবে বলেছেন আমরা তার বাস্তব প্রমান পেয়েছি গবেষনা কিংবা অনুসন্ধানের মাধ্যমে।আমরা প্রমান করতে সক্ষম হই তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল মেশিনটাকে কি সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন,সুবাহা'ন আল্লাহ্‌! আর যিনি এতো সুন্দর করে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তার বর্ণনা পবিত্র কোরআনে দিয়েছেন; তিনি তো আর মিথ্যা বলতে পারেন না।তাই হযরত ঈসা (আঃ)কে তিনি যেভাবে সৃষ্টি করেছেন সে কথা আমরা কোনভাবেই অবিশ্বাস করতে পারি না।কারন তিনি সত্যবাদী।

সমস্যা হলো,আল্লাহর সৃষ্টিতে তিনি কোন কোনটিকে প্রকাশ করেছেন আবার কোন কোনটি অপ্রকাশিত করে রেখেছেন।আমরা সৃষ্টি। আমাদেরকে এমন কোন জ্ঞান তিনি দান করেন নাই যার কারনে আমরা মহান রবের অপ্রকাশিত কিংবা অদৃশ্যমান বিষয়ে জানতে সক্ষম হবো।যেমন গরুর কথাই ধরা যাক।গরুর পা আছে কিন্তু হাত নেই।এখন যদি বলি গরু হাত দিয়েই খাবে আর এই জন্য তাকে হাত দিতে হবে; এইভাবে আল্লাহকে বলি তাহলে কিন্তু হবে না।কারন তিনি বলেন, তিনি যা জানেন আমরা তা জানি না।কারন আমাদের জ্ঞান খুব সীমিত।আর এই সীমিত জ্ঞান দিয়ে আপনি যদি সীমানার বাহিরে গিয়ে অনুসন্ধান করতে যান তাতেই সমস্যাটা বাঁধবে।অর্থাৎ শয়তান এখানে সুযোগ পাবে এবং আল্লাহর পথ থেকে আপনাকে দূরে সরিয়ে দিবে।আজকালকের নাস্তিকরা এই জন্যই নাস্তিক।আচ্ছা নিজেই ধরুন, আপনার ইচ্ছা আপনি আকাশে উড়াল দিবেন,আপনি দিন তো দেখি কি করে উড়াল দেন।আপনি পারবেন না।কারন আপনার পাখা নেই।তাই সীমানা অতিক্রম করবেন এই চিন্তা ভুলে যান। বাস্তবতা আপনাকে মেনে নিতেই হবে।কিচ্ছু যে করার নেই।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:১০
৭টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাও সে তুং-এর 'পিপলস কমিউন' ব্যবস্থা যেভাবে ৩-৪ কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬



চীনের আধুনিকায়নে মাও সে তুং-এর নেওয়া সবচেয়ে বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষাগুলোর একটি ছিল কৃষির সমবায়িকরণ এবং "পিপলস কমিউন" ব্যবস্থা, ১৯৫০-এর দশকে শুরু হওয়া এই ব্যবস্থার মূল... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার রিসাচ পেপার পাবলিশভ

লিখেছেন মোঃ মােজদুল ইসলাম, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৩৪

Hailstorm, Rain, Dust The effect of Climate Change in Bangladesh
XXXX
IOSR Journal of Environmental Science, Toxicology and Food Technology
2319-2402
International Organization of Scientific Research
www.iosrjournals.org
Open Access Publishing
Blind Peer Review Process
Indexed Refereed Journal
20
06
10.9790/2402-2006020106 ...বাকিটুকু পড়ুন

সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

সংস্কৃতি হারালে, বাংলাদেশ শুধু মানচিত্রে থাকবে- আত্মায় থাকবে না

একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সব সময় যুদ্ধ লাগে না।
তার ভাষা, সাহিত্য, গান, নাটক, ইতিহাস আর সংস্কৃতিকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করে দিলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×