somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধার্মিকতার মুখোশধারী আস্তিক ও আমাদের ধর্মাশ্রয়ী সমাজ।

২২ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা ধর্মাশ্রয়ী সমাজে বসবাস করি, আস্তিকতার ছাঁচে ঢেলে নিয়েছি আমাদের দৈনন্দিন জীবন। কত শত মোল্লা/আলেম আমাদের ডাস্টবিনের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, ভাবলেও গাঁ শিওরে উঠে।

কেউ বা সৌদি পন্থী, কেউ বা পাকিস্তান। আবার ইড়ানের দালালও আছেন কেউ কেউ। একসময় মার্কিন দালালরা আজ আবার পাকিস্তানের পা চাটা কুত্তাদের সাথে গলা মিলিয়ে ঘেউ ঘেউ করছেন।

ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে, জুব্বা-শিরওয়ানী পার্টির আজ অভাব নেই।

মাজার পার্টিতো আরও এককাঠি উপরে। মরা মানুষের কিছু করার ক্ষমতা থাকলে হাসিনা-খালেদার আগেই তো শা'জালাল কিংবা দেওয়ানবাগী পীর, অথবা আটরশির হারামীর দলই হতে পারতো দেশের দন্ড-মুন্ডের কর্তা।

এ কোন আজব দেশে আমরা বাস করি?

আমাদের বিবেক কি মরে গেছে?

কেউ কেউ আওয়ামীলিগের সব কিছুতেই ভারত-প্রীতি খুজে পাচ্ছেন, আবার কেউ বা বিএনপি/জামাত কেই হাজির নাজির মানছেন। আপনারাকি ভেবে দেখেছেন এই দালালী আপনার পরবর্তি প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?

বাংলাদেশে একজন হিন্দু মেয়ে ধর্ষিত হলে, সে মোসলমান নয়, তাই আমাদের মুখে কুলুপ এটে বসে থাকি।

আমি বলছিনা হিন্দু মেয়েটিকে ধর্ষন করা যায়েজ।

আমাদের জামাত/হিজবুত (ভন্ডের দল) চক্র মক্তবে বসে পরিপূর্ন জীবনবিধানের কথা বলেন। এই পৃথিবীর সৃষ্টি যখন হয়েছিল তখন কি এই হিজবুত ছিলো? না থাকলে তাদের কি অধিকার আছে পুরনো বইকেই 'পরিপূর্ন' দাবি করার?

ইরাক আজ সম্পূর্নরূপে ধ্বংসপ্রায়। আফিম আর হেরোইনের চাষ করে আফগানিস্তানের অবস্থাও শোচনীয়। স্লামিক রিপাবলিক পাকিস্তান তো নিজের পায়ে নিজেই কুড়োল মেরেই বসে আছে। ইরানী শিয়ারা ইসলামী ভন্ডামীর চুড়ান্ত নজির। বাংলাদেশ নামক দেশটি আজ মোল্লা, হিজবুত ও ইরানী-পাকিস্তানী দালালে পরিপূর্ন।

আসছে সেই দিন, যে দিন মানুষের ধর্মবিশ্বাস ভেঙ্গে যাবে। ইসলামী অর্থনীতির নামে একই ব্যাবসার স্বরূপ শীঘ্রই আমরা জানতে পারবো। আইসিইউতে আর কত অক্সিজেন আছে তার উপরই নির্ভর করছে তার সমাধি কত দ্রুত নির্মান করা যায়।

ইহা সম্পূর্নরূপে এই বলদের হাম্বা হাম্বাকে ;) ব্যাঙ্গ করে রচিত।
১২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এসো ঈদের গল্প লিখি..... পড়ি

লিখেছেন অপ্‌সরা, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১১


আরও অনেকের গল্প পড়ার অপেক্ষায়..... স্বপ্নের শঙ্খচিলভাইয়া, নতুন নকিবভাইয়া, প্রবাসীকালোভাইয়া,ওমর খাইয়ামভাইয়া, হুমায়রা হারুন আপুনি, করুনাধারা আপুনি, মেহবুবা আপুনি, রাজীব নূর ভাইয়া, রানার ভাইয়ার গল্প পড়তে চাই, জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×