somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পথে পথে চলতে চলতে

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আবার সেই বাসের গল্প। কর্মস্হলে বা শিক্ষালয়ে যেতে প্রতিদিনই বাসে চড়তে হয়। এক-দেড় ঘন্টার সেই ভ্রমনে কত বিচিত্র দৃশ্যই না দেখতে পাই! কিছু মজার, কিছু বেদনার, কিছু ভয়ংকর, আর কিছু আবেগের।

একদিন বাসে উঠতেই চালক সাদর-সম্ভাষণ জানাল। অবাক হবার মতো কিছুই না।এখানে প্রায় সব চালক ই তাই করে। আসল মজা শুরু হলো সীটে বসার পরে। চালক সাহেব ধারাভাষণ দেয়া শুরু করেছে। তিনি একে একে বর্ননা করে যাচ্ছে বাইরের আবহাওয়া (বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল), বাসের গন্তব্যস্হল, প্রতিটা রাস্তার নাম, পরবর্তী বাসষ্টপের নাম। নেমে যাওয়া যাত্রীদের উইস করতে তিনি ভুল করছিলেন না। আমি খুব মজা পাচ্ছিলাম। বাসের সবাই ব্যাপারটা এনজয় করছিল। অনেকেই হাসি চাপাতে পারছিলোনা।

এখন যে ঘটনাটা বলবো সেটা একটু অন্যরকম। আমি সাধারনত বাসের পেছনের সিটে বসি। সেদিনও তাই করেছি। একটা ষ্টপে বাস থেমেছে। কিছু যাত্রী ওঠানামা করলো। শেষে উঠলো এক মধ্য ব্য়ষের মহিলা। তার ছোট ছোট তিনটি ছেলে তার আগেই বাস উঠে পরেছে। মা বাসে উঠে দু্ই ছেলেকে সামনের সীটে দেখতে পেল। আর একজন কই! মা পুরো বাসে চোখ বুলিয়ে নিল। ছেলে নেই। মায়ের চোখ খুজতে লাগলো ছেলেকে। এক যাত্রী ইসারা করে দেখিয়ে দিল। ছেলে অভিমান করে বসে আছে বাসের সিড়িতে। মা কাছে গিয়ে ছেলেকে আদর করে মান ভাংগাবার চেষ্টা করলো। ছেলেও কাঁদতে কাঁদতে মাকে জড়িয়ে ধরলো। যত অভিমান মায়ের কাছে। দৃশ্যটা মনে ধরে গেল।

সব রাগ-অভিমান মায়ের সাথেই করা যায়। আবার মা কাছে এসে আদর করলেই সব ভুলে যাওয়া যায়।

৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে আয়না আর প্রতিচ্ছবি রাখে না

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমাদের ভালোবাসা ছিল এক গোপন সন্ধ্যার মতো,
জোনাকিরা তখন শব্দহীন কবিতা হয়ে বসত সিঁথির পাশে,
হাত ধরলেই হৃদয় জেগে উঠত,
বুকের ভেতর গুনগুন করত অনন্ত প্রতিশ্রুতির গান।

তুমি তখন আমার দেহে নয়,
আমার সত্তার স্পর্শে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুতাপ (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

একনাগাড়ে ৪-৫ বছর কাজ করার পর রহিমের মনে হলো, নাহ! এবার আরেকটা চাকরি দেখি। লোকাল একটা কোম্পানিতে কাজ করত সে। কিন্তু কোনকিছু করার জন্য শুধু ভাবনাই যথেষ্ট নয়। সে চাকরির... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


করোনার সময় নানান উত্থান পতন ছিল আমাদের, আব্বা মা ছোটবোন সহ আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় মরে যেতে যেতে বেঁচে গিয়েছিলাম শেষ মুহূর্তে, বেঁচে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×