somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যানজট নিরশনে সময় ভিত্তিক যান নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি। আপনারা কি মনে করেন ?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অফিস টাইম শুরুর (সকাল ৮-১০টা) এবং অফিস টাইম শেষের (বিকাল ৪-৫টা) এই সময়ের মধ্যে রাজধানীর রাস্তায় "প্রাইভেট কার" চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। এই সময়টুকুর মধ্যে শুধুমাত্র যাত্রিবাহী বাস সহ অন্যান্য মটর যান নিজ নিজ বিধি মোতাবেক চলতে পারবে। আর যাদের প্রাইভেট কারে করে অফিসে যাতায়ত করতে হয় তারা এই সময়ের আগে কিংবা পড়ে গড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারবেন। এতে করে রাজধানীতে প্রাইভেট কার নিষিদ্ধ না করেই যানজট সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

উল্লেখ্য যে, সুদীর্ঘ ২ মাসের ;) :D নিয়মিত বাস জাতায়তের অভিজ্ঞতা থেকে আমি এই পদ্ধতিটির ধরনা পাই এবং প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে সক্ষম হই। গত ডিসেম্বর মাস পুরটা জুরে যখন হরতাল অবরোধ চলছিল তখন ঢাকার রাস্তায় একমাত্র প্রাইভেট কার বাদে অন্য সকর গড়িই সাভাবিক ভাবে চালাচল করেছিল এবং মানুষও প্রায় নির্ভিগ্নে গন্তব্যে পৌছতে পেরেছিল, হরতাল-অবরোধের মধ্যে জালাও-পড়াওয়ের মতো কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে বাদ দিলে, এমকি প্রাইভেট কারে চরিয়ে লোকেরাও পাবলিক বাসে কিংবা রিক্সায় চরতে অব্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ঐসময় যদি হরতাল-অবরোধ না থেকে শুধুমাত্র পাইভেট কার চলচল বন্ধ থাকতো তাহলে মানুষ নির্ভয়ে এবং আরও সাভাবিক ভাবে তার গন্তব্যের উদ্দ্যেশে যাতায়ত করতে পারতো।

একটা প্রাইভেট কারে মানুষ থাকে ১-২ জন কিন্তু সে রাস্তায় জায়গা দখল করে থাকে একটা পাবলিক বাসের অর্ধেকের সমান যেখানে মানুষ থাকতে পারে ২০-২৫ জনের মতো। এতএব দেখা যাচ্ছে যে একজন প্রাইভেট কার ওনার ২০ সাধারন যাত্রীর সমান রাস্তা দখল করে থাকে। অথচ রাষ্ট্রকে ট্যাক্স প্রদান করার ক্ষেত্রে, ঐ ২০জন ব্যাক্তির কন্ট্রিবিউশনই বেশি। কিন্তু রাষ্ট্রিয় সুবিধা বেশি ভোক করছেন প্রাইভেট কার ওনার। এই ইনজাস্টিস সিস্টেম টাকে জাস্টিসের মধ্যে আন্তে গেলে ঢাকা শহরের জন্য আমার উপরূক্ত পদ্ধতিটি অনুসরনের বিকল্প নেই। যারা রাস্তায় রাষ্ট্রিয় সুবিধা বেশি ভোগ করতে চান তারা ঐদুইটা সময় যাতায়ত থেকে বিরত থাকুন আর এই একই আইন আমাদের চাকার-বাকর মন্ত্রী-এমপি-ভিএইপি দের জন্য বেদ বক্য হিসেবে মান্য করা হোক।

প্রাইভেট কারে বইসা যদি আরাম করতেই হয় তাইলে সময়ের ব্যপারে একটু ছার দিয়ে চলতেই হবে।

[আরও সংযোজন: প্রয়োজনে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় পরির্বতন করে এমন অবস্থায় আনতে পারি যাতে করে, অধিক সংখ্যায় অফিসগামী যাত্রীদের সংঙ্গে তাদের যাতায়তের কনফ্লিক্ট দূর হয়। ]
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১১:৫৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×