somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গত কয়েক দিন ! যুঞ্চিক্তর ইসলাম বিরুধী পোষ্ট,এবং পক্ষে বিপক্ষে,তর্ক বিতর্ক, এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে কি বলেন?

০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুঞ্চিক্ত পবিত্র কুরআনের আয়াত এবং হাদিস কে নিজের ইচ্ছে মতো উপস্হাপন করেছেন। মানুষকে বিব্যান্ত করার জন্য। এবং যারা তার পক্ষে বলেছেন তাদের কেউ কেউ এই কাজটি করেছন। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহ তায়লা বলেন,

"সে পার্শ্ব পরিবর্তন করে বিতর্ক করে, যাতে আল্লাহর পথ থেকে বিব্যান্ত করে দেয়। তার জন্য দুনয়াতে লাঞ্চনা আছে এবং কেয়ামতের দিন আমি তাকে দহন-যন্ত্রনা আস্বাদন করব। (সুরা হাজ্জ ৯)"

আল্লাহ তাদেরকে যন্ত্রনা দিবেন। আমরা আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাই। এমন ব্যক্তিদের জন্য এই দুনিয়াতে বসবাসের স্থান হইতেছেনা। কোন দেশ এমন ব্যক্তিকে রাখতে চাইতেছে না।
আবার অনেকে ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছেন ইসলাম নিয়ে বিতর্ক করা যাবেনা । আল্লাহ তায়ালা বলেন,

"কতক মানুষ অজ্ঞানতাবশতঃ আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তানকে অনুসরণ করে। (সুরা হাজ্জ ৩)"

"এই দুই বাদী বিবাদী, তারা তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বিতর্ক করে। অতএব যারা কাফের, তাদের জন্য আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে, তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে। (সুরা হাজ্জ ১৯)"

এখানে ১৯ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তায়লা, বাদী,বিবাদী দুই পক্ষ বুঝিয়েছেন,( অতএব যারা কাফের) এক পক্ষ কাফের যারা আল্লাহর কে বিশ্বাস করেনা, আর এক পক্ষ যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে। আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন,

"নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের কে দাখিল করবেন উদ্যান সমূহে, যার তলদেশ দিয়ে নির্ঝরিণী সমূহ প্রবাহিত হবে। তাদের কে তথায় স্বর্ণ-কংকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হবে এবং তথায় তাদের পোশাক হবে রেশমী। (সুরা হাজ্জ ২৩)

এই পবিত্র কিতাবের উপরে অনেকে ঈমান আনেন'নি। বরং মানুষকে বিব্যান্ত করার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন। যারা এমন কাজ করেন , তাদের কে বলবো আপনারা কুরআনকে ভালো করে বুঝে পড়ুন। এবং দিন শেষে অন্তত এক বার ভাবুন, আপনি কি কি ন্যায় ও অন্যায় করেছেন। নিজের অন্তরকে পরিস্কার করুন। পবিত্র কুরআনে অনেক আয়াত আছে যা পড়ে একটু চিন্তা করলে। আমরা, আল্লাহ, কুরআন,নবী রাসুল সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পেতে পারি এবং পাই।
পবিত্র কুরআন নাযিল হয়েছে প্রায় ১৪শত বছর আগে। তখন কুরআনে যা লিখা হয়েছে। আমরা বর্তমানে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তাই দেখতে পাই। যাহা যন্ত্রপাতির সাহায্য ছাড়া, মানুষ জানতে পারেনা, বুঝতে পারেনা, তা কুরআনে লিখা আছে। এতে কি আমরা বুঝতে পারিনা কুরআন মানব রচিত কিতাব নয়? যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন,

" হে লোক সকল! যদি তোমরা পুনরুথানের ব্যাপারে সন্দি হও, তবে (ভেবে দেখ) আমি তোমাদেরকে মৃত্তিকা থেকে সৃষ্টি করেছি। এর পর বীর্য থেকে, এর পর জমাট রক্ত থেকে, এর পর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণকৃতি বিশিষ্ট মাংসপিন্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্য। আর আমি এক নির্দিষ্ট কালের জন্য মাতৃ গর্ভে যা ইচ্ছা রেখে দেই, এর পর আমি তোমাদেরকে শিশু অবস্থায় বের করি ; তার পর যাতে তোমরা যৌবনে পদার্পন কর। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মৃত্যু মুখে পতিত হয় এবং তোমাদের মধ্যে কাউকে নিষ্কর্মা বয়স পর্যন্ত পৌছানো হয়। যাতে সে জানার পর জ্ঞাত বিষয় সম্পর্কে সজ্ঞান থাকে না। তুমি ভুমিকে পতিত দেখতে পাও, অতঃপর আমি যখন তাতে বৃষ্টি বর্ষন করি, তখন তা সতেজ ও স্ফীত হয়ে যায় এবং সর্বপ্রকার সুদৃশ্য উদি উৎপন্ন করে।(সুরা হাজ্জ ৫)"

আল্লাহ আমাদেরকে ভালো মন্দ বুঝার ক্ষমতা দিন। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

হে লোক সকল! তোমাদের পালন কর্তাকে ভয় কর। নিশ্চয় কেয়ামতের প্রকম্পন একটি ভয়ংকর ব্যাপার।(সুরা হাজ্জ ৫)

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৭ দুপুর ১:০১
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন - অক্টোবর ২০২৫

লিখেছেন বিজন রয়, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫



আনন্দ বিশ্বকাপ ফুটবল!
শোক ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প!!


এই আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন পোস্ট অক্টোবর ২০২৫! অনেক দেরি হয়ে গেল! হ্যাঁ অক্টোবর ২০২৫ এর সব কবিতা সংরক্ষিত ছিল, কিন্ত সময়ের অভাবে সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা বেবি রেসলার ইন দ্যা ডে কেয়ার সেন্টার- নিজের চোখকেও অবিশ্বাস হয় আজকাল .....

লিখেছেন অপ্‌সরা, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭


বহু বছর ধরে বাচ্চাদের সাথে কাজ করছি। নানা রকম শিশু কিশোর দেখে দেখে চোখ, কান, মাথা, প্রায় অভ্যস্থ হয়ে গেছে। বাচ্চারা বাড়িতে এক, বাড়ির বাইরে খেলার মাঠে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২



ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

(The Hertiest Light, The Fleeting Memory)



তোমার ছোঁয়ায় থমকে দাঁড়ায় চেনা সময়টুকু,
দূরে গেলেই মেঘের ছায়ায় কাঁদে অবুঝ সুখ।
সুন্দর সেই দিনগুলো যায় ,হুট করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ব্লগিং-এ দুই দশক - ধন্যবাদ সামহোয়্যার ইন ব্লগ

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৮


দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত সামুতে ২০ বছর পেরিয়ে গেল, ব্যক্তিগত একটি মাইলস্টোনও পার করা হলো। এই অনুভূতি মূলত মিশ্র। একদিকে আমি যেমন সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞ যে দু'দশক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুসা নবী এবং ফেরাউন

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



মুসার নবীর নির্দেশ অমান্য করে এবং আল্লাহর অবাধ্য হওয়ার কারণে-
লোহিত সাগরে ডুবে ফেরাউনের করুণ মৃত্যু হয়। হজরত মুসা আলাইহিস সালাম এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×