somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আব্দুল জলিলের স্বীকারোক্তি (সংশোধিত ২য় পর্ব)

০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অফিসার : মান্নান ভুইঁয়ার সাথে আপনার ব্যবসায়ীক কোন যোগাযোগ আছে না কি?
আব্দুল জলিল : জ্বি না, না।
অফিসার : আপনার ব্যবসায়ীক পার্টনারনা উনি ?
আব্দুল জলিল : না, না কোন মান্নান ?
অফিসার : এই যে বিএনপি’র সেক্রেটারি ?
আব্দুল জলিল : না, না, প্রশ্নই ওঠে না। না বিএনপি’র মান্নান ভুইঁয়ার সাথে আমার কোন ব্যবসায়ীক সম্পর্ক নেই।
অফিসার : কিন্তু তার সাথে আপনার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক আছে শোন যায়।
আব্দুল জলিল : না, না। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
অফিসার : সম্পর্ক নেই
আব্দুল জলিল : মান্নান ভুইঁয়ার সাথে যখন আমাদের ডায়লগ হচ্ছিল তখন ঘনিষ্টতা হয়।
অফিসার : এই ঘনিষ্ঠতা কি পর্যায়ে গিয়েছিলো ?
আব্দুল জলিল : আমরা চেষ্টা করেছিলাম একটা সিনসিয়ার নির্বাচন করার জন্য।
অফিসার : হলো না কেন ?
আব্দুল জলিল : হলো না এজন্য যে লাস্ট যে এগ্রিমেন্টটা হলো সেটা উনি ওনার নেত্রীকে কনভিন্স করতে পারে নাই। ফলে আর লাস্ট বৈঠকটা হলো না এবং সমাধান হলো না।
অফিসার : আপনারাও ছাড় দেননি ওনারাও ছাড় দেননি
আব্দুল জলিল : আমরা একটা পর্যায়ে ওখানে বলেছিলাম যে ঠিক আছে কে এম হাসান চলে যাক এবং আজিজেরটা আমরা মেনে নিলাম। এইট্যা ওনার আর আমার সঙ্গে আলোচনায় ঠিক হলো। এবং এটা নিয়ে উনি ওনার গেলেন ওনার নেত্রীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এসে যৌথ প্রেস ব্রিফিং করে বলবে। কিন্তু উনি যাওয়ার পরে একটা জিনিস অনুধাবন করলেন যে যদি কে এম হাসান চলে যায় আর আজিজ কেয়ার টেকার সরকারের চিফ হতে পারবে না কারণ হি ইউ হোল্ডিং এ কনিন্টিটিউশনাল পোস্ট। সে আর কোন পদে আসতে পারবে না। সুতরাং তারা মনে করলো যে কে এম হাসানকেও হারাবো, আজিজকেও হারাবো। সুতরাং এটা মানা যাবে না। এই কারনে তিনি আর যৌথ কনফারেন্সে আসলেন না।
অফিসার : বানিজ্য মন্ত্রণালয়ে থাকাকালে কি কি নেতিবাচক কাজের সাথে আপনি জড়িত ছিলেন বলেনতো ?
আব্দুল জলিল : কার সঙ্গে
অফিসার : বানিজ্য মন্ত্রী থাকাকালে আপনার দ্বিতীয় স্ত্রী’র মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টিং, প্রোমোশন ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন।
আব্দুল জলিল : না না, এইসব করারতো কোন প্রশ্নই ওঠে না। তখনতো আমাদের এই কি বলে স্টাবলিশমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। আর তখনতো আমি ছিলামই এক বছর পাঁচ দিন। একবছর পাঁচ মাস আমি ছিলাম। সুতরাং এটা, একটু পানি খাবো . . .
আমি যেটুকু জানি সেটা স্বীকার করতে কোন কার্পন্য নাই। আমি যেটুকু বললাম এর বেশি আমি জানি না।
অফিসার : রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কোন কথা নেই বলে একটা বাক্য প্রচলিত আছে। আপনি কি কোন শেষ কথার জন্য অপেক্ষায় আছেন না শেষ কথাগুলো বলে যাচ্ছেন?
আব্দুল জলিল : না, আমি সত্য কথাটাই বলছি।
অফিসার : আপনারাতো বেসিক্যালি পলিটিশিয়ান ...
আব্দুল জলিল : আপনারা জাজ করলেই পাবেন কোনটা সত্য বলছি আর কোনটা মিথ্যা বলছি।
অফিসার : আপনারা জনগনকে ওয়াদা করছেন। এত সুন্দরভাবে করছেন যে জনগন প্রত্যেকবার কনফিউসড হচ্ছে। প্রত্যেকবার বলার সময় বলছেন যে এবারই এই করে ফেলবো, সেই করে ফেলবো।
অফিসার : ৩০ এপ্রিলের কাহিনী কিছু কিছু সত্যি নাকি স্যার।
আব্দুল জলিল : না, আমিতো যেটুকু সত্য সেটুকু বললামই।
অফিসার : আমিতো নামাযে ছিলাম স্যার। (অন্য অফিসার বললো, আমি ওনার পক্ষ নিয়ে বলি, ৩০ এপ্রিলের ঘটনাটা ছিলো জাস্ট একটা ছেলে খেলা। উনি এটা দিয়ে জনগনকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিলেন। মানে উনি ৩০ এপ্রিল ডেটটা ঘোষনা করে দিয়েছিলেন যে এই সময়ের মধ্যে জনগন আন্দোলনে চলে আসবে। ৩০ এপ্রিল যে ডেটলাইন দিয়েছিলো আসলে ডেটলাইনটা সত্যি কোন জিনিস ছিলো না।
অফিসার : তারমানে এটা সরকারকে প্রেসারে রাখার জন্য করা হয়েছিলো ?
আব্দুল জলিল : জ্বি।
অফিসার : সিন্ডিকেট ব্যবসা হাজী সেলিমসহ যারা যারা করতো এদের কি হতো?
আব্দুল জলিল : সিন্ডিকেট ব্যবসা না আমাদের যে . . . ]
অফিসার : একটা খারাপ কথা বলি, বলবো স্যার ?
আব্দুল জলিল : জ্বি বলেন।
অফিসার : মাগী, মদ নিয়ে পরে থাকতো ওই মা . . . . . , আমি বলছি মা . . . . । বাংলাদেশকে ওই মা . . . . . নষ্ট করেছে। আপনারা নাকি ওই মা . . . . টাকা পয়সা দিতেন, আপনাদের কিছু এমপি বলে ওই মা . . . . কে মাগি দিতে হবে আর টাকা দিতে হবে। দিয়ে বিএনপি’র (বাকিটুকু দুবোধ্য )
আব্দুল জলিল : না, এটা . . .

আব্দুল জলিলের পুরো স্বীকারোক্তি পাবেন সাপ্তাহিক ২০০০ এর বর্তমান সংখ্যায়, এখানে ক্লিক করে:

লিংক:
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৮:৩৭
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন - অক্টোবর ২০২৫

লিখেছেন বিজন রয়, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫



আনন্দ বিশ্বকাপ ফুটবল!
শোক ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প!!


এই আনন্দ ও শোকে কবিতা সংকলন পোস্ট অক্টোবর ২০২৫! অনেক দেরি হয়ে গেল! হ্যাঁ অক্টোবর ২০২৫ এর সব কবিতা সংরক্ষিত ছিল, কিন্ত সময়ের অভাবে সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা বেবি রেসলার ইন দ্যা ডে কেয়ার সেন্টার- নিজের চোখকেও অবিশ্বাস হয় আজকাল .....

লিখেছেন অপ্‌সরা, ২৯ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭


বহু বছর ধরে বাচ্চাদের সাথে কাজ করছি। নানা রকম শিশু কিশোর দেখে দেখে চোখ, কান, মাথা, প্রায় অভ্যস্থ হয়ে গেছে। বাচ্চারা বাড়িতে এক, বাড়ির বাইরে খেলার মাঠে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩২



ভালোবাসার আলো, স্মৃতি জাগানিয়া তুমি !!!

(The Hertiest Light, The Fleeting Memory)



তোমার ছোঁয়ায় থমকে দাঁড়ায় চেনা সময়টুকু,
দূরে গেলেই মেঘের ছায়ায় কাঁদে অবুঝ সুখ।
সুন্দর সেই দিনগুলো যায় ,হুট করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ব্লগিং-এ দুই দশক - ধন্যবাদ সামহোয়্যার ইন ব্লগ

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৮


দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত সামুতে ২০ বছর পেরিয়ে গেল, ব্যক্তিগত একটি মাইলস্টোনও পার করা হলো। এই অনুভূতি মূলত মিশ্র। একদিকে আমি যেমন সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞ যে দু'দশক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুসা নবী এবং ফেরাউন

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



মুসার নবীর নির্দেশ অমান্য করে এবং আল্লাহর অবাধ্য হওয়ার কারণে-
লোহিত সাগরে ডুবে ফেরাউনের করুণ মৃত্যু হয়। হজরত মুসা আলাইহিস সালাম এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×