আব্দুল জলিল : জ্বি না, না।
অফিসার : আপনার ব্যবসায়ীক পার্টনারনা উনি ?
আব্দুল জলিল : না, না কোন মান্নান ?
অফিসার : এই যে বিএনপি’র সেক্রেটারি ?
আব্দুল জলিল : না, না, প্রশ্নই ওঠে না। না বিএনপি’র মান্নান ভুইঁয়ার সাথে আমার কোন ব্যবসায়ীক সম্পর্ক নেই।
অফিসার : কিন্তু তার সাথে আপনার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক আছে শোন যায়।
আব্দুল জলিল : না, না। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।
অফিসার : সম্পর্ক নেই
আব্দুল জলিল : মান্নান ভুইঁয়ার সাথে যখন আমাদের ডায়লগ হচ্ছিল তখন ঘনিষ্টতা হয়।
অফিসার : এই ঘনিষ্ঠতা কি পর্যায়ে গিয়েছিলো ?
আব্দুল জলিল : আমরা চেষ্টা করেছিলাম একটা সিনসিয়ার নির্বাচন করার জন্য।
অফিসার : হলো না কেন ?
আব্দুল জলিল : হলো না এজন্য যে লাস্ট যে এগ্রিমেন্টটা হলো সেটা উনি ওনার নেত্রীকে কনভিন্স করতে পারে নাই। ফলে আর লাস্ট বৈঠকটা হলো না এবং সমাধান হলো না।
অফিসার : আপনারাও ছাড় দেননি ওনারাও ছাড় দেননি
আব্দুল জলিল : আমরা একটা পর্যায়ে ওখানে বলেছিলাম যে ঠিক আছে কে এম হাসান চলে যাক এবং আজিজেরটা আমরা মেনে নিলাম। এইট্যা ওনার আর আমার সঙ্গে আলোচনায় ঠিক হলো। এবং এটা নিয়ে উনি ওনার গেলেন ওনার নেত্রীর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এসে যৌথ প্রেস ব্রিফিং করে বলবে। কিন্তু উনি যাওয়ার পরে একটা জিনিস অনুধাবন করলেন যে যদি কে এম হাসান চলে যায় আর আজিজ কেয়ার টেকার সরকারের চিফ হতে পারবে না কারণ হি ইউ হোল্ডিং এ কনিন্টিটিউশনাল পোস্ট। সে আর কোন পদে আসতে পারবে না। সুতরাং তারা মনে করলো যে কে এম হাসানকেও হারাবো, আজিজকেও হারাবো। সুতরাং এটা মানা যাবে না। এই কারনে তিনি আর যৌথ কনফারেন্সে আসলেন না।
অফিসার : বানিজ্য মন্ত্রণালয়ে থাকাকালে কি কি নেতিবাচক কাজের সাথে আপনি জড়িত ছিলেন বলেনতো ?
আব্দুল জলিল : কার সঙ্গে
অফিসার : বানিজ্য মন্ত্রী থাকাকালে আপনার দ্বিতীয় স্ত্রী’র মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টিং, প্রোমোশন ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন।
আব্দুল জলিল : না না, এইসব করারতো কোন প্রশ্নই ওঠে না। তখনতো আমাদের এই কি বলে স্টাবলিশমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। আর তখনতো আমি ছিলামই এক বছর পাঁচ দিন। একবছর পাঁচ মাস আমি ছিলাম। সুতরাং এটা, একটু পানি খাবো . . .
আমি যেটুকু জানি সেটা স্বীকার করতে কোন কার্পন্য নাই। আমি যেটুকু বললাম এর বেশি আমি জানি না।
অফিসার : রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কোন কথা নেই বলে একটা বাক্য প্রচলিত আছে। আপনি কি কোন শেষ কথার জন্য অপেক্ষায় আছেন না শেষ কথাগুলো বলে যাচ্ছেন?
আব্দুল জলিল : না, আমি সত্য কথাটাই বলছি।
অফিসার : আপনারাতো বেসিক্যালি পলিটিশিয়ান ...
আব্দুল জলিল : আপনারা জাজ করলেই পাবেন কোনটা সত্য বলছি আর কোনটা মিথ্যা বলছি।
অফিসার : আপনারা জনগনকে ওয়াদা করছেন। এত সুন্দরভাবে করছেন যে জনগন প্রত্যেকবার কনফিউসড হচ্ছে। প্রত্যেকবার বলার সময় বলছেন যে এবারই এই করে ফেলবো, সেই করে ফেলবো।
অফিসার : ৩০ এপ্রিলের কাহিনী কিছু কিছু সত্যি নাকি স্যার।
আব্দুল জলিল : না, আমিতো যেটুকু সত্য সেটুকু বললামই।
অফিসার : আমিতো নামাযে ছিলাম স্যার। (অন্য অফিসার বললো, আমি ওনার পক্ষ নিয়ে বলি, ৩০ এপ্রিলের ঘটনাটা ছিলো জাস্ট একটা ছেলে খেলা। উনি এটা দিয়ে জনগনকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিলেন। মানে উনি ৩০ এপ্রিল ডেটটা ঘোষনা করে দিয়েছিলেন যে এই সময়ের মধ্যে জনগন আন্দোলনে চলে আসবে। ৩০ এপ্রিল যে ডেটলাইন দিয়েছিলো আসলে ডেটলাইনটা সত্যি কোন জিনিস ছিলো না।
অফিসার : তারমানে এটা সরকারকে প্রেসারে রাখার জন্য করা হয়েছিলো ?
আব্দুল জলিল : জ্বি।
অফিসার : সিন্ডিকেট ব্যবসা হাজী সেলিমসহ যারা যারা করতো এদের কি হতো?
আব্দুল জলিল : সিন্ডিকেট ব্যবসা না আমাদের যে . . . ]
অফিসার : একটা খারাপ কথা বলি, বলবো স্যার ?
আব্দুল জলিল : জ্বি বলেন।
অফিসার : মাগী, মদ নিয়ে পরে থাকতো ওই মা . . . . . , আমি বলছি মা . . . . । বাংলাদেশকে ওই মা . . . . . নষ্ট করেছে। আপনারা নাকি ওই মা . . . . টাকা পয়সা দিতেন, আপনাদের কিছু এমপি বলে ওই মা . . . . কে মাগি দিতে হবে আর টাকা দিতে হবে। দিয়ে বিএনপি’র (বাকিটুকু দুবোধ্য )
আব্দুল জলিল : না, এটা . . .
আব্দুল জলিলের পুরো স্বীকারোক্তি পাবেন সাপ্তাহিক ২০০০ এর বর্তমান সংখ্যায়, এখানে ক্লিক করে:
লিংক:
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৮:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




