ঢাকার বিভিন্ন যায়গায় তারের ভীড় সত্যিই অসহনীয়। আমি আসলেই অবাক হয়ে যাই লাইনম্যান আর টেকনিশিয়ানদের মেধা আর দক্ষতা দেখে যে, এই অসম্ভব জঞ্জালের মাঝখান থেকেও তারা একটা নির্দিষ্ট তার কিভাবে খুঁজে বের করে আর সেটা ঠিক করে ফেলে। এদেশে এসে প্রথম যখন দেখলাম মাথার ওপরে তারবিহীন মুক্ত আকাশ, প্রথমে মনে করেছিলাম যে হত আজকাল ওয়ারলেসের যুগে এরা বুঝি সব কিছুই ওয়ারলেস করে ফেলেছে। পরে বুঝলাম যে, বৈদ্যুতিক লাইন একেবারে ন্যাশনাল গ্রীড আর প্রাচীন গ্রীডগুলো বাদে আর সবই মাটির নিচ দিয়ে নিয়ে গেছে। ফলে খাম্বা আর তারের ঝামেলা নাই। মাটির অনেক কাছাকাছি থেকেই সেগুলো মেইন্টেনেন্স করা যায়। তবে আমাদের জন্য আশংকা হল, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির দেশে এই কাহিনী করলে প্রতিদিনই দুচারজনের কাবাব হয়ে যাবার খবর আসবে। আর টেলিফোন সিস্টেমের একটা বড় অংশ আমাদের দেশেও মাটির তলে চলে গেছে। তবে এখানে পার্থক্য হল, টেলিফোনের মাধ্যমেই খুবই উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেটের সংযোগ পাওয়া সম্ভব। ফলে আলাদা তারের প্রয়োজন নাই। আর ড়েষ উপাদান ডিশের কেবলের ক্ষেত্রেও এখানে প্রতিটি বাড়ীতে মিনি স্যাটেলাইট ডিশের মত থাকে। ফলে তার ছাড়াই পৌছে যায় তরঙ্গ।
বর্তমান সরকার বিচিন্ন বিষয়েই জট ছাড়ানোর জন্য প্রচুর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই তারের মহাজটের দিকেও যদি একনজর দিত তবে মন্দ হইত না। নাহইলে ইন্ডিয়া থেইকা ধুতিওয়ালা স্পাইডারম্যান আসলে দেখা যাইব নিজের জাল মনে করে ৪৪০ ভোল্টের তারে হাত দিব, তারপরে বাংলাদেশের বদনামীঃ(।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৭ রাত ২:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




