আমি অনেক সময়েই চিন্তা করতাম যে সার্চের এই সয়লাবের যুগে আরো কি আসছে সামনে। তখন ওর কথাটা শুনে মনে হল যে এখনো আমরা একেবারেই শৈশবেই আছি। তার আইডিয়া ছিল যে, মনে করি কেউ একটা তথ্য খুঁজছে। ধরি কোন এক ধরণের কলার রোগ সম্পর্কে একটি বিশেষ তথ্য তার দরকার। এখন সে যখন খুঁজছে তখন তার সার্চ হল ইংরেজীতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ইংরেজীর ওয়েব বিশ্বে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য নাই। কিন্তু ঠিক যেই তথ্যটা সে খুঁজছে, সেটাই বাংলাদেশের কোন কৃষিবিদ তার নিজের ব্লগে টুকে রেখেছেন, এখন সার্চ ইঞ্জিন যদি বুঝতে পারত ইংরেজী সার্চ কোয়েরীর পিছনে কি তথ্য খোঁজা হচ্ছে আর সেটাই পৃথিবীর অন্যান্য ভাষায় কি বোঝায় তাহলে হয়ত দিব্যি সেই কৃষিবিদের ব্লগটাই সামনে তুলে আনত। শুনে আমি ভেবেছিলাম যা বলা হচ্ছে সেটা হয়ত আরো দশ বছরের পরের টেকনলজী। আর যদি সম্ভবও হয় তাহলে ইংরেজীর সাথে ইউরোপীয় ভাষাগুলো যেগুলোর পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আছে সেগুলোতে হবে।
দেখলাম নিজেরা কতটা পিছিয়ে আছি। সেদিন সার্চ করছিলাম ইংরেজীতে তিন গোয়েন্দা নিয়ে। আমার ধারণা ছিল যে আমার প্রিয় কিশোর থ্রিলার সিরিজের লেখাগুলোর ক্ষেত্রে সবারথাআমার প্রিয় কিশোর থ্রিলার সিরিজের লেখাগুলোর ক্ষেত্রে সবার ওপরে আমার ওয়েবসাইটই থাকবে। বাস্তবে দেখলাম তা না।
প্রথমেই আছে উইকিপিডিয়াতে রকিব হাসানের পেজ। খুবই বাস্তব, খুবই যুক্তিযুক্ত। যিনি আসল লেখক তার ওয়েব থাকতেই পারে। তিন নম্বরের আছে আমার ওয়েবসাইট বইমেলার একটা লিঙ্ক। সেটাও মেনে নিলাম। কিন্তু দ্বিতীয় এন্ট্রিটাই আমাকে ধান্দায় ফেলে দিল। মাথায় হাত দিয়ে বসলাম, হায় হায়! গুগল এইটারে পেল কিভাবে।
ওয়েবসাইটটা হল টানেল টু, আর সেটি থ্রি ইনভেস্টিগেটর নামে একটি ইংরেজী কিশোর সিরিজের বিষয়ে নিবেদিত সাইট। মূলত যেই ইংরেজী সিরিজটা রকিব ভাই এডাপ্ট করে তিন গোয়েন্দা সিরিজটা লিখেছিলেন। সাইটে বাংলা তিন গোয়েন্দা বার তার রিলেটেড কিছু অনেকক্ষণ ধরে খুঁজে নাম গন্ধও পেলাম না। তখুনি সন্দেহ জাগল, তাহলে কি গুগল বাংলা শিখে ফেলেছে? মনে হয় তলায় তলায় একটু একটু করে অনেকটাই শিখে ফেলেছে। একসময় হটাত করে মাথা চাড়া দিবে। আর কেউ কি ধরে ফেলেছিলেন গুগলকে এইভাবে লুকিয়ে বাংলা শিখতে গিয়ে?
আমার পরের দুটো পোস্ট একটু সিরিয়াস হবে বলে আশা করছিঃ)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৭:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




