somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

১৮ কোটী বাংগালীর ২৭ কোটী ভিন্ন মতামত

৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংগালীরা জীবনে একটি মাত্র ইমারজেন্সী ফান্ড দেখেছিলেন ১৯৬৫ সালে, ইহা গঠন করা হয়েছিলো পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময়; ততকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এই "ভুয়া" ফান্ডটি করেছিলো। তখন পাকিস্তানের নাগরিকেরা ছিলো গরীব, তারপরও পরিবারের মেয়েদের কানের দুল, হাতের সোনার দু'খান চুড়ি দিয়েছিলো। ফান্ডের টাকা যুদ্ধে খরচ করা লাগেনি, চীন ও আমেরিকা ফ্রি অস্ত্র দিয়েছিলো; এবং পুরো যুদ্ধটা ছিলো ষড়যন্ত্র, আইয়ুব খান ভোটে জয়ী হওয়ার জন্য সেই যুদ্ধ করেছিলো। এই ফান্ডের টাকা কি করেছিলো, তা পরে জানা যায়নি। সমস্যা, উহা 'জাতীয় ফান্ড" ছিলো না, ছিলো প্রেসিডেন্ট ফান্ড।

বাংগালীরা অনেক ইমারজন্সীতে "দান" হিসেবে টাকা-পয়সা, খাবার, কাপড়-চোপড় দিয়েছেন; কিন্তু কোন জাতীয় ফান্ড না থাকায়, তাঁরা এই ধরণের কিছুতে অভ্যস্ত নন। এশিয়ায় সফল জাতীয় ফান্ড করেছিলেন সিংগাপুরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লি কুয়ান; সেই ফান্ডটা এখনো আছে; মালয়েশিয়ায় ফান্ড করেছেন মাহাথির; কোরিয়া ১৯৯৮ সালে আইএমএফ'এর টাকা ফেরত দিতে পারছিলো না, তখন একটা ইমারজেন্সী ফান্ডের অধীনে স্বর্ণ সংগ্রহ করা হয়েছিলো, মানুষ ২২৭ টন স্বর্ণ "দান" করেছিলেন।

এশিয়ায় যাদের ফান্ড ছিলো, বা আছে, তারা ভালো করেছে, ভালো আছে! বাংগালীদের জাতীয় ফান্ড থাকলে, এখন করোনায় ইহা ব্যবহার করে ছিন্নমুল মানুষদের পুণর্বাসন করা যেতো। এখন প্রাইম মিনিষ্টারের একটা ফান্ড আছে, উহা জাতীয় ফান্ড নয়, এবং ইহাতে টাকার পরিমাণ নিতান্ত নগন্য হওয়ার কথা।

বাংগালীদের আর্থ সামাজিক অবস্হা অনুসারে একটা জাতীয় ফান্ড করলে, উহা "দান" ব্যতিত করা সম্ভব; ফান্ডের শুরুতে মানুষ ৫ বছরের জন্য টাকাটা ফান্ডকে বিনা লাভে "ঋণ" দেবেন; ৫ বছরের পর, ঋণদাতা টাকাটা ফেরত নিতে পারেন, কিংবা দেশের সরকারী বন্ডের সমান লভ্যাংশ পেতে পারেন; তখন টাকাটা ১/৫/১০ বছরের জন্য বন্ডে বিনিয়োগের মতো থাকবে।

আমি এই পোষ্ট দেয়ার পর, কোন ফান্ড হয়ে যাচ্ছে না, এবং আপনাকে ইহাতে টাকা দিয়ে অংশ নিতে হবে না; এই ধরণের উতোপিয়া ভাবনার ফান্ডের ব্যাপারে ১৮ কোটী বাংগালীর ২৭ কোটী মতামত থাকবে; আপনারও কমপক্ষে ২টা মতামত থাকার কথা।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:৩১
৪৩টি মন্তব্য ৪২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশে নিয়ানডার্থাল জিন: করোনার প্রাদুর্ভাব

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:১১


ঘন্টা খানিক আগে একটা সাইন্টিফিক পেপার প্রকাশ হয়েছে.....পড়ে মাথা বন বন করে ঘুরছে....এত দেশ থাকতে কেন শুধু বাংলাদেশে????? এশিয়াতে তো করোনার প্রাদুর্ভাব কম এবং সেটা ব্যাখা করে ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নারী পুরুষ সম্পর্ক

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫৭




একজন পুরুষের জীবনে অনেক নারী আসে।
কমপক্ষে পাঁচ জন নারী। এরকম নারী জীবনের যে কোনো সময় আসতে পারে। বিয়ের আগে বা পরে। কিন্তু তারা জীবনে আসে। জীবন থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাটির চুলা

লিখেছেন সোহানাজোহা, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:৩১


ছবি কথা বলে: আজ হাটবার আপনে দেড়ি না করে বাজারে যান গা, নাতি নাতনি ছেলে বউ শহরের বাসায় নদীর মাছ খায় কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে! (মাটিরে চুলাতে দাদীজান পিঠা ভাজছেন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

উত্তর মেরুতে নিশি রাতে সূর্য দর্শন - পর্ব ৪

লিখেছেন জোবাইর, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

বিভিন্ন ঋতুতে ল্যাপল্যান্ড: শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ

রেন্ট-এ-কার' কোম্পানীর সেই মেয়েটি কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে আগে থেকেই পূরন করা একটা ফরমে আমার দস্তখত নিয়ে কিরুনা স্টেশনের পাশের পার্কিং এরিয়াতে নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নন্দের নন্দদুলাল : স্বপ্ন রথে

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ০৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

স্বপ্নের অশ্বারোহী
দূরন্ত ইচ্ছেতে ঘুরে বেড়াই, নন্দ কাননে
তাম্রলিপি থেকে অহিছত্র
পুন্ড্রবর্ধন থেকে উজ্জয়িনী, স্বপ্ন সময়ের নন্দদুলাল।

আমাদের শেকড়
বাংলার আদি সাম্রাজ্যে যেন
পতপত ওড়ে পতাকা সবুজ-লাল,
মিলেনিয়াম নন্দ ডাইনাস্টির স্বপ্ন সারথীর স্বপ্নরথে

মানচিত্র: নন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×