somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ইব্‌রাহীম আই কে
নিজের সম্পর্কেই জানতে চাই। সমালোচনা করি বলেই তো সমালোচিত!

কাকতালীয় কিছু ঘটনা- প্যাটার্ন।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কখনো নিজের লাাইফস্টাইলে চলার পথে প্যাটার্ন লক্ষ করেছিলেন? এই যেমন; ~প্রতি শনিবার আপনার দিনটি খারাপ যায়। ~যখনি মুড খারাপ হয়ে যায় তখনি প্রিয় মানুষগুলো কিভাবে যেন আপনার সম্পর্কে অবগত হয়ে যায়, আপনার মুখে একটু হাসি দেখার জন্য সর্বাত্নক চেষ্টা করে। ~পরীক্ষার আগেরদিন যা পড়েন তা কখনোই আসেনা / সবসময় তাই চলে আসে। চলুন, ব্যতিক্রমী কিছু প্যাটার্ন দেখে আসি।

~"আহমদ ছফা"র "গাভী বিত্তান্ত" বইটা কখনো পড়েছিলেন? গাভী বিত্তান্ত বইটা পড়ার প্রায় শেষমুহূর্তে, আমার চারপার্শ্ব থেকে কিছুটা গোবরের ঘ্রাণ পাচ্ছিলাম। কিন্তু এই ঘ্রাণটা কোন দিক থেকে আসতেছিল তা বুঝতে পারতেছিলাম না। হঠাৎ লক্ষ করলাম হয়তো গাভী বিত্তান্ত বইটা পড়ছিলাম বলে সেখান থেকে এই সুবাস পাচ্ছিলাম নাতো। মানে আমি কোন ধ্যানে নেইতো!!! বলা বাহুল্য যে, উপন্যাসের শেষের দিকে গরুটার পাকস্থলীতে সমস্যা হয় (সোজা বাংলায় গরুর ডাইরিয়া।) পরেরদিন পাশের বাসার ছাদের বাগানে পোকা মাড়ার জন্য ওষুধ দিচ্ছিলো। জিজ্ঞাসা করলাম, "গতকালকেও কি আপনারা বাগানে ওষুধ দিচ্ছিলেন?" উত্তর দিল, "হ্যাঁ।"

~আজ থেকে প্রায় দুইবছর আগে ঠিক এই দিনেই পরীক্ষা দেওয়ার একটা তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলাম। কোন কিছুই না লিখে ৩ ঘণ্টা বসেছিলাম। এবার সময়টা ভিন্ন হলেও সময় কাটানোর পদ্ধতিটা ভিন্ন হয়নি!

~কয়েকমাসের বিনিময়ে অনেক কষ্ট করে "নিঃসঙ্গতার একশ বছর" 'গ্যাব্রিয়েল গারসিয়া মার্কেস' এর লেখা 'জি এইচ হাবীব' অনুবাদিত নোবেল প্রাইজ প্রাপ্ত বইটা পড়েছিলাম। সম্পূর্ণ বইটা জুড়েই ছিল, নিসঙ্গতার এক ভয়ানক ছোঁয়া। বইতো, সবসময় কাল্পনিক বিষয়াবলী নিয়েই লেখা হয়। যদিও মাঝে মাঝে তাতে বাস্তবতার ছোঁয়া থাকে, কিন্তু অধিকাংশই লেখা হয়ে থাকে কল্পনার মিশ্রিত এক রূপ। বইটা পড়েছিলাম, স্বাভাবিক ভাবেই সব কিছু নিয়েছিলাম। কিন্তু এতেও যে বাস্তবতার কোন রেশ থাকবে অথবা কখনো তৈরি হয়ে যাবে তা ভাবিনি। ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর মনে হয়েছিলো, আজীবনের জন্যই কুমার থেকে যাব। বাস্তবে না হোক স্বপ্নেও এসে হয়ত কোন অপ্সরী এই জীবনটাকে রাঙিয়ে দিয়ে যাবে। নাহ এমনটা কখনোই হয়নি। অনেক আসা নিয়ে আজ ইডেন মহিলা কলেজে গিয়েছিলাম পরীক্ষা দিতে। ভাবুনতো সবসময় একটা গণ্ডীর মধ্যে থেকে হঠাৎ ফিমেল স্মেল সম্বলিত আবহাওয়ায় একটা ছেলে কিভাবে পরীক্ষা দিবে! অতো কিছু কি ভাবার সময় আছে? না ভেবেই পরীক্ষা দিতে গেলাম। কিন্তু ওমা এ কি? আমার পাশে নয় সমগ্র রুমে সবাই তো দেখছি ছেলেই। ভাবলাম আমাদের তলায় অথবা আমাদের জোনে হয়ত এমনটা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে বের হয়ে দেখলাম আমার সামনের রুম, অপজিটের রুম পিছনের রুম সব দিক থেকেই ললনারা বের হচ্ছে। বের হয়নি শুধুমাত্র আমার রুম থেকেই। এবার ও তাহলে কোন গতি হলো না!!!

~মনে পড়ে ভার্চুয়াল জগতের সেই প্রথমকার দিনগুলোর কথা যখন সস্তা প্রেম-ভালোবাসার লেখাগুলো নিয়েই পরে থাকতাম। যৌবনের প্রথম সকাল ছিল সেগুলো। শীতকালীন সূর্যের মত এর প্রতিটি সকাল ছিল তেজস্বীপূর্ণ।একটা পর্যায়ে কারোর প্রেমেও পরে গিয়েছিলাম। ভালোবেসেছিলাম খুব। তবে সেই প্রেম ভালোবাসাটা সস্তা ছিলোনা। হয়ত সস্তা ছিল অপরপ্রান্তে থাকা সেই মানুষটির দৃষ্টিভঙ্গি। তারপর থেকে আর কখনো এমন প্রেম ভালোবাসা মিশ্রিত কাব্য উপন্যাস পড়া হয়নি। আবার চর্চা করবো প্রেমের উপাখ্যান। আবার ভালবাসবো নতুন কাউকে............

~প্যাটার্ন তৈরি করুন, প্যাটার্ন ফলো করুন, নিজের জন্য গতি নিজেই খুঁজে বের করুন।

~হিমু সহ হুমায়ুন আহমেদে এবং অন্যান্য লেখকদের বই পড়ুন। সুন্দর সুন্দর প্রেমের উপন্যাস (সফল প্রেমের উপন্যাস পড়ুন। বুঝলেন ই তো সব।) খুঁজে খুঁজে বের করে পড়ুন নিজের মধ্যে প্রেম জাগ্রত করুন, একটা কপোতীর কপোত হয়ে যান।

#শুভকামনা।
নোটঃ আড্ডা টাইপের পোস্ট বলতে পারেন। আপনার গুরুত্বপূর্ন সময় নষ্ট করার জন্য দুঃখিত।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৭
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো শিক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা পেছাতে চায় না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

কারণ একজন প্রস্তুত শিক্ষার্থী জানে, পরীক্ষা যত দ্রুত শেষ হবে, সে তত দ্রুত জীবনের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবে। অনিশ্চয়তা, বারবার সময়সূচি পরিবর্তন কিংবা দীর্ঘ অপেক্ষা—এসব কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

বৃষ্টি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারত কোন ভাবেই স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশে সৈন্য পাঠায়নি!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৬


ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপপোকায় খাওয়াচ্ছ

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮


তোমার ফসলী মাঠের ফসল.
কেন উইপোকায় খাওয়াচ্ছ
কিছুদিন পর করবেটা কি
পাগল পাগল হবেই. শুনি!
পড়ালেখা করে একদিন বড় হবে
এটাই তো স্বপ্ন দেখি ওগো সোনাধন
তোমার সুনাম ভরে যাবে পাড়ায় পাড়ায়
গর্বে ভরে ওঠবে বাবা মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২

মূল্যটা খুব কম দিইনি...

দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত- এই বিশ্বাসকে নিজের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে রেখেছি সারাজীবন। কতবার ব্যক্তিগত ইচ্ছা, সুযোগ, এমনকি ন্যায্য অভিমানও গিলে ফেলেছি। কতবার চুপ থেকেছি, শুধু এই বিশ্বাসে যে ব্যক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×