জিয়া - আরবান গানের আর্কিটেক্টের সাথে আলাপন
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আগুনের পরশমনিতে শিরোনামহীনের জিয়া আপনাদের মুখোমুখি হয়েছেন। তার ব্যান্ড আরবান বাংলাদেশ গড়ার আর্কিটেচারে মগ্ন হয়ে শহরের গান গাইবে - এটাই তো স্বাভাবিক। আমার বৃটিশ বন্ধু রবার্ট হায়মানও তাই বলতো। সে লন্ডনের একটা ব্যান্ডে গীটার বাজায়। বাংলাদেশে যখন ছিল সে সময়ে একদিন জিয়ার কথা বলতেই তাদের স্টুডিওতে আসতে চাইল। আমি নিয়ে গেছিলাম, তখন শিরোনামহীনের নদী গানটা ফ্যাক্টরিতে ছিল। গানটার পেছনে তাদের ডেডিকেশন দেখে সে তো রীতিমত মুগ্ধ। পরে যখনই মেইলে যোগাযোগ হতো আমাকে বলতো, গানের সুরটা আমার কানে এখনও গুনগুনিয়ে ওঠে। আমি তো চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলাম, এ গানটা ঠিকই কালোত্তীর্ণ হবে। যদিও জিয়ার পছন্দের গান হাসি মুখ, কিন্তু আমার মনে হয় নদী গানটি তাদের আরবান জীবনের খুনসুটিকে মফস্বলে ছড়িয়ে দিতে পেরেছে সার্থকভাবে।
শ্রোতারা ট্রেডিশনাল ইন্সট্রুমেন্ট বানসুরি, দোতারার সাথে ক্লাসিকাল বাদ্যযন্ত্র সরোদের এক অদ্ভুত সমন্বয় লক্ষ্য করেন তাদের গানে। আসুন আজকে আমরা জিয়ার মুখে শুনি তাদের ইতিবৃত্ত।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুন
(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন