কেউ কেউ সন্দেহ করেন হোমার বলে আদৌ কেউ ছিলেন কিনা। অথবা ইলিয়ড ও ওডেসি একই ব্যক্তির রচনা কিনা। এর কবিতা গুলোর ধরনে বোঝা যায় এগুলো খ্রিস্টপূর্ব ন' শতকের দিকে রচিত। "একিলিস এর জিঘাংসা" নামক ইলিয়ড এর মূল অংশটুকু হোমার এর বলে ধারনা করা হয়।
মজার কথা হল, হোমারের জনপ্রিয়তা এর জন্য অন্তত সাতটি নগর তার জন্মস্থান বলে দাবি করে। তার জীবন সমন্ধে যা জানা জায় তা এরকমঃ গ্রীসের স্মার্না নগরের অদূরে তার জন্ম। তার মাতার নাম মিলেনোপাস। ফিজিয়াস নামক জনৈক স্কুল শিক্ষক তাকে পোষ্যপুত্র হিসেবে প্রতিপালন করেন। তার মৃত্যর পর হমার দেশ ভ্রমন এ বের হন। ইথাকাতে তিনি চক্ষু রোগে আক্রান্ত হন। সেখানকার মেনটস নামের জনৈক সদাশয় লোকের যত্নে তিনি কিছুটা সুস্থ হন। কলফোন এ এসে তার রোগ আবার বেড়ে যায়। পুরপুরি অন্ধ হয়ে যান। দেশে প্রত্যাবর্তন করে জীবিকার জন্য কিউসি নামক স্থানে এক চামড়া বিক্রেতা এর দোকান এ বসে ট্রয় যুদ্ধ নিয়ে কবিতা আবৃত্তি করতেন। লোকে তা সুনে মুগ্ধ হতো, অর্থ দিতো। অতঃপর কিয়স এ তিনি একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেন। বিয়ে করেন। দুই কন্যা হয়। অন্ধ অবস্থায় তিনি ইলিয়ড ও ওডেসি রচনা করেন। তার কবিতার অংশবিশেষ তিনি হেলাসের বিভিন্ন নগরে গেয়ে বেড়াতেন বলেও কথিত। এগুলোতে বর্ণিত চরিত্র, তাদের আবেগ-অনুভূতির প্রকাশ এবং দুঃখ-দুর্দশা একান্ত মানবিক ভাবে অঙ্কিত।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


