সামাজিক বিবর্তনের সামপ্রতিক প্রবণতা: আমাদের ভূমিকা
আবর্তন ক্রিয়েটিভ সেল।।
শিল্প ক্ষেত্রে অগ্রসরতা
শিল্পের উন্নয়ন প্রত্যক্ষভাবে সামাজিক পরিবর্তন সংঘটিত করে। কারণ, উৎপাদন ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে সমাজের মানুষের চাল-চলন, আচার-আচরণ, ভোগ-বন্টন, সমাজ কাঠামো বিনির্মাণ জীবনযাত্রা ইত্যাদি সামাজিক অনুসঙ্গগুলো। বাংলাদেশের মতো কৃষি প্রধান উৎপাদনশীল দেশগুলোতে আস্তে আস্তে যখন শিল্পের প্রসার ঘটছে সেখানে স্বাভাবিক ভাবেই সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবর্তন সংঘটিত হয়। বর্তমানে শিল্পের অগ্রসরতার প্রভাবে শ্রম বিভাজনসহ নারী শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ সমাজের অভাবী নারীরা শহর কেন্দ্রীক গার্মেন্টস শিল্পে ব্যাপক ভাবে শ্রম দিচ্ছে ও শহরমুখীতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারী শ্রমিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পারিশ্রমিক হিসেবে তারা পায় খবই কম মজুরী। তারপরও শিল্পায়নের প্রভাবে নারী-পুরুষের ব্যবধান কমছে শিশুশ্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তরোত্তর যা দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অশ্বনি সংকেত বহন করে। শিল্পের অগ্রসরতা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে অবদান রাখলে ব্যষ্টিক অর্থনীতি তথা গরীব মানুষসহ সর্ব স্তরের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক বুনিয়াদ রচনা করতে পারছে না ফলেদেখা যাচ্ছে ধনী দরিদ্রের ব্যবধান আকাশ চুম্বি হচ্ছে। পারস্পরিক বিদ্বেষ ও হিংসা ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


