>ইশারায় বাতাসে বাতাসে ভালবাসা ছড়িয়েছে।
>ছাদের ঘরের ডুবলিকেট চাবি বানানো হয়েছে।
>বন্ধুদের সাথের আড্ডা ভেঙ্গে গেছে।
>গিটারের সুর গুলো আবার নতুন করে বেজে উঠেছে।
>গাল ভর্তি দাড়ির ভেতরটা বের হয়েছে।
>অযত্নে বেড়ে উঠা চুল গুলো আজ অনেকটা সুবোধ স্কুলের বালকের মত।
>প্রচন্ড বিরক্ত হই ছাদে কারো প্রবেশ দেখে।
>স্বপ্ন গুলোর বাধ যেন ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাচ্ছে।
আবুলের এরকম হচ্ছে অনেকদিন ধরে। আর ওপর পাশের সখিনার কি খবর তা এখন জানা যায়নি। অনেক কষ্টে তারা যেন মিলনের আশা করছিল। কিন্তু তা এত সহজ না। এই মিলনের জন্য দরকার ১২ হাত ফাঁক পেরিয়ে একেবারে বুকে গিয়ে পড়া। কিন্তু মদন তা পারবে না। তাই তার আফসোস কেন তারা পাশাপাশি বাসায় থাকলো না।
সখিনাকে প্রায়ই দেখা যায় গোসলের পরে ছাদে এসে চুল শুকাতে। এই ঠাটা রোদে বাহির হয় দেইখা ওর মায়ে কয় এতবার ছাদে যাস কেন মাগী? তোর মাগ কি ছাদে থাকে রে। বোঝেন এবার দশা।
আবুল জোয়ান পোলা। এভাবে তার সহ্য হয়না শুধু হাত মাইরা, সে সখিনারে কাছে পাইতে চায়, এক্কেরে নিজের শরীরের লগে মিলায়া রাখতে চায়। সখিনাও বোঝে তাই প্রায়ই ওড়না ছাড়া ছাদে আসে। আর তখন বোধ করি আবুলের হাতটা জায়গা মত চইলা যায়।
এই ১২ হাত ফাঁকের ও বা কি দোষ, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এইরকমই হয়, দুটি কামে ভরা মানুষ কখনোই কাউকে কাছে পায়না। হয়ত তাদের এই অস্বস্তির কারনেই তারা একজন শুধু হাত মাইরা আর একজন শরীর দেখাইয়া নিজেদের উজাড় কইরা দিতাছে।
অসহ্য লাগে লুঙ্গির মাঝে ল্যাউড়া
তোমার বুক দেইখা জিভে পানি আসে
দুইজনের বোধের অস্বস্তি মিলায় না সহজে
১২ হাতের ফাঁকেরে আমি তাই লুঙ্গির মাঝে রাখি।
উন্মদনীয় গলায় আবুলের এই আর্তনাদ.........
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



