somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ ম্যানেজার সাব

৩১ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-ম্যানেজার সাব, এই নেন আপনের কপি !

আমি কাস্টমারের কাছ থেকে টাকা হিসাব করে নিচ্ছিলাম তখনই কথাটা শুনতে পেলাম । তাকিয়ে দেখি হোটেলের বেয়ারা রমিজের হাতে আমার কফি খাওয়ার কাপটা দেখতে পেলাম। কাপটা ঢাকা রয়েছে । আমার বুঝতে কষ্ট হল না কাজটা কে করেছে । আমি রমিজের হাত থেকে মগটা নিলাম ।

নীলু কফি ভাল বানায় । ইদানীং প্রায়ই ওর হাতের কফি খাওয়া হয় । কফি খাওয়ার অভ্যাস আমার অনেক দিনের । তবে আমার কফি খাওয়া বলতে নেসক্যাফের থ্রি ইন ওয়ান কিনে গরম পানিতে ঢেলে দেওয়া । তবে নীলু বেশ যত্ন করেি কফি বানায় । রাতের বেলা প্রায়ই দরজাতে কড়া নড়ে । দরজা খুলতেই নীলু বলে ওঠে ওঠে, নিজের জন্য কফি বানিয়েছিলাম । এখন দেখি বেশি হয়ে গেছে । খাবেন এককাপ?
তারপর আমার উত্তরের অপেক্ষা না করেই নিজেই আমার ঘর থেকে কাপ নিয়ে যায় । একটু পরে কফি নিয়ে ফিরে আসে । টুকটাক গল্প করে আমার সাথে ! আমি ওর চোখে মুখে এক রকম আনন্দ দেখতে পাই । আমার নিজেরও যে ভাল লাগে না সেটা আমি বলবো না ! আমার ভাল লাগে !

আজকে ছুটির দিন । ক্যাম্পাসে যাওয়ার দরকার নেই । এমন কি টিউশনীও আজকে বন্ধ । আমার পকেটে যেহেতু খুব বেশি টাকা পয়সা থাকে না তাই ছুটির দিন গুলোতে আড্ডা ঘুরাঘুরি করাটা আমার জন্য না । আমি এই দিন গুলো ঘরে বসেই কাটিয়ে দেই । হয়তো বই পড়ে কিংবা মোবাইলে গান শুনে । আজকেও তেমনই প্লান ছিল কিন্তু সকাল বেলা এই হোটেলের ক্যাশ বাক্সে এসে বসেছি । এটা নীলুর বাবার হোটেল । আমি প্রায়ই এখান থেকেই খাওয়া দাওয়া করি ।

নীলুদের বাসাটা একতলা । মাঝে লম্বা রাস্তা । দুই পাশে অনেক গুলো রুম । প্রতিটি রুমেই একটা করে পরিবার থাকে । শহরের নিন্মবিত্তদের বাস এখানে । মোট ১২টা ঘর আছে । এর পাশেই রয়েছে রান্না ঘর এবং ওয়াশরুম। তার ভেতরে আমি থাকি একটাতে । নীলু আর নীলুর বাবা থাকে দুইটা রুম নিয়ে । বাড়ির মালিক যেহেতু ওর ওদের জন্য আলাদা রান্নাঘর এবং ওয়াশরুম । এবং কিছুদিন থেকে আমাকে এই রান্নাঘর এবং ওয়াশরুম ব্যবহার করতে দেওয়া হয় ! আমি নীলু এবং নীলুর বাবার কাছে স্পেশাল খাতির পাই ।

আজ যেমন নীলুর বাবার শরীর টা ভাল লাগছিলো না । নীলু এসে সকালবেলা আমাকে অনুরোধ করলো যেন আমি ওদের হোটেলের ক্যাশে গিয়ে বসি । নীলুর বাবাই নাকি এটা বলেছে । দিন দিন আমাকে এরা বেশ ভাল ভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে । আপন করে নিতে শুরু করেছে । এর একটা কারণ হতে পারে আমি এতিম । বআপন বলতে আমার খুব একটা কেউ নেই । যারা আছে তাদের কাছে যাওয়ার উপায় নেই । ছোট বেলা এর ওর কাছে থেকেছি বটে তবে জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আমি এতিম খানাতেই বড় হয়েছে । পড়াশুনাতে ভাল ছিলাম বলে এখনও পড়ালেখাটা চালিয়ে যেতে পারছি । ভার্সিটিতে উঠে বেশ কয়েকটা টিউশনীতে পেয়ে হাতে কিছু টাকাও এসেছে । তাই মেস বাড়িতে না উঠে এই এক রুমের বাসাতে উঠেছি । যদিও খরচ একটু বেশি তবে টিউশনীর টাকা দিয়ে ঠিকঠাক চলে যায় !

সম্ভবত নীলুর এই জন্যই আমার প্রতি একটা মায়া জন্মেছে । নীলু আমার মত না হলেও অনেকটাি আমার কাছাকাছি । এই জগতে ওর বাবা ছাড়া আর কেউ নেই । ওর বাবাও আমার মত নাকি এতিম খানাতেই বড় হয়েছে । তবে এক সময় এলাকার প্রসিদ্ধ গুন্ডা ছিলেন তিনি । এখন অবশ্য ভাল হয়ে গেছে । এই বাড়ি আর হিটেল নিয়ে আছেন আর নিজের মেয়েকে নিয়ে । তার জীবনে এখন নীলুই সব ! সেই নীলু যখন আমাকে পছন্দ করে তখন আমার প্রতি তার একটা আলাদা টান তৈরি হয়েছে ।

দুপুর পর্যন্ত আমার হোটেলেই কেটে গেল । দুপুরে খেয়ে বাসায় এলাম । ঘরে ঢুকতেই নীলুকে দেখলাম আমার ঘরে আসছে । আমার দিকে খানিকটা গাল ফুলিয়ে বলল, এই নেন আপনার নোটস !
আমি তাকিয়ে দেখি আমার নোটস নীলুর হাতে ।
এটা ওর কাছে কিভাবে এল ?
তখনই মনে পড়লো এই এলাকাতে রিতু থাকে । আমার ক্লাস মেস । প্লাস ভাল বন্ধু । একই এলাকাতে থাকার কারণে প্রায়ই ওর সাথে আসা যাওয়া হয় । আমার কাছে মাঝে মধ্য সাহায্য নেয় । গত দিন আমার কাছ থেকে এই নোট খাতাটা নিয়েছিলো । বলেছিলো আজকে দিয়ে যাবে । নিশ্চয়ই দিয়ে গেছে । মোবাইলটা আমি সাথে করে নিয়ে যাই নি । হাতে নিয়ে দেখলাম রিতু ফোন দিয়েছিলো । তারপর আমাকে না পেয়ে আমার রুমে এসে দিয়ে গেছে ।

আমি খাতা নিতে নিতে বললাম, দিয়ে গেছে । যাক ভাল ।
-আপনার প্রেমিকা !
-প্রেমিকা ! হা হা হা । আমার মত গরীব আর এতিমের সাথে মানুষ কথা বলে এই অনেক । প্রেম তো অনেক দুরের কথা ! রিতু কেবলই বন্ধু !

নীলু দেখলাম কেমন চোখে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো কিছু সময় । তারপর আর কিছু না বলে চলে গেল । আমি নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলাম ।

রাতের বেলাতেই ঘটলো আরেক ঘটনা । আমি রাতে একটু জলদি জলদি ঘুমিয়ে পড়ি । তবে আজকে কোন কারণে ঘুম আসছিলো না । শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপছিলাম । সেই সময়ে দরজাতে ধাক্কার আওয়াজ এল । আমি দরজা খুলে দিতেই দেখলাম নীলু দাড়িয়ে সামনে । পুরো বাড়িটার আলো নেভানো । আমার ঘরের আলোও নিভিয়ে দিয়েছি অনেক আগেই । কেবল বাসার সামনে একটা আলো জ্বলছে । সেই আলোটা পুরো করিডোরটা একটু আলোকিত করে রেখেছে ।

নীলুর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হল ওর চোখটা কেমন যেন ফোলা ফোলা । কোন কারণে কি ওর মন খারাপ? কিংবা কান্নাকাটি করেছে সে ? আমি কিছু বলতে যাবো তার আগেই নীলু একটা কাজ করে ফেলল । আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো । আমি মোটেই ভাবতে পারি নি যে নীলু এমন একটা কাজ করবে । ও আমাকে এতো জোরে জড়িয়ে ধরলো যে আমি ওর হৃদ স্পন্দন পরিস্কার বুঝতে পারছিলাম । কোন কারণে সেটা খুব দ্রুত লাফাচ্ছে । কোন কারণে মেয়েটা খুব ব্যাকুল হয়ে আছে ।

-কী হয়েছে ? বল আমাকে?
-আপনি ঐ কথাটা কেন বললেন?
-কোন কথাটা ?
-ঐ যেন ভালোবাসা, আপনার মত মানুষকে কেউ ভালবাসবে না ।
কিছু সময় চুপ থেকে বললাম, ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি !
-সবাই এক না । মোটেই এক না ! আমি আপনাকে ভালোবাসি ! আমার সব টুকু জুড়ে ভালোবাসি !
এই লাইণ টুকু বলে নীলু আমাকে ছেড়ে দিল । তারপর দ্রুত নিজের ঘরের ভেতরে ঢুকে গেল । আমি বোকার মত কিছু সময় দাড়িয়ে রইলাম দরজাতে ।

পরের কয়েকটা দিন আমাকে ক্যাসে বসতে হল । নীলুর বাবার শরীর দিন দিন খারাপ । আমি ক্লাস কামাই দিয়ে ক্যাশে বসে রইলাম । কেন রইলাম আমি নিজেই জানি না ।

সপ্তাহ যেতে না যেতে নীলুর বাবার অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে গেল ! একদিন বিকেল বেলা সেটা আরও বেশি খারাপ হয়ে গেল । তাকে নিয়ে যেতে হল হাসপাতালে । হোটেলের কর্মচারি আর আমি ছাড়া বলতে গেলে নীলুর আর কেউ নেই । হোটেল ছেড়ে আর তো ওরা আসতে পারবে না । আমি পুরোটা রাতই হাসপাতালে রয়ে গেলাম । রাত বারোটার দিকে হঠাৎ ডাক্তার সাহেব আমাদের রুমে ডাকলেন । বললেন নীলুর বাবার অবস্থা ভাল না । তিনি প্রচুর সিগারেট খেতেন । এক সময়ে নিয়মিত ড্রাগস নিতেন । এছাড়া মদ সহ অন্যান্য সব কিছুর অভ্যাস ছিল তার । শরীরের অবস্থা ভাল না ।

নীলু হুহু করে কেঁদেই চলল । আমি ওকে কিভাবে শান্তনা দিবো বুঝতে পারছিলাম না । আমাদের কেবিনে নিয়ে যাওয়া হল । নীলুর বাবা আমার হাত ধরে বলল, বাবারে জীবনে অনেক পাপ করছি। কিন্তু আামর মাইয়াদার কোন পাপ নাই । তুমি ওরে একটু দেইখা রাইখো । এই জগতে আর ওর কেউ নাই !
আমি কিছু বলতে গিয়েও আটকে গেলাম । কেবল তার হাতের উপরে আমার হাতটা দিলাম । কিছু বলতে হল না । সে এমনিতেই বুঝে গেল ।

নীলুর বাবা মারা গেল ভোরের দিকে । নীলু আমাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো । আমার বাবা কবে মারা গিয়েছিলো সেটা আমার মনেও নেই । তবে মা মারা যাওয়াটা একটু একটু মনে আছে । আমিও ঠিক একই ভাবে কাউকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলাম সম্ভবত । কাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম সেটা আামর এখন অবশ্য মনে নেই ।

দাফনের সব কাজ শেষ করতে করতে বিকেল হয়ে গেল । আমরা যখন আবার বাসায় ফিরে এলাম তখন দেখি বাড়ির সামনে অনেক মানুষ । দুই গ্রুপ । এলাকার দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপ । নীলুদের বাড়িটার মালিকানা নিয়ে আমি যতদুর জানি কোর্টে কেস চলছিলো । নীলুর বাবার কারণে এতোদিন কেউ এদিকে আসার সাহস পায় নি । উনি মারা যেতে এসে হাজির হয়েছে ।
নীলুকে দেখলাম খুব শান্ত ভাবে সব কিছু দেখছে । ওর যেন কোন চিন্তা নেই । এদের দুই গ্রুপের ক্ল্যাসে নীলুর পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব না এই বাড়ি দখল করে রাখা । কোন পুলিশও সাহায্য করবে বলে মনে হয় না ।
আমি নীলুর দিকে তাকিয়ে বললাম, তুমি কি চিন্তা করছো ?
নীলু বলল, উহু চিন্তা করছি না ! আমি জানি আপনি আমাকে ছেড়ে যাবেন না ।
নীলুর কন্ঠের স্থিরতা দেখে আমি একটু অবাক হলাম । মেয়েটা আমার উপর কী পরিমা বিশ্বাস স্থাপন করেছে । এটা দেখে কেন জানি আমার ভাল লাগলো । মনে মনে একটা হিসাব করলাম । এখন যে টিউশনী গুলো সেটা দিয়ে এরকম একটা ঘর ভাড়া নেওয়া সাথে দুইজনের খাওয়া দাওয়া চলে যাবে । কিন্তু বাড়তি খরচ করতে পারবো না । দেখি আরেকটা টিউশনী নিতে হবে । তাহলে আশা করি কাজ হয়ে যাবে !

দুইদিন পরে নীলু আমাকে ছোট একটা পিকআপ ভাড়া করতে বলল। আমি বললাম কোথায় যাবে?
নীলু বলল, বেশি দুরে না । এই তো কাদেরাবাদ হাউজিংয়ে ।
আমি একটু দ্বিধা নিয়ে বললাম, ওখানে বাসা ঠিক করেছো নাকি !
নীলু এবার একটু হাসলো । তারপর বলল, আপনি চিন্তা করবেন না । একটা পিকআপ নিয়ে আসুন !

আমি পিকটা ভ্যান নিয়ে এলাম । আমার মাল পত্র খুব একটা ছিল না । নীলুও খুব একটা জিনিস পত্র নিলো না । পুরানো আসবার পত্র কিছুই নিলো না বলতে গেলে । পিকআপে সব মালামাল ভর্তি শেষ করে নীলু এক গাদা চাবি নিয়ে বের হয়ে এল । দেখতে পেলাম এলাকার আরেক গড ফাদার আসিফ আহমেদ এসে হাজির হয়েছে । নীলু তার কাছে সব চাবি দিয়ে দিল ।
আসিফ আহমেদ নীলুকে বলল, চলেই যাবি? চাইলে থাকতে পারতি !
-না চাচা । আব্বার জন্য ছিলাম এখানে। আব্বা নেই আর থাকবো না !
-আচ্ছা যা । কোন সমস্যা হলে আমাকে ফোন দিস । কেমন !
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল, এই ছেলে এদিকে এসো !
আমি ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেলাম । আফিস আহমেদ বলল, নীলুর ভাল করে দেখা শোনা করবে । আর যত জলদি পারো দুজন বিয়ে করে ফেলো । কেমন !
আমি কেবল মাথা ঝাকালাম

পরিশিষ্টঃ

-ম্যানেজার সাব, কফি নিন ।

আমি বারান্দায় বসেছিলাম । নীলু দুই কাপ কফি নিয়ে এসে হাজির হল বারান্দায় !

আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, ম্যানেজার সাব রিয়্যালি?
নীলু হাসলো । তারপর, তাই তুমি ম্যানেজারই । তাই না । আব্বা তোমাকে আমার দায়িত্ব দিয়ে গেছে না ! ঠিক ঠিক দায়িত্ব পালন করবে বুঝছো !
-আচ্ছা ! তা আমার বেতন কে দিবে শুনি?
-কেন দিচ্ছি না ! রাতের বেলা যে এতো গুলো করে চুমু খাই এসব কি শুনি ? আরও যে .....
-ওকে ওকে আমি বুঝতে পেরেছি !

নীলু হিহি করে ফেলল । ওর হাসি দেখে ভাল লাগলো । ওর বাবা মারা গেছে আজকে প্রায় দুইমাস । এই দুই মাসে নীলু একেবারে সংসারী হয়ে উঠেছে । এই ফ্লাটে আসার পরদিনই আমরা বিয়ে করে ফেলি । যদিও নীলুর বয়স এখনও আঠারো হয় নি । তবে এছাড়া আর কোন উপায়ও আমাদের হাতে ছিল না ।

আমি একটু চিন্তিত ছিলাম এই নিয়ে যে এতো বড় ফ্ল্যাটের খরচ কিভাবে আসবে । কিন্তু সেটা দুর হয়ে গেল কিছু সময় পরেই । নীলুর বাবাই সব ব্যবস্থা করে গিয়েছিলো । ওদের ঐ বাড়িটা সে সে আসিফ আহমেদের কাছেই বিক্রি করে গিয়েছিলো । সেই টাকা দিয়ে এই বিল্ডিংয়েই দুইটা ফ্লাট কেনা হয়েছিলো । যার একটাতে এখন আমরা আছি অন্যটা ভাড়া দেওয়া । এছাড়াও নীলুর নামে বেশ ভাল পরিমান টাকা ব্যাংকে রেখে গিয়েছেন তিনি । নিজের মেয়ের জন্য সব ব্যবস্থা আগে থেকেই করে গেছেন । তারপরেও এই সমাজে কেবল টাকা থাকলেই একা একটা মেয়ের টিকে থাকতে পারে না । সেটার জন্য আমাকে রেখে গেছেন ।

মানুষের জীবন কিভাবে কোথায় কার সাথে যুক্ত হবে সেটা আমরা হয়তো কেউ বলতে পারি না । সেই ছোট বেলা থেকেই আমি দেখে এসেছি আমার প্রতি সবাই কেমন একটা করুণা অনুভব করে । কোন দিন আমি ভাবিও নি নীলুর মত কেউ আমাকে ভালোবাসবে ! আর আমার জীবনটা এমন হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৭
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অর্ধ-দশকের পথচলা: ছিলা-নাঙ্গা ও বোঙ্গা-বোঙ্গা কিছু কথা!!!

লিখেছেন আখেনাটেন, ২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৭


ঘুর্ণিঝড়। জলোচ্ছ্বাস। লন্ডভন্ড। ক্ষয়ক্ষতি। আহাজারি। পলায়ন। ভাগবাটোয়ারা। শান্তি। সাধারণত আমাদের দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পরাক্রমশালী সামুদ্রিক ঝড়গুলোর পরের জীবনচক্র কিছুটা এরকমই। বিশেষ করে, দেশের আপামর জনতা যাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দৃষ্টিতে নতুন শিক্ষাব্যবস্থা

লিখেছেন মৌরি হক দোলা, ২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৯



১. তৃতীয় শ্রেণির আগে কোনো পরীক্ষা ব্যবস্থা থাকবে না। আলহামদুলিল্লাহ! কিছু কোমলমতি শিক্ষার্থী বুঝি এবার অসুস্থ প্রতিযোগিতা থেকে রেহাই পাবে! আরো ভালো হয় যদি এদের ভর্তি পরীক্ষাও বন্ধ হয়।


২.... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবশেষে দৈত্যের পতন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩১



ট্রাম্প দেশের ক্ষমতা হস্তান্তরকারী সংস্হাকে কাজ শুরু করার অর্ডার দিয়েছে; আজ সকাল থেকে সংস্হাটি ( জেনারেল সার্ভিস এজনসীর ) কাজ শুরু করেছে, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটার তো বাহাদুরি মমিনরা নিল, বাকি ভ্যাকসিন গুলোর বাহাদুরি তাহারা নেয় না কেন?

লিখেছেন এ আর ১৫, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৫২



বাহাদুরির বিষয় হলে যারা ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বাড়াবাড়ি শুরু করেন, তারা জবাব দিবেন কি?
কার্দিয়ানিরা মুসলমান নহে কিন্তু যেহেতু বাহাদুরির বিষয় তাই ডঃ সালাম হয়ে গেলেন মুসলমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

নভোনীল পর্ব-১৪ (রিম সাবরিনা জাহান সরকারের অসম্পূর্ণ গল্পের ধারাবাহিকতায়)

লিখেছেন ফয়সাল রকি, ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫১



- ময়ী, ময়ী! আর কত ঘুমাবি? এবার ওঠ।
দিদার ডাকতে ডাকতে মৃনের রুমে ঢুকলো। মৃন তখনো বিছানা ছাড়েনি। সারারাত ঘুমাতে পারেনি। ঘুমাবে কী করে? রাজ্যের দুঃশ্চিন্তা ভর করেছিল ওর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×