somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বই পরিচিতিঃ[রং=#808080] রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর 'ভোলগা থেকে গঙ্গা'[/রং]

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামহয়্যারইন এর সু ব্লগার মাশার সমৃদ্ধ সংগ্রহশালা হতে বইটি পড়তে এনেছিলাম।
374 পৃষ্টার বই খানি পড়তে একটু বেশী সময়ই লেগেছে আমার। কিন্তু সময় করে যে কবার বসেছি বদ্ধ নিঃশ্বাসে পড়েছি অনেকখানি করেই। পাতার পর পাতা যাদুমন্ত্রে টেনে নিয়েছে সামনে।
ছোট ছোট ঘটনার নিখুত বুনন এ 6000 খৃষ্টপূর্ব কাল হতে 1947 খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত ধরনীর বুকে আমাদের উপমহাদেশের ইতিহাসের ধারাবাহিক বিবর্তন ফুটে উঠেছে বইটিতে।
রাহুল সাংকৃত্যায়ন(1893-1966) এর "ভোলগা থেকে গঙ্গা" গ্রন্থটির প্রধম আবেদন এর আখ্যান বসতু। সমস্ত গ্রন্থটির ছোট ছোট কাহনী বা আখ্যানের পেছনে আলোকপাত হয়েছে বিরাট পটভূমিকার উপর ঐতিহাসক সত্য বস্তুর। প্রায় 6000 খৃষ্টপূর্বকালে ভারতের সুদূর উত্তর পশ্চিমে ভোলগার তীরে অরন্যতুষারচ্ছন্ন পরিবেশে যে মানবগোষ্ঠীর পদচারণা শোনা গিয়েছিল......তাদেরই জীবন এবং অবস্থানের ঐতিহাসিক ভিত্তি এবং কিছু কল্পনায় বোনা কাহিনী নিয়ে এ গ্রন্থের কাহিনীর যাত্রা ঘটে। কাল ক্রমে সে হিন্দে ইউরোপিয়ান জাতি আর্য নামে ভারত বর্ষের গাঙ্গেয় উপত্যকায় বসতি স্থাপন করে। মিশ্রন ঘটে এখানের অনার্য, দ্রাবির যত জাাতির সাথে।
গ্রন্থের কাহিনীগুলো কাহিনী হলেও নিছক কল্পনা প্রসুত নয়। সেকানেই গ্রনহকারের মহান কৃতিত্ব। সমাজ বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ের দিকে লক্ষ্য রেখে কাহিনীগুলো ধারাবাহিক ভাবে রচিত হয়েছে। অনেক সময় কিছু কাল্পনিক চরিত্র আসলেও অধিকাশ চরিত্রের ঐতিহাসিক ভিত্তি বা অবসহান আছে।
মূল বইটি হিন্দি এবং বাংলায় অনুবাদের সময় নতুন সংস্করনে 'ভোলগা থেকে গঙ্গা ' ও সাথে 'কনৈলা কি কথা' ও অনুবাদ ও একত্রে প্রকাশ করা হয়েছে।
শেষের অংশে গঙ্গার তীরবর্তী কিছু বিশেষ অঞ্চলের নানান ধারবাহিক ঘটনায় খুষ্টপূর্ব 2300 কাল হতে 1947 পর্যন্ত ঘটনা একইভাবে সমৃদ্ধভাবে ফুটে উঠেছে।
ইাতহাস এর অজানা অনেক ক্রম স্মৃতির পটে নুতন নতুন পদচিহ্ন একে দিল এমন সুন্দর একটা বই পঠনে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:১৭
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আর্মি এখনও ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছেনা কেন?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৪৫

“শেখ হাসিনার পতনের মূল কারণ ছিল চীনের দিকে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়া, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ভূরাজনৈতিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে, দেশের অভ্যন্তরে একটি পরিকল্পিত পরিবর্তন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

পৃথিবীর কোথাও কেন রাত নামে না, আবার কোথাও সূর্য ওঠে না

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা, ভৌগোলিক প্রভাব এবং আধ্যাত্মিক প্রতিফলন

আমরা প্রতিদিন যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখি, সেটাকে এতটাই স্বাভাবিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাংবাদিক নারীরা কি টিপিক্যাল, চিন্তার গভীরতা কি ওদের কম??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×