খুব ছোটবেলা থেকেই বাসায় বড়দের কাছ থেকে শুনতাম মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন চরমপত্র পড়তেন আর তা শুনেই নাকি মুক্তিযোদ্ধারা দারুন বিক্রমে ঝাপিয়ে পড়তো পাকি খুনীদের বিরুদ্ধে... স্বাধীনতার অভিপ্রায়ে।
সেই এম আর আখতার মুকুল যখন চিরবিদায় নিলেন অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম। তারও আগে অনেক ভাবতাম বঙ্গবন্ধুর বিস্ময়কর হত্যাকান্ড নিয়ে। আমার ভাবনার ছোট্র জগতে এসব জটিলতার কোন উপসংহার পাওয়া সম্ভব নয়।
মনে পড়ে সন্তোষ গুপ্তের প্রয়ানেও আমার মনে একটি প্রশ্ন জেগেছিলো এমন ত্যাগী মানুষ আর আসবে ? আর শহীদ জননী জাহানারা ইমাম কিংবা সুফিয়া কামালের মৃত্যুতে পেয়েছিলাম আপনজন হারানোর বেদনা। কারন ঘুনে খাওয়া বাঙ্গালী জাতির মধ্যে সামরিক শাসকরা যে অপরাধ প্রবনতার অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে তা চিহ্নিত করতে এ দুজনের ভুমিকা অনেক বড়। এরপর চলে গেলেন মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রচন্ড শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব হুমায়ুন আজাদ এবং কবি শামসুর রাহমান।
সবশেষে নিতুন কুন্ডু। মুক্তিযুদ্ধের ব্যক্তিত্বরা এভাবে হারিয়ে যাবেন........ । আর জাতির ঘাড়ে ক্রমশ চেপে বসবে ভুয়া নায়ক (নাকি খলনায়ক) এবং রাজাকার মৌলবাদীরা। অপমানিত হবে আমার প্রিয় পতাকা ও রক্তের তুলিতে আকা মানচিত্র। তারপরেও কি মানুষের বোধোদয় ঘটবেনা ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


