যদি হও মধু বিহবল তবে মৌচাকের গভীর থেকে শুঁকো প্রেমিক !
পরম আহ্লাদে জিহবা ঘুনের আদল থেকে ফিরে পাবে পুনঃ
রসবোধ; ভগ্নস্বাস্থ্য খানিক হলেও দুর্লভ মাধুর্য ফিরে পাবে ।
বড় উদ্দীপক গোলাপ ঝরে গেলে আমি নাকি খুব বেদনায়িত ?
যদি তারারও রাতে ঘন ঘন ল্যান্ডফোনের আওয়াজ নূরের বৃষ্টিবরণ থেকে
ভিন্ন রাখে, না- ঘোরায় চোখ ঊষাকাশের উচিৎ জ্ব্যোৎসনার দিকে।
নারীর উচ্ছল নাভিতে স্খলনের বর্ষ যতো ঐ পতঙ্গের গভর্াশয়ের ভ্রণের মতো ।
কিছু কিছু ভিতরব্যপী- অসহায় মুহূর্ত ও করাতধারে তীক্ষ হতে পারে।
তারই অন্তরটুকু শুনিয়ে মেলে মিলিত ফাটলে যাবো বুঝি মেঘ সরিয়ে সরিয়ে-
যদিও সুখপ্রদ জীবনের মতো ছোট হয়ে আসো- ঝনঝন শব্দে
ইস্পাতের ব্রেঞ্চ পড়ে মেলে পীড়ন প্রণালীতে শুদ্ধি পায় কর্ণেরা সবাই !
অযাচিত হসিরেখা যুগ যুগ আধুনা আলোর মতোই খেই হারিয়ে ফেললে
ভূরুর ক্ষতিতে তখন চোখ রাখলে প্রিয় আমিও নাকি খুশি হয়ে যাই ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


