somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উৎস সনাক্তকরন

৩০ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
।



মানুষ যখন সভ্য নামক মুখোশ ধরতে শুরু করে জন্ম হয় বিভাজনের, কখনও পরিবার,কখনও সমাজ,কখনও রাষ্ট্র নাম নেয় । মানুষগুলোর বিভাজন হয় । সম্পর্কের ক্ষেত্রে কারো নাম মা,কেউ বাবা,কেউ সন্তান ।আমরা যখন জন্মগ্রহন করি তখন নিজের চোখে দেখি নি যে যাকে মা ডাকছি তিনিই আমার মা, কিংবা যাকে বাবা ডাকছি তিনিই বাবা । সমাজ/রাষ্ট্র বলেছেন তিনি বাবা, তিনিই মা, আর ঔরসগত ভাবে আঁকার আকৃতি মিলেছে বলেই বলেছি যাহা মিলে গেছে । তাতেই আমরা মেনে নিয়েছি ।

অত:পর পরিচয় আসেন,আসেন কে জনক-জননী । কেউ বলেন ডাক্তারের ছেলে,কেউ বলেন মেজরের ছেলে, কেউ রেন্জারের ছেলে, কেউ আইনজীবীর ছেলে,কেউ নেতার সন্তান,কেউ পাগলের ছেলে,নতুবা পাগলীর ছেলে । পাগলী জন্ম পাগল হয়ে জন্ম নেন নি, পরিবেশ/পারিপার্শ্বিক/শারিরীক/মানসিক/বাস্তবতার চাপে সময়ের সাথে অ কার্যকর হয়ে পড়েন বুদ্ধিদীপ্ততা । সুস্থ বিবেকে ধরে অ-সুখ ।

#সঙ্গ ।
মায়ের কোল থেকে জড়তা আর লোল পড়া মুখে হামাগুড়ি যুদ্ধ দিয়ে শুরু । নরম মাংসের গোড়ালী পরিনত হয় হাঁটার উপযোগিতে । শক্ত কোন দন্ডরুপ । সে পর্ব শেখা হলে তাকে এ হাঁটা পা নিয়ে মেঠো পথের পথিক । পাথুরে হতে পারে । কাঁদামাটির হতে পারে, হতে পারে চৈত্রের দাবনলে ফেটে যাওয়া মাটি । জড়তার মুখে মাস্টার মশায়দের মুখে তুলে দেওয়া অ-ক-১-A বর্ণমালা । পাওয়া যায় একই বয়সের কিছু শিশু । প্রথম সখ্যতা একই বয়সের সাথে । পরিবারের বাইরে একটি সম্পর্ক যোগ হয় বন্ধু নামে । নতুন মানুষ ।


পাগল সবকিছু ভুলে যান, হারান ঠিকানা, কেউ বা শিকল পায়ে গারদে থাকেন । কেউ রাস্তায় । একটি সমাজে পাগলের অবস্থান নিগৃহীত কারন সমাজ তাকে পুঙ্গুত্ব বিকলাঙ্গ করে ফেলেন । এ পাগলী তো নিজেই জানেন না যে সে কেন এসেছেন এ ধরায়, কেউ দিলে খান, কোথাও আবার ছেলেপেলে ঢিল ছুঁড়েন, ডাস্টবিনের খাবার খান, ময়লা আর মাটি যেন আকৃষ্ট করেন । মাটির গায়ে ডোরকাটা দাঘ কাটেন । আরও কত কি । তবুও পাগলী নারী একজন মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়া মা । বিচ্ছেদের সুঁই সুতো উঠলেও পাগলী বেধে রাখেন । ভালোবাসে কষ্ট তাপিয়ে পাগলীর পুতুলটাকে পাহারা দেন ।

শত সন্তান মাকে রেখে চলে যান, কেউ সুখ তাপাতে গিয়ে এককাপড়ে বের করে দেন, কেউ রেখে আসেন সো কলড বৃদ্ধাশ্রমে । কেউ আবার বন্ধ মনে শোরগোল করেন, বন্ধ আলমিরাতে মূল্যবান কিতাবের ঠাঁই হয়,বন্ধ হৃদয়ে সুখের উপস্থিতি হয় না । না পাওয়া পর্যন্ত অ-মূল্যায়নের সকল কিছুই মূল্যায়িত হয় যিনি পান নি ।

মা পাগল হলেও আপনার পরিচয় আছে আপনি পাগলীর সন্তান । আম্র কানন কে আম্র কানন বলে, লিচু কে লিচু, গোলাপের কান্ড থেকে উৎপন্ন হওয়া ফুল কে গোলাপ বলে, সর্ব উৎকৃষ্ট হবার পরও শিকড় বা উৎস জননী ভুলে গেলে আপনি শিকড়হীন, অজাতীয়,জাতবিহীন,জন্মপূরুষ থাকা পরও আপনি জারজ কিংবা জাতবিহীন মনুষ্যত্ব ।মানুষ যখন সভ্য নামক মুখোশ ধরতে শুরু করে জন্ম হয় বিভাজনের, কখনও পরিবার,কখনও সমাজ,কখনও রাষ্ট্র নাম নেয় । মানুষগুলোর বিভাজন হয় । সম্পর্কের ক্ষেত্রে কারো নাম মা,কেউ বাবা,কেউ সন্তান ।আমরা যখন জন্মগ্রহন করি তখন নিজের চোখে দেখি নি যে যাকে মা ডাকছি তিনিই আমার মা, কিংবা যাকে বাবা ডাকছি তিনিই বাবা । সমাজ/রাষ্ট্র বলেছেন তিনি বাবা, তিনিই মা, আর ঔরসগত ভাবে আঁকার আকৃতি মিলেছে বলেই বলেছি যাহা মিলে গেছে । তাতেই আমরা মেনে নিয়েছি ।

অত:পর পরিচয় আসেন,আসেন কে জনক-জননী । কেউ বলেন ডাক্তারের ছেলে,কেউ বলেন মেজরের ছেলে, কেউ রেন্জারের ছেলে, কেউ আইনজীবীর ছেলে,কেউ নেতার সন্তান,কেউ পাগলের ছেলে,নতুবা পাগলীর ছেলে । পাগলী জন্ম পাগল হয়ে জন্ম নেন নি, পরিবেশ/পারিপার্শ্বিক/শারিরীক/মানসিক/বাস্তবতার চাপে সময়ের সাথে অ কার্যকর হয়ে পড়েন বুদ্ধিদীপ্ততা । সুস্থ বিবেকে ধরে অ-সুখ ।

#সঙ্গ ।
মায়ের কোল থেকে জড়তা আর লোল পড়া মুখে হামাগুড়ি যুদ্ধ দিয়ে শুরু । নরম মাংসের গোড়ালী পরিনত হয় হাঁটার উপযোগিতে । শক্ত কোন দন্ডরুপ । সে পর্ব শেখা হলে তাকে এ হাঁটা পা নিয়ে মেঠো পথের পথিক । পাথুরে হতে পারে । কাঁদামাটির হতে পারে, হতে পারে চৈত্রের দাবনলে ফেটে যাওয়া মাটি । জড়তার মুখে মাস্টার মশায়দের মুখে তুলে দেওয়া অ-ক-১-A বর্ণমালা । পাওয়া যায় একই বয়সের কিছু শিশু । প্রথম সখ্যতা একই বয়সের সাথে । পরিবারের বাইরে একটি সম্পর্ক যোগ হয় বন্ধু নামে । নতুন মানুষ ।


পাগল সবকিছু ভুলে যান, হারান ঠিকানা, কেউ বা শিকল পায়ে গারদে থাকেন । কেউ রাস্তায় । একটি সমাজে পাগলের অবস্থান নিগৃহীত কারন সমাজ তাকে পুঙ্গুত্ব বিকলাঙ্গ করে ফেলেন । এ পাগলী তো নিজেই জানেন না যে সে কেন এসেছেন এ ধরায়, কেউ দিলে খান, কোথাও আবার ছেলেপেলে ঢিল ছুঁড়েন, ডাস্টবিনের খাবার খান, ময়লা আর মাটি যেন আকৃষ্ট করেন । মাটির গায়ে ডোরকাটা দাঘ কাটেন । আরও কত কি । তবুও পাগলী নারী একজন মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়া মা । বিচ্ছেদের সুঁই সুতো উঠলেও পাগলী বেধে রাখেন । ভালোবাসে কষ্ট তাপিয়ে পাগলীর পুতুলটাকে পাহারা দেন ।

শত সন্তান মাকে রেখে চলে যান, কেউ সুখ তাপাতে গিয়ে এককাপড়ে বের করে দেন, কেউ রেখে আসেন সো কলড বৃদ্ধাশ্রমে । কেউ আবার বন্ধ মনে শোরগোল করেন, বন্ধ আলমিরাতে মূল্যবান কিতাবের ঠাঁই হয়,বন্ধ হৃদয়ে সুখের উপস্থিতি হয় না । না পাওয়া পর্যন্ত অ-মূল্যায়নের সকল কিছুই মূল্যায়িত হয় যিনি পান নি ।

মা পাগল হলেও আপনার পরিচয় আছে আপনি পাগলীর সন্তান । আম্র কানন কে আম্র কানন বলে, লিচু কে লিচু, গোলাপের কান্ড থেকে উৎপন্ন হওয়া ফুল কে গোলাপ বলে, সর্ব উৎকৃষ্ট হবার পরও শিকড় বা উৎস জননী ভুলে গেলে আপনি শিকড়হীন, অজাতীয়,জাতবিহীন,জন্মপূরুষ থাকা পরও আপনি জারজ কিংবা জাতবিহীন মনুষ্যত্ব ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:০১
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×