| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নতুন নকিব
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।
ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদারের দু'টি প্রশ্নের উত্তরে কিছু কথা...
ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।
আমার তায়াম্মুম: ইসলামী শরীয়তের সহজীকরণ নীতি ও বাস্তব প্রয়োগ পোস্টটি প্রকাশের পরে ব্লগার সৈয়দ কুতুবকে উদ্দেশ্য করে ব্লগার রাজীব নুর -এর ভৌতিক নয় গোয়েন্দা কাহিনী বলা যেতে পারে পোস্টে ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদার একটি মন্তব্যে তায়াম্মুমের প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মন্তব্য মনোযোগ সহকারে পড়েছি এবং কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তা গ্রহণ করছি। ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক এবং তা থেকেই সুস্থ আলোচনা এগিয়ে যায়।
ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদার তার মন্তব্যে বুঝাতে চেয়েলেছিলেন যে, তায়াম্মুমের নিয়ম কানূন ইত্যাদি তো কেবলমাত্র মরু অঞ্চলের সেইসব লোকদেরই জেনে রাখা প্রয়োজন যাদের কাছে পানি দুষ্প্রাপ্য। বাংলাদেশে যেহেতু পানির অভাব নেই, সেহেতু এখানে তায়াম্মুমের আলোচনার দরকার কী? তার ধারণা, পানি যেহেতু আমাদের দেশে যথেষ্ট পরিমানে রয়েছে, সেহেতু তায়াম্মুমের প্রসঙ্গটি আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। তার কমেন্টটি প্রিয় পাঠক বন্ধুদের বুঝার সুবিধার্থে এখানে তুলে ধরছি। তিনি লিখেছেন:
@কুতুব সাহেব: নতুন নকিব ভাইকে নিয়ে আমার একটা পর্যবেক্ষণ আছে। তিনি শিক্ষিত যথেষ্ট ভদ্র-মার্জিত, কাউকে কটু কথা বা গালমন্দ করেন না। ইসলামীক বিষয়াবলির উপর পান্ডিত্যের আছে তার। কিন্তু আমার মনে হয় ওনার ধর্মীয় বিষয়বস্তু নিয়ে ব্লগে পোষ্ট করা ইসলামের ব্যপারে অডিয়েন্সেদের আকৃষ্ট করতে পারছে না।
যেমন আজকে তিনি তায়াম্মুম নিয়ে লিখেছেন, কিন্তু ইহার সাথে বাংলাদেশ তথা আরব বিশ্বের ও এখন আর তেমন প্রয়োজনীয়তা নাই। বাংলাদেশ ভৌগলিকভাবে নদী মাতৃক দেশ খাল-বিলের অভাব নেই; মধ্যে প্রাচ্যের এখন আর পানির সমস্যা নেই। আমাদের দেশে তায়াম্মুম থেকে ও বেশি প্রয়োজন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ। উনি যদি গড় বাধা মোল্লা বা হুজুরের মতো "জীবন দিয়েছেন যিনি, আহারো দিবেন তিনি" পরিবর্তে "২টি সন্তানের বেশি নয় একটি হলে আরো" ভালোর সাথে ইসলামিক যোগসূত্র স্থাপন করতে পারতেন তাহলে মনে হয় ইসলামের মাহাত্ম্য ও সত্য জীবন-বিধান উপস্থাপন হতো। সাথে উদাহরণ হিসেবে রাজীব নূর ও তার ছোট পরিবারের সুখের জীবন বিত্তান্ত দিতে পারতেন।
পানি ব্যবহারে সক্ষম না হলে মাটি বা এ জাতীয় বস্তু দিয়ে তায়াম্মুম করতে হয়। ছবি: ইন্টারনেট
ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদার তার উপরোল্লিখিত একই কমেন্টে দ্বিতীয়তঃ বলতে চেয়েছেন যে, আমাদের দেশে তায়াম্মুম থেকেও বেশি প্রয়োজন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ।
বস্তুতঃ এই দুইটি বিষয়েরই উত্তর দেওয়া প্রয়োজন ইসলামের মৌলিক উৎস কুরআন ও সহিহ হাদিস তথা ইসলামী শরিয়তের মূলনীতির আলোকে।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদারকে, তিনি তার মূল্যবান পর্যবেক্ষণে প্রশ্নগুলো তুলে ধরার জন্য। আসলে আলোচনার ধারাবাহিকতাই সঠিক বিষয় জানার সুযোগ করে দেয়।
এক. তায়াম্মুমের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে
তায়াম্মুমকে শুধু মরুভূমি বা পানিহীন অঞ্চলের সঙ্গে সীমাবদ্ধ করে দেখা ইসলামী শরিয়তের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে বলেছেন:
“আর যদি তোমরা অসুস্থ হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ শৌচাগার থেকে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সহবাস কর, অতঃপর পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর।” -সূরা আন-নিসা, আয়াত ৪৩
এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, তায়াম্মুমের কারণ শুধু পানি না পাওয়া নয়। অসুস্থতা এমন একটি কারণ, যেখানে পানি থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার করা ক্ষতিকর হতে পারে। আবার তীব্র শীত, পানির ব্যবহারজনিত রোগের আশঙ্কা, ক্ষত বা অস্ত্রোপচারের পরিস্থিতিতেও ফকিহগণ তায়াম্মুমের অনুমতি দিয়েছেন।
বাংলাদেশে পানির প্রাচুর্য থাকা সত্ত্বেও অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, হাসপাতাল পরিস্থিতি, পানি ব্যবহারে ক্ষতির আশঙ্কা কিংবা দুর্যোগকালীন সময়ে তায়াম্মুম বাস্তব প্রয়োজন হয়ে দাঁড়াতে পারে। কাজেই এটি কেবল ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে নয়, বরং মানবিক পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিধান।
এর পাশাপাশি তায়াম্মুম ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে তুলে ধরে, আর তা হলো সহজীকরণ। আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজতা চান, কঠোরতা চান না।” -সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৫
এই দৃষ্টিকোণ থেকে তায়াম্মুমের আলোচনা কেবল ফিকহি জ্ঞান নয়, বরং ইসলামের মানবিক ও বাস্তবমুখী দর্শনের পরিচয় বহন করে।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি
কলিমুদ্দি দফাদার মন্তব্যে বলেছেন, আমাদের দেশে তায়াম্মুমের চেয়ে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বেশি প্রয়োজন। বাস্তবিক অর্থে জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যু হলেও, ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এখানে খুব সূক্ষ্ম ও ভারসাম্যপূর্ণ।
ইসলাম সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দেয়, তবে একই সঙ্গে দায়িত্ববোধ, সক্ষমতা ও ন্যায়সংগত লালন-পালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
“তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা করো না। আমি তাদেরও রিযিক দিই এবং তোমাদেরও।” -সূরা আল-ইসরা, আয়াত ৩১
এই আয়াত স্পষ্ট করে যে সন্তানকে বোঝা হিসেবে দেখা ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নয়। তবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে সাহাবায়ে কেরাম সন্তান জন্মের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এবং তিনি সম্পূর্ণ নিষেধ আরোপ করেননি। সহিহ হাদিসে আজল অর্থাৎ সাময়িক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির অনুমোদনের প্রমাণ রয়েছে।
অতএব, ইসলাম অন্ধ জন্মবৃদ্ধি কিংবা অমানবিক চাপ সৃষ্টি করে এমন জনসংখ্যা বৃদ্ধির পক্ষপাতী নয়। আবার পশ্চিমা ধাঁচের কেবল সংখ্যাভিত্তিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকেও ইসলাম চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে দেখে না। ইসলামের মূল লক্ষ্য হলো নৈতিক মানুষ গড়ে তোলা, যারা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর হবে। সর্বোপরি, সন্তান কম বা বেশি হওয়া নয়, বরং সন্তানদের সঠিক শিক্ষা, আদর্শিক গঠন ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই ইসলামের মূল দৃষ্টি।
উপসংহার
তায়াম্মুমের মতো বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে ইসলামের সহজতা, মানবিকতা ও বাস্তবমুখী চরিত্র তুলে ধরা যায়। একই সঙ্গে জনসংখ্যা, পরিবার ও সামাজিক দায়িত্বের মতো বিষয়গুলোও ইসলামের আলোকে আলোচনা করা জরুরি। একটি বিষয়কে অপ্রয়োজনীয় বলে বাতিল করে দেওয়ার আগে শরিয়তের সামগ্রিক কাঠামো ও উদ্দেশ্য অনুধাবন করা প্রয়োজন।
ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদারের মন্তব্য আলোচনা সমৃদ্ধ করেছে। ভিন্নমত ও প্রশ্নই চিন্তার দ্বার উন্মুক্ত করে। সে জন্য তাঁর প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
ছবি: ইন্টারনেট
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২০
নতুন নকিব বলেছেন:
ধন্যবাদ। তিনি জ্ঞানী লোক। আশা করি, তিনি সঠিকভাবে বিষয়টি বুঝতে সক্ষম হবেন।
২|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: পোস্টতো পুরাই বিনোদনমুলক হয়ে গেছে
বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ , পানির অভাব নাই । তাই তায়াম্মুমের দরকার নাই
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:২৪
নতুন নকিব বলেছেন:
সম্ভবতঃ আপনি পুরো পোস্ট না পড়েই মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
সামান্য সময় বের করে পোস্টটি পাঠ করে পুনরায় আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে অনুরোধ থাকলো।
৩|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: মন্তব্যটি আপনার দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে যে পোষ্টটি দিয়েছেন তাতে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ইহা আপনার সুন্দর ব্যক্তিত্ব স্বচ্ছ মনের বহি:প্রকাশ।
ব্লগার কলিমুদ্দি দফাদার তার মন্তব্যে বুঝাতে চেয়েলেছিলেন যে, তায়াম্মুমের নিয়ম কানূন ইত্যাদি তো কেবলমাত্র মরু অঞ্চলের সেইসব লোকদেরই জেনে রাখা প্রয়োজন যাদের কাছে পানি দুষ্প্রাপ্য। আমি কিন্তু একথা বলিনি। :p পুর্বের আরব অঞ্চলে সহ পৃথিবীর নানাপ্রান্তে পানির অভাব ছিল। বিশেষ করে মানুষ কূপ, জলাধার এবং প্রাকৃতিক বিভিন্ন উৎসের নির্ভর করতে হতো। প্রার্থনার পুর্বে যেহেতু পবিত্র হওয়া জরুরি তাই পুর্বের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পানির পরিবর্তে তায়ামুম একটি জরুরী বিধান বা ব্যবস্থা। কিন্তু পানি এখন মধ্যে প্রাচ্যে সহ সব জায়গায় বেশ সহজলভ্য। আর বাংলাদেশ দেশ নদীমাতৃক খালে-বিলে ভরপুর। তায়ামুম এখনকার বিশ্ব বাস্তবতায় প্রধান বা জরুরী কোন বিষয় নয়, বাংলাদেশে মনে হয় কোন কালেই ছিলো না।
আবার তীব্র শীত, পানির ব্যবহারজনিত রোগের আশঙ্কা, ক্ষত বা অস্ত্রোপচারের পরিস্থিতিতেও ফকিহগণ তায়াম্মুমের অনুমতি দিয়েছেন তীব্র শীতে এখন পানি গরম করার গিজার আছে, ক্ষতস্থান জনিত সমস্যা হলে স্যানিটাইজার প্যাড আছে। আর বাংলাদেশের বড় শহর অঞ্চলে আমার মনে পানি থেকে পবিত্র মাটি, পাথর বা বালি সংগ্রহ করা আরো বেশি দুঃসাধ্য ব্যাপার তায়ামুম করার জন্যে।
আমি প্র্যাকটিসিং মুসলিম না হলেও ইসলামের ধর্মে বিশ্বাসী। এটা বলে রাখলাম তা না হলে হয়তো ঢাবি** দুঃখিত মেঠো** মতো ব্লগে এক্টিভ ছুপা জাশির বট বাহিনী নাস্তিক ট্যাগ দিয়ে দিবে। আমার সমস্যা এদেশের আলেম শ্রেনীর একটি অংশ ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে ইসলাম কে নিয়ে ব্যাবসা করে। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের সমস্যা গুলো নিয়ে আলোকপাত বা সমাধানের চেষ্টা না করে ধর্মকে টেনে এনে বিষয়গুলো আরো জটিল করে।
যেমন, কোভিডের সময় যখন সারা বিশ্বব্যাপী এবং বাংলাদেশে সরকার মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক করলো- আবদুল্লাহ বিন রাজ্জাক নামে এক আলেম খুব স্পর্ধার সাথে ওয়াজে বললেন, "আমাকে মেরে ফেললেও নামাজে তথা আল্লাহর সামানে মাস্ক পড়ে বা মুখ ঢেকে দাড়াবো না"। আরো অনেক আলেম ও বলেছেন মুসলমানরা নামাজের পূর্বে ৫ বার অজু করে পবিত্র হয়, করোনার জীবানু কখনো তাদের আক্রমণ করে না। জাতীয় সংগীত হারাম, জাতির পিতা মানি এই রকম নানাবিধ ধর্মীয় ব্যাখা বিশ্লেষণ দিয়ে এক শ্রেণীর ধর্মীয় আলেমরা যুগের পর যুগ রাষ্ট্রীয় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আসছে।
এদেশে সবার জন্য সার্বজনীন একটি শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা যাচ্ছে না বা বড় অন্তরায় এদেশে কাওমি ও হাফেজিয়া মাদ্রাসাগুলো। ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বা বিভিন্ন আকিদা গোষ্ঠীর প্রভাব কমে যাবে, তাই হতে দিচ্ছে না। কোন সরকার ইহা করতে সাহস পাচ্ছে না কারন তাদের ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব পড়বে এবং ধর্মীয় দলগুলো দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আমার খুবই ভালো লাগতো আপনি যদি তায়ামুম বাদে এদেশে নির্দিষ্ট ক্লাস/শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্যে সার্বজনীন শিক্ষার ব্যাপারে আলোচনা করতেন। ইহা বাংলাদেশের জন্য দরকারি বিষয়।
আবার বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প বিকাশ বা বিদেশী পর্যটক আকৃষ্ট করতে- ক্যাসিনো, মদ্য পানীয় সহ আরো কিছু বিষয় প্রসারিত হচ্ছে না, কারন ধর্মীয় রাজনৈতিক দলসহ কিছু সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কারনে। কালকে যদি দেশে মদের বৈধতা দেওয়া, তারা হাজার হাজার মাদ্রাসার ছাত্র নিয়ে মাঠে নামবে। আমার কাছে খুব ভালো লাগতো- ইসলামে মদ হারাম কিন্তু এই বিশ্বায়নের যুগে এর প্রয়োজনীয়তা পযর্টন শিল্প বিকাশ, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লক্ষ্যে দেশের কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, ইউএই আদলে বিদেশি পর্যটকদের জন্যে এ বিষয় নিয়ে যদি আপনি কিছু লিখতেন.....ইহা বাংলাদেশে দরকারি বিষয়, তায়ামুম নহে।
"হাসিনার সময় চালু করা হাইকোর্টের সামনে বানানো থেমিস দেবীর মুর্তি হারাম, কিন্তু প্রাধানমন্ত্রীর বাসভবনে জুলাই বিপ্লব নিয়ে বানানো মুর্তি আরাম"
এদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের দানের টাকায় গড়া কয়েকটি মসজিদ-মাদ্রাসা পাওয়া যাবে। কিন্তু কোন স্কুল-কলেজ কিংবা হাসপাতাল পাওয়া যাবে না। কারন হুজুরেরা ধর্মকে পুঁজি করে উৎসাহিত করে- "দুনিয়াতে মসজিদ বানালে আল্লাহ তাহার জন্য বেহেশতে সবুজ রংয়ের দালান বানাবেন"। আমি আজ পর্যন্ত কোন আলেম ওলামাদের স্কুল-কলেজ কিংবা হাসপাতাল বানানোর জন্যে দান,সদকাহ কিংবা নির্মাণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শুনি নাই। অথচ ইহা আরো দরকারি একটি বিষয়।
ঢাকাকে বলা হয় মসজিদের নগরী। প্রতিটি মেট্রো স্টেশনের ১ কিলোর ভিতরে কয়েকটি
মসজিদ থাকার কথা। কিন্তু না মেঠো*** মতো কিছু বক ধার্মিকদের এখন মেট্রোস্টেশন মসজিদের জায়গা লাগবে। ইহাই দেশে ইসলামীদের চিত্র। এদেশে এক শ্রেণীর আলেম-ওলামা ধর্মকে নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার ফলে শিক্ষিত মানুষেরা দিনে দিনে ধর্ম বিমুখ হয়ে পড়ছে। এমন হাজারো উদাহরণ আছে, আর বেশি বড় করলাম না।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭
নতুন নকিব বলেছেন:
প্রিয় কলিমুদ্দি দফাদার ভাই,
আপনার দীর্ঘ মন্তব্যটি মনোযোগ সহকারে পড়েছি। অনেক ধৈর্য্য নিয়ে পোস্ট পাঠের পরে দীর্ঘ মন্তব্যটি করেছেন বলে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা এবং অভিনন্দন। আপনার এই মন্তব্যে যে প্রশ্ন, আপত্তি ও ক্ষোভ উঠে এসেছে, সেগুলোকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি ইসলামের আলোকে দিতে হয় তাহলে বলতে হয়-
প্রথমত, তায়াম্মুম প্রসঙ্গ। ইসলামে তায়াম্মুম কোনো যুগভিত্তিক সাময়িক বিধান নয়, বরং এটি একটি স্থায়ী শরয়ি রুখসাহ বা বিকল্প ব্যবস্থা। কুরআনে আল্লাহ তায়াম্মুমের বিধান দিয়েছেন সাধারণ ভাষায়, কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক শর্ত জুড়ে দেননি। কারণ ইসলাম শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিস্থিতির জন্য নয়, বরং ব্যতিক্রমী অবস্থার মানুষদের কথাও বিবেচনায় রাখে। আজ বাংলাদেশে পানি সহজলভ্য, কিন্তু সবাই কি সুস্থ, সক্ষম, নিরাপদ অবস্থায় আছে? দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, বার্ন ইউনিটের রোগী, কারাবন্দী, পাহাড়ে কর্মরত শ্রমিক, বন্যাকবলিত মানুষ, যুদ্ধ পরিস্থিতি, হাসপাতালে লাইনে থাকা রোগী, এসব বাস্তবতায় তায়াম্মুম এখনো প্রাসঙ্গিক। শরিয়ত সম্ভাব্য সব অবস্থার জন্য বিধান দেয়, কেবল গড়পড়তা অবস্থার জন্য নয়।
তবে আপনার এই কথা ঠিক আছে যে, তায়াম্মুমকে সামনে এনে যদি বৃহত্তর সামাজিক ইস্যুগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়, সেটি একটি সমস্যা এবং তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইসলাম কখনোই সমাজ বাস্তবতা থেকে পালিয়ে থাকার ধর্ম নয়।
দ্বিতীয়ত, আলেম সমাজের ভূমিকা প্রসঙ্গে। ইসলাম আলেমদের জন্য দুটি দায়িত্ব নির্ধারণ করেছে। এক. দ্বীনের মৌলিক বিধান স্পষ্ট করা। দুই. সময় ও সমাজের বাস্তবতায় হিকমাহর সঙ্গে কথা বলা। দুঃখজনকভাবে আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর আলেম দ্বিতীয় দায়িত্বটি অবহেলা করেছেন। কোভিডকালে মাস্ক নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই সংক্রামক রোগ থেকে দূরে থাকতে বলেছেন, আক্রান্ত এলাকা ত্যাগ বা প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে নির্দেশনা প্রদান করেছেন। স্বাস্থ্যবিধি মানা তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়, বরং তাওয়াক্কুলেরই অংশ।
জাতীয় সংগীত, রাষ্ট্রীয় আইন বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ধর্মীয় সংঘাত তৈরি করাও ইসলামের শিক্ষা নয়। ফিকহে স্পষ্টভাবে বলা আছে, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও জনস্বার্থের বিষয়ে মুসলিমদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হারাম। এগুলো যারা করে থাকেন, তারা ইসলাম ধর্মের নামে স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যেই হয়তো করে থাকেন।
তৃতীয়ত, সার্বজনীন শিক্ষা প্রসঙ্গ। ইসলাম জ্ঞানকে খণ্ডিত করেনি। কুরআনে দুআ আছে, রব্বি যিদনি ইলমা। সেখানে দুনিয়াবি ও আখিরাতি জ্ঞানের বিভাজন নেই। প্রাথমিক স্তরে সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা থাকা ইসলামের বিরোধী নয়, বরং ইসলামের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কওমি মাদ্রাসার একটি অংশ এই প্রশ্নে অনড় অবস্থান নিয়েছে, যা আত্মসমালোচনার দাবি রাখে। দ্বীনের নামে অজ্ঞতা আকড়ে ধরে রাখা ইসলামের মূল শিক্ষা নয়। যুগের সাথে সমন্বয় করে জ্ঞান বিজ্ঞানে এগিয়ে যেতে না পারলে সে জাতি পেছনে পড়ে থাকবে। ইসলাম কখনো এই শিক্ষা দেয়নি।
চতুর্থত, পর্যটন শিল্প ও মদের প্রশ্ন। ইসলামে মদ হারাম, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অমুসলিম বা বিদেশিদের বাস্তবতা কীভাবে ব্যবস্থাপনা হবে, এ বিষয়ে ফিকহে ইখতিলাফ ও প্রশাসনিক মার্জিন রয়েছে। মালয়েশিয়া, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়ার মডেল দেখায় যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হয়েও সীমিত অঞ্চলে ভিন্ন ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব। এটিকে ঈমান কুফরের প্রশ্ন বানিয়ে ফেলা রাজনৈতিক আবেগ, ফিকহ নয়। এখানে আলেম সমাজের উচিত দায়িত্বশীল আলোচনা করে সমাধান বের করা; চিৎকার, চেচামেচি কিংবা খামখেয়ালিপনায় লিপ্ত হয়ে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে বাধা হয়ে দাঁড়ানো নয়।
পঞ্চমত, মূর্তি ও দ্বৈত মানদণ্ড। এক জায়গায় মূর্তি হারাম বলা, অন্য জায়গায় নীরব থাকা নিঃসন্দেহে দ্বিচারিতা। ইসলাম ব্যক্তি বা ক্ষমতার সুবিধা অনুযায়ী হারাম হালাল বদলায় না। এই দ্বৈততা মানুষকে ধর্মবিমুখ করে, এক্ষেত্রে আপনার অভিযোগ যৌক্তিক।
ষষ্ঠত, মসজিদ বনাম স্কুল হাসপাতাল। ইসলাম শুধু মসজিদ নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মানুষের উপকারে আসাই সর্বোত্তম ইবাদত। হাসপাতাল, স্কুল, এতিমখানা নির্মাণ সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত। আলেমদের একটি বড় ব্যর্থতা হলো এই বয়ান সমাজে জোরালোভাবে না তোলা। ফলে ধর্ম একমুখী হয়ে পড়েছে।
মূল কথা হচ্ছে, আপনার ক্ষোভের মূল লক্ষ্য ইসলাম নয়, বরং ইসলামের নামে চলা ক্ষমতার অপব্যবহার। আপনার প্রশ্নগুলো আমি স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছি। আশা করছি, আপনার কাছেও বিষয়গুলো ক্লিয়ার করতে পেরেছি। মূলতঃ সমস্যা ইসলামের বিধি বিধানের নয়, সমস্যা হলো প্রতিনিধিত্বকারী মানুষের চরিত্র, জ্ঞান ও সাহসের ঘাটতিতে। ইসলামের আলোকে সমাজ সংস্কার মানে শুধু তায়াম্মুম, দাড়ি বা পোশাক আশাকে কেতা দুরস্ত হওয়া নয়। ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। সে কারণেই ন্যায়বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এসবও ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
আবারও ধন্যবাদ।
৪|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের দেশে তায়াম্মুম থেকেও বেশি প্রয়োজন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ।
................................................................................................
একটি ইসলামী বিধান
অন্যটি সামাজিক দ্বায়বধ্যতা ।
সুতরাং দুইটি এক করে দেখা সঠিক নয় ।
আমার জানামতে তায়াম্মুম ছাড়াও আরও উপায় আছে
যা বয়ান করতে পারেন ।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০১
নতুন নকিব বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার জানামতে তায়াম্মুম ছাড়াও আরও উপায় আছে যা বয়ান করতে পারেন ।
-তায়াম্মুমই তো অযুর বিকল্প। বিশেষ পরিস্থিতিতে অযু করতে অপারগতায় তায়াম্মুম করার বিধান দেওয়া হয়েছে।
তায়াম্মুম ছাড়া পবিত্রতা অর্জনের আর কোন উপায় আছে বলে জানতে পারিনি। আপনার জানা থাকলে দয়া করে জানালে উপকৃত হবো।
৫|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর প্রাণবন্ত সহনশীল একটি মন্তব্য করার জন্যে। কষ্ট করে দীর্ঘ মন্তব্য করার পর ও আপনার প্রতি উওরে প্রাণ ভরে গেলো।
ইসলাম সত্য, সুন্দর এবং শান্তি প্রিয় একটি জীবন বিধান। কাঁটা বিছিয়ে কষ্ট দেওয়া বৃদ্ধাকে সেবা-যত্ন করে সুস্থ করার নাম ইসলাম, একজন বিধর্মী মসজিদে মলত্যাগ করার সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কর্তৃক তাকে বাধা না দেওয়ার নাম ইসলাম। সাধারণ মানুষ তথা বিশ্বব্যাপী এই মানবতা, সহনশীলতা, শিষ্টাচার ও কল্যান দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে। নবীকে গালি দেওয়ার অপরাধে জীবন্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা দেখে নয়।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৮
নতুন নকিব বলেছেন:
আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ। ইসলাম মূলত মানবতা, সহনশীলতা ও কল্যাণের ধর্ম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনই এর সর্বোত্তম প্রমাণ। কঠোরতা ও সহিংসতা ইসলাম প্রচারের মাধ্যম নয়; বরং দয়া, প্রজ্ঞা ও উত্তম আচরণই মানুষকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করেছে।
উল্লেখ্য, কাঁটা বিছানো বৃদ্ধার ঘটনাটি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। এটি মূলত সিরাত ও দাওয়াহভিত্তিক সাহিত্যে নৈতিক কিসসা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, যেমন 'সিফাতুস সফওয়া' (ইবনুল জাওযি), 'ফিকহুস সিরাহ' (শাইখ মুহাম্মদ আল-গাজালি), 'সিরাতে মুস্তফা' (ইদরিস কান্ধলভি) ও 'রাহমাতুল্লিল আলামিন' গ্রন্থে। তাই এটি দলিল নয়, বরং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রমাণিত দয়া ও সহনশীল চরিত্র বোঝানোর সহায়ক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
আবারও ধন্যবাদ আপনাকে।
৬|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৮
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ভাই, আপনার পুরো পোস্ট পড়েছি। কিন্তু যে কমেন্টগুলো পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সেগুলো চরম বিনোদনমুলক।এমনকি এই পোস্টেও দফাদার সাহেব এসে পুনরায় বিনোদনমুলক কমেন্ট করে যাচ্ছেন!!
আপনি লিখেছেন বার তীব্র শীত, পানির ব্যবহারজনিত রোগের আশঙ্কা, ক্ষত বা অস্ত্রোপচারের পরিস্থিতিতেও ফকিহগণ তায়াম্মুমের অনুমতি দিয়েছেন ।
দফাদার সাহেব বলেছেন যে, তীব্র শীতে এখন পানি গরম করার গিজার আছে !!
মানে গিজার এখন ঘরে ঘরে
তিনি আরো লিখেছেন - বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প বিকাশ বা বিদেশী পর্যটক আকৃষ্ট করতে- ক্যাসিনো, মদ্য পানীয় সহ আরো কিছু বিষয় প্রসারিত হচ্ছে না, কারন ধর্মীয় রাজনৈতিক দলসহ কিছু সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কারনে। আমার কাছে খুব ভালো লাগতো- ইসলামে মদ হারাম কিন্তু এই বিশ্বায়নের যুগে এর প্রয়োজনীয়তা পযর্টন শিল্প বিকাশ, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লক্ষ্যে দেশের কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, ইউএই আদলে বিদেশি পর্যটকদের জন্যে এ বিষয় নিয়ে যদি আপনি কিছু লিখতেন.....ইহা বাংলাদেশে দরকারি বিষয়, তায়ামুম নহে।
এ বিষয় নিয়ে যদি আপনি কিছু লিখতেন
নকিব ভাই , এইসব পইড়া হাসি আসলে কি করি কন
৭|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
দফাদার সাহেব বলেছেন যে, তীব্র শীতে এখন পানি গরম করার গিজার আছে !!
মানে গিজার এখন ঘরে ঘরে ![]()
ধন্যবাদ ঢাবি** দু:খিত মেঠোপথ!!!! এই বিষয়টি সত্যিই একটু অসংলগ্ন হয়ে গেছে। ৫ টাকায় ক্যান্টিনে খাওয়া টোকাইদের বাসায় গিজার কিংবা পানি গরম করার আয়োজন যে থাকবে না সেইটা মাথায় ছিলো না। আপনি যেহেতু তাদের ই একজন/ দুঃখিত সমর্থক গোষ্ঠী আরো ভালো জানার কথা। তাঁদের উপেক্ষা ঢালাওভাবে বলার জন্যে আন্তরিক ভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।
মদ বৈধ্য করার ব্যাপারটি হাস্যকর লেগেছে সেটি ও গ্রহনযোগ্য। আসলে মদকে বৈধ ঘোষনা করলে টোকাইদের নিয়ে গড়া দলের রিকশাওয়ালা ইলেকশনের জন্যে মনোনয়ন পাইতো। মদ অবৈধ তাই হয়তো পায় নাই। ইহা কি জুলাইয়ের চেতনা বলেন? শুধু ঋণখেলাপিরা সংসদে যাবে আর রিকশাওয়ালা সুজনের দোষ কি?
৮|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:২৪
হাইজেনবার্গ ০৬ বলেছেন: 'রিযিকের মালিক আল্লাহ' এটা ইসলামিক ফেইথ, আল্লাহ যদি আমারে ৫/৬ টা সন্তান পালার হ্যাডম দেন তাইলে সমস্যা কোথায়? আমি যদি আমার দায়িত্ব পালন করি ঠিক মত তাইলে সংখা সমস্যা না।
'সন্তান দুইটার জায়গায় এক্টা হইলে আঅ(!)ভাল' এ শ্লোগান ফলো করলে আজকে দফাদর , বিচিগাজী , পুরবীর জামাই নামে ব্লগার না পাবার প্রোবাবিলিটি হাই ছিল।
পর্যটন শিল্পের দোহাই দিয়া সুরা পান বা মদ খাওয়া ইজি কইরা দিলে উনার এক্টু সুবিধা হয়, উনি বাংলা কেরু ভাং খায়া “রং বরসে ভিজে চুনরওয়ালি, রং বরসে” গেয়ে হোলি খেলতে পারতেন
৯|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
জা** গঞ্জিকা ও চরশ ও মাদক শাখার আমীর জনাব হাইজেনবার্গের বিশাল ফজিলত পুর্ন আলোচনা। মারহাবা না বলে কেউ যাবেন না :p
১০|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২
রাজীব নুর বলেছেন: ৩নং মন্তব্যকারী মেট্রোরেলে নামাজ পড়তে চায় কেন?
তাহলে এত এত মসজিদ দিয়ে কি হবে?
১১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: @দফাদার সাহেব।তায়াম্মুমের প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও, একটি গুরুত্বপূর্ণ মাছায়েল হিসেবে প্রত্যেক মুসলমানেরই তায়াম্মুম সম্পর্কে জেনে রাখা জুরুরী এবং ভালো।কারন কখন দরকার হয় বলা যায়না।
রাজীব নূর@নামাজ শুধু মসজিদ নয়,সবজায়গায়ই পড়া যায়,শুধু জায়গাটা পাক পবিত্র থাকলেই হবে
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখাখানি পড়িলাম। আশা করি দফাদার সাহেবের হুশ হইবে ।