| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাম্প্রতিক কালের বেশ কিছু ঘটনা (তনু হত্যাকাণ্ড, জুবায়ের-তনয় হত্যাকাণ্ড, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক) ও তার প্রতিক্রিয়া দেখে(বিশেষ করে ভার্চুয়াল জগতে) প্রতীয়মান হয় যে আমাদের মধ্যে অনেকেই এগুল নিয়ে বিশেষভাবে চিন্তিত কিন্তু আমরা কি সমস্যার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করেছি কখনও? জাপানে শিশুদের প্রথম কয়েকবছর বিদ্যালয়ে শেখান হয় আদব-কায়দা,গুরুজনের সাথে ব্যবহার আর আমাদের দেশে প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষায় আমাদের শিশুরা শেখে নকল করতে/ নৈতিকতার বিসর্জন দিতে। তারপরে থাকে পিতামাতার চাপ পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য(বিনিময়ে অত্যাধুনিক গেজেটস,গল্পের বই নয়)। খেলাধুলা আর মানসিক বিকাশ বলে কিছু বাপার আছে আমাদের অধিকাংশ পিতামাতা ভুলে গেছে।এই শিশু যখন বড় হবে তার পক্ষে গুরুজনকে সম্মান করা,বিপরিত লিঙ্গের প্রতি সদ্ভাব, পরোপকারিতা নামক সামাজিক আচারসমূহের প্রতি কোন আবেগ থাকবেনা। সে শিখবে বিপরিত লিঙ্গের সাথে সেলফি তুলতে, ফিশ এন্ড কো: তে গিয়ে রিভি্উ দিতে, খুন/ নির্যাতন/ অপরাধের সবাকচিত্র ধারন করতে, মাঝরাতে উঠে একাকীত্বে কান্নাকাটি করতে।বদলাতে হলে শাহবাগে নয় শুরু করতে হবে প্রতিটা ঘর থেকে। সবাইকে মহান মে দিবসের অগ্রিম শুভেশ্ছা।
২|
২৯ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০৩
বিজন রয় বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
+++
৩|
২৯ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৯
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: ভালো বলেছেন
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:৫০
প্রন্তিক বাঙ্গালী বলেছেন: এই গুলোই মানুষ বুঝেনা যে প্রথম থকেই নীতিশিক্ষা দিতে হবে।