| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
* মুসলিম হযরত ইব্রাহীমের (আ.) মিল্লাত। তাঁর আহলে বাইত হযরত মোহাম্মদের (সা.) উম্মত মুসলিম তিহাত্তর দলে বিভক্ত হয়। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও হযরত মোহাম্মদের (সা.) আহলে বাইত হযরত আলীর (রা.) অনুসারী শিয়া দলে হারাজ বা হত্যাকান্ড বিস্তার লাভ করে। হযরত আলী (রা.), তাঁর পরিবার, সহযোগী, তাদের অনুসারি ও বন্ধু দলে হারাজ বা হত্যাকান্ড অব্যাহত আছে। ইদানিং শিয়াদলে বিদ্যমাণ হযরত আলীর (রা.) বংশধর আলী খামেনী হারাজ বা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও হযরত মোহাম্মদের (সা.) আহলে বাইত হযরত আব্বাসের বংশধর আব্বাসীয় খেলাফত আল্লাহর রহমত ও বরকত প্রাপ্ত হয়। তারা প্রায় আটশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রাপ্ত হয়।সবচেয়ে পরাক্রান্ত আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফা (র.) সংকলিত হানাফী ফিকাহ পরিশোধন ও হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে তা’ দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক অনসারিত হয় যা এখনো অব্যাহত আছে এবং যা এখন বিশ্ববিস্তৃত। মুসলিমদের অধীকাংশ অঞ্চল ও জনসংখ্যা হানাফী।যারা একাধারে এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্বে প্রতিষ্ঠিত ছিল। এত দীর্ঘ বিশাল রাজত্ব আল্লাহ আর কোন পক্ষকে প্রদান করেননি। হানাফী তুরস্ক, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান মুসলিমদের মধ্যে শক্তিশালী রাষ্ট্র। মুসলিমদের মধ্যে িএকমাত্র পরমাণূ অস্ত্রের অধিকারী হানাফী পাকিস্তান ইদানিং ভারতের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয়েছে।তার আগে আফগানিস্তান আমেরিকা, রাশিয়া, বৃটিশ ও ন্যাটোর সাথে জয়ী হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে হেরেও তুরস্ক স্বাধিনতা রক্ষা করতে সক্ষম হয়।সুতরাং হানাফীদের মাঝে আল্লাহর রহমত ও বরকত অবারিত। শিয়ারা হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও হযরত মোহাম্মদের (সা.) আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব নেতা হযরত আলীর (রা.) অনুসারী হলেও তিনি তাদের দলের অনুমোদক নন। অন্যকোন শিয়া আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব নেতা হয়নি। কিন্তু হানাফী মুসলিম বিশ্ব নেতা আহলে বাইত অনুমোদিত ও অনুসারিত। পঞ্চাশের বেশী আহলে বাইত মুসলিম বিশ্ব নেতা হানাফী মাযহাবের অনুসারী। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মোজেস ও যীশু বিশ্ব নেতা হিসাবে শক্তিশালী ছিলেন না। তাঁদের কোন আহলে বাইত বিশ্বনেতা হয়নি। তাদের অনুসারি বৃটিশ দুইশত বছর বিশ্ব নেতা থাকলেও হানাফী অনুসারী তুর্কী বিশ্ব নেতা ছিল প্রায় চারশত বছর। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয়দের মধ্যে হানাফীর মত এত উন্নতি আর কোন পক্ষ করেনি। রাসূলের (সা.) পর হানাফী ও শিয়া ছাড়া মুসলিমদের আর কোন দল আহলে বাইতের অনুসারী নয়। শিয়াদের একটি রাষ্ট্র ইরান শক্তিশালী হলেও হানাফী তিনটি রাষ্ট্র শক্তিশালী। সুতরাং আল্লাহর রহমত ও বরকত সূত্রে সুনিশ্চিতভাবে তাদেরকে সঠিক বলা যায়। এ হিসাবে অন্য কোন পক্ষ তাদের ধারে কাছেও নাই।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৩১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।
* আয়রোজগার না করলে তো দরিদ্র থাকবেই। আল্লাহর ভালোবাসার লোক অনেক ধনী ছিলেন হযরত সুলায়মান (আ)। সুতরাং আল্লাহ যাদেরকে ভালোবাসেন তারা আয়-রেজগারের চেষ্টা করলে আল্লাহ তাদের আয়-রোজগারে অনেক বরকত দেন। আর আমি আয়রোজগারের বরকতের কথা বলিনি। আমি বলেছি জনসংখ্যা ও অঞ্চলের বরকতের কথা। আর বিষয়টা হলো আহলে বাইত বিষয়ক।
২|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৪০
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: এ কী ধরণের যুক্তি!
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রাসূল (সা) এবং তাঁর চাচা ইব্রাহীম (আ) এর আহলে বাইত। রাসূলের (সা) উম্মত যখন তিহাত্তর দল তখন তাঁর চাচার বংশ যে দলে সে দলে থাকা নিতান্তই যৌক্তিক। রাসূল (সা) ওহী বাহক হয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। রাসূলের (সা) ইন্তেকালের সময় তাঁর চাচার বয়স ছিল চল্লিশের বেশী। সুতরাং রাসূলের (সা) পর তাঁর ওহীর বাহক তাঁর চাচা হওয়া সঙ্গত। রাসূলের (সা) চাচার সাথে মুসলিমদের মতভেদ নাই। রাসূলের (সা) চাচার বংশের হানাফী মাযহাবের অনুসারী দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম। ঐক্যের কথা উঠলে দুই তৃতীয়াংশ ছোট দলের সাথে ঐক্যবদ্ধ হবে নাকি ছোটরা দুই তৃতীয়াংশের সাথে ঐক্যবদ্ধ হবে? রাসূলের (সা) পর আমিরের আনুগত্যের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তো হানাফী অনুসারী পঞ্চাশের বেশী আমির, অন্য বাহাত্তর দলের অনুসারী কোন আমির নাই। তাহলে মুসলিমরা কোন দলে ঐক্যবদ্ধ হবে? আপনি কোন দলে আছেন বলেন। আপনার দলে আমি যোগদানের কারণ কি যদি আপনি বলতেন।
৩|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৩২
আলামিন১০৪ বলেছেন: কবি সাহেবকে কিছু বলেও লাভ নাই, একই কুযুক্তি বারে বারে দিবেন
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার সুযুক্তি কি? একটু বলেন।
৪|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইসলামী দৃষ্টিতে: চার মাযহাবই কোরআন-সুন্নাহর ভেতরেই ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: চার মাযহাবই কোরআন-সুন্নাহর ভেতরে নয়। আমির যে মাযহাবের অনুসারী সেই মাযহাব কোরআন সুন্নাহর ভিতরে। কারণ কোরআন ও সুন্নাহত উভয়টিতে আমিরের অনুসারী হওয়ার কথা আছে। হানাফী মাযহাব ছাড়া চার মাযহাবের তিন মাযহাবের অনুসারী কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নয়।
৫|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১২)
সূরাঃ ১২ ইউসুফ, ৩৯ নং ও ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। হে আমার কারা সঙ্গীদ্বয়! ভিন্ন ভিন্ন বহু রব শ্রেয়, নাকি পরাক্রমশালী এক আল্লাহ?
* ভিন্ন ভিন্ন রবের চেয়ে যেমন পরাক্রমশালী এক আল্লাহ উত্তম, তেমনি ভিন্ন ভিন্ন দলের চেয়ে পরাক্রমশালী এক দল উত্তম। পরাক্রমশালী এক দল শত্রুর মোকাবেলায় অধীক কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।যখন মুসলিমগণ বহু দলে বিভক্ত হয়ে পরস্পর হানাহানিতে লিপ্ত হয়েছে তখন হানাফী মাযহাব গঠিত হয়েছে। গঠিত হওয়ার পর তারা একাধারে এগারশত বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব করেছে।এমন দীর্ঘস্থায়ী রাজত্ব আল্লাহ আর কোন পক্ষকে প্রদান করেননি।তথাপি মুসলিম যদি মনে করে তারা ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হবে তবে অমুসলিমরা তাদের একদলের ঘাড় মটকাবে অন্য সব দল তখন বসে বসে তামাশা দেখবে। ইরান যখন আমেরিকা ও ইসরাইল দ্বারা আক্রান্ত তখন জর্ডান ও আমিরাত বলছে আমেরিকা ও ইসরাইল থেকে ইরান তাদের বড় শত্রু।এ মনভাবের কারণে একদা আমেরিকা ও ইসরাইল এবং তাদের মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যের সবদেশ দখলে নিবে। তখন হিন্দুন্থানে হানাফী ও হিন্দুদের মধ্যে গজওয়ায়ে হিন্দ সংঘটিত হবে। সেই যুদ্ধে হানাফী জয়ী হয়ে আমেরিকা ও ইসরাইল এবং তাদের মিত্রদের থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে। হানাফীদের জয়ী হওয়ার কারণ হিন্দুদের মত হানাফী পাকিস্তানের নিকট পরমাণূ অস্ত্র আছে। সেজন্য হিন্দুস্থানে হানাফী জয়ী হবে।
সূরাঃ ১২ ইউসুফ, ১০০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০০। আর ইউসুফ (আ.) তাঁর মাতা-পিতাকে উচ্চ আসনে বসাল এবং তাঁরা সবাই তাঁর সামনে সিজদায় লুটিয়ে পড়লো। সে বলল, হে আমার পিতা! এটাই আমার পূর্বেকার স্বপ্নের ব্যাখ্যা। আমার রব ওটা সত্যে পরিণত করেছেন।আর তিনি আমাকে কারাগার থেকে মুক্ত করেছেন। আর শয়তান আমার ও আমার ভাইদের সম্পর্ক নষ্ট করার পরও আপনাদেরকে মরু অঞ্চল হতে এখানে এনে দিয়ে আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। আমার রব যা ইচ্ছা তা’ নিপুণতার সাথে করে থাকেন। তিনি তো সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
* কোরআন মেনে যখন একদল গুরুজনকে সিজদা করছে, হাদিস মেনে অন্যদল বলছে এটা শিরক। তথাপি তারা বলছে কোরআন-হাদিস মানতে হবে। অথচ কোরআন-হাদিস মেনে তারা মতভেদ থেকে মুক্ত হচ্ছে না। তখন মতভেদ নিরসনে অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবের যাত্রা শুরু হয়। অভিন্ন ফিকাহের কথাও কোরআন ও হাদিসেই আছে। অভিন্ন ফিকাহ হানাফী মাযহাবে ভালো ফল পাওয়া গেছে। কারণ তাতে অধীকাংশ মুসলিম ঐক্যবদ্ধ হয়েছে ও ঐক্যবদ্ধ আছে। হানাফী মাযহাবের বিশেষত্ব হলো পঞ্চাশের বেশী মুসলিম বিশ্ব আহলে বাইত আমির এর অনুসারী। মুসলিমদের অন্য বাহাত্তর দলের কোন দলের অনুসারী নেই কোন মুসলিম আহলে বাইত বিশ্ব আমির। ইরানের খামেনী আহলে বাইতের আমির ছিলেন তবে তিনি মুসলিম বিশ্ব আমির ছিলেন না। রাসূলের (সা.) পর আমিরের মান্যতার বাধ্যবাধকতা থাকায় বিশ্ব আমির গণের অধীকাংশ হানাফী মাযহাবের অনুসারী হওয়ায় এবং কোন আমির অন্য কোন দলের অনুসারী না হওয়ায় ইসলামে হানাফী বাদ দিয়ে অন্য কোন দলকে সঠিক বলার কোন সুযোগ নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:৫০
ঢাকার লোক বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম, ভাই,
"আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিজিক দান করেন।" (সুরাহ আল ইমরাণ, আয়াত ২৭) । এখানে বলা হয়নি "যাকে ভালবাসেন" তাকে দেন। অনেক নবী রসুল দরিদ্র ছিলেন, দুনিয়ার এচিভমেন্টের বিচারে ছিলেন ব্যার্থ! পক্ষান্তরে, অসংখ্য লোকের দেখা মিলবে সব যুগে, সব দেশে, সব সমাজে, যাদের আল্লাহতে ঈমানই ছিলনা, অথচ ছিল অভাবনীয় বিত্ত, প্রতিপত্তি, অর্জন। কাজেই দুনিয়ার সাফল্যকে আল্লাহর ভালবাসার প্রমান হিসাবে দেখা ঠিক না। ধন্যবাদ।