| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* বদরের বন্দীদের ছেড়ে দেওয়ার মতই অনুচিত কাজ ছিল হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা। উভয় ক্ষেত্রে এখতিয়ার প্রাপ্ত হয়ে রাসূল (সা.) যা করেছেন তাতে তাঁর উম্মত বিপর্যয়ে পড়েছে। বদরের বন্দীদের ছেড়ে দেওয়ার পরে উহুদের বিপর্য ঘটেছে এবং হযরত আলীকে (না.) মাওলা বলায় বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে হযরত আলীর (রা.) শিয়া। তারা আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রতি ক্ষমার বিধান লংঘন করে তাঁদেরকে অভিশাপ প্রদান করে নিজেরা অভিশপ্ত হয়েছে। আল্লাহ হযরত আলী (রা.), তাঁর আহলে বাইত, তাঁর শিয়া, তাঁদের ভক্ত ও বন্ধু দেরকে মানুষ হতে রক্ষা করছেন না। তারা প্রতি নিয়ত হত্যাকান্ড ও কাফের ফতোয়ার শিকার হয়। ইবাদী ও সালাফী শিয়াদেরকে কাফের বলে। হানাফী শিয়াদেরকে মুসলিম নয় বলছে।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* রাসূল (সা.) নিজে চল্লিশ বছর বয়সে মাওলার দায়িত্ব পালন শুরু করলেন। কিন্তু তিনি তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলার দায়িত্ব প্রদান করলেন।যা অমান্য করে তাঁকে সাহায্য করা তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) হযরত আলীর (রা.) শিয়ার পঁচা কথার শিকার হয়েছে। আর আল্লাহর ক্ষমা প্রাপ্ত সাহাবার (রা.) সম্পর্কে পঁচা কথা বলে শিয়া হয়ে গেল কাফের।সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে হযরত আলীর (রা.) শিয়া অভিশপ্ত হলো। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর সেটি হলো ইহকালে হত্যা ও পরকালে জাহান্নাম। তবে হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের সাহাবা (রা.) সদস্য আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রতি ক্ষমার বিধানের কারণে ক্ষমা প্রাপ্ত। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের অন্য তিন সাহাবা (রা.) সদস্য জান্নাতি।তবে তাঁদের চার জন হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। হযরত আলীর (রা,) আহলে বাইতের অসাহাবা সদস্যের জান্নাতের কোন নিশ্চয়তা নাই। কিন্তু হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) চল্লিশ বছর বয়সি আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাসকে (রা.) রাসূল (সা.) মাওলা বললেন না। আল্লাহ তাঁকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রেখেছেন মানুষের বিরোধীতা থেকে। তাঁকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করে তাঁর আহলে বাইতকে তিনি রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। এ হযরত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয়গণ মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন প্রায় আটশত বছর।তাঁদের হানাফী অনুসারী তাঁদের সহকারে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন প্রায় এগারশ বছর। হযরত আলী (রা.)মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন এক ঝলক। তারপর তাঁকে ক্ষমতার একাংশ ছেড়ে দিতে হয়। তাঁর পর তাঁর আহলে বাইতে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা আর ফিরেনি। মাহদী হানাফী হিসাবে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পাবেন- ইনশাআল্লাহ।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
* রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাসের আহলে বাইতের অনুসারী হানাফী পাকিস্তানে আছে শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পারমানবিক অস্ত্র।হানাফীরা বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশী এগিয়ে আছে। ইসরায়েল-আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্য দখলের পর গযওয়ায়ে হিন্দে হানাফী জয়ী হয়ে ইসরায়েল-আমেরিকার হাত থেকে মধ্যপ্রাচ্য উদ্ধার করবে- ইনশাআল্লাহ। পাকিস্তানের লাদাখের নাগরিক হানাফী ইমাম মাহদী (আ.) হবেন মুসলিম বিশ্বের ত্রাণকর্তা-ইনশাআল্লাহ।
০১ লা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কোন দেশ আরবে খাদ্দামা ভিষায় কোন নারী পাঠানো ঠিক নয়। আর আরবরা হানাফী নয়। সুতরাং ওদের ইসলামের সাথে আমাদের ইসলাম মিলবে না। হানাফী হলো দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম। এরা রাসূলের (সা) চাচা হযরত আব্বাসের (রা) অনুসারী। বাংলাদেশীরা বেশী সংখ্যায় হানাফী। এখানে সৌদি সালাফী ও ইরানী শিয়া আছে।
২|
০১ লা মে, ২০২৬ সকাল ১১:০১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শিয়াদের পিছনে লাগলেন কেন ? ইয়াহুদিদের ভালো লাগে ?
০১ লা মে, ২০২৬ দুপুর ১:১৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অশিয়াদের নিকট শিয়া ইহুদী থেকে জঘণ্য। কারণ ইহুদী অশিয়াদের অনুপ্রেরণার স্থান সাহাবায়ে কেরামকে (রা) অসম্মান করে না।
৩|
০১ লা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি কি ইরান ওয়ারের কারণে শিয়াদের উপর নাখোশ ? ইরানের এখন কি করা উচিত ?
০১ লা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যুদ্ধে ইরান যা করতে চায় করুক। তবে উভয় পক্ষের অস্ত্র কমে যাওয়া বিশ্বের জন্য মঙ্গল জনক।
৪|
০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: শিয়া সুন্নী এসব বাদ দেন। মানুষকে মানুষ হিসেবে ভাবতে শিখুন।
০১ লা মে, ২০২৬ রাত ৮:০১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমার পোষ্ট আপনার বোধগম্য হওয়ার বিষয় নয়।
৫|
০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
নতুন বলেছেন: * রাসূল (সা.) নিজে চল্লিশ বছর বয়সে মাওলার দায়িত্ব পালন শুরু করলেন। কিন্তু তিনি তেত্রিশ বছর বয়সি হযরত আলীকে (রা.) মাওলার দায়িত্ব প্রদান করলেন।যা অমান্য করে তাঁকে সাহায্য করা তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) হযরত আলীর (রা.) শিয়ার পঁচা কথার শিকার হয়েছে। আর আল্লাহর ক্ষমা প্রাপ্ত সাহাবার (রা.) সম্পর্কে পঁচা কথা বলে শিয়া হয়ে গেল কাফের।সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে হযরত আলীর (রা.) শিয়া অভিশপ্ত হলো। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর সেটি হলো ইহকালে হত্যা ও পরকালে জাহান্নাম। তবে হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের সাহাবা (রা.) সদস্য আল্লাহর পূর্ব বিধান সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রতি ক্ষমার বিধানের কারণে ক্ষমা প্রাপ্ত। হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইতের অন্য তিন সাহাবা (রা.) সদস্য জান্নাতি।তবে তাঁদের চার জন হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। হযরত আলীর (রা,) আহলে বাইতের অসাহাবা সদস্যের জান্নাতের কোন নিশ্চয়তা নাই। কিন্তু হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) চল্লিশ বছর বয়সি আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাসকে (রা.) রাসূল (সা.) মাওলা বললেন না। আল্লাহ তাঁকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রেখেছেন মানুষের বিরোধীতা থেকে। তাঁকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করে তাঁর আহলে বাইতকে তিনি রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। এ হযরত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয়গণ মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন প্রায় আটশত বছর।তাঁদের হানাফী অনুসারী তাঁদের সহকারে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন প্রায় এগারশ বছর। হযরত আলী (রা.)মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পেলেন এক ঝলক। তারপর তাঁকে ক্ষমতার একাংশ ছেড়ে দিতে হয়। তাঁর পর তাঁর আহলে বাইতে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা আর ফিরেনি। মাহদী হানাফী হিসাবে মুসলিম বিশ্বের অখন্ড শাসন ক্ষমতা পাবেন- ইনশাআল্লাহ।
আপনি ২০২৬ সালে এসে এতো আগের রাজনিতিক কাহিনি নিয়ে চিন্তা করে মাথার চুল পাকাচ্ছেন? ![]()
০১ লা মে, ২০২৬ রাত ৮:০০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
রাসূলের (সা.) ঐচ্ছিক কাজের ত্রুটির কথা আল্লাহ বলেছেন, হযরত আলীকে (রা.) রাসূলের (সা.) মাওলা বলা সেই রকম একটা বিষয়
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* রাসূল (সা.) ওহীয়ে মাতলু ও গাইরে মাতলু দ্বারা পরিচালিত ছিলেন। সেজন্য তাঁর কাজ ত্রুটি মুক্ত ছিল। কিন্তু ওহীয়ে গাইরে মাতলুতে যে ক্ষেত্রে তাঁর জন্য ঐচ্ছিক বিষয় রাখা হয়েছে সে ক্ষেত্রে তাঁর কাজের ত্রুটির কথা আল্লাহ বলেছেন। আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ত্রুটি মুক্ত নন সেটা বুঝানোর জন্য এ ব্যবস্থা। কিন্তু আল্লাহর পূর্ব বিধান তাঁর প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের কারণে এ ক্ষেত্রে তাঁর কোন পাপ নাই। তথাপি এসব ত্রুটির মূল্য চুকাতে হয়। সেজন্য বদরের বন্দী মুক্তির কারণে উহুদের বিপর্যয় যাতে রাসূলের (সা.) দন্তমোবারক শহীদ হয়েছে। হযরত আলীকে (রা.) মাওলা ঘোষণা রাসূলের (সা.) এমন একটি কাজ। মাওলার কাজ সঠিক ভাবে না করায় আল্লাহ হযরত আলীকে (রা.)মানুষ হতে রক্ষা করেননি। খারেজীরা তাঁকে কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে ফেলেছে।হযরত ওসমান (রা.) ছিলেন আল্লাহর ক্ষমাপ্রাপ্ত। তাঁর আত্মস্বীকৃত খুনীরা কাফের ছিল। হযরত আলী (রা.) তাদের মাওলা হয়ে তাদেরকে নিজ দলভূক্ত করেছেন।এ ঘটনার পর সাহাবায়ে কেরামের (রা.)দুটি দল তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। এসব ঘটনায় খারেজী দল সৃষ্টি হয়েছে। রাসূলের (সা.) এ মাওলার অনুসারী হননি তাঁর সাহাবায়ে কেরাম (রা.)। সেই সব সাহাবাকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে, তাঁদেরকে লানত দিয়ে কাফের হয়ে যায় শিয়া। কারণ আল্লাহর পূর্ব বিধান তাঁদের প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের কারণে তাঁদের সাথে যারা অশোভন আচরণ করে তারা কাফের হয়ে যায়।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* রাসূলের (সা.) পর উম্মতের সঠিক মাওলা ছিলেন তাঁর চাচা হযরত আব্বাস (রা.)।কারণ রাসূলের (সা.) পর উম্মতের মাওলা চল্লিশ বছর বয়সি পুরুষ হওয়ার কথা। এ ক্ষেত্রে হযরত আব্বাসের তুল্য আর কেউ নাই। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) এ আহলে বাইতকে আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করেছেন। তাঁকে তিনি উম্মতের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রেখেছেন। তাঁর আহলে বাইতকে আল্লাহ তাঁর রহমত ও বরকত দ্বারা মুড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁদেরকে আল্লাহ মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন প্রায় আটশত বছর। তাঁরা ও তাদের অনুসারী হানাফীকে আল্লাহ একসাথে প্রায় এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেছেন। এখনো আব্বাসীয় অনুসারী হানাফীদের নিকট রয়েছে অধিকাংশ মুসলিম অঞ্চল, জনসংখ্যা ও দেশ। দুই তৃতীয়াংশ মসিলিম আব্বাসীয় অনুসারী হানাফী। হানাফীরা হযরত আব্বাস (রা.) হয়ে রাসূলের (সা.) সাথে যুক্ত। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সকল শাসককে শয়তান অভিযোগের আখড়া বানিয়েছে। সে ক্ষেত্রে রাসূলের (সা.) পর উম্মতের আসল মাওলা হযরত আব্বাসের (রা.) প্রতি কোন উম্মতের কোন অভিযোগ নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা মে, ২০২৬ সকাল ৭:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর।
আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
............................................................................
এর ধারাবাহিকতায় দাস/দাসী প্রথা এসেছে,
এই সুযোগ কাজে লাগায়ে, আরব বিশ্বে
দাসীরা কফিলে বৈধ রাতের সঙ্গী ।
যা মোটেই মানবতা নয় ।