| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
বাংলাদেশে রেজিম চেঞ্জ ছিল আমেরিকার ভুল’ড.জয়শঙ্করের কাছে স্বীকারোক্তি মার্কো রুবিওর!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ওয়াশিংটন ও দিল্লি:-
দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বিশাল ভূমিকম্প! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হবু বিদেশমন্ত্রী (Secretary of State) মার্কো রুবিও সরাসরি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তন বা ‘রেজিম চেঞ্জ’ ইস্যুতে আমেরিকার বিগত পদক্ষেপগুলো একটি মারাত্মক ভুল ছিল। ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রুবিও এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। বৈঠকের প্রধান দিকসমূহ: ভুল স্বীকার ও আত্মসমালোচনা: বৈঠকে মার্কো রুবিও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বাইডেন প্রশাসনের নীতি বাংলাদেশে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছে, তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা বড় ধরণের কৌশলগত ভুল করেছে। ভারতের উদ্বেগ ও সমর্থন: ড. জয়শঙ্কর শুরু থেকেই আমেরিকাকে সতর্ক করেছিলেন যে, বাংলাদেশে উগ্রপন্থার উত্থান দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বিপদজনক হতে পারে। মার্কো রুবিও এবার ভারতের সেই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন। সংখ্যালঘু ও মানবাধিকার প্রসঙ্গ: বৈঠকে বাংলাদেশে হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং বর্তমান পরিস্থিতির ওপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা: দুই নেতা একমত হয়েছেন যে, বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতা বন্ধ না হলে তা ভারত ও আমেরিকা উভয়ের স্বার্থের পরিপন্থী হবে। বিশ্লেষকদের মতামত: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কো রুবিওর এই স্বীকারোক্তি বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য এক বড় ধরণের আন্তর্জাতিক ধাক্কা। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ‘ইউ-টার্ন’ প্রমাণ করে যে, আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে এবং আওয়ামী লীগ ইস্যুতে আমেরিকার কঠোর অবস্থান শিথিল হতে পারে। আমেরিকার নতুন পররাষ্ট্রনীতি: ট্রাম্প প্রশাসনের আসন্ন বিদেশমন্ত্রী হিসেবে মার্কো রুবিওর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন এখন থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় দিল্লির চশমায় ঢাকাকে দেখবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের কৌশলগত উদ্বেগকে এখন মার্কিন প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। উপসংহার: বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করে তা ভুল ছিল বলে মেনে নেওয়া—আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল ঘটনা। এর ফলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আন্তর্জাতিক বৈধতা এবং ভবিষ্যৎ স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। #BreakingNews #MarcoRubio #SJaishankar #BangladeshPolitics #USIndiaRelations #RegimeChange #Geopolitics #SheikhHasina #Diplomacy #SouthAsiaUpdate #TRUMP2025 #GlobalPolitics #বাংলাদেশ #রাজনীতি
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: সবাইকে নিজেদের কাতারের ভাবার কোনো কারন নেই। লাল বদর আর রাজাকার তোষণ কারিদের সাথে শেখের বেটির তুলনা করা একেবারেই অন্যায়,অনুচিত এবং অবিশ্বাস্য।
শত চেষ্টা করেও একটা চুক্তিও দেখাতে পারেনি কেউ। শেখ হাসিনা আর যা করুক বাংলাদেশের ক্ষতি হয় এমন কোন চুক্তিতে নেই।
কিন্তু ক্ষমতার জন্য আপনারা সবাই একই কাতারের / প্রয়োজনে শয়তানের সাথে সন্ধি করতে রাজি॥
জয় বাংলা, ঠেলা সামলা।⬇️
২|
২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০১
ক্লোন রাফা বলেছেন: 
৩|
২৫ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বুঝতে পেরেছি কেন আওয়ামী লীগ এতদিন শাসন করতে পেরেছে। একদিকে প্রতিপক্ষের ওপর 'স্বাধীনতাবিরোধী' তকমা লেগে আছে,পাশাপাশি তাদের দেশ পরিচালনার যথাযথ পরিকল্পনা বা দূরদর্শিতা নেই। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বহু চুক্তি করেছে, যেগুলো বিএনপি, জামায়াত কিংবা ইউনূস কাকা সামনে আনতে পারে নাই। এগুলো মানুষের সামনে আনতে পারলে জনগণ আওয়ামী লীগকে থুতু দিতো। ইউনূস কাকু যে 'রেসিপ্রোকাল ট্যাক্স' চুক্তি করেছেন, সেটা নিয়ে পাড়া-মহল্লায় চেঁচামেচি করে আওয়ামী লীগ মানুষের মনে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। আওয়ামী লীগের দুর্নীতিবাজ বুদ্ধিজীবী, দুর্নীতিবাজ মিডিয়া সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদসহ সব ধরনের লোক আছে যা অন্য দলগুলোর সেইভাবে নেই। আবার মানুষ অন্য দলগুলোকে পছন্দও করে না তাদের বাংলাদেশ-বিরোধী মনোভাবের কারণে। আর সেই সুযোগটাই আওয়ামী লীগ পাচ্ছে। আপনাদের চোখের সামনে আওয়ামী লীগের হাজারো অপকর্মের প্রমাণ থাকলেও আপনারা বলেন 'প্রমাণ দাও'। বিষয়টা খুবই মজার। ![]()
৪|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৭
নতুন বলেছেন: ভাই যারা এইটুকু একটা যন্ত্র ( ষড়যন্ত্র) ম্যানেজ করতে পারেনা তারা তো পালিয়ে যাবেই।
আবার যখন বিম্পি দূনিতি, হত্যা গুম শুরু করবে তখন তারাও পালাবে। ![]()
৫|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২
ডার্ক ম্যান বলেছেন: উপরে একজন মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী অনেক চুক্তি করেছে।
কিন্তু নটীর পোলা ইউনুস আর তার সাঙ্গপাঙ্গ আর ভক্তকূল একটা চুক্তিও বাতিল করলো না। ২৬ লাখ ভারতীয় বের করলো না।
৬|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমেরিকা যখন তার মন মত হবেনা
সেই দেশে রেজিম চেন্জ করবে ।
.............................................................................
এই বিষয়ে জ্ঞান ও সচেতন হবার দরকার আছে
সকল দেশের জনগনের ।
মূর্খ, লোভি আর বে ঈ-মান জনগন থাকলে
এই ধরনের আরও গজব আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে !!!
৭|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ডার্ক ম্যান@আওয়ামী লীগের এই কথাটি খুবই কমন । আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি যে সহজে বাতিল করা যায় না, বাংলাদেশকে যে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এগুলো জেনেও আপনারা বাকিদের challenge দেন কেন ? আওয়ামী লীগ রিসিপ্রোকাল ট্রিটি করলে আমেরিকার সাথে বলতো : আপনারা পুরো দেশ নিয়ে যান ; তবু আমাদের ক্ষমতায় থাকতে দিন । ![]()
৮|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: অনেক ঘটনা দেখা যাচ্ছে।
৯|
২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
রাজীব নুর বলেছেন: আসিদ মাহমুদকে রিমান্ডে নেওয়া দরকার।
১০|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৯
কলাবাগান১ বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব
"ডার্ক ম্যান@আওয়ামী লীগের এই কথাটি খুবই কমন । আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তি যে সহজে বাতিল করা যায় না"
আমরা তো বাতিল করতে বলছি না, জাস্ট দেখাক যে আওয়ামী লীগ দেশ বিক্রি করার চুক্তি করেছিল। দেখাতে তো দোষ নাই
১১|
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৫
আঁধারের যুবরাজ বলেছেন: " তিনি স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা বড় ধরণের কৌশলগত ভুল করেছে। " - আপনি কোথায় পেয়েছেন যে ,উনি বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন নিয়ে ঐ বক্তব্য দিয়েছেন ? আপনি কি নিজে দেখেছেন ?
সাবেক পররাষ্ট্র সচিবের ছবি দিয়ে যা বুঝাতে চাচ্ছেন , সেটার কোনো প্রমান দিতে পারবেন ? আমি যমুনা টিভিতে উনার সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম, সেখানে বিএনপিকে নিয়ে যা বলেছেন সেরকম কোনো কিছু উনি বলেন নাই।
প্রমান বা সূত্র দিতে না পারলে বুঝবো আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্লগে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মে, ২০২৬ রাত ৩:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মেরুদণ্ড বলতে কিচ্ছু নাই। ভারত-পাকিস্তান ছাড়া এদের চলেই না। একদলের দিল্লির গ্রিন সিগন্যাল লাগে, আরেকদলের ভরসা পাকিস্তানের ইশারা। আর যখন এই দুইটাতেও কাজ হয় না, তখন দুই পক্ষই ওয়াশিংটনের পায়ে গিয়ে পড়ে ।
।