| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
মাহফুজ, তুমি বাংলাদেশের তরুণদের কাছে একজন বেঈমান। যে যে কারণে আওয়ামী লীগ ব্যাক করেছে বলছো প্রায় সবগুলান কারনই সত্য। তবে সবচাইতে বড় কারণটা মিস করে গেছো।
যদি তোমরা একাত্তরকে রিসেট করার কথা না বলতা। যদি তোমরা জামাতকে স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করে ব্যান করতা।
উফস, তোমার কমরেডরা তো সব গুপ্ত। আন্দোলন করছো পাকিস্তান আর আমেরিকার যৌথ ডিজাইনে।
যদি তোমরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে সেদিন ফুল দিতা বা নিদেন পক্ষে ওখানে মববাজি না করতা, বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা হিসাবে মেনে নিতা, যদি তোমরা একাত্তরকে ডিলিট করে ২৪ দিয়ে রিপ্লেস করার চেষ্টা না করতা, তাইলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ফিরতে অনেক দেরী হইতো।
আওয়ামী লীগ ফিরতো যদি তোমরা দেশ শাসন করতে ভয়াবহভাবে ব্যার্থ হইতা। তাও অনেক অনেক দিন পরে।
তোমরা দেশ শাসন করতে ব্যার্থ হইছো। কারণ যাদের সাথে মিলে দেশ শাসন করতে গেছো তাদের যে আদর্শ সেটা আধুনিক রাষ্ট্র বা অর্থনীতি, সমাজ , কোনটার সাথে তারা কম্পাটিবল না। ১৪০০ বছর আগের জ্ঞান, মানসিকতা দিয়ে দেশ চালালে যা হবার ঠিক তাই হইছে।
যাই হোক, তা না করে তোমরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মববাজি করলা। মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভাঙলা একের পর এক।
মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতা পরাইলা। বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দিন খান বাদলের কবরে আগুন দিলা যেটা ২০০০ বছর আগের কোন মানুষও করবে না।
আরো সোজা বাংলায়, যে মূহুর্তে মববাজি করে ৩২ ভেঙে ফেললা সে মূহুর্তে তোমরা হেরে গেলা।
তুমি অনেক পড়াশুনা করছো বলে আমি শুনি। তবু এই মুরুব্বির একটা কথা মনে রাখবা, ছোট ভাই।
রাজনীতিতে মানুষ বহু কিছুর সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে কিন্তু ইতিহাসের সাথে লড়াই করে মানুষ পারে না।
ইতিহাস হচ্ছে শেকড়। আর মানুষ হচ্ছে গাছ। যে গাছ শেকড়ের সাথে লড়াই করে আদতে সে নিজেকে শুকিয়ে ছোট, জীর্ণ শীর্ণ করে ফেলে।
যার পরিনতি হচ্ছে হয় কারো চুলায় লাকড়ি হয়ে জ্বলেপুড়ে কয়লা হওয়া অথবা কারো বাসার ফার্নিচার হওয়া। তোমরা এখন জামাতের ফার্নিচার।
০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: গাধা নাকি! পাকিস্তানের ইমরান খান কি অনির্বাচিত ছিলো? ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কি অনির্বাচিত ছিলো! শেখ হাসিনাক কি এই প্রথম চেষ্টায় ক্ষমতাচ্যুত করেছে? নাকি ৩য় বারের চেষ্টায় করেছে?
কুয়োর ব্যাঙের মত অবস্থা লালবদরদের। পৃথিবীর কোনো খবরই নাই তাদের কাছে! আমেরিকার কাছে নতজানু না হোলেই তাদের পারে প্রেস্টিজে লাগে। আমেরিকা আর পাকিস্তান বাংলাদেশের কাছে পরাজয়ের গ্লানি কখনোই ভুলে যায়নি। তাই ৭১-এর পর বারবার ছোবল মারছে। বঙ্গবন্ধু থেকে আজকের শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের কাছে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ চলছে। রাজাকার, আলবদর আর লালবদর ছাড়া বাঙালি অদম্য। ৭১-এ পারেনি দুই পরাশক্তি এবং পাকিস্তান মিলে । এবারো তারাই হারবে আমি নিশ্চিত। হয়তোবা ৫ কিংবা ১০ বছরের একটা ভয়ংকর সময় কাটাতে হবে বাংলাদেশকে।
২|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫৪
কলাবাগান১ বলেছেন: জামাতী ব্লগার রা যে চিন্তা-চেতনায় কত পিছিয়ে আছে তা তাদের পোস্ট গুলিকে দেখলেই বুঝা যা্য..।৮০-৯০% চ্যাট জিপিটি দিয়ে লিখানো.... তারপর নিজের নামে চালিয়ে দেয়..বেকুব রা এ টুকুও বুঝেও না এই এই কয়েক বছরে ই সবাই লিখার ধরন দেখলেই বুঝতে পারে যে এটা মেশিনে লিখা, নাকি নিজের চিন্তা-মনন দিয়ে লিখা..চ্যাট জিপিটি মত এআই এর লিখার ধরন প্রায় একটা গন্ডির ভিতর সেট করা টেম্প্লেইট ব্যবহার করে লিখা হয়। তাই সহজেই বুঝা যায়..এক হিজবুতি শয়ে শয়ে গান বানায় এআই দিয়ে কিন্তু বলে যে সে নিজে লিখেছে ...উনি আবার নিজেকে আইডিয়া বাজ বলে প্রচার করে।
কিভাবে নিজের চিন্তা-চেতনা দিয়ে লিখা যায়, সেটা শিখতে হলে এই পোস্ট কে তাদের স্টাডি করতে হবে
৩|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগ সমর্থকরা মনে করে তারা বাদে দুনিয়ার সবাই গাধা। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই নিজের জোরে ২৩০টা আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসতে পারে না। এত সিট তারা পেয়েছিল কারণ ‘ডিপ স্টেট’ পেছন থেকে নিখুঁতভাবে সেই মেকানিজমটা করেছিল। ডিপ স্টেট বিএনপি-জামায়াত জোটের ওপর পুরোপুরি আস্থা হারিয়েছিল, আর সেই বাস্তবতাও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছিল। ২০১৩ সালেও যখন নির্বাচন আসল, ডিপ স্টেটের কিন্তু বিএনপি-জামায়াত জোটের ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা ছিল না। আওয়ামী লীগের মতো একটা প্রবীণ ও ঝানু দল ধরে নিল: তাদের তথাকথিত ‘উন্নয়নের বাতাস’ বুঝি ডিপ স্টেটের শরীর-মন পুরো ঠান্ডা করে দিয়েছে! ক্ষমতার লোভ এতই মারাত্মক জিনিস যে, তারা দেশের ১৫৩টা আসনে কোনো ভোট ছাড়াই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে গদিতে বসে রইল। এরপর একটা পাতানো বিরোধী দল বানানোর জন্য ভারত থেকে সুষমা স্বরাজকে উড়িয়ে এনে এরশাদকে ম্যানেজ করার যে নাটক করা হলো, তা পুরো জাতি লাইভ দেখল। অথচ আওয়ামী লীগের উচিত ছিল যেকোনো উপায়ে বিএনপিকে নির্বাচনে আনা। ডিপ স্টেটকে দিয়ে একটা নেগোসিয়েশনে আসা যেত যে-কে কত সিট পাবে আর তার বিনিময়ে পর্দার আড়ালে কী দেওয়া-নেওয়া হবে। আমার ভাবনার মতো না হলেও, নিজেদের টিকে থাকার স্বার্থেই আওয়ামী লীগের একটা উপায় বের করার দরকার ছিল। কিন্তু তারা ক্ষমতার মোহে পড়ে গেছে । ২০১৮ আর ২০২৪ সালের ঘটনাও হুবহু এক। বিরোধী জোট তখনো ডিপ স্টেটের পছন্দের তালিকায় আসতে পারেনি। আর বিএনপি-জামায়াত জোট চিরকাল নিজেদের নেতা-কর্মীদের মুক্তি চাওয়া ছাড়া জনগণের মনে দাগ কাটার মতো কোনো বড় আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারল না। দেশে যদি একটা শক্ত বিরোধী দল থাকত, তবে মানুষ আরও অনেক আগেই আওয়ামী লীগের ‘ক্রিমিনাল অ্যাক্টিভিটিজ’গুলো ধরে ফেলতে পারত। ইমরান খান আইএসআই আর ডিপ স্টেটের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছিলেন, আবার যেই তাদের কথার বাহিরে গেলেন, অমনি ডিপ স্টেট তাকে ক্ষমতাচ্যুত করল । আসল কথা হলো, বাংলাদেশে আর কোনোদিন স্বাভাবিক নির্বাচন হবে না; এই পুরো ব্যবস্থাটা আওয়ামী লীগ নিজেই নিজ হাতে নষ্ট করে ফেলেছে। আর এখন সব ধ্বংস করে দিয়ে তারাই আবার সাধু সেজে বলছে: "সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই!"
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ভেনেজুয়েলার ঘটনাকে টেনে এনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সঙ্গে এক করে ফেলবেন না। ভেনেজুয়েলায় যা ঘটেছে, তা অনেক বেশি ঐতিহ্যবাহী ‘কূপ-ম্যানুয়াল’ ঘরানার ঘটনা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমীকরণটা ছিল ভিন্ন, চরিত্রগুলোও আলাদা, আর মঞ্চনাটকের চিত্রনাট্যও এক ছিল না। তাই দুই ঘটনাকে একই ছাঁচে ঢালার চেষ্টা করলে ইতিহাসের চেয়ে কল্পনাশক্তিরই বেশি পরিচয় পাওয়া যাবে।
০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১১
ক্লোন রাফা বলেছেন: সবাই’কে না / গাধা কে গাধা বললাম বলেই আতে ঘা লাগছে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ২৮০ কিংবা ২৯০ সিট পেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু ছিল না।
দুর্ণীতির রাষ্ট্রীয়করন দেখেছিলো তখন পুরো বাংলাদেশ এবং বিশ্ব।নাইকো,গ্যাটকো সহ বিএনপির এমন কোনো মন্ত্রী বা বড় নেতা ছিলোনা যারা উপঢৌকনের নামে দুর্নীতি করে নাই।মিঃ টেন পার্সেন্ট, হাওয়া ভবন,খোয়াব ভবন। আন্তর্জাতিকভাবে দুর্নীতিতে বার বার চ্যাম্পিয়ন। তারপর ২১শে আগস্ট। এত কিছুর পর বিএনপির অস্তিত্ব থাকার কথা ছিলোনা।
আওয়ামিলীগ তখনও সমঝোতা করে ক্ষমতায় যায় নাই। শেখ হাসিনা লড়াই করে নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। আওয়ামিলীগের ইতিহাসে নেই নির্বাচন ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার।
যদি সেই দুর্বলতা থাকতো তাহলে এবারই সবচেয়ে বেশি সুযোগ ছিলো । দেশের স্বার্বভৌমত্ব বিষর্জন দিলে আওয়ামী লীগ আজীবন ক্ষমতায় থাকতে পারতো।
২০০৬ সালে বলছিলাম দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য ২/৩ জন দুর্নীতিবজ’কে ফাঁসি দিলে বাংলাদেশ থেকে ৯৯% দুর্নীতি দূর হয়ে যেত।শেখ হাসিনার সময়ও বলেছি একমাত্র দুর্নীতির কারনেই আওয়ামী লীগ ভয়ংকর বিপদে পড়বে। আমার কথা প্রমাণ হয়ে গেছে। কিছু সুবিধাভোগী বিষর্জন দিলে আওয়ামীলীগের মত দলের বিন্দুমাত্র ক্ষতি নেই। বরং সমগ্র বাঙালি জাতি একটি সিগন্যাল পেতে পারতো অন্যায় করলে কারো রক্ষা নেই।
আপনার মত মহজ্ঞানিরা যে জন্ম থেকেই আওয়ামী লীগের ধ্বংস চান এটা দিবালোকের মতো সত্য। ঠিক যেমন রাজাকার,আলবদর,আলশামস,শান্তি কমিটির দালাল প্রত্যেকে আওয়ামী লীগের ধ্বংস করে দিতে চায়।
৪|
০৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
কাঁউটাল বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব , ডীপ ষ্টেট কারা চালায়, কিভাবে চালায়, স্টেক হোল্ডার কারা কারা?
০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৩
ক্লোন রাফা বলেছেন: ভালো প্রশ্ন, এবং প্রকৃত দালালের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছে। উত্তর পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
৫|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩
রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: সাধারণ মানুষকে একত্রিত করা আওয়ামী লীগের জন্য কঠিন হবে। বিএনপি, জামায়াতসহ আরও যারা আছে আওয়ামী লীগকে মাঠে নামতেই দেবে না জোরালোভাবে। তার ওপর দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ। যদি নির্বাচন করার সুযোগ থাকত, ৫-১০ বছরে ঘুরে দাঁড়াতে পারত। তার পরও ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব জনগণের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে গোপনে হলেও কার্যক্রম চালালে।
০৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: রাইটলি পয়েন্ট আউট করেছেন। মানুষের কাছে যাওয়ার বিকল্প নেই আওয়ামী লীগের। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তাদের প্রয়োজনে বার বার আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। এবার পুরো বাংলাদেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আওয়ামী লীগ ছাড়া এই সংকট মোকাবেলা করার শক্তি এবং সাহস কারো নাই।
সৃষ্টি কর্তার এবং বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যে আবারও মুক্ত হবে বাংলাদেশ।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
৬|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯
মাথা পাগলা বলেছেন: @সৈয়দ কুতুব
"২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ২৩০+ আসন নিজের জোরে পেতে পারে না" - অনুমানভিত্তিক কথা এতো কনফিডেন্টলি বলেন কিভাবে? কথা ব্যাক করার জন্য কিছু ঘটনা বা দালিলিক প্রমান দেন।
একদিকে গনতন্ত্র চান আবার আবার একই সাথে মনে করেন, ডিপ স্টেটের সঙ্গে সিট ভাগাভাগির সমঝোতা করা উচিত ছিল। হাসিনা আম্রিকার সাথে সমঝোতা করে নাই বলে ক্ষমতায় নাই, আর যারা দেশ বিক্রি করতে রাজি হয়েছে তারা ক্ষমতায় বসেছে।
লীগ কখনো আসবে না এগুলা আবেগেজনিত রাজনৈতিক কথা। বিশ্লেষন কম, বয়ান বেশী। দেশে ২ বছর লীগ নাই, কিন্তু এখনো দেশের সমস্ত সমস্যার মধ্যে আপনি আপাকে খুঁজে বেড়ান।
৭|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫
কিরকুট বলেছেন: বাংলাদেশের একটাই সমস্যা। এখানে সবাই রাজনৈতিক বোদ্ধা, যোদ্ধা নাই। সবাই র, ডিপ স্টেট, মোসাদ বুইঝা বসে আছে কিন্তু বাংলাদেশের আখেরে কি লাভ ক্ষতি এইটা বোঝার মতো যোদ্ধা নাই।
৮|
০৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭
নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষ পকেটে আলু নিয়ে ঘুরাফেরা করি, যখনই ঘর পোড়ে তখনই আলু পোড়া দিতে চেস্টা করি।
আমলীগ যাবার পরে জামাতীদের স্বপ্নদোষ হয়েছীলো যে তারা ক্ষমতায় চলে গিয়েছে। তাই তারা যা যত বেশি দখল করেছে।
কিন্তু ৩২ ভাঙ্গার পেছনে আমলীগের হাত থাকতে পারে। কারন ৩২ নং ভাঙলে সবচেয়ে বেশি লাভ আমলীগের। জনগনের মনে সবপেয়ে বেশি সহানুভুতি পেয়েছে ৩২ ভাঙ্গার পরে।
এখন আমলীগ ঘাপটি মেরে বসে আছে, যখনই সুযোগ পাবে তখনই তারাও আলু পোড়া খাবে ![]()
৯|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: এই বছরে অনেক অসম্ভব ব্যাপার ঘটে যাবে। মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখুন।
১০|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাথা পাগলা@আওয়ামী লীগের দোষ ৫০ বছরেরও বলে শেষ করা যাবে না । ২০০৮ সালে লীগ কোনোভাবেই ১৮০/১৯০ সিটের বেশি পাওয়ার কথা না । সাখাওয়াত কে ধরলে সব বের হয়ে যাবে । বাই দা ওয়ে , বিএনপিও একই পথের পথিক। কোলে উঠে বসে আছে ।
।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগের মন খারাপ কেন, বুঝি না। ডিপ স্টেটের গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে ২০১৩ সাল থেকে ক্ষমতা দখল করে বসে ছিল। সেই ডিপ স্টেটই আবার তাদের উৎখাত করল। যদি ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জনগণের ভোটে জয়ী হতো, তাহলে কোনো ডিপ স্টেটই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারত না। ইউনূস খান সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন। তাই এখন আওয়ামী লীগের মন ভালো নেই।