| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

বৃষ্টির জন্য খুব বেশি হাহাকার জমেছিল বলেই কিনা,
জমিয়ে বৃষ্টি এসে রীতিমতো আমাদের জমিয়ে রেখেছে-
এখন গৃহ কারাবাস!
বৃষ্টি তুমি কিনা জমিয়ে রেখেছিলে এতটা ক্রোধ!
থামছেই না তোমার চোখ রাঙানি!
অনেক তো হলো এবার আপাতত কিছুটা দাও ভাতঘুম!
বৃষ্টি চাই বৃষ্টি চাই গাইতে গাইতে যখন তুমি ঢেলে দাও অসীম ক্রোধ-
ফুরিয়ে যায় আমাদের গাটের সঞ্চয়!
ঘাটপথ সব বৃষ্টি অবরোধ- নিরন্ন মানুষ তো জানে না বৃষ্টি বিলাস!
তুমি তো সব জানো যতটা আমাদের জানার পরিধি- তারোধিক!
কেউ ভেজে আনন্দে। কেউ ভেজে জঠর যন্ত্রণায়।
এবার থামাও তোমার ক্রোধানল!
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮
রাজীব নুর বলেছেন: হ্যালো স্যার!
কেমন আছেন আপনি? কি খবর? শরীর ভালো?
২|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কেউ ভেজে আনন্দে। কেউ ভেজে জঠর যন্ত্রণায়।
এবার থামাও তোমার ক্রোধানল!
...............................................................................
বৃষ্টির কি দোষ ?
মানুষ করিয়াছে পাপ
মুছে যাক মুছে যাক সেই সব তাপ।
৩|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫
কাবিল বলেছেন: বৃষ্টি শুধু প্রকৃতির নয়, মানুষের মনেও নেমে আসে। সেই অনুভূতিটাই এই লেখায় দারুণভাবে ধরা পড়েছে। শব্দচয়ন ও ভাবনার জন্য লেখককে অভিনন্দন।
৪|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩৫
ইসিয়াক বলেছেন:
রাজীব
চমৎকার একটা কবিতা লিখেছেন।
কবিতাটি আবেগঘন এবং বাস্তবসম্মত। বৃষ্টিকে নিয়ে আমাদের চিরন্তন রোমান্টিকতা এবং এর আড়ালের নির্মম বাস্তবতার একটি দারুণ মেলবন্ধন ঘটেছে আপনার লেখায়।
ভাবনার গভীরতা ও বৈপরীত্য: কবিতাটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর দ্বান্দ্বিক ভাবমূর্তি। একদিকে নাগরিক মানুষের 'ভাতঘুম' বা অবসরের আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে 'নিরন্ন মানুষের' বেঁচে থাকার লড়াই। "কেউ ভেজে আনন্দে। কেউ ভেজে জঠর যন্ত্রণায়"—এই দুটি লাইনে সমাজের চরম বাস্তবতার এক অনবদ্য বৈসাদৃশ্য ফুটে উঠেছে।
৫|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
রাসেল বলেছেন: সুন্দর পরিছন্ন শব্দের চয়ন, উত্তম বিষয়বস্তু, ভাল লাগল।
৬|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাটি বৃষ্টিকে কেবল প্রকৃতির একটি ঘটনা হিসেবে নয়, বরং মানুষের আশা-হতাশা, প্রয়োজন-অপ্রয়োজন এবং
জীবনের বৈপরীত্যের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছে। সেই ভাবধারাকে অনুসরণ করে বৃষ্টির তরে অভিযোগ খন্ডন
করে বৃষ্টির প্রতি একটি নিবেদন করে গেলাম ।
বৃষ্টি,
তোমার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ উচ্চারিত হয়
তার প্রতিটি শব্দের অন্তরালে
মানুষের অপূর্ণ প্রত্যাশার দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে থাকে।
তুমি তো কারও শত্রু নও
আবার কারও একান্ত আপনও নও
তুমি কেবল স্রষ্টার বিধানের
নিঃশব্দ বাহক হয়ে
আকাশ থেকে নেমে আসো।
যে কৃষক তোমার জন্য দু'হাত তুলে দোয়া করে
সেই শহরের পথিক
তোমারই আগমনে বিরক্তির ভাষা খুঁজে বেড়ায়।
এ কেমন বিচার
একই ফোঁটা কারও প্রাণের অমৃত
কারও দিনের বিঘ্ন!
প্রকৃতির কাছে মানুষের চাওয়া
কখনো শেষ হয় না
রৌদ্র চাই, আবার ছায়াও চাই
বৃষ্টি চাই
কিন্তু আমাদের সুবিধামতো সময়ে!
তবু তুমি তোমার নিয়মে অবিচল
মানুষের ক্ষণিক রাগে
তোমার কোনো অভিমান জন্মায় না।
কারণ তুমি জানো
জীবনের প্রতিটি শস্যদানায়
প্রতিটি নদীর স্রোতে
প্রতিটি সবুজ পাতার স্পন্দনে
তোমারই নীরব স্বাক্ষর লেখা আছে।
অতএব
বৃষ্টিকে দোষারোপ করার আগে
নিজেদের প্রত্যাশার আয়নায়
একবার চোখ রাখা দরকার।
যে হৃদয় সৃষ্টির কল্যাণ বুঝতে শেখে
তার কাছে বৃষ্টি আর দুর্ভোগ নয়
সেটি হয়ে ওঠে
রহমতের এক অবিরাম কাব্য
মহান স্রষ্টার
অদৃশ্য করুণার অনন্ত অনুবাদ।
শুভেচ্ছা রইল
৭|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০৬
শায়মা বলেছেন: বৃষ্টিবিলাস কাব্য!!! ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৫৬
কামাল১৮ বলেছেন: পড়লাম।