| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করতে হলে কেবল রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না; বরং প্রাইভেট সেক্টরকে পরিকল্পিতভাবে সামরিক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করাই হবে সময়োপযোগী কৌশল। এই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মডেলটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক শক্তির বড় একটি ভিত্তি গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ডিফেন্স কন্ট্রাক্টরদের মাধ্যমে। Northrop Grumman, Boeing, Lockheed Martin-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু ব্যবসায়িক সংস্থা নয়—তারা কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও কৌশলগত বোমারু বিমান B-2 Spirit Stealth Bomber নির্মাণ করেছে Northrop Grumman। এই বিমান শুধু প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নিদর্শন নয়, বরং প্রমাণ করে কীভাবে বেসরকারি বিনিয়োগ ও গবেষণা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে বহুগুণ শক্তিশালী করতে পারে।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই মডেল অনুকরণ করা অসম্ভব নয়—বরং সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। দেশীয় শিপইয়ার্ডগুলো আন্তর্জাতিক মানের কার্গো ও নৌযান তৈরি করছে। একইভাবে, ইস্পাত শিল্পেও বাংলাদেশ স্বনির্ভরতার পথে অনেকদূর এগিয়েছে। এই দুই খাতকে ভিত্তি করে যদি সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহৃত জাহাজ, লজিস্টিক ভেসেল, আর্মার্ড স্ট্রাকচার কিংবা প্রতিরক্ষা উপকরণ উৎপাদনে প্রাইভেট কোম্পানিগুলোকে উৎসাহ দেওয়া যায়, তাহলে একটি দেশীয় ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলা সম্ভব।
এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ভূমিকা হবে নীতি সহায়তা, দীর্ঘমেয়াদি কন্ট্রাক্ট, গবেষণা তহবিল এবং প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। প্রাইভেট কোম্পানিগুলো তখন ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হবে, দক্ষ জনবল তৈরি করবে এবং ধীরে ধীরে সামরিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করবে। এতে একদিকে যেমন সামরিক সক্ষমতা বাড়বে, অন্যদিকে দেশীয় শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা নিশ্চিত হবে।
সংক্ষেপে বলা যায়, বাংলাদেশ যদি সত্যিই সামরিক ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে তাকে রাষ্ট্র + প্রাইভেট সেক্টর অংশীদারিত্বের (Public-Private Partnership) পথে হাঁটতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিধর রাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা দেখায়—শক্তিশালী প্রাইভেট ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি ছাড়া আধুনিক সামরিক শক্তি গড়ে তোলা প্রায় অসম্ভব। বাংলাদেশের জন্যও এখন সময় এসেছে সেই বাস্তবতা নতুন করে ভাবার।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সেজন্যেই বলছি, বাংলাদেশ সরকারকে বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর উপরে আস্থা রাখতে হবে।
তাদেরকে নারচার করতে হবে। সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।
ধন্যবাদ।
২|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৩৬
অগ্নিবাবা বলেছেন: সবার আগে ভারতের সাথে সম্পর্ক ঠিক করতে হবে, ভারতের সাথে বৈরীতা করে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করলে মারা খাবেন। বাঙালীরা বাংলা বোঝেনা, আফশসোস!
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
বাংলাদেশ আগ বাড়িয়ে কারো সাথে শত্রুতা করে নাই কখনো। এটা বুঝতে হবে।
ধন্যবাদ।
৩|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪২
রাজীব নুর বলেছেন: সামরিক পরে, এর আগে আরো কিছু সমস্যা আছে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। এখন প্রয়োজন নির্বাচন। আগে নির্বাচন হোক।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
বাংলাদেশকে সামরিক ক্ষেত্রে বিদেশমুখিতা ছাড়তে হবে।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
৪|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি দয়া করে তারেক রহমানের সাথে দেখা করেন । আপনার আইডিয়া গুলো কাজে লাগাতে হবে ।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
উনার কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বটা আপনিই নিন।
ধন্যবাদ।
৫|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমাদের বিশাল সামরিক বাহিনী ও এর কার্যক্রম আরো সীমিত করা দরকার।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ছোট বাহিনীও শক্তিশালী হতে পারে, হতে পারে আধুনিক ও শক্তিশালী।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শক্তিশালী প্রাইভেট ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি ছাড়া আধুনিক সামরিক শক্তি গড়ে তোলা প্রায় অসম্ভব।
.................................................................................................................................
যা মোটেই সহজ বিষয় নয় ।
শুধুমাত্র ড্রোন কারখানা করতে গিয়ে , নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে ঘোল
খাওয়াচ্ছে আমেরিকা ।
কি প্রয়োজন চীনের কাছে যাওয়া ???
আমরা আছিনা ???