| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন পার করেও সে অপরিবর্তনীয়, এসব ব্যাপারে আমার কথায় সে থোড়াই কেয়ার করে!"
আমার মেন্টর জানালেন, তাঁর সেশনগুলোতে যখন বিবাহিত দম্পতিরা আসেন, তখন একজনের বিরুদ্ধে আরেকজন এরকমই অভিযোগ-অনুযোগ করেন। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলাম - "আপনি তখন কী উত্তর দেন?"
আমার মেন্টর জানালেন, তিনি তাদেরকে বলেন - "আমি তোমার ধৈর্যের প্রশংসা করি। কিন্তু, তুমি কখনোই তোমার সঙ্গীকে পরিবর্তন করতে পারবে না। বরং, এটা কি ভালো নয় যে, তুমি যে ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছো সেটাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেনে নেওয়া?"
এরকম ছোট ছোট জিনিস যা আপনার নিজের মাঝে অশান্তির সৃষ্টি করে, আপনি ইচ্ছা করলে কিন্তু সেগুলোকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেন, সেগুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। ঐসব জিনিস হয়তো আপনার আয়ত্বের মধ্যে নেই, কিন্তু, এছাড়াও আপনার জীবনে অনেক জিনিসই আছে যা আপনার নিজের হাতের মুঠোয়। আপনি ইচ্ছা করলে আয়ত্বে থাকা যিনিগুলো থেকে নিজের সান্ত্বনা খুঁজে নিতে পারেন, যেগুলো আয়ত্বে নেই, তেমন পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন। সেটাই আপনার জন্যে মঙ্গল।
আপনি এক্ষেত্রে অন্যদের অসহনীয় কার্যকলাপকে পাশ কাটিয়ে আপনার কমফোর্ট জোনের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন। এতে হয়তো আপনি নিজেকে বদলে দিয়ে আরেকজনকে বদলে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারবেন।
এবার, ভেবে বলুন তো, সামুতে এমন কোন ঘটনা আপনার সঙ্গে ঘটে কি যা আপনি বদলে দিতে চান? অথচ, অন্য কাউকে পরিবর্তন করার চেয়ে সেটাকে মেনে নিয়ে নিজেকে পরিবর্তন করাটা অনেক বেশি সহজ নয় কি?
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আসলে, বই কিন্তু মানুষের জীবন থেকেই নেওয়া।
পাশ্চাত্যে, এক্সপেরিয়ানশিয়াল লার্নিং সিস্টেম নামক একটি কনসেপ্ট আছে। ওটা ব্যবহার করে ঠেকে ঠেকে শিখে মানুষ।
তারপরে, পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে নিজের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে যায় বইয়ে।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
২|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫
নতুন বলেছেন: মায়েদের উচিত ছোট বেলায় ছেলে মেয়ে সবাইকে বাড়ীর কাজ সেখানো।
ঘর গোছানো, রান্না, বাজার করা, কাপড় ধোয়ার কাজ শেখালে বাচ্চারা আরো কনফিডেন্ট হয়ে উঠে।
আমাদের দেশের দরিদ্রমানুষদের বাড়ীতে কাজের জন্য রাখা সম্বব তাই দেশের পুরুষরা অলস হয়ে গেছে।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
কেউ শিখে অভিজ্ঞতা থেকে, আবার কেউ ঠেকে মানুষকে দেখে।
ধন্যবাদ নিরন্তর।
৩|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগে নিজেকে বদলে নিন।
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি যেমন নিজেকে অনবরত পজিটিভ চেঞ্জের মাধ্যমে ঝালাই করি,
তেমনি ওপর মানুষকেও পরিবর্তিত হতে সাহায্য করি।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "আমি তোমার ধৈর্যের প্রশংসা করি।
.....................................................................
চলমান জীবনে,
ঠেকতে ঠেকতে শিখতে হয় আমাদের দেশে
আর ইউরোপে, বই পড়ে শিখে নেয়,
তাই অতি দ্রুত তারা আমাদের চেয়ে বেশী জ্ঞান অর্জন করে
কম বয়সে, তাই তাদের অর্জন বেশী, জীবনটা সুন্দর ।