| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
১) "দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদয় আচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেননি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।"
(সূরা আল-মুমতাহিনাহ, আয়াত ৮)
২) "দ্বীন (ধর্ম) নিয়ে কোনো জবরদস্তি বা বাধ্যবাধকতা নেই। সত্য পথ ভ্রান্ত পথ থেকে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।"
(সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৫৬)
৩) "আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ডাকে, তোমরা তাদের গালি দিও না। কেননা, তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে। এভাবেই আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কার্যকলাপ সুশোভিত করেছি। অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন তাদের রবের কাছেই, তখন তিনি তাদের বলে দেবেন তারা কী করত।" (সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১০৮)
৪) "নিশ্চয় যারা মুমিন, আর যারা ইহুদি, খ্রিষ্টান ও সাবেঈ; যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে তাদের পুরস্কার এবং তাদের কোনো ভয় নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।"
(সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ৬২)
৫) "আল্লাহ যদি মানবজাতিকে একে অপরের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে মঠ, গির্জা, ইহুদি উপাসনালয় (সিনাগগ) এবং মসজিদসমূহ, যেখানে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়, বিধ্বস্ত হয়ে যেত।" (সূরা আল-হাজ্ব, ২২:৪০)
এইবারে কিছু হাদিস দিচ্ছি -
১) "যে ব্যক্তি কোনো জিম্মি (ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিম নাগরিক)কে কষ্ট দেয়, সে আমাকে কষ্ট দেয়।"
(মুসনাদে আহমদ)
২) "তোমরা পৃথিবীর মানুষের প্রতি দয়া করো, তাহলে আকাশের মালিক (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"
(আবু দাউদ ও তিরমিজি)
৩) ‘যারা মানুষকে সাম্প্রদায়িকতার দিকে ডাকে, সাম্প্রদায়িকতার জন্য যুদ্ধ করে, সংগ্রাম করে এবং জীবন উৎসর্গ করে তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।’ -সুনানে আবু দাউদ : ৫১২৩
৪) ‘কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুন্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি মুহাম্মদ ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে লড়াই করব।’ –সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২
৫) ‘অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমকে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেই ওই ঘ্রাণ পাওয়া যাবে।’ –সহিহ বোখারি : ৩১৬৬
৬) ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ -সুনানে নাসাঈ : ৪৭৪৭
সালফে সালেহীনদের নির্দেশনা-
১) ‘যুদ্ধকালীন সময়ে বা যুদ্ধের পর কোনো মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয় ভেঙে ফেলবে না।’ -মুসান্নাফ আবি শায়বা : ৩৩৮০৪
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ধন্যবাদ, ভাইয়া।
অথচ, অনেকেই এটা বুঝে না!
শুভেচ্ছা নিরন্তর।
২|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৬
অগ্নিবাবা বলেছেন: ভাই কিছু মানসুখ আয়াত নিয়ে আইছে, আপনার এইসব আয়াত বাতিল হইয়া গেছে, হুজুরদের জিগান গিয়া,
এই দেখেন আল্লাহ কি কইছে।
কুরআনে অমুসলিমদের সম্পর্কে বিভিন্ন কটূক্তি করা হয়েছে। নিচে তা সূরা ও আয়াত এর নাম্বারসহ উল্লেখ করা হল। আপনারা নিজে কুরআন খুলে সূরা ও আয়াত নাম্বার মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন। যদি কুরআন মানতে চান তাহলে অমুসলিমদেরকে ওরকম মনে করতে হবে, কারণ তা কুরআনে আছে।
কটূক্তিসমূহ
সূরাঃ আয়াত
তারা গাধা
৬২ঃ৫, ৭৪ঃ৫০
তারা কুকুর
৭ঃ১৭৬
তারা গরু বাছুর
৭ঃ১৭৯, ২৫ঃ৪৪, ৪৭ঃ১২
তারা দুর্ভাগা
২ঃ১২১, ৩ঃ৮৫, ৫ঃ৫, ৮ঃ৩৭, ১০ঃ৯৫, ২৭ঃ৫, ২৯ঃ৫২, ৩৯ঃ৬৩, ৩৯ঃ৬৫
তারা পাপিষ্ঠ
৮ঃ৩৭
তারা উদ্ধত
৬ঃ১৪৬, ৭ঃ১৬৬, ৪০ঃ৭৫, ৬৭ঃ২১
তাদের পাষাণ হৃদয়
৩৯ঃ২২, ৫৭ঃ১৬
তারা কালা (শ্রবণশক্তিহীন)
২ঃ১৭১, ৫ঃ৭১, ৬ঃ৩৯, ১৭ঃ৯৭, ৩০ঃ৫২
তারা অন্ধ
২ঃ১৭১, ৫ঃ৭১, ১৭ঃ৯৭, ৩০ঃ৫৩, ৪১ঃ৪৪
তারা নির্বোধ
২ঃ১৭১, ৬ঃ৩৯, ১৭ঃ৯৭
তারা জ্ঞানহীন
৬ঃ১১১, ৩৯ঃ৬৪
তারা কঞ্জুস
৪ঃ৩৭
তারা বিদ্বেষপূর্ণ
৩ঃ১২০
তারা অপরাধী
৫ঃ৬৪, ৫ঃ৭৮, ৬ঃ১১০, ৭ঃ১৮৬, ১০ঃ১১,১০ঃ৭৪, ৩৭ঃ৩০, ৫০ঃ২৫
তারা কলুষিত
৫ঃ৬৪, ১০ঃ৪০
তারা নোংরা
৯ঃ২৮
তারা নগণ্য
১৯ঃ৭৩-৭৪
তারা বিশ্বাসঘাতক
৫ঃ১৩, ২২ঃ৩৮
তারা মিথ্যাবাদী
(১০ টির বেশি আয়াত)
তারা বিপথগামী
৫ঃ৭৫, ৯ঃ৩০, ১০ঃ৩৪, ৩৫ঃ৩, ৪০ঃ৬৩
তারা পরশ্রীকাতর
২ঃ৯০, ২ঃ১০৯, ২ঃ২১৩, ৩ঃ১৯
তারা অন্যায়কারী
(১০ টির বেশি আয়াত)
তারা অধঃপতিত
৫ঃ৪১
তারা দুর্বল
২২ঃ৭৩
তারা বিভ্রান্ত
৩ঃ২৪, ৬ঃ১৩০, ৭ঃ৫১, ৩৫ঃ৪০, ৪৫ঃ৩৫, ৬৭ঃ২০
তারা অহংকারী
(১০ টির বেশি আয়াত)
তারা বেপরোয়া
(১০ টির বেশি আয়াত)
তারা আত্মাভিমানী
৩৮ঃ২
তারা অকৃতজ্ঞ
২২ঃ৩৮, ৩৫ঃ৩৬, ৩৯ঃ৩
তারা আল্লাহর দৃষ্টিতে জঘন্যতম পশু
৮ঃ৫৫
তারা সৃষ্টির নিকৃষ্টতম জীব
৯৮ঃ৬
তারা আল্লাহর শত্রু
২ঃ৯৮, ৮ঃ৬০, ৪১ঃ২৮, ৬০ঃ১
তারা মুসলমানের শত্রু
৪ঃ১০১, ৮ঃ৬০, ৬০ঃ১-২
তারা অপবিত্র হৃদয় অধিকারী
৫ঃ৪১
তারা scadenfreude
৩ঃ১২০
আল্লাহ তাদের ঘৃণা করেন
৩৫ঃ৩৯, ৪০ঃ১০
আল্লাহ তাদের ভালবাসেন না
৩ঃ৩২, ২২ঃ৩৮, ৩০ঃ৪৫
আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেন
৩ঃ১৪১, ১৭ঃ৫৮, ২১ঃ৬, ২৮ঃ৪৩
আল্লাহ তাদের লাঞ্ছিত করেন
৯ঃ২, ১৬ঃ২৭
আল্লাহ তাদের কলুষিত করেন
৬ঃ১২৫, ১০ঃ১০০
আল্লাহ তাদের নির্যাতন করেন
৪ঃ৫৬, ১৮ঃ২৯, ২২ঃ১৯-২২, ৪০ঃ৭১-৭৩
আল্লাহ তাদের পরিত্যাগ করেন
৭ঃ৫১, ২০ঃ১২৬, ৩২ঃ১৪, ৪৫ঃ৩৪
আল্লাহ তাদের অভিশাপ দেন
(১০ টির উপরে আয়াত)
আল্লাহ তাদের অপমানিত করেন
(১০ টির উপরে আয়াত)
আল্লাহ তাদের মধ্যে ত্রাসের সৃষ্টি করেন
৩ঃ১৫১
আল্লাহ তাদের শিম্পাঞ্জি বানিয়ে দেন
২ঃ৬৫, ৫ঃ৬০, ৭ঃ১৬৬
আল্লাহ তাদের শুকর বানিয়ে দেন
৫ঃ৬০
আল্লাহ তাদের শয়তানের উপাসক বানিয়ে দেন
৫ঃ৬০
আল্লাহ তাদের গাদ বানিয়ে দেন
২৩ঃ৪১
আল্লাহ তাদের পিছনে শয়তান লেলিয়ে দেন
১৯ঃ৮৩
আল্লাহ তাদের ভাল কাজ হিসাবে ধরেন না
১৮ঃ১০৫
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
কোরআনের কোন আয়াতটা মনসুখ বা বাতিল???!!!!
কে করেছে!!!
৩|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১৫
অগ্নিবাবা বলেছেন: সূরা নাহল আয়াত:৬৭
আর খেজুর ও আঙ্গুর ফল থেকে তোমরা মদ ও উত্তম খাদ্য প্রস্তুত কর, জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে
এটাও কোরানের আয়াত, আসেন ভাই আমরা দুজনে মদ খাই। আপনি নিশ্চয়ই জ্ঞানী সম্প্রদায়ের।
৪|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:১৭
অগ্নিবাবা বলেছেন: সত্য ভাই, কোরআনের কোন আয়াতটা মনসুখ বা বাতিল???!!!! এর উত্তর আমি দিলে আপনি মানবেন কেনো? কোনো ইসলামিক স্কলারকে জিজ্ঞাসা করেন প্লিজ।
৫|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৮
এম ডি মুসা বলেছেন: ধর্ম না মানবিক আচরণ, সেটা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে
৬|
২২ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১২
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: যদি আপনি অধিকাংশ মানুষের কথামতো চলেন,তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে ছুটিয়ে ভিন্ন পথে নিয়ে যাবে।কেয়ামতের দিন ঘুটঘুটে অন্ধকার থাকবে কোনো আলো থাকবেনা,সরি! পুলসিরাতের উপরে কোনো আলো থাকবেনা।অন্তরের আলোই হবে একমাত্র আলো,কারো অন্তরে আলো সূর্যের থেকেও বেশি, আবার কারো কম আবার কারো নাই
কেউ কেউ পুলসিরাতের উপর দিবে এক পা,আরেক পা জান্নাতে।
"কোনো এক হাদিসে রয়েছে,উত্তম চরিত্রের কল্যানে মানুষ দিনভর রোজা রাখা এবং রাতভর তাহাজ্জুদ পড়া ব্যাক্তির থেকে অগ্রগামী হয়ে যায়।"
"এই কুরআন দিয়ে আল্লাহ অনেকেকে বিভ্রান্ত করেন,আবার অনেককে সঠিক পথের সন্ধান দেন।"
"কেউ কেউ কুরআন পড়ে কুরআনে ভূলত্রুটি অনুসন্ধানের নিয়তে,তখন তার সীমিত জ্ঞানে যা ধরেনা,সেটাকে ভুল মনে করে। আর কেউ কেউ কুরআন পড়ে,সঠিক তত্ত্ব অনুসন্ধানের জন্য।কুরআনের অনেক কিছুই মানুষ দুনিয়াতে বুঝতে পারবেনা এটাই স্বাভাবিক।
@অগ্নিবাবা বলেছেন,আপনার উল্লেখিত আয়াতগুলো রহিত।আমারও প্রশ্ন এগুলো কে রহিত করলো।আপনি কোনো আয়াত রহিত বললেই কি তা রহিত হয়ে যাবে?
যদি আপনি অধিকাংশ মানুষের কথামতো চলেন,তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে ছুটিয়ে ভিন্ন পথে নিয়ে যাবে।কেয়ামতের দিন ঘুটঘুটে অন্ধকার থাকবে কোনো আলো থাকবেনা,সরি! পুলসিরাতের উপরে কোনো আলো থাকবেনা।অন্তরের আলোই হবে একমাত্র আলো,কারো অন্তরে আলো সূর্যের থেকেও বেশি, আবার কারো কম আবার কারো নাই
কেউ কেউ পুলসিরাতের উপর দিবে এক পা,আরেক পা জান্নাতে।
"কোনো এক হাদিসে রয়েছে,উত্তম চরিত্রের কল্যানে মানুষ দিনভর রোজা রাখা এবং রাতভর তাহাজ্জুদ পড়া ব্যাক্তির থেকে অগ্রগামী হয়ে যায়।"
"এই কুরআন দিয়ে আল্লাহ অনেকেকে বিভ্রান্ত করেন,আবার অনেককে সঠিক পথের সন্ধান দেন।"
"কেউ কেউ কুরআন পড়ে কুরআনে ভূলত্রুটি অনুসন্ধানের নিয়তে,তখন তার সীমিত জ্ঞানে যা ধরেনা,সেটাকে ভুল মনে করে। আর কেউ কেউ কুরআন পড়ে,সঠিক তত্ত্ব অনুসন্ধানের জন্য।কুরআনের অনেক কিছুই মানুষ দুনিয়াতে বুঝতে পারবেনা এটাই স্বাভাবিক।
@অগ্নিবাবা বলেছেন,আপনার উল্লেখিত আয়াতগুলো রহিত।আমারও প্রশ্ন এগুলো কে রহিত করলো।আপনি কোনো আয়াত রহিত বললেই কি তা রহিত হয়ে যাবে?
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০২
জুল ভার্ন বলেছেন: পরমত, পরধর্ম সহিষ্ণুতা ইসলামের শিক্ষা।