আমার প্রিয় পোস্ট

ছোটগল্পঃ বৈকল্য-১

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0

১।

তার বাম চোখটা যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানটায় গর্ত ভর্তি একতাল অন্ধকার ঘাপটি মেরে আছে। গর্তের ঢাল বাম দিকে ক্রমশ প্রসারিত হতে হতে মাথার পেছনে ধোঁয়াটে বাদামি একগাছি চুলের গোড়ায় থমকে গেছে। আর একমাত্র চোখটায় নিভে যাওয়া দুপুর লেজে মুখ গুঁজে ঘুমাতে চাইলে হলদে পানিতে ভাসমান মনিটা এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করে মরতে চাওয়া দুপুরের খোসা ছাড়াতে চায়। আরেকজন, যার একটা পা বাঁকা হয়ে পাছার দিকে ছুটে গেছে আর তিন মাথা কুঁজ তাকে মাটির দিকে ছুঁড়তে উদ্যত, একটা কালো পাইপ মাটির বুকে গেঁথে নিজেকে খানিক উঁচুতে ধরে রাখে। তারা দুজন শহরের ধ্বসে যাওয়া ফ্লাইওভারের পেটের নিচে ঘনিভুত আঠালো গরমে তপ্ত হতে হতে মৃত দালানের হাড়গোড় গোনে। যার বাম চোখের গর্তে একতাল অন্ধকার, সে ডান চোখের পটভূমিতে মৃত বাড়ি ঘরগুলোকে ন্যাড়া পাহাড়ে পরিনত করে মাথা ঝাঁকাতে চায়, ঘাড় এবং চাঁদির চামড়া পরস্পরের দিকে ধেয়ে গেছে বিধায় তার মাথা নাড়ানাড়ি সম্পুর্ন হতে পারে না, ফলে সে মাথা খানিকটা কাত করে বলে;

"এইখানে একদিন নদী ছিল।"

তিনমাথা কুঁজওয়ালা কবেকার কোন নদী নিয়ে আগ্রহি হয় না, বরং নদীটা কিভাবে নিজেকে বুঁজিয়ে পেট ফোলা মরা সাপ হয়ে এখানে পঁচে উঠেছিল এবং তার পঁচে ওঠার প্রকৃয়ায় এই শহরের অবশিস্ট বাসিন্দাদের হাত ছিল কিনা, যাতে করে এই মরতে বসা দুপুরে ধ্বসে পড়া ফ্লাইওভারের পেটের নিচে "কিছুতেই কিছু আসে যায় না" ভংগিতে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। সে তার পাছার দিকে ধাবমান বেকায়দা পা'টাকে গন্তব্যের কাছ থেকে যতোটা দুরে রাখা যায় তার কসরত করতে করতে বলে;

"অনেক দিন হয়ে গেল খাবারের ভ্যানটা আসে না।"

"হ্যা, আগে মাসে দু'মাসে একবার আসতো। ছ'মাসের উপর হয়ে গেল শেষবার এসেছিল। খাবার লোক কই?"

"তাই। দু'মাথাওয়ালা লোকটাকে মনে আছে, যে ভ্যানটা নিয়ে আসতো? ওর দু'নম্বর মাথায় একটা চোখ কাজ করতো। সেটাই...খাবার লোক কোথাই! খাবার ইচ্ছেও তো হয় না আর..."

"ঐ দুইমাথার আরেকটা নাক খুব জোরদার ছিল, আমার বাবা বলতো। শহরে ঢোকার অনেক আগেই টের পেত কোথায় কে মরে পড়ে আছে!"

"আচ্ছা তুমি জানো, ঐ শহর থেকে এখানে খাবারের ভ্যানটা কেন আসতো?"

"নাহ! আমার বাবারাও জানতো না। অনেক আগে থেকেই এটা চলে আসছে। আমরা ভাইয়েরা মিলে বাবাকে যেদিন ১ নম্বর খাঁদে ফেলে আসি, তার পরের দিন শেষ ভ্যানটা আসে।"

তাদের কথোপকথনে শহরের ক্রমহ্রাসমান মানুষ, উবতে যাওয়া ক্ষিদে জড়াজড়ি করে দুরবর্তি অন্যকোন না দেখা শহরের খাবারের ভ্যান আর তার দু'মাথাওয়ালা ড্রাইভারকে ধ্বসে যাওয়া ফ্লাইওভারের নিচে দৃশ্যমান করে। একচোখা লোকটার বাম চোখের গর্তে অন্ধকার ফিকে হয়ে আসে, আঁচিল ভর্তি ফেটে যাওয়া বুক চুলকাতে চুলকাতে সে মনে করতে চায়, বাবাকে ১ নম্বর খাঁদে ফেলে আসার সময় বাবা কী নির্লিপ্ত ছিল? চিরে দু'ভাগ হয়ে যাওয়া ঠোঁট কেঁপে উঠেছিল কি? শুধু তার মনে পড়ে তার এক ভাই, যার হৃৎপিন্ডটা খসখসে চামড়ায় ঢেকে বুকের বাইরে ধুকপুক করতো, সে গর্তের গভিরে পাক খেয়ে ওঠা দৃশ্যমান শুন্যতায় ঢুকে যেতে যেতে কেঁপে উঠছিল। তার আরেক ভাই, যার হাতের যায়গাই ল্যাগবেগে ক'টা শুঁড় নিরবিচ্ছিন্ন নড়ে যেত, সে বলেছিল;

"এটা বুড়োদের গর্ত।"

তিন কুঁজওয়ালা নাকের ফুটোই ভবিষ্যত মিশ্রিত ঝাঁঝালো বাতাস টেনে বলে;

"এবারেও বৃস্টি হবে না, অথচ দেখ শহরটা সবসময় নোংরা হোলদে মেঘে ঢেকে থাকে। বছর দশেক আগে যখন শেষ বৃস্টি হয়, তার কথা মনে আছে? আমরা টানা এক হপ্তা বৃস্টিতে ভিজলাম। আর বিভিন্ন গর্ত থেকে মরাদের হাড়গোড়ও উঠে এসছিল..."

"হুম, এইবার বৃস্টি হলে বাকি দালানগুলোও ধ্বসে পড়বে। সেবার বৃস্টি থামলে অদ্ভুত একটা গাছের বাচ্চা জন্মেছিল, মনে আছে? আমরা তো ছার, আমাদের বাপ-দাদারাও কোন দিন গাছ দেখেছিল কিনা সন্দেহ আছে। পা'হীন, খুব ছোট মাথার সেই বুড়োর কাছে একটা বই ছিল, আমরা সেখানে গাছের ছবি দেখি প্রথম।"

"আর সেই গাছটা নিয়ে যে কাড়াকাড়ি পড়েছিল! শহরের একভাগ মানুষই শেষ হয়ে গেল ওটার দখল নিতে।"

তাদের কথোপকথনের বিচ্ছিন্নতায় শহরটা জোড়াতালি দিয়ে একটা অবয়বে দাঁড়াতে চাইলে, তারা ধ্বসে যাওয়া ফ্লাইওভারের পেটের নিচ থেকে বেরিয়ে পড়ে। শহরের মেইন রাস্তাটা যেখানে কাত হয়ে পড়ে যাওয়া প্রাক্তন শপিংমলের পাছায় হোঁচট খেয়ে আর কোথাও যাবে না বলে পণ করেছে, সেখানে শপিংমলের পাছার কাছটায় বাঁকাচোরাথ্যাবড়ানো ছায়ার নিচে একটা বাক্সে একতাল মাংশের নড়াচড়ার কাছে এসে দাঁড়ায় তারা।
একতাল মাংশের বুদবুদ ওঠে ওদের দেখে। তিনকুঁজওয়ালা তার কালো পইপটা দিয়ে মাংশের বাক্সে একটা টোকা দিয়ে বলে;

"এই, তোমাকে সেই কবে থেকে দেখছি এইখানেই পড়ে আছো। ঘটনা কি?"

বাক্সে কাঁপতে থাকা মাংশের ভেতর থেকে ছিটকে পড়া শব্দ জোড়াতালি দিলে বোঝা যায়; এর ছেলেরা আর এক ভাই তাকে ১ নম্বর গর্তে ফেলতে যেয়ে প্রাক্তন শপিংমলের পাছার কাছে এসে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ওর ছেলেরা গড়িয়ে গড়িয়ে চলে, তাই ঢাল বেয়ে গর্তের মুখে ওঠার কস্টটা তার বাপের সাথে এখানে ফেলে রেখে গড়াতে গড়াতে ফিরে গেছে। সে আরো বলে তারা তাকে ১ নম্বর গর্তের কাছে নিয়ে যেতে পারে কী না। অবশ্য গর্তে নিয়ে যাওয়া বাবদ সে তাদের প্রাচীন আমলের একটা বইয়ের কিছু পাতার হদিস দিতে পারে। বামচোখে গর্তওয়ালার ঠোঁটের ঢালে অসম্পুর্ন হাসি উথলে উঠতে যেয়ে মিইয়ে যায়। সে তিনকুঁঝওয়ালাকে বলে;

"হাহ! প্রাচিন বইয়ের কয়েক পাতা! চলো দেখি, একে গর্তে ফেলে আসি। সময়টা কাটবে অন্তত।"

তারা দুজনে বাক্সটাকে টেনে নিয়ে যেতে থাকে রাস্তার তরাই বেয়ে। মাঝে মাঝে বেমাক্কা ধ্বসে পড়া বাড়ি ঘরের লাশ পেরুনোর সরু টানেলে বাধা পেলে জিরিয়ে নেয় খানিক। ১ নম্বর গর্তটা, যেখানে বুড়োরা লাফিয়ে পড়তে চায়, সে গর্তের উৎপত্তি নিয়ে তিনকুঁজওয়ালা বামচোখে গর্তওয়ালাকে প্রশ্ন করে। বামচোখে গর্তওয়ালা মাথা নেড়ে অপারগতা জানিয়ে বাক্সের মাংশের দিকে প্রশ্নটা প্রবাহিত করে। বাক্সে জমতে থাকা, কাঁপতে থাকা মাংশের দলা ওদের জানায়, তার বাবার দাদারাও জানেনা ঠিক কবে থেকে এই গর্তে বুড়ো মানুষগুলো সেচ্ছায় লাফিয়ে পড়া শুরু করলো, তবে কালক্রমে আরো ৫টা গর্তের গজিয়ে ওঠার কথা সে ছোট থেকে শুনে আসছে, এর মধ্যে ৩ নম্বর গর্তের কথা সে জানে যেখানে জোয়ানরাও লাফিয়ে পড়ে। সে আরো জানায়, শহরের সব মানুষগুলো গর্তের মধ্যে সেঁধিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত গর্তের খিদে মিটবে না। বামচোখে গর্তওয়ালা যোগ করে ৩ নম্বর গর্তটা অনেক দুর্গম, ওর চেনা কয়েকজন ওখানটায় লাফিয়ে পড়েছে। বাক্সের মাংশ ওদের প্রশ্ন করে;

"তোমরা আমার পচে ওঠার গন্ধ পাচ্ছো না? আমি কবে থেকে ছেলেদের বলছি ওরা আমার কথাই শোনে না! "

ওরা মাথা নাড়ে, গন্ধের রকমফের নিয়ে ওরা কেউ ভাবে না আর। তিনকুঁজওয়ালা বলে;

"তোমার ছেলেরাই কি শহরের শেষ বাচ্চা ছিল? বহু বছর এখানে কোন বাচ্চার জন্ম হয় না!"

"নাহ। শহরের একদম শেষে যে পুরানো উপাসনালয়টা আছে না? সেখানে হাত-পা ছাড়া একজোড়া মানুষ থাকতো। ওরাই শেষ বাচ্চা জন্ম দিয়েছিল। ছোট বলের মতো একটা বাচ্চা। কুকুরে খেয়ে ফেলেছিল। কুকুর চেন তো? ঐ যে চারপেয়ে একরকম জন্তু। অনেক বছর হয়ে গেল ওদের আর দেখা যায় না,"

বামচোখে গর্তওয়ালা বলে;

"আমার বাবা বলতো কুকুরের কথা। তখন নাকি শহরের মানুষগুলোর ঐ চারপেয়ে জন্তুগুলো শিকার করাই ছিল একমাত্র আনন্দ।"

"হ্যা। আর কুকুরগুলোও সুযোগ পেলে এক-আধটা মানুষ টেনে নিয়ে যেত। ঐ জন্তুগুলো শেষ হয়ে গেলে, আমরাই দুটো বা চারটে দলে ভাগ হয়ে শিকার শিকার খেলতাম। আর যারা হেরে যেত তাদের লাশ ৪ নম্বর গর্তে ফেলে দেওয়া হতো। একবার বিপক্ষ দলে আমার এক ভাই পড়ে গেছিল। আমি তখন কাঠের একটা গাড়িতে চড়ে চলাফেরা করতাম আর আমার সেই ভাই এর ছিল তিনটা পা। আমাকে বাগে পেয়ে সে ছেড়ে দিতে চাইলে আমি খুব অবাক হয়েছিলাম। তবে আমি তাকে ছাড়িনি। কাঁটার বন্দুকের সবকটা কাঁটা ওর পুরুষাংগে গেঁথে দিয়েছিলাম, আর ওর চিৎকারের শব্দ আমাকে বহুদিন শান্তির ঘুম দিয়েছিল।"

তিনকুঁজওয়ালা ফের বাচ্চা নিয়ে প্রশ্ন করে;

"এরপরে আর কোন বাচ্চা হয়নি? এখনতো কারো বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনাও নাই। সংগম প্রনালিই তো ভুলে গেছে সবাই। ছেলেদের কারো লিংগ এতো বিশাল আর পুঁজময় যে ধারন করতে পারে এমন মেয়ে খুঁঝে পাওয়া যাবে না, আবার কারো কারো সেটা নায়ই। মেয়েদের অবস্থা মনে হয় একটু ভালো। আমার সাথে যে মেয়েটা থাকত, ও মাঝে মাঝে বলত বাচ্চার কথা। ও নাকি মাঝে মাঝে স্বপ্নে বাচ্চা দেখতো!"

"হাহ! বাচ্চা!"

তাদের তিনজনের কথার সুতো একে অপরের সাথে বুনতে বুনতে ১ নম্বর গর্তের ঢালের কাছে আসলে হঠাৎ ঢলে পড়া নিরাবতায় তার তিনজনেই কিছুটা হকচকিয়ে যায়। শেষে বাক্সভর্তি মাংশ বলে;

"আমরা কি চলে এসেছি?" তার কথাগুলো ভাংগা ভাংগা আর অস্পস্ট শোনায়, গন্তব্যের কানায় এসে শেষ বারের মতো উত্তেজিত হয়ে ওঠে সে।

"আমি তো চোখে দেখি না। তোমাদের দেখতে পেলে ভালো লাগতো। আমাকে গর্তে ফেলে দেওয়ার পর বাক্সের তলে একটা ন্যাকড়ায় প্যাঁচানো প্রচিন বইয়ের পাতাগুলো নিয়ে নিও। ঐ পাতাগুলোতে আমাদের পুর্বপুরুষের ছবি আছে, দেখ তারা কেমন ছিল দেখতে।"

বাকি দুজন এতে আগ্রহি হয় না। তারা গর্তের কিনারে দাঁড়িয়ে এর বিশালত্ত দেখে, দেখে নিস্পৃহ হা'য়ের ভেতর শহরের পোয়াটাক ঢুকে যাবে অনায়াসে আর গর্তের তলে আঁধারের সাথে পাক খেয়ে উঠছে মরচে রংগা মেঘ। তাই দেখে তিনকুঁজওয়ালার মুখে বহুদিন বাদে শুকিয়ে যাওয়া লালা জেগে উঠতে চায়। সে বলে;

"তুমি জানো এই গর্তটা কিভাবে হয়েছে এখানে? আকাশ থেকে পাথর পড়ে? যে পাথরগুলো শহরের প্রাচিন বাড়িঘরগুলো ভেংগে দিয়েছিল? গর্তের তলটা দেখায় যায় না, এতো গভির! খুব বড়ো পাথর ছিল মনে হয়।"

"এটা বুড়োদের গর্ত।" বামচোখে গর্তওয়ালা বলে।

"কী আসে যায় গর্তই তো! আচ্ছা, একটু খেয়াল করো তো, গর্তের ভেতর থেকে কেমন শব্দ আসছে না!" বলে কান পাতে সে। অন্যজনও কান পাতে এবং তার বামচোখের গর্তের শুন্যতায় কাঁপন ওঠে।

"আরে পাগল, শব্দটা গর্তের ভেতর থেকে আসছে না! এটা সেই ভ্যানের শব্দ, যেটা অন্য শহর থেকে আগে খাবার নিয়ে আসতো!"

তারা দুজনের শরীরের প্রতিকুলতা ছাপিয়ে একরকম স্রোত ওঠে, যেটার সাথে তারা আগে কখনই পরিচিত ছিল না এবং সেই স্রোতের ধাক্কায় তারা ১ নম্বর গর্তের ঢাল বেয়ে গড়াতে থাকে। আর বাক্স ভর্তি মাংশ উথলে চিৎকার ছড়িয়ে পড়ে;

"এই তোমরা কই যাও?! আমাকে গর্তে ফেলবে না? কই যাও তোমরা?"



(দ্বিতীয় পর্বে সমাপ্য)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০১
কালপুরুষ বলেছেন: অবশ্যই পড়বো। জানিয়ে গেলাম।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: পইড়েন:)

২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আজকে আপনাকে দেখে কেন জানি মনে হচ্ছিল গল্প দিবেন! তা এই গল্প-ও কি এক পর্ব লিখে আমাদের ঝুলিয়ে দিবেন? ;) এখন পড়লাম না, দুই পর্ব পড়েই বিস্তারিত কথা হবে'খন।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: কবি, আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।

নাহ;)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সেবু মুস্তাফিজ:)

৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯
তারার হাসি বলেছেন:
পড়ার আগে বলি অনেক ধন্যবাদ নতুন লেখার জন্য।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় তারার হাসি:)

৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯
হাসান মাহবুব বলেছেন: গল্পের মধ্যে ঢুকতে একটু সময় লাগলো, তবে থিমটা মারাত্নক ম্যান!

এইবারও ডজ দিলে কিন্তুক আপনের ব্যানের দাবীতে গণআন্দোলন গৈড়া তুলুম X(
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, বস।

ব্যানের আগেই এইটা শেষ করবো :D

৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
+++

অনেকদিন প্রতীক্ষায় থেকে অনেতিহাসিক পৃথিবীর ভিতর ঢুকে পড়লাম যেনো।
পরের পর্ব কবে পাবো?
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: কবি নির্ঝর, আপনার উপস্থিতি প্রেরনাদায়ক।

অনেক দিন কিছু না লিখে হাতে ও মাথায় মরচে পড়ে গেছে:)

৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬
আন্দালীব বলেছেন:
যাহা ঘনায়মান তাহার নাম আগ্রহ...

দেইখেন বস, এইবার আবার গতবারের কাহিনী কইরেন না কিন্তু।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: আরে বস! আপনে!

শুরুতে এইটা নিয়া বড় পরিসরে লেখার ইচ্ছা ছিল। পরে দেখলাম আমার আংগুলে যে শামুক ঢুকসে, তার চাইতে ছোটই ভালো:)

৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮
চতুষ্কোণ বলেছেন: ভিন্ন স্বাদ পেলাম। ভালো লাগলো। পরের পর্বর অপেক্ষায়।+

গল্পটা ভাবাচ্ছে খুব। অকারণ ভাবনা হয়তো। জানিনা।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, চতুষ্কোণ ।

এই অকারন ভাবনাগুলো ইদানিং খোচাচ্ছে খুব!

৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
পরের পর্বের অপেক্ষায়
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপু:)

ভালো থেকেন

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, সায়ম মুন :)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: :)

১২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৯
করবি বলেছেন: হুমম অপেক্ষা রইলাম ।
ভাল থাকবেন
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা দির্ঘায়িত না হোক....:)

আপনিও ভালো থেকেন

১৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: শেষ লাইনটার অপেক্ষায় আছি, এই সময় দেখি আগামী...
মাথা খারাপ হয়ে যাইতেছে...
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: আরে, বস! ছাড়া পাইসেন তাইলে!

কেমন ছিলেন?

১৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ভালো ছিলাম না :(

আপনি কেমন কাটাইলেন গত বছর???
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: মন্দের ভেতর অল্প'কটা আনন্দের ঘটনাও ছিল ভাগ্যিস! :)

১৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
তাজা কলম বলেছেন: মনযোগ দিয়েই পড়তে হল। ভাল লেগেছে। ++
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জীবন্ত কলম:)

ভালো থাকবেন

১৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০০
ভাঙ্গন বলেছেন: আরে চমৎকার।
আমি পরের পর্বের অধীর অপেক্ষায়।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাঙ্গন:)

০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: ....:)

কেমন কাটলো গতো বছর?

১৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: এখন পড়বো না, দুই পর্ব এক সাথে পড়বো।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা:)

১৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আকাশচুরি.....কতদিন পর।

পড়লাম।এবং পরের পর্বের অপেক্ষায়............
বেশী দেরী করে আবার ভুলে যেও না।

শুভকামনা রাশি রাশি।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: সাজি'পু, আপনাকে দেখে ভালো লাগলো অনেক।:)

কেমন ছিলেন?

২০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১২
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: দেখা যাক শেষে কি হয়..
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: হ...:)

২১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৫
দ্রীঘাংচু বলেছেন:
|||বাকী অংশ খবরের্পর|||

খবর্শ্যাষ হৈনাই???????????????
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: হইসে, স্যার:)

২২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: ২০১০ এর ব্লগ এ ঢুকলাম আপনার গল্প পড়েই। শুভেচ্ছা রইল নববর্সের এর আর আমি গেলাম পরের পর্ব পড়তে।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় ফেরারী পাখি:)

আপনাকেও শুভেচ্ছা নতুন বছরের

২৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ১সপ্তাহের মধ্যে পরের পর্ব আসলে একসাথে ২টা পড়বো; দেরি হলে পড়বোনা; আপনার অতীত রেকর্ড সুবিধার না- মাস দুয়েক পরপর একটা করে গল্প আসে; সুতরাং.....
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: প্রিয় হিমালয়, পরের পর্বটা এসে গেছে। আপনি পড়লে খুশি হবো:)

২৪. ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: এ কি!! আমার মাথাটা ঠিক জায়গায় আছে তো??



এ জিনিস মাথায় আসলো কি করে

পরের পর্বে যাই...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: :)

২৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
শুরু করলাম ।

বিষয় এবং গল্পের ঢঙ্গে নতুনত্ব আছে, তবে পুরানো আকাশচুরিই আমার প্রিয় ।

গল্পের ভিতর ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে, বৈকল্য মানুষের একটা সমাজ কল্পণা করতেও ভালো লাগছেনা, যদিও সভ্য সমাজের আমরাও নানাভাবে বিকল, বৈকল্য ধারণ করি কোন না কোন ভাবে !
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আরে শিপন ভাই! কেমন আছেন?

এবার একটু অন্যভাবে লিখতে ইচ্ছে হলো।

ভালো থেকেন

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: রিপন ভাই! অনেক দিন আপনার কোন গল্প পাই না আমরা...

২৭. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩
পারভেজ বলেছেন: দূর ভবিষ্যতের বস্তুগত পৃথিবী অথবা আমাদের বৈকল্য মানবিকতার বর্তমান অন্তর্গত পৃথিবী; যে ভাবেই দেখিনা কেন, গল্পটা অনন্য। :)
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, পারভেজ ভাই।

অনেক দিন পর আপনাকে দেখে ভালো লাগলো খুব:)

২৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫২
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
আপনার নিজস্বতা ধরে রেখেছেন বিষয়বস্তু এবং বর্ণনায়। আকাশচুরির কাছে একেবারে হালকা কোন লেখা চাইলে সেটা কেমন হতে পারে ভাবছি।
১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: প্রিয় তজিন, আপনাকে দেখে ভালো লাগলো:)

ভাবছি....।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২০৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই