- Love you! Love you! Love you! আমি তোমাকে শুধু ভালবাসি না অনেক বেশি ভালবাসি।
রাহাত আনিতার চখের পানি মুছে দেয়। নিজের কাছে টেনে নিয়ে আলতো করে গালে হাত দিয়ে বলে কথাগুলো।
আনিতা যেন সর্গ হাতে পেয়েছে। রাহাত কবিরের হাত তার হাতে নিয়ে বলেঃ
- সত্যি আপনি আমাকে ভালবাসেন? সত্যি?
- হ্যাঁ বাবা হ্যাঁ।
আনিতা নিজেকে চিমটি কেটে দেখে এটা স্বপ্ন নাকি সত্যি। ব্যাথা পেয়েছে তার মানে এটা সত্যি। আনিতা রাহাতের দিকে তাকায়, কেমন হাসি হাসি মুখ করে আনিতার দিকে তাকিয়ে আছে সে। যেন তার এই পাগলামি দেখে খুব মজা পাচ্ছে।
- তাহলে তখন এভাবে না না করছিলেন কেন?
আনিতা কপট অভিমানে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
- আমি চাইনি তোমাকে আর আমাকে জড়িয়ে কেউ কোন বাজে কথা বলুক। কিন্তু এটা সত্যি যে আমি তোমাকে ভালবাসি। তোমার জন্যই এই ট্যুরটায় আসা।
আনিতা কে নিজের দিকে ফিরিয়ে বলে রাহাত। আনিতার গালে এখনো অশ্রুর দাগ। রাহাত আলতো হাতে সেগুলো মুছে দিতে থাকে। আনিতা রাহাতের চোখের দিকে তাকায়। এই চোখ, গহন কালো চোখ, এক অতিকায় সমুদ্রের মতো চোখ যেন তাকে গ্রাস করতে থাকে। আনিতা সম্মোহিতের মতো রাহাতের কাছে আরও কাছে যেতে থাকে। এক অতিকায় এবং শক্তিশালী চম্বুক যেন রাহাত। তার আকর্ষণ থেকে নিজেকে কোনদিনও মুক্ত করতে পারবেনা আনিতা, সে চায়ও না এই আকর্ষণ থেকে মুক্ত হতে। সারা জীবন এই মোহাচ্ছন্ন হয়ে থাকতে চায় আনিতা।
রাহাত আনিতাকে তার কাছে টেনে আনে। এই মেয়টা, পাগলাটে আর বাচ্চা মেয়েটাই এখন তার জীবনের সব কিছু। আনিতা কে বুকে জড়িয়ে ধরে রাহাতের মনে হতে থাকে কেউ যেন স্বর্গের সমস্ত সুখ রাহাতের পায়ের নিচে কেউ রেখে দিয়েছে। রাহাত চোখ বন্ধ করে সেই সুখ উপভোগ করতে থাকে।
রাহাতের বুকে মাথা দিয়ে আনিতা সব কিছু ভুলে যায়। তামিম, তার বাবা-মা, তামিমের সাথে তার চার বছরের সম্পর্ক, সব কিছু এক লহমায় যেন কোথাও উবে গেলো। এ এক অন্য রকমের সুখ তাকে পেয়ে বসে। আনিতা নিজেকে এই রাহাত নামের জালে বার বার জড়িয়ে ফেলছে।
পর্ব ১ Click This Link পর্ব ২ Click This Link পর্ব ৩ Click This Link পর্ব ৪ Click This Link পর্ব ৫ Click This Link পর্ব ৬ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



