অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী transparency report
সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখি।

"সবুজে শ্যামলে আঁকা থোকা থোকা জুঁই...
নাও-নদী-ঢেউ-জল দেব না কিছুই...
উজাড় দু'হাত জুড়ে শোধ নেব ঋণ......
আর এস এস ফিড

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

জনপ্রিয় মন্তব্যসমূহ

আমার প্রিয় পোস্ট

একজন পরিমলই হোক দৃষ্টান্তমূলক সাজার অনন্য উদাহরণ..আসুন ছোট এই বোনদের পাশে দাঁড়াই।

০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১:১২ |

শেয়ারঃ
0 4









পরি-মল

আপডেট-৪: সকাল থেকে পুরুষ-মহিলা পুলিশ এবং র‍্যাবের প্রায় ২ শাতাধিক সদস্য ভিএনসির প্রধান ফটক মানে ১ নম্বর গেটের পাশে অবস্থান নেই। এতে মানব্বন্ধনে যোগ দিতে আসা সাধারণ ছাত্রীরা আতংকিত হলেও সময়ের সাথে সাথে তাদের আতংক কাটতে থাকে। তবে পুলিশ অভিভাবকদের মানববন্ধনে যোগ দিতে বাধা দিচ্ছে। এখন আনুমানিক তিন শতাধিক ছাত্রী তাদের শান্তিপুর্ন কর্মচুচি চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন ছাত্রী থেকে জানা গেছে আগের রাতে বিভিন্ন মাধ্যম হতে স্কুলের ছাত্রীদের হুমকি দেয়া হয়েছে যাতে কর্মসুচিতে না আসে। এজন্য উপস্থিতি প্রত্যাশার ছেয়ে কম হলেও সময়ের সাথে সাথে তা বাড়ছে। আর মানববন্ধন চলবে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত।



আপডেট-৩: ধর্ষণের শিকার ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আক্রান্ত ছাত্রী তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। এর আগে অ্যাপোলো হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছিল সে। ধর্ষণের আগে দু’হাত বাঁধার সময় কনুইতে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছিল ছাত্রীটি।



আপডেট-২: আজকে (বৃহস্পতিবার ) পুলিশের আবেদনে ঢাকার মহানগর হাকিম শামীমা পারভীন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যৌন নির্যাতনকারী কুশিক্ষক পরিমলের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। আমরা চাই রিমান্ডে যেন পরিমলকে জামাই আদর না করে সঠিক তথ্য বের করে আনার জন্য যা যা করা দরকার তার ব্যবস্থা করা।



আপডেট-১: অবশেষে ব্লগ-ফেসবুক এবং রাজপথ এই ত্রিমুখী আন্দোলনে পরিমলকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ।বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কেরাণীগঞ্জে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে পরিমল জয়ধরকে গ্রেপ্তার করা হয়।





আভিভাবকদের প্রতিবাদ



ভিকারুননিসা নূন স্কুল একটি নাম একটি ইতিহাস। বাংলাদেশের যে কয়টি গর্ব করার মত শিক্ষা প্রতিষ্টান আছে সবার একেবারে উপরের দিকেই অবস্থান ভিকারুননিসা নূন স্কুল & কলেজের। প্রতিবছর অসংখ্য মেধাবী এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করে ঈর্ষনীয় সাফল্যের সাথে। অনেক রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সাফল্য অর্জনের জন্য ভিকারুননিসা নূন স্কুলকে ফলো করতে বলেন। কিন্তু সেই গৌরবের আর অহংকারের ভিকারুননিসা নূন স্কুলের উপর শকুনির ছায়া এসে পড়েছে। নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি যেখানে এতদিন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের জন্য কলংক ছিল সেখানে আজ কফিনের বুকে শেষ পেড়াক ঠোকার মত এক মহাকলংক এসে পড়েছে। আর সেটা হল দেশের এই স্বানামধন্য প্রতিষ্ঠানের একশ্রেণীর শিক্ষক নামের পশু কর্তক ছাত্রীর উপর পাশবিক নির্যাতন এবং তা মোবাইলে ধারন করে বাজারজাতকরনের মত অমানবিক হুমকি।



যেভাবে ঘটনার সুত্রপাতঃ

ঘটনার সুত্রপাত গত মে মাসে। যখন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রী তার সোনালি ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিমল নামে শিক্ষকরুপি এক জানোয়ারের কাছে পড়তে গিয়ে পৈশাচিক আক্রমনের শিকার হয় । মেয়েটি স্কুলের বাইরেও কোচিংয়ে ওই স্কুলেরই বাংলা বিভাগের শিক্ষক পরিমল জয়ধরের বাসায় গিয়েও নিয়মিত পড়ত। আর সেটাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিন একাকীত্বের সুযোগে পরিমল মেয়েটির হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে শিক্ষক নামের পশুটি। নগ্ন করে ওই ছাত্রীর ছবি তোলে এবং ভিডিও করে পরিমল। এরপর শুরু হয় ছাত্রীর ওপর নির্যাতন। হতবিহ্বল হয়ে যায় মেয়েটি। নির্যাতন একসময় শেষ হয়। এরপর শুরু হয় হুমকি-ধমকি, যদি এই তথ্য সে কাউকে জানায় তাহলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। এ রকম ভয় দেখিয়ে এর পরও চলতে থাকে মেয়েটির ওপর পাশবিক অত্যাচার।



অবশেষে একদিন মেয়েটি তার বন্ধুদের ঘটনাটি জানায়। বন্ধুদের পরামর্শে মেয়েটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. লুৎফর রহমানের কাছে অভিযোগ করলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মেয়েটিকে সুবিচারের আশ্বাস দেন। তবে আশ্বাসেই বাকি সময় অতিবাহিত হয় কিন্তু বিচার আর হয়নি। এরপর সহপাঠী শিক্ষার্থীরা মিলে অভিযুক্ত পরিমল জয়ধরের বিরুদ্ধে একটি লিখিত আবেদন জমা দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে গত ২৮ জুন। এর পরও বিচার বা তদন্তের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে খেপে যান অভিভাবকরা। প্রধান শিক্ষক হোসনে আরার গত ৩ জুলাই ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখায় যাওয়ার কথা ছিল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য। তবে শেষপর্যন্ত তিনি না যাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। আর এ থেকেই আস্তে আস্তে সৃষ্ট হয় গনবিষ্পোরন। অভিভাবকরা নেমে আসেন রাস্তায় জানান প্রতিবাদ। উল্লেখ্য পরিমল এর আগে রাজউক মডেল স্কুলে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ঐ স্কুলেও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার চাকরি চলে যায়।



শুধু এক পরিমল একা নইঃ

শুধু এক পরিমলই নয়, ওই স্কুলের আরো পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন অভিভাবকরা। সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন বরুণ চন্দ্র বর্মণ, বিষ্ণুপদ বড়াই, বাবুল ও অভিজিৎ। অভিযুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে বরুণ চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে বাণিজ্য বিভাগের দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে গত ২৭ জুন। ওই লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, 'বরুণ চন্দ্র বর্মণ ক্লাসে অশ্লীল-কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার ও বাজে ধরনের ইঙ্গিত দেন ছাত্রীদের।' তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত বরুণ চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আরো অভিযোগ রয়েছে একটি বিশেষ এলাকার লোক হওয়ায় এবং প্রভাবশালীদের সুপারিশে এরা শিক্ষক হওয়ায় এরা বরাবর থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে। উল্টো যারা এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতো তাদেরকেই শায়েস্তা করা হত। উল্লেখ্য অভিযুক্ত ছয় শিক্ষকেরই বাড়ি গোপালগঞ্জ এবং এই কারনে পুলিশ কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।





আভিভাবকদের প্রতিবাদ



আন্দোলনে অভিভাবক- শিক্ষার্থীঃ গতকাল ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বেইলি রোডের মূল ভবন, আজিমপুর শাখা ও বসুন্ধরা শাখায় বিক্ষোভ করেছে অভিভাবকরা। তারা শিগগিরই অভিযুক্ত শিক্ষকের গ্রেপ্তার দাবি জানান। এতদিন এই আন্দোলনে অভিভাবকরা থাকলেও এবার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে স্কুলের সাধারন ছাত্রীরা। তারা আগামী নয় জুলাই স্কুল অভিমুখে রোড মার্চ কর্মসুচি হাতে নিয়েছে। যার জন্য তারা ইতিমধ্য ফেসবুকে ইভেন্ট ক্রিয়েট করেছে। অনেকে সেখানে উপস্থিত হবার জন্য ইতিমধ্য তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এখন আমাদেরকে আগামী প্রজন্মের এসব প্রতিনিধিকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম নির্বিগ্ন করতে এগিয়ে আসা কি উচিত নয়? আমাদের ব্লগ থেকেইতো আজমেরি বাঁচিয়ে আনার মত কাজ হয়েছিল, ইভটিজিং নিয়ে একটা কার্যকর আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, হয়েছিল কলমদাদির মত এক অসহায় মুক্তিযোদ্ধা পাশে দাঁড়ানোর মত বিষয়, সুতারাং আসুন আমরা আবার একসাথে নেমে পরি নতুন এই আন্দোলনে। যার উদ্দেশ্য হল আমাদের বোনদের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিতকরন।



এখন পর্যন্ত ভিকারুননিসা নূন স্কুলের অভিভাবক এবং ছাত্রীরা যেসব দাবী উন্থাপন করেছে সেগুলো হল-



=> অবিলম্বে অভিযুক্ত পরিমলসহ আরো পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।



=> গার্লস স্কুল থেকে পুরুষ শিক্ষক প্রত্যাহার করতে হবে।



=> প্রধান শিক্ষক এবং স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কেন ঘটনা জানার পরও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি তার কারণ দর্শানোসহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজমেন্ট এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন।



=> পরিমলকে অবৈধ উপায়ে নিয়োগ এবং তাকে বিশেষ সুবিধাদানের জন্য কলেজের অধ্যক্ষ হোসনে আরার পদত্যাগ দাবী।



=> ভিকারিন্নেসাকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন নেতিবাচক খবর এর জন্য দায়ীদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন করা।



গ্রেপ্তার হয়নি পরিমল: গতকাল শিক্ষক পরিমল জয়ধরকে আসামি করে স্কুলটির দশম শ্রেণীর নির্যাতিত ঐ ছাত্রী মামলা করেছে। তবে পুলিশ ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের শিক্ষক পরিমল জয়ধর গ্রেপ্তার করতে পারেনি এখনো। এনিয়ে গতকাল দিনভর গ্রেপ্তারের গুজব চললেও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, যৌন হয়রানিকারী শিক্ষক পরিমল জয়ধর পলাতক। গ্রেপ্তার এড়াতে গা-ঢাকা দিয়েছে। তবে অভিযুক্ত পরিমলসহ ছয় শিক্ষকেরই বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ায় পুলিশ কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।





পরিশেষে আপনাদের সুবিধার জন্য ছাত্রীটির অভিযোগের চিঠিটি হুবুহু তুলে দিলাম-



সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি (নাম)। জন্ম ১৮/১১/১৯৯৬। আমি ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা দিবা শাখার একজন নিয়মিত ছাত্রী। আমি ছাত্রী হিসেবে ভাল ফলাফলের জন্য প্রতি বিষয়েই স্কুলের শিক্ষকদের কাছে কোচিং করি। যেমন লুৎফর রহমান স্যারের কাছে গণিত, মাহবুবুল হক স্যারের কাছে ইংরেজি, জাহাঙ্গীর আলম স্যারের কাছে পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন, জিনাতুন্নেছা আপার কাছে জীববিজ্ঞান এবং পরিমল জয়ধর স্যারের কাছে বাংলা। অত্র স্কুলে আমি চতুর্থ শ্রেণী থেকেই পড়ে আসছি। পরিমল জয়ধর স্যার স্কুলে বাংলা বিষয় পড়ান বলে আমি তার কোচিংয়ে গত মে ২০১১ থেকে ১০ জনের ব্যাচে পড়া শুরু করি। আনুমানিক ২০-২৫ দিন পরে কোচিং ক্লাসে পড়তে যাওয়ায় আমার একটু বিলম্ব হয়। দেরিতে যাওয়ায় যেটুকু পড়ায় আমি অনুপস্থিত ছিলাম সেটুকু পড়া স্যার আমাকে বুঝিয়ে দেবেন বলে দেরি করতে বলেন। সবাই চলে যায় কিন্তু আমি রয়ে যাই। সবাই চলে গেলে আমি আগের পড়াটুকু পড়তে থাকি। স্যার মূল দরজা বন্ধ করে রুমে এসে রুমের দরজা বন্ধ করে দেন এবং আমি কিছু বুঝার আগেই আমার মুখ বেঁধে ফেলেন। মুখ বাঁধা থাকায় আমি কিছু বলতে পারিনি। হাত ছোড়াছুড়ি করতে যাওয়ায় তিনি আমার ওড়না দিয়ে আমার হাত পেছনে বেঁধে ফেলেন। হাত বেঁধে সে আমাকে ভীষণ মারধর করে। মারধর করে সে আমাকে উলঙ্গ করে ফেলে এবং আমার ছবি তোলে। ছবি তোলার পর সে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে যাই এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। এরপর সে আমার বাঁধন খুলে দেয় এবং সাবধান করে দেয় যে ঘটনা কাউকে বললে, নিয়মিত তার ক্লাস না করলে সে আমার ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে এবং আমাকে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয়। এতে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি এবং দিশাহারা হয়ে যাই। এরপর জুন ১৭ তারিখ লুৎফর স্যারের ব্যাচ থেকে পড়ে আমি পরিমল স্যারের ব্যাচে পড়তে যাই। তখন অন্য ব্যাচ পড়ছিল। স্যার আমাকে পাশের রুমে বসতে বলেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যাচ ছুটি দিয়ে সদর দরজা বন্ধ করতে যান। তখন আমি দৌঁড়ে গিয়ে তাকে দরজা বন্ধ করতে বারণ করি। তখন সে আমাকে ধাক্কা দেয় এবং মাথা দেয়ালে লাগায় আমি মাথায় ব্যথা পাই। তখন সে আমাকে ধমক দেয় যে, ‘তোকে বলেছি আমার ইচ্ছার বাইরে যাবি তো তোকে জানে মেরে ফেলবো’। এরপর সে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে। জুন ১৮ তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ১৯ জুন তারিখে ঘটনাটি আমার সহপাঠীদের অবহিত করি। তারা আমাকে ঘটনাটি শাখা প্রধানকে (লুৎফর রহমান) জানাতে বলে। তারা আমাকে পরামর্শ দেয় যে, শাখাপ্রধান এ বিষয়টির সুষ্ঠু বিচার করতে পারবেন। সেদিন আমি আমাদের শাখাপ্রধান লুৎফর রহমান স্যারকে ব্যাপারটি বলতে যাই। কিন্তু তিনি ব্যক্তিগত বা স্কুলের কাজে স্কুলে ছিলেন না বিধায় তাকে ওইদিন ঘটনাটি জানাতে পারিনি। জুন ২০ তারিখ স্যার স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন। জুন ২১ তারিখে তিনি স্কুলে আসেন এবং আমি তাকে সুযোগ বুঝে ব্যাপারটি জানাই। তিনি আমাকে বললেন যে, তিনি ঘটনাটি দেখবেন। লুৎফর রহমান স্যারকে ঘটনা জানানোর পরও ২২শে জুন পরিমল স্যার স্কুলে এলে আমি লুৎফর স্যারকে পুনরায় ব্যাপারটি বলি। তিনি আমাকে ব্যাপারটি ভেবে দেখছেন বলে আশ্বস্ত করেন। জুন ২৩ তারিখে স্কুলে অভিভাবক মিটিং ছিল যেখানে আমাদের স্কুলের অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগমও উপস্থিত ছিলেন। সেদিন পরিমল স্যারকে আমরা স্কুলে দেখিনি। এরপর ২৬ ও ২৭শে জুন তারিখ অসুস্থতার কারণে আমি স্কুলে উপস্থিত হতে পারিনি। জুন ২৮ তারিখে স্কুলে গেলে আমাদের দশম শ্রেণীর সব ছাত্রী পরিমল স্যারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আমরা আলোচনায় বসি। আলোচনায় তার সম্পর্কে আরও কিছু কুরুচিপূর্ণ কথা উঠে আসে। তখন আমরা সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেই যে, আমরা অধ্যক্ষকে এ ব্যাপারে অবহিত করবো। তাই আমরা পরিমল স্যারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে আবেদনপত্র তৈরি করি। আবেদনপত্রটি ক্লাসে পড়ে শোনালে স্বেচ্ছায় সবাই এতে নিজ নিজ নাম স্বাক্ষর করে। এরপর আবেদনপত্রটি শাখা প্রধান জনাব লুৎফর রহমান স্যারের মাধ্যমে অধ্যক্ষ বরাবর পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ জানাই। উল্লেখ্য যে, আমি স্কুলে অনুপস্থিত থাকাকালীন ২৭শে জুন ঘটনাটি স্কুলে জানাজানি হয়ে যায়। অতএব, এ ব্যাপারটি আপনার সুবিবেচনায় এনে আমার ওপর পরিমল স্যার যে বর্বরোচিত, অমানবিক, অনৈতিক, ঘৃণিত আচরণ করেছেন তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি।" \\//





শিক্ষকতার মত এমন মহান পেশাকে যারা কলংকিত করেছে তাদের কাছ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা এখনি প্রয়োজন। তাছাড়া শিক্ষকের থেকে এমন আচরণ লজ্জাজনক। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। সুতারাং অবিলম্বে পরিমলসহ দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হোক। ঘৃণিত ও পাশবিক নির্যাতনের , দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি অপরাধীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই





পৈশাচিক এই ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত শান্তিপুর্ন "মানববন্ধন" এবং অবস্থান কর্মসুচির সময় এবং স্থানঃ



তারিখঃ ৯ জুলাই রোজ শনিবার

সময়ঃ সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত

স্থানঃ ১ নং গেইট ভিকারুননিসা নূন স্কুল & কলেজ, বেইলী রোড, ঢাকা ।



জয়েন ফেসবুক ইভেন্টঃ Manob-Bondhon



ভিকারুন্নেসার ভর্তি বানিজ্য নিয়ে লেখা সম্মানিত ব্লগার আশীফ এন্তাজ রবি ভাইয়ের লেখা সেই পোষ্ট- দুই লাখ ষাট হাজার টাকা এখন আমি কোথায় পাবো?



ছবি কৃতজ্ঞতা- বাংলানিউজ২৪.কম

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ১২:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


২৩৬টি মন্তব্য

 

সকল পোস্ট     উপরে যান

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন