ব্রাত্য রাইসুরে কইতেছি...

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

শেয়ারঃ
0 2 0

কখনো রাজাকারছানার পক্ষ নিয়া, আবার কখনো প্রথম আলো-ডেইলি স্টারের গিবত গাইয়া অবৈধভাবে আলোচনায় আসার একটা প্রবণতা আপনার মাঝে প্রায়ই দেখা যাইতেছে। ভাবেসাবে আপনে এমন দেখাইতে চান যে, আপনে বহুত সাহসী এবং আপনার মধ্যে ব্যাপক জ্ঞান কিলবিল করতেছে।

এইসব দেইখাটেইখা নবাগত ব্লগাররা প্রথমে চমকিত হয়, অনেকে মুগ্ধ হয়া আপনের লেখায় প্লাসও দিয়া ফেলে। তবে আমরা যারা আপনারে কাছ থিকা জানি, তারা শুধুই হাসি। হাসতেই থাকি। কখনো তাহমিমা আনাম আবার কখনো অমিতাভ ঘোষরে সামনে রাইখা যদিও লেখা একটা পয়দা কইরা ফেলেন ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেইটা আক্রোশ প্রকাশের থিকা বেশি কিছু আর হইতে পারে না।

আমরা জানি, আপনে বেশ কিছুদিন প্রথম আলোতে মোটামুটি ছোট একটা পদে কর্মরত ছিলেন। পরে বিদেশ থিকা ডলাটলা খায়া দেশে আসনের পর খুব চাইছিলেন প্রথম আলোতে আবার ঢোকার লিগা। যে কোন কারণেই হোক, আপনেরে বিমুখ হইতে হইছে। ব্রাত্য, এল্লিগা আপনেরে ব্যর্থ কইতে মন চায় না। তবে আমি লক্ষ্য করছি, আপনের আক্রোশও এর পর থিকা জন্মাইছে, তার আগে দেখি নাই।

যাগ্গা, শুভাকাঙ্খী হিসাবে আপনারে সাবধান কইরা দিতে পারি যে, এমনকি আপনার ভালো লেখাগুলারেও ম্লান কইরা দিয়া আপনের মাঝে একটা ঈর্ষাকাতর মানুষের ছবিটাই স্পষ্ট হয়া উঠতেছে বারেবারে। এমনকি সেই ঈর্ষারে যদি আপনে একটা মহৎ রূপও দিয়া ফেলেন, তাহলেও!

আমীন।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: ঠিক আছে আমি ঈর্ষান্বিত। কিন্তু যা বলছি সেইটা ঠিক কিনা বলেন। প্রথম আলোর সম্পাদকের পক্ষেও আমার লেখা আছে। আপনে কইবেন যে প্রথম আলোতে ঢোকনের লাইগা সেইটা লিখছি। বহুত আচ্ছা। প্রথম আলোতে ঢুকতে ব্যর্থ হইয়াই নাইলে লিখলাম। কিন্তু যা বলছি তা সেই কারণে না-বলা হইয়া যায় না।

আমার ঈর্ষাকাতর হইতে মোটেও আপত্তি নাই। ছদ্মনামধারীর ভীতির ব্যাপারেও সমস্যা নাই। যা বলতেছেন সেইটা শুনতে চাই আমি।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো সম্পাদকের পক্ষে লেখছেন। সেইটা যে ব্যালেন্স করার লিগাই, সেইটাও বহুত আগে আমরা বুঝছি।

হিলারিও ক্লিনটনের লিগা আলাদা গুরুত্ব পাইতেছেন। সিনিয়র বুশের কারণে জর্জ বুশও আলাদা গুরুত্ব পাইছেন- এইটা কে না জানে! এখন তাহমিমা যদি তার বাপের কারণে একটু আলাদা গুরুত্ব পাইয়াও থাকে, তাতে তো আমি অস্বাভাবিক কিছু দেখতেছি না।

যাগ্গা, অমিতাভ ঘোষের পোস্টে শেষমেশ স্বীকার কৈরা নিলেন যে, সুতরাং প্রথম আলোর বিরুদ্ধে অভিযোগটা উঠায়া নিলাম।... এই অবস্থায় আপনার পোস্টে যা যা বলতেছেন, সেইটা সেইটা ঠিক কিনা তা বলার আগে আপনের পরবর্তী স্বীকারোক্তির জন্য অপেক্ষা করতে চাইতেছি।

৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
রাগ ইমন বলেছেন: শুভাকাঙ্খী হইলে এইটা চিঠিতে লিখতেন, পোস্ট দিতেন না ।

ব্রাত্যকে নিয়ে যা লিখলেন , তার সবটাই যদি সত্যিও হয় , আচরনের কারনে আপনি নিজে ব্যক্তি হিসেবে ঘৃনারই যোগ্য । অন্য কিছু না ।

কুরুচির পরিচয় দেওয়া পোস্টে মাইনাস ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: পোস্ট দেওনের আগে রাজাকারছানা এবং আপনের মতো সুশীলদের মাইনাস খাওনের একটা প্রাক-প্রস্তুতি ছিলই। পিয়ালের নবজাতকরে নিয়া আপনের রুচিপূর্ণ গিবতেও আমি অবশ্য মাইনাস দিছিলাম। যদিও ব্লগের সেরা নাট্যকার হিসাবে আপনেরে আমি যথেষ্টই পছন্দ করি।

৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
ইয়র্কার বলেছেন: ব্রাত্য রাইসুর মুখোশ খোলা পো্টে পেলাস।
৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
অমিত বলেছেন: শুভাকাঙ্খী হইলে এইটা চিঠিতে লিখতেন, পোস্ট দিতেন না ।

--হাসতে হাসতে পয়েন্ট নোটেড।
৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
ব্যর্থ রইসুদ্দিন ভাইয়ের মানহানির তীব্র প্রতিবাদ।
৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: প্রথম আলোতে আমি চাকরির জন্য গেছিলাম ২০০৪ সালে। বিদেশ থিকা ডলাটলা খাওয়ার অর্থ কী আমি জানি না। এইটা লেখক ভালো বলতে পারবেন। আমার যতদিন থাকার থাইকা চইলা আসছি। আর প্রথম আলোর ছোট চাকরিতে কী সমস্যা? যাই হউক প্রথম আলোর সঙ্গে না বনায় যায়যায়দিন-এ চাকরি নেই আমি।ওরা বেশি টেকা দিছিল। ঐ সময় আরো অনেকেই প্রথম আলোর সাধের চাকরি ছাইড়া যায়যায়দিন-এ চইলা আসে। অনেকেরই বিএনপি মাইন্ডেড যায়যায়দিন-এ আসনের ব্যাপারে আপত্তি ছিল, আমি নিজেও দুয়েকজনরে প্রথম আলোর চাকরি ছাড়ার ব্যাপারে মরাল সাপোর্ট দেই।

এরপর যায়যায়দিন থিকা আমার চাকরি যায় ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপরে ২০০৭ সালের মার্চে একুশে টেলিভিশনে চাকরি হয় ও যায়। এতদিন পরে প্রথম আলোতে যদি চাকরি চাই আমি তাইলে প্রথম আলোর নিন্দা করতে যাব কেন। মতি ভাইয়ের বাসায় গিয়া বইসা থাকব। চাকরিক্ষেত্র হিসাবে কোকিল-স্বভাব প্রথম আলো আমার পছন্দের জায়গা না। আবার অন্য কোথাও চাকরি না পাইলে প্রথম আলোতে চাকরি করতে আমার কিছুমাত্র অসুবিধা নাই। তার জন্য কী করতে হয় আমার জানাই আছে। সকল কর্তারা একই জিনিসে ভোলে।

২০০৭-এর ১৯ এপ্রিল-এ এইখানে সামহোয়ারে আমি প্রথম আলোর বিরুদ্ধে লেখলাম। HSBC-প্রথম আলোর শুদ্ধি অভিযান “ভাষা প্রতিযোগ” একটি মর্যাদা হানিকর উদ্যোগ

তো এই লেখা চাকরি না পাওয়ার বেদনায় না হয় হইল। কিন্তু ঈর্ষা কেন? কীসের?

এর পরে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭-এ লিখলাম
মতি ভাইয়ের কাজে ফরহাদ ভাইয়ের বিস্ময়

এইটা যদি চাকরি চাওনের আশায় লেইখা থাকি তাইলে এখন আবার চাকরি না পাওয়ার বেদনায় ডেইলি স্টার-প্রথম আলো গং-এর বিরুদ্ধে লেখতেছি, তাই তো? আমি এই ধরনের চাকরিপ্রার্থীতামূলক চিন্তাধারার সঙ্গে পরিচিত। যারা সচরাচর ছদ্মনামে লেখে।

তো বাংলা একাডেমীর বিরুদ্ধে যখন লিখলাম সেইটা কী কারণে মহাশয়রা বলবেন কি? ফখরুদ্দিন আহমদের মঙ্গা নির্বাসনের বক্তব্য নিয়া যখন লিখলাম সেইটা কোন চাকরি পাইয়া বা না পাইয়া? বা কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে যখন লিখলাম। বা শহীদ মিনারে জুতা পরা বিষয়ে লিখলাম কি জুতা কম্পানির টেকা খাইয়া।

আমার একটা মুখোশ খু্লছেন ভালো। আরো অনেকগুলা আছে। এক মুখোশ খুললে যেইটা দেখতে পাবেন সেইটা আরেকটা মুখোশ। আপনাদের কারণে গদ্য রচনা হইতেছে। এবং মুখোশও। থ্যাংকস।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: আমি তো বলি নাই যে, বড়লোক হইতে না পাইরা আপনে ক্ষোভে দুঃখে বড়লোকদের সাথে মিশতে চাইছেন। কিংবা চাকরি না পায়া ফখরুদ্দিন আহমদের মঙ্গা নির্বাসনের বক্তব্য নিয়া লিখছেন।

কিন্তু আপনে যখন HSBC-প্রথম আলোর শুদ্ধি অভিযান “ভাষা প্রতিযোগ”রে একটি মর্যাদা হানিকর উদ্যোগ বইলা পোস্টান, তাহমিমার রিভিউ করছে বইলা ইকবাল হোসাইন চৌধুরীরে তুচ্ছজ্ঞান করেন, তখন তো এইটা মনে করবার যথেষ্ট কারণ আছে যে, আপনে বিশেষ কইরা প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আদাজল খায়া লাইগা আছেন। কারণ আরো আছে। কিন্তু এইটা দেইখাই আমি আশঙ্কা প্রকাশ করছিলাম যে, ভালো লেখাগুলারেও ম্লান কইরা দিয়া আপনের মাঝে একটা ঈর্ষাকাতর মানুষের ছবিটাই স্পষ্ট হয়া উঠতেছে বারেবারে। কারো মুখোশ খোলনের দায়িত্ব নিতে আমি রাজি না।

৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
অচেনা বাঙালি বলেছেন: রাইসু দেখি কোনখানেই বেশি দিন থাকতারেন্না। বত্তমানে কৈ আছেন?
৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
নির্বাক সুশীল বলেছেন: [link|http://media.somewhereinblog.net//images/thumbs/1161145817_raisublog.jpg]
১১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: ধন্যবাদ নির্বাক সুশীল, আমার পছন্দের একটা কবিতা এইখানে উদ্ধৃত করলেন।
১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
রাগ ইমন বলেছেন: পিয়ালের নবজাতককে নিয়া রুচিপূর্ণ গীবত - মাশাল্লাহ !

প্রমান করেন ।

নাইলে স্বীকার করেন আপনে মিথ্যাবাদী ।

নাটকীয় তো লাগবেই । ট্রুথ ইজ স্ট্রেনজার দ্যান ফিকশন । সত্য কথারে নাটকীয় লাগতেই পারে । আর , কবিতা , গল্প যখন লিখি , তখন নাট্য রচনায় আপত্তি থাকবে কেন ?


অবনত মস্তকে যে দাসত্ব মেনে নেয় না , তারে সহ্য করা বাঙালী পুরুষের পক্ষে আসলেই কঠিন। আপনেরে দোষ দেই না । এইটা পুরুষরে প্রভুর আসনে অভ্যস্ত্ করে তোলা সামন্ত বাংলা সংস্কৃতির দোষ।


ব্রাত্যরে আমি আহা মরি পছন্দ করি না । তার কবিতার ও ভক্ত না। তবে ব্যক্তি আক্রমনের নিকৃষ্ট উদাহরন এই পোস্ট । ব্রাত্যরে কইতে চান , খুব ভালো । তাইলে , ব্লগের রাস্তায় বলার দরকার পড়লো কেন?

আবার ঢং কইরা দেখি শুভাকাঙ্খী লেখছেন ।

শুভাকাঙ্খী মানে বোঝেন ? যার ভালো চায় , মানুষ তারে আড়ালে নিয়া দরকার হইলে দুইটা চড় দেয় , সংশোধনের জন্য ।

পাব্লিক প্লেসে অপমান করার চেষ্টা করে না ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ব্রাত্যরে আপনে আহা মরি পছন্দ করেন না- কথাটা ঠিক না। ব্রাত্যের কাছ থিকা আপনের কাব্যপ্রতিভার একটা সার্টিফিকেট নেয়ার লিগা আপনেরে মরিয়া হইতে দেখছিলাম। ব্লগেও তার প্রমাণ আছে।

ব্লগে বাঙালী পুরুষের আচরণ নিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করতেছেন। অথচ ব্লগের সম্রাজ্ঞী তো আপনারাই। আপনাদের নিয়া আমরা কিছু বলতে পারি না। যখন-তখন ব্যান হওনের ভয়ে থাকি।

১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
স্করপিয়ন্স বলেছেন: রাগ ইমন বলেছেন: পিয়ালের নবজাতককে নিয়া রুচিপূর্ণ গীবত - মাশাল্লাহ !

প্রমান করেন ।



=p~
কমেন্ত গুলা কিনতু শেভ করা আছে তয় একানে অন্য বিষয় নিয়া আলুছনা চলতাছে তাই একানে দিতার্চাইনা
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: আমার হয়া উনারে জবাবটা দিয়া কামটা ভালো করেন নাই। এখন উনারে আমি কী জবাব দিমু? /:)

১৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
হাসিব বলেছেন: কি চলতাছে এইখানে ? ছাগি কি কয় ?
১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪
চিকনমিয়া বলেছেন: ধুত্তুরী
অতি আনন্দে
মাইনাচ
১৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫
ফেলুদা বলেছেন: রাগুদি আর্টজ বিডিনিউজে লিখা দিতে চায় মনোয
১৮. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২১
তুষার ০০৭ বলেছেন: ব্রাভো হাসিব ভাইজান, এই না মরদ। মরদের ভাষাই বটে
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: কারে কইতেছিলেন? এইখানে হাসিব 'মরদের ভাষা' ব্যবহার করল কোথায়, কইবেন?

১৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭
পালর্ামেন্ট বলেছেন: রাইচুর যোনীমধ্যেপুরুষাঙ্গ কবিতার বই বারাইছে শুনলাম।
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: পালর্ামেন্ট পারেও! পথিমধ্যে গুরুসঙ্গরে...।


হা হা হা।

২০. ১২ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩১
স্রাফা বলেছেন: আপনে যে কারনে রাইসুর পিছে লাগছেন......
ঠিক উল্টা কারনে রাইসু...প্রথম আলোর গিবতে মাতছে...
স্বীকার করিতে দোষ নাই... রাইসু.. নেগেটিব পয়েন্ট বেশি ধরে...

কিস্তুক... আপনের মত(?) পজিটিপ দেখতে থাকলে...
ক্ষমতার কেন্দ্রে থাইকা... কতখান মাতবরি মাখন মারন যায়... সেইটা আপনের মতো গোবেছারা... লোক.. ১৪ জনমে জানবার পারতো না...

রাইসু একজন সেলেব্রেটি....এবং.. ওয়েলনওন পার্সন... এই কথা যেমন আপনি অস্বীকার করতে পারেন না....

টিক তেমনি... এই কথাও সত্য যে... রাইসুর গীবত করার পিছনে.. হের পপুলারিটিরে পুজি কইরা.. আপনে লাইম লাইটে আসার একটা তিব্র ইচ্ছা কাজ করে......

রাইসু যেমন ধান্দাবাজ....আপনেরও ধান্দা আছে....

যেই ধান্দা রাইসু... প্র: আ জন্মের পূর্বে চুকাই ফেলছে হেই ধানদায় আপনি এখন মাতছেন....!


যাউগ্গা.... রাইসু,,,দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না...
হের নেগেটিব পয়েন্ট ধরায় আমি খুসি...(তবে পয়েন্ট টা কতখানি.. পয়েন্ট....সে বেপারে সন্দেহের রেলগাড়ি শিষ ডেকেই যায়,,,)

বি: দ্র: রাইসুর প্রথম আলো বিদ্ধেষ কে আমি... প্রীতির চক্ষে দেখতাছি.

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই