
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মহেন্দ্র রাজাপক্ষে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরে তামিল টাইগারদের নিশ্চিহ্ন করার অঙ্গীকার করেছেন মহেন্দ্র রাজাপক্ষে। তাঁর সেই অঙ্গীকার অব্যাহত। তামিল-অধ্যুষিত এলাকায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছে নিরীহ মানুষ। ভাবলে অবাকই লাগে-শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রধর্ম নাকি বৌদ্ধ-যার মর্মবাণী জগতের সকল প্রাণি সুখি হোক!

এলটিটিই প্রধান প্রভাকরণ; এখন আত্মগোপন করে আছেন। গেরিলাযুদ্ধে ও নেতৃত্বে তাঁর যোগ্যতা প্রশ্নাতীত। কাজেই প্রশ্ন উঠেছে-তামিল টাইগারদের বিনাশ সত্যিই সম্ভব কি না- না, নিরীহ তামিলদের হত্যা করে রাজাপক্ষে কৌশলে তামিলদের উপরে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তামিল টাইগাররা আজও সম্পূর্নরুপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। আরও আশঙ্কার কথা এই যে -শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধে পাকিস্তান ও চিনের জড়িয়ে পড়ার কথাও ভাবছেন কেউ কেউ। এলটিটিই গেরিলাদের অস্ত্রের উৎস নাকি পাকিস্তান ও চিন।

শ্রীলঙ্কার তামিল-অধ্যুষিত এলাকায় দুজন তামিল শিশু। এরাই এখন শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর সামরিক অভিযানের মুখে জীবননাশের ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউনিসেফের সমীক্ষা অনুযায়ী: অন্তত ৭০ হাজার তামিল শিশু শ্রীলঙ্কার সামরিক বাহিনীর গুলির মুখে প্রাণ হাতে দিন কাটাচ্ছে। একটু আগেই বললাম-নিরীহ তামিলদের হত্যা করে রাজাপক্ষে কৌশলে এলটিটিই গেরিলাদের উপরে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কি না!
এটাই সবচে বড় আশঙ্কার কথা।
সংবাদসূত্র: পাক্ষিক দেশ। ১৭ মার্চ।
এ বিষয়ে আগের ৩টি লেখার লিংক
Click This Link
Click This Link
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




