আমার প্রিয় পোস্ট
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- বাংলায় পর্তুগীজ জাতি - ইমন জুবায়ের
- মা - দীপান্বিতা
- ব্লগার দীপান্বিতার - কথাচ্ছলে মহাভারত- সমগ্র - যাযাবরমন
- যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম ..... - দীপান্বিতা
- বব মার্লের জীবনের শেষ কিছু সময় - (সাথে সবকটি গান ডাউনলোড লিংক) - কবির চৌধুরী
- ভবঘুরে থেকে করপোরেট সম্রাট - মোঃ সিরাজুল হক
- এক অসাধারণ জীবনকথা ..স্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা - হিমূ
- স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো... - আমিই রাকিব
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- শুভ জন্মদিন, প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুন (প্রিয় কবিতা সংকলন) - আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়
- চর্বি কমাতে পারে বৈশাখের এমন ১৩টি খাবার - সোহরাব সুমন
- মানুষ ভ্যান গগ - ইমন জুবায়ের
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- গল্পঃ সুখ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- ঠাকুরের বেটার ছিন্নপত্র ও ইন্দিরা দেবীঃ একটি ছবি ব্লগ - সেলিম তাহের
- এনিগমার The Child In Us ... ব্যাখ্যা -বিশ্লেষন ... - ইমন জুবায়ের
- একটি আপেল গাছের গল্প - সিস্টেম
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ~ দার্জিলিং ~ - তারার হাসি
- আমার বিড়ালের কথা............. - সোহরাব সুমন
- কোন রকমে টিকে থাকা শেষ, বেঁচে থাকার শুরু.... - একলোটন
- নেহেরু, শ্যামাপ্রসাদ, গান্ধী, এলিজাবেথ, বুলগানিন, ক্রুশ্চেভ ... - ছায়া দে
- অজানা আমাজন অরন্য... - জর্জিস
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (২) - ম্যাভেরিক
- Hachiko-A dogs true story. - জামিল আনসার
- গাহি সাম্যের গান - আকাশ অম্বর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩ - তায়েফ আহমাদ
- বোধ - জীবনের নতুন মানে - বিলাশ বিডি
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মতীথিতেঃ ছাত্রসমাজের প্রতি জগদীশচন্দ্র বসু - ভিন্ন চিন্তা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পছন্দের কিছু গজল - জগজিৎ সিং - মে ঘ দূ ত
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- বব ডিলানের একটি গান: দি টাইমস দে আর আ-চেঞ্জিং - ইমন জুবায়ের
- Raju Uncle 2d Animation - বাপ্পা dipson
- দান্তে'র প্রার্থনা (দিদিকে) - আকাশ অম্বর
- অন সান সু কিঃ বিবেকের বন্দী দুত - সুফিয়ান ডট কম
- সত্যজিৎ রায় - ২ - মে ঘ দূ ত
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- কাঞ্চনজংঘা ----- (অঞ্জন দত্ত) - বিষাক্ত মানুষ
- আমার পাপা - দীপান্বিতা
- মা দিবস শুরুর ইতিহাস ও মা-হারাদের জন্য একটি গান। - বিপ্লব কান্তি
কথাচ্ছলে মহাভারত-৮
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
সুধা আনিতে গরুড়ের স্বর্গে গমন:
![]()
গরুড় দাদাকে সূর্যের রথের সারথী করে মাকে মুক্ত করার জন্য স্বর্গে সুধা আনতে গেলেন।
এর পূর্বে ক্ষীরসিন্ধুর মাঝে দুঃখী মার সাথে দেখা করতে গেলে কদ্রু বিনতাকে রম্য-দ্বীপে কাঁধে করে নিয়ে যেতে বলেন।
বিনতা নিলেন কদ্রুকে, গরুড় নিলেন শতপুত্রকে। গরুড় সূর্যলোক দিয়ে গেলে বহু নাগ মারা যায়। কদ্রু ইন্দ্রের স্মরণে গেলেন। ইন্দ্র সকল জলধরকে মেঘে আকাশ ঢেকে দিতে বললেন। প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হলে নাগেরা সূর্যের তেজ থেকে বাঁচল। অপূ্র্ব সুন্দর রম্য দ্বীপে শেষ পর্যন্ত নাগেরা পৌছাল। নাগেরা গরুড়কে আবার পিঠে করে আর এক দ্বীপে নিয়ে যেতে বলল।
গরুড় মার কাছে গিয়ে সে কথা জানাল।
বিনতা বললেন –তুমি দাসীপুত্র, তাই তাদের আজ্ঞা শুনতে হবে।
বিনতার দাসী হওয়ার কারণ শুনে গরুড়ের ক্রোধ হল। কদ্রুর কাছে সে জানতে চাইল কি ভাবে তার মাকে দাসীবৃত্তি থেকে মুক্ত করা যাবে। কদ্রু স্বর্গের অমৃত নিয়ে আসতে বললেন।
সুধা আনার আগে গরুড়ের খিদে পেল। মা তাকে সমুদ্রে গিয়ে নিশাচরদের খেতে আজ্ঞা দিলেন। এও বললেন সেখানে এক ব্রাহ্মণ আছেন, তাকে যেন না খায়। কারণ অগ্নি, সূর্য, বিষ-এর প্রতিকার আছে। কিন্তু ব্রাহ্মণের ক্রোধের থেকে নিস্তার নেই।
গরুড় জিজ্ঞাসা করলেন কি ভাবে ব্রাহ্মণকে চিনবেন!
বিনতা বললেন যাকে খেতে কষ্ট হবে সেই বুঝবে ব্রাহ্মণ।
বিনতার আশীর্বাদ নিয়ে গরুড় সুধা আনতে চললেন। চারপাশ কেঁপে উঠল। খিদের জ্বালায় গরুড় এক নিশ্বাসে সব মুখে পুড়লেন। কিন্তু পেটে জ্বালা শুরু হলে মার কথা মনে পড়ল এবং ব্রাহ্মণকে উদর থেকে বের হয়ে আসতে অনুরোধ করলেন। ব্রাহ্মণ তার ব্রাহ্মনীকে নিয়ে বের হলে গরুড় আবার স্বর্গের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।
পথে পিতা কশ্যপের সাথে দেখা হলে তিনি পিতাকে খাদ্যের সন্ধান দিতে বললেন। কশ্যপ বললেন দেব-নরের বিখ্যাত এক সরোবর আছে সেখানে হাতি ও কচ্ছপের যুদ্ধ হচ্ছে, তার বৃত্তান্ত আগে শুন।
.............................................
গজ-কুর্ম্মের বিবরণ:
বিভাবসু ও সুপ্রতীক দুই ভাই। এরা মুনিপুত্র এবং মহাধনী। শত্রুরা হিংসা করে তাদের মধ্যে কলহ লাগাল। সম্পত্তির জন্য তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল।
সুপ্রতীক, ছোটভাই, সে সম্পত্তির সমান ভাগ দাবি করতে লাগল। এভাবে বারবার বিভাবসুকে সম্পত্তি নিয়ে বিরক্ত করলে বিভাবসু রাগ করে ভাইকে শাপ দিল, হস্তী হয়ে সুপ্রতীক বনে বনে ঘুরে বেড়াবে। সুপ্রতীকও দাদাকে শাপ দিল, সে কচ্ছপ হয়ে জলে বাস করবে।
শত্রুর কথায় দু’ভাই বিবাদ করে সংসার নষ্ট করল।
শেষ পর্যন্ত একজন বনে আর একজন জলে গিয়ে বাস করতে লাগল। কখনও সামনাসামনি হলেই তারা যুদ্ধে মেতে উঠত।
কশ্যপ গরুড়কে বললেন তাদের গিয়ে ভক্ষণ করতে। এতে পৃথিবীর মঙ্গল হবে। পিতার আজ্ঞা পেয়ে খগরায় সেই স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।
আকাশপথে দেখলেন গজ ও কুর্ম্মের সাঙ্ঘাতিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তিনি দুজনকে নখে ধরে উড়ে গেলেন এবং কোথায় বসে খাবেন তা ভাবতে লাগলেন।
এ সময় শত যোজন বিস্তৃত রৌহীণবৃক্ষ তাকে আমন্ত্রণ জানালেন তার ডালে বসার জন্য। ডালে বসলে ভারে ডাল ভেঙে গেল।
![]()
সেই ডালে বালখিল্য মুনিরা অধোমুখে জপ করছিলেন। তা দেখে গরুড় ভয় পেলেন। ডাল মাটিতে পড়লে মুনিদের মৃত্যু হবে, এই ভয়ে সে ঠোঁটে ডাল ও দুই নখে গজ ও কুর্ম নিয়ে উড়তে থাকলেন।
এভাবে বহুদিন গরুড় উড়তে লাগলেন। পিতা কশ্যপ গন্ধমাদন পর্বত থেকে গরুড়ের দুর্দশা দেখে মুনিদের স্তব শুরু করলেন। ছয় সহস্র মুনি সন্তুষ্ট হয়ে হিমগিরি পর্বতের দিকে গমন করলেন।
খগেশ্বর পিতার আজ্ঞায় সেই ডাল জীবজন্তুহীন পর্বতে ফেলে সেখানেই গজ-কুর্ম ভক্ষণ করলেন।
এরপর সুধা আনতে স্বর্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
তার পাখার ঝাপ্টায় পর্বত উড়ল, সূর্য অন্ধকারে ঢেকে গেল, মেঘ-বৃষ্টি শুরু হল।
এসব দেখে ইন্দ্র বৃহস্পতিকে এই অশান্তির কারণ জানতে চাইলেন।
বৃহস্পতি বললেন –তোমার পূর্বের পাপের জন্য গরুড় এখানে আসছেন। সে সুধা স্বর্গ থেকে অবশ্যই নিয়ে যাবে। এত শুনে ইন্দ্র রেগে গেলেন। তিনি সকল দেবতাদের যুদ্ধে প্রস্তুত হতে বললেন।
......................................
উৎসর্গ: সকল ব্লগার বন্ধুকে
..................................
আগের পর্ব:
কথাচ্ছলে মহাভারত - ১
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ২
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ৩
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ৪
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ৫
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ৬
Click This Link
কথাচ্ছলে মহাভারত - ৭
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! খুব ভাল লাগছে...
পড়ে কেমন লাগলো জানাবেন!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ইমনভাই!
সায়েম হক বলেছেন:
গরূর দেখি অনেকটা বজরংবলীর মতো দেখা যাক ইন্দ্রের কি হয়
ছবির ব্যাবহার ভারী সুন্দর লাগলো...
লেখক বলেছেন: হ্যা, গরুড় খুব শক্তিমান! ....ইন্দ্র খুব সুবিধের না! ![]()
ধন্যবাদ......ছবি নেট থেকে নেওয়া, সব পর্বে পাব কিনা সেটাই চিন্তার!... সঙ্গে থাকবেন... ![]()
বৈকুন্ঠ বলেছেন:
ধারাবাহিক এই পোস্টটা আমার চোখ এড়ায়া গেল কেমনে? সময় নিয়া ধীরেসুস্থে সবগুলা পোস্ট পড়বো বৈলা শুকেসে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ, বৈকুন্ঠ!
....অনেকদিন পর দেখছি! কেমন আছেন!
ম্যাভেরিক বলেছেন:
গরুড়ের (Garuda) চরিত্রটি খুব দৃঢ় ও মজার, ইন্দ্রকে বেশ ভুগিয়েছেও।
লেখক বলেছেন: ইন্দ্র বেটা বেশ নাক উঁচু ছিলেন!..তাই গরুড় একটু মজা করে নেয়
ম্যাভেরিকদা, আপনি কিন্তু মাঝে মাঝে সময় করে একটু লেখাগুলো দেখে নেবেন...মাঝে মাঝে এত ভজকট লাগছে!
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
বেচারা ইন্দ্র ম্যাভেরিক ইংরেজী নামটা দিয়ে দেওয়ায় উপকার হয়েছে। এইখানে গিয়ে আরো বেশ কিছুছবি পেলাম।
http://en.wikipedia.org/wiki/Garuda
লেখক বলেছেন: বাঃ! দারুন! আমারও একটা ছবি দিতে ইচ্ছে করছে...![]()
এটা তিরুপতীর
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, রাত্রি!
...পরে গরুড়ের আরো কান্ড আছে! সঙ্গে থাকবেন... ![]()
ক্ষ বলেছেন:
পরের পর্ব কুইক চাই ...আমার ধৈর্য কম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ক্ষ!
....আপনি মনে করে দিলেন আমায় টাইপ করতে হবে! ![]()
লেখক বলেছেন: ইন্দ্র বেটা নাকাল হবে!![]()
লেখক বলেছেন: হুম্! দেখা যাক! ![]()
রাযহান বলেছেন:
লেখা ভালো লেগেছে +++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.....ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: কাল চলে আসছে –নবম কিস্তী!![]()
লেখক বলেছেন: হ্যা! অনেক কান্ড স্বর্গে হতে চলেছে! ![]()
লেখক বলেছেন: আরে! আপনি কোথায় ডুব মেরেছিলেন! আবার বেড়িয়ে পড়লেন নাকি!...
ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! ![]()
আপনি মনে হয় জানেন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় এয়ার লাইন্সের নাম এই গরুড় থেকেই গারুদা এয়ারলাইন্স।
অট: সীতাকুন্ড নিয়ে লিখতে পারিনি এখনও তবে চন্দ্রঘোনা নিয়ে লিখেছি দীপান্বিতা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, জুন! ![]()
বাঃ! একটা দারুন তথ্য পেলাম!...ইন্দ্র আর গরুড় চরিত্র বিশ্লেষণ করলে কিন্তু গরুড় অনেক সহজ সরল!...য দিও ইন্দ্রের কারণেই তার জন্ম!
সীতাকুন্ড নিয়েও লিখে ফেলুন! চন্দ্রঘোনা দেখতে চললাম!
'লেনিন' বলেছেন:
জুন ভালো একটি তথ্য দিলেন তো!গরুড় ম্যালা শক্তিশালি কিন্তু রাবণের কাছে নাকাল হবে। যদিও সে পাখশাটে সব উড়িয়ে দেয়, তবুও রাবণের কাছে তা কিছুইনা।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি জটায়ুর কথা বলছে… রামায়ণ যেহেতু মহাভারতের আগের তাই জটায়ুকে গরুড়ের দাদা বলা চলে! ![]()
গানচিল বলেছেন:
"রাত গরবী দিপান্বিতা হাজার দীপের আলোতে "হৈমন্তি শুক্লার এই গানের দ্বিপান্বিতা কি আপনিই ?
লেখক বলেছেন: গানচিল, আপনার কি খবর, কেমন আছেন!...নাঃ! গানটাতো শোনা হয় নি! লিঙ্ক দেবেন!....ওটা মনে হয় আমি নই! ![]()
লেখক বলেছেন: হ্যা, সুধা মানেই অমৃত...আমারও গরুড় চরিত্রটা বেশ লাগছে...অনেক ধন্যবাদ, সঙ্গে থাকবেন ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু!![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... ধন্যবাদ!
সূর্য গ্রহণের আলাদা করে কোন গল্প তো এই মূহুর্তে মনে পড়ছে না! তবে ঘটনাটা আন্দাজ করা যায়! শুনুন তবে!
রহু যেহেতু ছলে অমৃত পান করেছিল, তাই সে অমর হল। কিন্তু মুন্ডু আর ধড় আলাদাই থেকে গেল!
মুন্ডুটি রাহু নামেই পরিচিত। তার মনে খুব রাগ! চন্দ্র আর সূর্য তাকে ধরিয়ে দিয়েছিল, তাই। তো, সুযোগ পেলেই সে সুর্য আর চন্দ্রকে খেতে যেত। যতক্ষণ সূর্য ও চন্দ্র রাহুর মুখের মধ্যে থাকে তখনই হয় সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ। রাহুর যেহেতু ধড় নেই তাই অনায়াসে সূর্য ও চন্দ্র কিছু পরেরই গলার অংশ দিয়ে বেরিয়েও যায়। তবু কিন্তু রাহুর ক্লান্তি নেই সব সময় সে এভাবে সূর্য ও চন্দ্রকে শাস্তি দিয়ে চলেছে।
আর ধড়, যেটি কেতু নামে পরিচিত! সেটি ধুমকেতু হয়ে মনের দুঃখে ঘুরে ফিরছে। যেহেতু তার চোখ নেই, তাই সূর্য ও চন্দ্রকে ঠিক ঠিক আঘাত করতে পারছে না।
লেখক বলেছেন: ![]()
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
পর্বগুলো খুব ভাল লাগছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শূণ্য উপত্যকা! ![]()
সিনসিয়ার বলেছেন:
পড়নু।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
স্বপ্নকথক বলেছেন:
গরুড় কি মেয়ে ছিলো না পুরুষ? অনেকদিন ধরে প্রশ্নটা পোড়াচ্ছে!
লেখক বলেছেন: অবশ্যই পুরুষ!![]()
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: ঠিক! ইন্দ্রকে মাঝে মধ্যেই লোফার টাইপের লাগে![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















এখন আস্তে ধীরে পড়বো