আমার প্রিয় পোস্ট

সবকিছুতেই নির্মোক থাকছি, সবকিছুই ইদানীং অর্থহীন মনে হয়; নিজের এই নেতিবাচক প্রবণতায় নিজেই লজ্জিত ।:(

ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0

অনেকদিন ব্লগের পাঠক থাকার পর যখন ব্লগার হিসাবে রেজিস্ট্রেশান করেছিলাম, তখন একান্তই ব্যাক্তিগত ব্লগিং করার প্ল্যাটফর্ম হিসাবে নিয়েছিলাম । (মনে হয় এখনো আমার পোস্টগুলি অনেকটাই ব্যাক্তিগত কথন, অনেকটা নিজের জন্য লেখা টাইপের।

ব্লগীয় মিথস্ক্রিয়ায় আমার মধ্যে প্রথম যে পরিবর্তনটি আসে , সেটা হচ্ছে কোন কিছুকে সোজাসুজি না দেখা । আমি বলবো এটা আমার নেতিবাচক অভিযোজন। যদিও সবকিছুকে আগে যেভাবে সোজাসুজি দেখতাম দুনিয়াটা ওইরকম সোজা না।

দ্বিতীয় পরিবর্তন টা আসে রাজাকার/নব্য রাজাকারদের নিয়ে। ঘৃণার স্তরে চলে যায় সেটা । আগে ছিলো চরম অপছন্দ আর আশংকিত অনূভুতি। বাস্তব সমাজে নব্য রাজাকার/রাজাকার রা কিন্তু এতো বেশী আক্রমনাত্নক প্রকাশপ্রবণ নয় (তারা জানে গোল্ডফিসের স্মৃতির এই জাতির এক চক্কর কিন্তু পার হয় নাই)। অনেকটাই রক্ষনাত্মক এড়িয়ে যাবার অভ্যাস মুক্তিযুদ্ধ , আমাদের আকাঙা আর চেতনার প্রশ্নগুলোতে।

ব্লগে এই রাজাকার / নব্য রাজাকারদের প্রতিরোধ দেখেছি, স্যালুট জানাই যারা অপরিসীম ধৈর্যের সাথে
অনেক তথ্য প্রমান জড় করে এই প্রতিরোধে রসদ জুগিয়েছেন। ফ্যানাটিক একঘেয়ে অপযুক্তির কিছু ল্যাদল্যাদা নব্য রাজাকারের আচরণে বিরক্ত হয়ে অনেককে গালাগালিতে ও যেতে দেখেছি। এটাকে কোন অর্থবহ সমাধান ভাবি না, কিন্তু বিরক্তি আর ধৈর্যের সীমা কোথায় গেলে এই আচরণে বাধ্য হন তারা তাও বুঝতে পারি।

কিন্তু আমি আশংকিত এই ভার্চুয়াল জগতেই এদের প্রতিরোধ করে আমাদের আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর দেখে। হ্যাঁ , এই প্রতিরোধ ও প্রয়োজন, এই কিন্তু শেষ নয়।

ছোটবেলায় চট্টগ্রামের টাইগারপাসে ফুঁলকুড়ি আসর করতাম, তারপর এলাকার শিবিরের সিনিয়র ভাইদের সাথে প্রচুর কথাবার্তা হতো। ঐতিহ্যগতভাবে আমাদের পরিবার আওয়ামীলীগবিরোধী হবার কারনে তাদের হয়ত ধারণা ছিলো আমাকে ‘ওয়াশ’ করা যাবে। (তারা জানতো না আমার পরিবারে মুক্তিযোদ্ধা কয়জন এবং আওয়ামীলীগকে চরম অপছন্দ করলেও বঙ্গবন্ধুকে আমরা কি পরিমান শ্রদ্ধা করি )। পরবর্তিতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়েছি চট্টগ্রাম কলেজে। তখনকার শীর্ষ প্রায় সব শিবির নেতার সাথেই আমার যোগাযোগ ছিলো ব্যাক্তিগতপর্যায়ে। মুজিবর রহমান মঞ্জু , আলমগীর মোহাম্মদ ইউসুফ
এই পর্যায়ের আমাকে ভালোভাবেই চিনতেন, যথাক্রমে এলাকার ভাই ও পারিবারিক ভাই হিসাবে।


ব্লগারদের জন্য জানিয়ে রাখি, শিবিরের এইসব প্ল্যান-মেকার রা এই ব্লগের মাথামোটা ব্রেইনোয়াশড ল্যাদল্যাদা কিছু প্রপাগান্ডার এর মত না , তারা তাদের কাজে যথেষ্ট স্মার্ট এবং জানে কিভাবে কি করতে হয়। (বিশাল পোস্ট হয়ে যাবে , তাই এটা সংক্ষেপে একটি আশংকার সঙ্কেত দিলাম।)

সুতরাং শুধু ভার্চুয়ালে রাজাকার / ড়াজাকার তাড়িয়ে আমরা খুশী থাকবো?


আমরা যারা এই ‘বেজন্মাদের’ (এই দেশে জন্মে এই দেশের মূলকে অস্বীকার করে এই অর্থে) প্রতিরোধ করতে চাই, বাস্তবতা হলো তাদের সংঘটিত হওয়াটা অনেকটাই কঠিন। নানা মত, নানা প্ল্যাটফর্মের মানুষকে এই একটি ইস্যুতে একীভূত রাখার অমানুষিক শ্রম কে দেবে?

তাহলে কি আমরা বসে থাকবো?


না । ব্যাক্তিগতভাবে আমি বসে থাকবো না। যেদিন থেকে এই বেজন্মাদের সুক্ষ আর ভয়াবহ ওয়ার্কপ্ল্যান বুঝতে পেরেছি আমার ধর্মবিশ্বাসকে ব্যাবহার করে আমার অস্তিত্বকে ধধংস করার, সেদিন থেকেই ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত যেসব শিবির সমর্থক ছিলো তাদের ফিরিয়ে আনার মিশন নিয়েছিলাম। ঘন্টার পর ঘন্টা তর্ক করতাম , এমনকি শিবিরের কর্মপদ্ধতি নিয়েও। যা যা তথ্যপ্রমান জানতাম সব আপ্রাণ ব্যাবহার করতাম। (ইস তখন যদি ব্লগের ডকুমেন্টগুলো থাকত! বা থাকতো ‘ফিরে দেখা একাত্তর’ এর মত কোনো সংকলন!)

সফলতার হার? ত্রিশ থেকে চল্লিশ শতাংশ। তাই বা কম কিসে ? সেটি ছিলো আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মিশন। এর মাঝে সবচাইতে বড় সাফল্য ছিলো , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের এককালীন প্রধান পাঁচ নেতার মাঝে একজন কে ( আমার এলাকার বড় ভাই) বুঝাতে পারা। অবশ্য ধর্মপ্রাণ এই মানুষটির যুক্তিবোধ প্রখর ছিলো বলেই হয়তবা এত উপরে থেকেও থেকে আদর্শিকভাবে সরে এসেছেন। (ভাইয়া শীঘ্রই রাজাকারদের ওই ব্যাংকটির চাকরি ছেড়ে আরেকটি ব্যাংকে জয়েন করবেন, তার ভাষায় – ‘পরিপূর্ণ মুক্তি’ )।


সামনের নির্বাচনে যদি ‘না’ ভোট থাকে তাহলে ভোট দেবো । (কেউ কি নিশ্চিত করবেন না ভোট আছে কিনা? ) নাহলে না। কারণ কোন দলই আমার পছন্দের তালিকায় নেই।

তবে আমি আমার ব্যাক্তিগত সেই মিশনটি আবার শুরু করছি। পেটের দায়ে দৌড় আর কর্পোরেট ক্রীতদাসত্বের ফাঁকে এ আমার ব্যাক্তিগত অভিযান । প্রাথমিকভাবে টার্গেট করেছি আটজনকে। তিনজন কে মনে হচ্ছে একটা সরল রেখায় নিয়ে এসেছি । আগামী নির্বাচনে ভোট দেই আর না দেই ‘বেজন্মাদের’ ভোট যদি আটটা হলেও না কমিয়েছি আমি। সবার সমর্থন চাই, পরামর্শ ও চাই। বলতে চাই আপনারা যদি পারেন , আপ্নারাও কিছু করুন। শুধুই ভার্চুয়াল যুদ্ধ নয়। তবে প্রচন্ড ধৈর্য আর সহ্যক্ষমতা নিয়েই নামতে হবে।

যুদ্ধ চলবেই, নানা রুপে ... ... ... ...।










 

প্রকাশ করা হয়েছে: সমসাময়িক  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আশংকিত এই ভার্চুয়াল জগতেই এদের প্রতিরোধ করে আমাদের আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর দেখে++
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: আসলেই আশংকিত হওয়া উচিত।

২. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: সামনের নির্বাচনে না ভোট আছে নিশ্চিত, এবং আমি না ভোট দিচ্ছি এটাও নিশ্চিত
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরিফ ভাই। চট্টগ্রাম-৯ আসনে একটা না ভোট বাড়ল।

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আর না..........।

৪. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
সাইফুর বলেছেন: দারুন বলছো...


সামনের নির্বাচনে যদি ‘না’ ভোট থাকে তাহলে ভোট দেবো । (কেউ কি নিশ্চিত করবেন না ভোট আছে কিনা? ) নাহলে না। কারণ কোন দলই আমার পছন্দের তালিকায় নেই।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: বলার কিছু নাই।

সজ্ঞানে দুইটা আমলতো দেখলাম। আওয়ামীলীগের আমলে হাজারীর চেলাদের উৎপাতে বাড়ীতে গিয়েও ভয় লাগত। জোট আমলতো যা দেখলাম! রাজাকারদের ক্ষমতায়ন, দুর্নীতির চোটে নাভিশ্বাস.।

৫. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
সাইফুর বলেছেন: ব্যাপারটা দাড়ায় এমন যে..যারা দাড়ায় তাদের মধ্য থেকে কম খারাপ যাকে মনে হয় তাকেও ভোট টা দিতে হয়...


না ভোট দরকার
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আসলেই। তাছাড়া এখানে দলের ধারাও একটা ব্যাপার।

৬. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২০
মিছে মন্ডল বলেছেন: আপনার জন্য শুভ কামনা। আশা করি আপনি আপনার মিশিনে সফলতা পাবেন।

অলরেডী এক রাজাকারের ছাও মাইনাস দিছে; ওইটারে কইস্যা লাথথি
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন:
আগের মত চল্লিশ শতাংশ সাফল্য হলেই চলবে আমার।

মাইনাস কোনো ব্যাপার না। দেক যা খুশি, আপত্তি নাই। আমার কাজটা করতে পারলেই আমি খুশী।
(কে দিয়েছে তাও জানি।)

৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২১
একরামুল হক শামীম বলেছেন: যুদ্ধ চলবেই, নানা রুপে ... ... ... ...।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: গত মাসে এই দিনেই অশউইৎস (নাজী কনসেনট্রেশান গ্যাস চেম্বার, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যেখানে ১৫ লাখ ইহুদী,জিপ্সী অ অন্যান্য জাতিসত্ত্বার লোকদের হত্যা করা হয়েছিলো এথনিক ক্লিনজিং এর নামে) গিয়েছিলাম।

ছয় ঘন্টা নির্বাক জার্নিতে ভাবছিলাম শুধু , ওরা তো বিচার করতে পেরেছে, আমরা কি করেছি?

৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
অদ্ভুত কাজী বলেছেন: ভার্চুয়াল রাজাকার মাইনাস দেওয়া শুরু করছে ।
আমি ++++++++++++ দিলাম ।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: মাইনাস কোনো ব্যাপার না। দেক যা খুশি, আপত্তি নাই। আমার কাজটা করতে পারলেই আমি খুশী।

প্লাস ছাড়া কোনো সাজেশন থাকলে তাও দেন।

৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর পোষ্ট।
আমাদের মাষ্টারব্রেইন দরকার।
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:
আমাদের লেগে থাকা দরকার । ব্যাক্তিগত এই উদ্যোগ গুলো আশা করি একদিন বড় হবে। আমাদের কমিটমেন্টগুলো শুধুমাত্র কথায় না রেখে যদ্দুর পারি করে যাই।

১০. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৫
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: মাইনাসের বিপরীতে
+++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++
+++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++
++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++++++++++++++++++++
+++++++++++++
++++++++++++++++++

শুভকামনা
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮

লেখক বলেছেন:

আরিব্বাস এত্তো প্লাস। এর বিপরীতে একশটা মাইনাস ও কিছু না।
ধন্যবাদ।

২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, শুরু করে দিয়েছি.।

১২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
রাঙা মীয়া বলেছেন: আপনার আত্মকথন ভালো লাগলো। তবে একটা ব্যাপার কি জানেন, ব্লগে মাঝে মাঝে জামাতের পক্ষের কিছু পোস্টকে মেঁকি মনে হয়।মনের মাঝে প্রশ্ন আসে, একজন শিক্ষিত ব্লগার কেনো এসব আলতু ফালতু কথা বলে সবার গালি খাবে ? আমি শিবির সম্পর্কে যতদূর ধারনা রাখি,এরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত লক্ষ্য নিয়ে এগোয়। আর এদেরকে জামাত খুবই শক্ত হাতে হ্যান্ডল করে।

সারাদেশে ছাত্রদল অথবা ছাত্রলীগের ছেলেদের যে সমস্ত ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের কথা শোনা যায়,ঘাঁপটি মেরে থাকা শিবিরের কর্মীদের নেপথ্যে অবদান থাকে। বিগত ১৭ বছরে জনগন ও সাধারন ছাত্রসমাজের কাছে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের গ্রহনযোগ্যতা কেবলই কমেছে।এই সুযোগে শিবির অত্যন্ত সংগঠিত হয়েছে। অচিরেই মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রশিবিরের প্রকাশ্য বৈঠক হলেও আমি অবাক হবো না।

উত্থান পতনের ধারাবাহিকতার বাইরে কেউ নয় জানি-আশ করি এই সমস্ত অপশক্তির পতন শীঘ্রই নেমে আসবে।

সুদূর প্রবাসে, আপনি ভালো থাকুন।শুভকামনা রইলো।
২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: তবে একটা ব্যাপার কি জানেন, ব্লগে মাঝে মাঝে জামাতের পক্ষের কিছু পোস্টকে মেঁকি মনে হয়।মনের মাঝে প্রশ্ন আসে, একজন শিক্ষিত ব্লগার কেনো এসব আলতু ফালতু কথা বলে সবার গালি খাবে ? আমি শিবির সম্পর্কে যতদূর ধারনা রাখি,এরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত লক্ষ্য নিয়ে এগোয়। আর এদেরকে জামাত খুবই শক্ত হাতে হ্যান্ডল করে।


-----

আপনার এই ধারণাটি আমার ও । এই অপশক্তির ওয়ার্কপ্ল্যান আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি বলে চরম আশংকিত।

রাঙা ভাই , আমি এখন প্রবাসে নাই। সাময়িক প্রদবাসে ছিলাম , অফিসের কাজে । এখন মাই সুইট কান্ট্রি, আহা হা হা.। :)

১৩. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: আপনার সাথে একমত,আমাদের চেষ্টা করে যাওয়া উচিত যাতে ব্লগে এবং বাস্তবে যারা ভুল পথে চলে যাচ্ছে তাদের সঠিক পথ দেখানো।তবে রাঙামিয়া ভাইয়ের কথাও ঠিক "সারাদেশে ছাত্রদল অথবা ছাত্রলীগের ছেলেদের যে সমস্ত ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড"।এখন আসলে আমাদের দেশের কথা ভাবা উচিত।স্বাধীনতার এত বছর পরেও এসব তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ ঝগড়া করে কেনো ভেবে পাইনা।স্বাধীনতার বিরোধীদের বিচার করা দরকার সেই সাথে সব রাজনৈতিক দলকে দুর্নীতিবাজ মুক্ত হতে হবে এবং নিজ দলের লোক দুর্নীতি কিংবা অন্যায় করলে তা মেনে নেওয়া চলবে না,বরং তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।কবে আসবে সেই দিন যেদিন ভালো লোকরা রাজনীতি করবে?
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ।
আসলেই জামায়াতের এই অবস্থানে চলে আসার জন্য তাদের কৃতিত্বের সাথে আমাদের ক্লীব অবস্থান , নিজেদের অযোগ্যতাও অনেক বেশী দায়ী। আমার প্রজন্ম, পরের প্রজন্ম এর জন্য কিন্তু অর্থবহ কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নাই।

---কবে আসবে সেই দিন যেদিন ভালো লোকরা রাজনীতি করবে?

যেদিন আমরা রাজনীতিকে ব্রাত্য ভাববো না। ব্যক্তিগত ভাবে আমি চাই না ভোট দিতে, তাও ভোট চাই।

১৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
হলদে ডানা বলেছেন: আপনার ভাষা ব্যবহারের অমার্জিতবোধের কারণে মাইনাস দিলাম, এমনিতে পোস্ট ভাল হয়েছে। পড়ে ভাল লাগলো।

কোন আদর্শ আপনার ভাল না লাগলে আপনি তার বিরুদ্ধে কথা বলবেন, এটি আপনার অধিকার, বরং দায়িত্ব। আপনি সে দায়িত্ব পালন করছেন এটি একটি জাতীয় চেতনাবোধের প্রকাশ। এ জন্য ধন্যবাদ। আপনি যাকে খারাপ পথ বলে চিন্হিত করেছেন, সে পথের পথিকদের ওখান থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করাটা আপনার দায়িত্ব। আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করছেন এবং আশা করি সামনেও করে যাবেন।

তবে এ পথের পথিকদের সর্বোচ্চ অনেকের সাথেই আপনার ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে। ভালোভাবেই জানেন তারা কেমন। এ ক্ষেত্রে তাদের ফিরিয়ে আনতে আপনি যদি একই ভাষা ও এটিচিউড ব্যবহার করেন, তবে আপনার সফলতার সম্ভাবনা অনেক কম। অমন ভাষা ও হিংসাত্মক আচরণ করে শিবিরের কাউকে ফিরাতে পারবেন- এমন সম্ভাবনা খুব কম।

যাকগে, আপনার সাথে বিতর্কে যাবনা। শুধু একটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। শিবির করে দু ধরণের লোক। একদল আদর্শিক কারণে। অর্থাৎ তারা মনে করে ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। আর মুসলমানদের দায়িত্ব হচ্ছে ইসলামকে সর্বক্ষেত্রে বিশেষত রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করা। তাই সেসব ছাত্র শিবিরকে বেছে নিয়েছে সে উদ্দেশ্য বা দায়িত্ব পালনের মাধ্যম হিসেবে।
আরেকদল শিবির করে কারণ শিবিরের কোন বড় ভাইকে বা কয়েকজনকে ব্যক্তিগতভাবে তাদের ভাল লাগে, অথবা শিবিরের কোন একটি প্রোগ্রাম ভাল লাগে। এরা আদর্শিকভাবে অতটা সচেতন নয় তবে শিবিরের প্রতি তাদের বেশ মজবুত আবেগ।

আপনি যেভাবে এগুচ্ছেন তাতে দ্বিতীয় দলকে মোটামোটিভাবে কনভিন্স করতে পারবেন। তবে তাতেও ভাষা ও আচরণে আরো সংযত হতে হবে। আপনার সমস্যা হবে প্রথম দলকে নিয়ে। তাদের জন্য আপনার কি কর্মসূচি বলবেন কি? এ প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে হয়তো এই ব্লগের তেমন কতককে 'ভ্রান্ত পথ' থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন। ধন্যবাদ।
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষন। পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। আশা করি কাজে লাগবে।
প্রথম অংশ হয়তবা আপাতত অসফল ৬০ % এর মাঝে পড়বে। এই ব্যাপারে আপাতত কোনো ওয়ার্কপ্ল্যান নাই , চিন্তা করতে হবে। আমি মূলত আমার কমিউনিটি (ব্যাচমেট, বন্ধুবান্ধব,কলিগ, বিশাল ছাত্রছাত্রীদের গোষ্ঠী) এর মাঝেই আমার কাজ করবো , তাই না? সুত্রাং আমার স্কোপটা
আমাকে বুঝতে হবে। এটা ব্যাক্তিগত উদ্যোগ , সুতরাং প্রারনভিক সীমা নির্ধারণ জরুরী।
কিছু করলে আশা করি কমপক্ষে হলেও আপনাকে জানাবো...


কারণ বলে মাইনাস দেবার জন্য আপনার প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। ব্যক্তিগত জীবনে এবং ব্লগে আমি কখনো গালি ব্যাবহার করি না। তবে বিশেষণ ব্যাবহার করি। ব্লগে যারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ধারণা প্রচারণা চালায়, এদের অনেকেই একঘেয়ে যুক্তি-কুযুক্তি-পিছলানো-আদালত-আদালতেযাননাকেঙ্খেলা-জানিনাজানিনাবুঝিনা-এই স্টাইলে প্রপাগান্ডা চালায় , তাই আমার বিশেষণ ‘ল্যাদল্যাদা কেঁচো’র মত। বাস্তবের শিবিরের লোকজন তাদের কাজে স্মার্ট, গুছানো – এটা আমি ভালভাবেই জানি।

তবে শিবিরের নেতারা কখনো ‘টোটাল সলিউশন’ কেম্নে হবে জানেন না। আলমগীর মোহাম্মদ ইউসুফ এর মতো নেতার সাথে দীর্ঘ আলোচনা-তর্কে ও আমাকে বলতে পারেননি, শেষ পর্যন্ত তারা ইসলামী সমাজ/রাষ্ট্র/বিপ্লব কীভাবে করবেন! আমি যা বুঝলাম তা হলো, আচম্বিত কিছু না হলে (সবাই জেগে না উঠলে) আজ থেকে পাঁচ-দশ বছর পরেও হয়ত জামায়াত-শিবির টিকে থাকবে, প্রশাসনে অনেক জায়গায় তাদের আরো লোক ঢুকবে, হাসপাতাল-কোচিং-ইন্ড্রাস্ট্রী-ব্যাংক এর জমজমাট ব্যাবসা চালিয়ে যাবে, হয়ত ক্ষমতার ভাগ ও পাবে, কিন্তু যে স্বপ্ন দেখিয়ে তারা অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, সেই ইসলামী সমাজ/রাষ্ট্র/বিপ্লব কিচ্ছু করতে পারবে না। ধর্মানুভূতিকে ব্যাবহার করে ব্যাবসা-রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে একটা প্রজন্মকে বেইমান বেজন্মা বানানো ছাড়া আর কোনো অর্থবহ আঊটপুট থাকবে না...

দেখা যাক...

১৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
তরঙ্গ বলেছেন: পড়ে ভাল লাগছে। আলোচনা চলুক। আমার একটা প্রশ্ন-

সেই ইসলামী সামাজ/রাষ্ট্র/বিপ্লব কিভাবে অর্জিত হতে পারে বলে আপনি মনে করেন। ধরলাম জামায়াত বা শিবিরের নিকট আপনি এর কমপ্লিট দিকনির্দেশনা পাচ্ছেননা, তাই যারা শিবির করে তাদেরকে আপনি বিকল্প কোন রাস্তা দেখাবেন?
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: সেই ইসলামী রাষ্ট্র/বিপ্লব নিয়া আমার কোনো মাথা ব্যাথা নাই, যেমন নাই বামপন্থার ভবিষ্যত নিয়া ও। আমি সাধারণ একজন মানুষ, বাংলাদেশী পরিচয়টাকে প্রাধান্য দিয়ে বাঁচতে চাই ,( বাঙালী ও মুসলিম পরিচয় ও স্বীকার করি)... নিয়ন্ত্রিত পুঁজিবাদ আর ডেমোক্র্যাটিক-সোস্যালিস্ট একটা রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি।

ইসলামী রাষ্ট্র/বিপ্লব যাই চান না কেন , দুঃখিত- আমার কাছে রাস্তা নাই। ধর্মভিত্তিক কোন রাষ্ট্রই আমার দৃষ্টিতে বাস্তবসম্মত না, ইরান আর ইসরায়েল দেখে আমার তাই মনে হয়।

১৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
তরঙ্গ বলেছেন: যারা মনে করে ইসলাম একমাত্র জীবন ব্যবস্থা, যেটি পরিবারে সমাজে ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন, আপনি তাদের বিশ্বাসকে হয় মিথ্যা প্রমাণ করুন, নতুবা বিকল্প রাস্তা দেখান। তা না পারলে আপনার শ্রম চেষ্টা পন্ডশ্রমে পরিনত হবে।
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: বিশ্বাস অনুযায়ী কি কাজ??

আপনি বুঝতে পারলে আমারে ‘টোটাল সলিউশন’ টা বুঝাইয়েন।

হলদে ডানার কমেন্টের জবাব টা ভালো করে পড়েন , আপনার 'তারা' এই বিশ্বাস এর নাম দিয়ে কি কি করতে পারবে আমার ধারণা আছে।

আর আমাদের গর্বের অর্জনগুলো, মুক্তিযুদ্ধ, সেখানে 'তাদের' ভূমিকা টা আপনি ই আমাকে বুঝিয়ে দিন। আমি কিন্যু খুব ভালো শ্রোতা.।

১৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
এস্কিমো বলেছেন: ঠিক আছে। ভাল চিন্তা ভাবনা। তবে আলোচনার সময় কখনও ঈশপের গল্পটা ভুলে গেলে চলবে না। সেই যে গল্পটা - কাক আর শৃগালের আলোচনা :)
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: :)

১৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
হলদে ডানা বলেছেন: তরঙ্গকে ধন্যবাদ। মূল বিষয়টা তুলে এনেছেন। এর সমাধান আগে প্রয়োজন। জনাব পথিক, মূল বিষয় থেকে সরে গেলে তো সমাধান আসবেনা। আমি বিষয়টাকে আরেকটু বিশ্লেষণ করে তুলে ধরি।

ছাত্র শিবির বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে কি না তা পরের বিষয়। আগে তো আপনাকে ক্লিয়ার করতে হবে যে বিশ্বাসটাই ভ্রান্ত। আর তা না পারলে বলতে হবে যে বিশ্বাস ঠিক আছে, কিন্তু পথ ওইটা না, এইটা।

প্রথম ক্ষেত্রে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে, ইসলামে কোন পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা দেয়া নেই। আংশিক কিছু বিষয় আছে। আর পূর্ণাঙ্গ থাকলেও সেই ইসলামী ব্যবস্থা শাশ্বত না। এটি মধ্যযুগে কয়েকশ বছর হয়তো কল্যাণকর ছিল। এখন এর উপযোগীতা শেষ হয়ে গেছে। আল্লাহর দেয়া বিধান এখন অচল। এখন মানুষের নিজস্ব গবেষণালব্ধ বিধান প্রয়োজন। ইসলামে কোন পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র ব্যবস্থা নেই- থাকলেও এ যুগে অচল, এখানে কোন পূর্ণাঙ্গ অর্থ ব্যবস্থা নেই, থাকলেও বর্তমান সময়ে ইসলামী অর্থব্যবস্থা অচল, অথবা এ ব্যবস্থা আর কল্যাণকর নয়। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে ইসলামে স্বতন্ত্র শাসন ও বিচার ব্যবস্থা বলে কিছু নেই, থাকলেও তা সবার জন্য নয়, শুধু আরবদের জন্য।
অথবা আপনাকে প্রমাণ অথবা অন্তত ঘোষণা করতে হবে যে ইসলামে সবই আছে, কিন্তু তা দুনিয়াতে প্রতিষ্ঠা করা মুসলমানদের কর্তব্য নয়। কুরআনের নির্দেশগুলো এসেছে শুধু পাঠ করে নেকি অর্জনের জন্য, মান্য করার জন্য নয়। এভাবে তাদের বিশ্বাসগুলো যে ভ্রান্ত ও অজ্ঞতায় পূর্ণ তা যুক্তিসহকারে প্রমাণ করতে হবে, অথবা অন্তত প্রচার করতে হবে।


দ্বিতীয়ত, আপনি বলতে পারেন যে উপরের সবগুলিই ঠিক আছে। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। আল্লাহর দেয়া কল্যাণকর বিধানগুলো পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষ আদিষ্ট হয়েছে, কোন সন্দেহ নেই। প্রত্যেকটি মানুষের জন্য ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা ফরজ। এ জন্যই মানুষকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে। সবই ঠিকাছে, কিন্তু এই শিবির আসলে সে লক্ষ্যে কাজ করছেনা, তারা কাজ করছে দুনিয়া লাভের জন্য, ক্ষমতা পাবার জন্য। এই হলো তার প্রমাণ। সুতরাং তোমরা শিবির ত্যাগ কর। আর যেহেতু ইসলামের শাশ্বত বিধানগুলো সমাজে ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করতে তোমরা বাধ্য, না করলে আখেরাতে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে, তাই বিকল্প হিসেবে তোমরা এই পন্থা অবলম্বন কর, অথবা এই দলে যোগ দাও। এদের সাথে কাজ করলে তোমরা অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।




জনাব লেখক। এই দুটির একটি আপনাকে অবলম্বন করতে হবে। তবেই লোকদেরকে শিবির থেকে স্থায়ীভাবে ফিরাতে পারবেন। এটাই যৌক্তিক সমাধান। তা না হলে আপনি পাঁচজন লোককে ওদের হাত থেকে মুক্ত করবেন, কিন্তু বিশ্বাসের কারণে অন্য দশজন ওদের সাথে যোগ দেবে। আবার আপনি প্রামাণ করলেন যে বিশ্বাস অনুযায়ী শিবির কাজ করছেনা, অথচ আপনি তাদের বিকল্প কোন রাস্তা দেখাতে পারলেননা, তখন ওরা হয়তো দূর্বল হবে, কিন্তু শিবির ত্যাগ করবেনা, কারণ তারা বিশ্বাস করে বসে আছে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করার বিকল্প নাই। আর শিবির যেহেতু দাবী করছে যে তারা সেই কাজ করছে, আর সত্য সত্যও দুচারটি কর্মসূচি তাদের সে কেন্দ্রীক রয়েছে, এ কারণে ওরা বাধ্য হয়ে শিবিরের সাথে থেকে যাবে, মন্দের ভাল হিসেবে।

তাই আপনার প্রতি আহ্বান, আপনি যে মহান কাজে হাত দিয়েছেন, তরুণ সমাজকে ভ্রান্ত পথ থেকে ফিরিয়ে আলোর পথ দেখানোর, সেজন্য ফলপ্রসুভাবে কাজ করতে চাইলে এই দুটি বিষয়ের সমাধান আগে দিতে হবে। আমিও এ দুটি বিষয়ের সমাধান পাবার জন্য উন্মুখ। অপেক্ষায় রইলাম। যদি ইসলামী কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করাটা একটা ভ্রান্ত বা অপ্রয়োজনীয় কাজ হয়ে থাকে, তবে কেন প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা এর পেছনে সময় দেব, অর্থ উপার্জনের পথে এর কিছু সময় দিলে পকেট অনেকখানি গরম হতো। বিসিএসের জন্য আরেকটু ভাল প্রস্তুতি নিতে পারতাম। অন্যদিকে, যদি এমন হয় যে ইসলামকে সমাজে ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করতে হবে সত্য, কিন্তু শিবির সে পথের পথিক না। তবে আমি উন্মুখ হয়ে আছি জানার জন্য যে কোন দল বা মত বা গোষ্ঠি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ভুখন্ডে ইসলামের কল্যাণময় সমাজ বিনির্মানে সর্বোত্তমভাবে কাজ করছে। কি তাদের কর্মসূচি। আশা করি উত্তর দিবেন। আমিও শ্রোতা হিসেবে একেবারে খারাপ না।
১৯. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
দারুণ। আপনি বল না ছূঁয়ে ফেরত পাঠানোর অভ্যাসেই নেমেছেন।তাই আপনাকে পয়েণ্ট করেই দিচ্ছি। এর মাঝে মুখ্য হচ্ছে ৩ নাম্বার পয়েন্ট টা ।আপনার ইসলামী ব্যাবস্থা / শিবিরের ভ্রান্তি এই দুটো পয়েন্ট এর জবাব দিচ্ছি আগে এইটা ফয়সালা হলে।

১। আমার কাজটিকে মহান বা অমহান কিছুই ভাবি না, এটাকে কোন উদ্যোগ ও ভাবি না। এটি একান্তই ব্যাক্তিগত। অন্য কারো পছন্দ হলে তিনিও করতে পারবেন। সংগঠিত কিছু করার মত যোগ্যতা বা সময় কোনটাই আমার নেই।

২।@ তবে আমি উন্মুখ হয়ে আছি জানার জন্য যে কোন দল বা মত বা গোষ্ঠি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের ভুখন্ডে ইসলামের কল্যাণময় সমাজ বিনির্মানে সর্বোত্তমভাবে কাজ করছে। কি তাদের কর্মসূচি।

-- দুঃখিত। আমিও জানি না। বরঞ্চ এই দেশের ‘ইসলামী’ দলগুলার আসল উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য কি জানার আগ্রহ আমার ও আছে।


৩। আগের কমেন্ট গুলোতে যেটা বলেছিঃ সেটি আমাকে আগে পরিস্কার করে দিন। --- আপনি বুঝতে পারলে আমারে ‘টোটাল সলিউশন’ টা বুঝাইয়েন। --- আর আমাদের গর্বের অর্জনগুলো, মুক্তিযুদ্ধ, সেখানে 'তাদের' ভূমিকা টা আপনি ই আমাকে বুঝিয়ে দিন। স্বীকৃত রাজাকার, ভয়াবহ গনহত্যার দোসরদের সেই ভূমিকা নিয়ে স্পস্ট বক্তব্য কি সেটা বলুন। প্রথমটি আপনি বলবেন আমি একজন মুসলিম বলে, তারা আমার ধর্মের অনুভূতিটাকে ব্যাবহার করে রীতিমতো একটা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে ফেলবে, অথচ কোন প্ল্যানে তারা জানে না। তাদের ইতিহাস ব্রিটিশ-তারপর পাকি জলপাই-তারপর বাংলাদেশী জলপাইদের বুটের তোষণে। দ্বিতীয়টি বলবেন , আমার যে গর্বিত পরিচয় একজন বাংলাদেশী – সে জন্য। এই দেশে যাই করতে চান , এই পরিচয়টি , এই পরিচয়ের সমস্ত প্রাসঙ্গিকতাকে আগে পরিস্কার করে নিতে হবে। নাহলে , এই দেশকে আল্লাহ হাফেজ বলে অন্য কোন জায়গা খুঁজে নিন।

৪। আপনার মন্দের ভালো কনসেপ্টে আমার বিশ্বাস একেবারেই নেই। এইজন্যই আমি এবার ‘না’ ভোট দেবার পক্ষে।



৫। ইসলামী রাষ্ট্র/বিপ্লব যাই চান না কেন , দুঃখিত- আমার কাছে রাস্তা নাই। ধর্মভিত্তিক কোন রাষ্ট্রই আমার দৃষ্টিতে বাস্তবসম্মত না, ইরান আর ইসরায়েল দেখে আমার তাই মনে হয়।
২০. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৬
হলদে ডানা বলেছেন: "বল না ছূঁয়ে ফেরত পাঠানো"- ভালোই বলেছেন, পড়ে মজা পেলাম। আমার অনেক যোগ্যতা বোঝা যাচ্ছে!!



জনাব, আমি প্রকৃতপক্ষে আপনার পোস্টে শিবিরের দাওয়াত নিয়ে আসিনি। বা শিবিরের পক্ষে সাফাই গাইতেও আসিনি। ফলে শিবির সম্পর্কে কোন ক্লারিফিকেশনে যেতে চাইনা।

আপনার ব্যাক্তিগত একটি লক্ষ্য হচ্ছে বিভ্রান্ত হয়ে যারা শিবির করছে তাদেরকে এ পথ থেকে ফেরানো। আমি সেই বিভ্রান্তদের পক্ষ থেকে যাস্ট কয়েকটি প্রশ্ন করে আপনার ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য অগ্রসর হতে চাচ্ছিলাম।

আপনার কথা অনুযায়ী ধরে নিলাম শিবির তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করেনা, এবং ধর্মের ছদ্মাবরণে তাদের ভিন্ন লক্ষ্য রয়েছে। অতএব এখন তো আর আপনার প্রশ্নগুলো সামনে আসেনা? কি বলেন? এখন আমার প্রশ্ন হলো, আমি এই মুহুর্তে কি করবো? শিবির ছেড়ে দেব? দিলাম, তাহলে কোথায় যেতে বলেন, কেননা আমি বিশ্বাস করে বসে আছি যে ইসলামী কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করাটা আমার জন্য ফরজ। কোথাও গিয়ে তো আমাকে সেই চেষ্টা করতে হবে, নাকি? এ অবস্থায় আপনি যদি বলেন- আপনি কোথায় যাবেন আমি জানিনা। তাহলে কেমন হলো ঘটনা, গাছে তুলে মই কেড়ে নিলেন না? প্রশ্ন উঠবে, আপনি জানেননা তাহলে আমাকে ছাড়তে বললেন কেন? আমার বিকল্প রাস্তা দেখান, তারপরই না ছাড়তে বলবেন।

আপনি দ্বিতীয় আরেকটা কাজ করতে পারেন, বলতে পারেন, শিবির ছাড়েন এবং অন্য কোথাও যাবারও দরকার নেই, কেননা, সংঘবদ্ধভাবে ইসলামী কল্যাণময় সামাজ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে হবে এই কথাটিই মিথ্যা। কোরআন হাদিসের ভুল ব্যখ্যা দেয়া হয়েছে। আপনি যদি এই কথা বলেন, তবে প্রশ্ন উঠবে- এর কি প্রমাণ, আমাকে দলিল দেখান? কেননা শিবিরের লোকজন তো সামান্য কিছু হলেও আমাকে কোরআন হাদিস থেকে দলিল দেখিয়েছে যে ইসলামের কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল রসূলদের কাজ, আর কিয়ামত পর্যন্ত সব মুসলমানদের দায়িত্বও সেটি। এখন যদি কথাটি ভুয়া হয় আপনি অন্তত দেখান যে এই এই আয়াত হাদিস অনুযায়ী শিবিরের এই দাবী মিথ্যা।

এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে যদি আপনি বলেন যে, ভাই কোরআন হাদিস নিয়ে আমি তো অত ঘাটাঘাটি করিনি, আগ্রহও নেই, তখন তো সেই একই বিষয় হলো, আবারও আপনি গাছে তুলে মই কেড়ে নিলেন। আপনার কাছে দলিল প্রমাণ নেই তবে ওদের দাবী মিথ্যা বললেন কেন? কিসের ভিত্তিতেই বা বললেন? আগে আমাকে দলিল প্রমাণ দেখান তারপরই না ওই বিশ্বাস থেকে সরে আসতে বলবেন।

সম্মানিত ভাই, আবারও আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি- শিবির সম্পর্কে আপনার সব অভিযোগগুলোকে সত্য ধরে নিয়েই অগ্রসর হলাম, তাহলে তো আর আপনার প্রশ্নগুলোর জবাব আগে দেবার প্রয়োজন থাকেনা? কি বলেন?
অপেক্ষায় রইলাম।
২২. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
তরঙ্গ বলেছেন: @লেখক, মাঝপথে ফেলে কোথায় হাওয়া হয়ে গেলেন?
২৩. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
তরঙ্গ, না হাওয়া হইনি , তবে ঈদ আর পারিবারিক কাজে একটু ভেসে বেড়াচ্ছিলাম। এছাড়া অশউইৎস এর গনহত্যা নিয়ে একটা পোস্টের ধকল ও ছিলো।

ধারণা করি, আপনি একটু নতুন এই আদর্শে, হলদে ডানাকে পুরনো হিসাবেই চিনি...
--------------------------------------------------------
হলদে ডানার প্রশ্নের জবাবে বলতে হয় , শিবির বা জামায়াত সম্পর্কে ক্লারিফিকেশনটাই সবার আগে জরুরী। খুব সংক্ষেপে বলিঃ

আপ্নারা এই রাষ্ট্রের কাঠামোতে রাজনীতি করতে চান , অথচ এই রাষ্ট্রের অর্জন বা জন্মের সাথেই আপনাদের ভয়াবহ প্রশ্নবিদ্ধ অতীত রয়ে গেছে। আদর্শের ব্যাপার অনেক পরে আসবে, আগে আপনাকে এই ব্যাপারগুলো পরিস্কার করে নিতে হবে।

আপনি যদি যেকোন আদর্শভিত্তিক রাজনীতি করতে চান , সেটা ফ্যসিবাদী/ফ্যানাটিক/উম্মাদ কোনো ধারণার না হলেই হলো, আমার আপত্তি নাই। আপনার আদর্শ আমার পছন্দ হলে গ্রহন করবো, পছন্দ না হলে রাজনৈতিকভাবে , আদর্শগত ভাবে মোকাবেলা করবো। কিন্তু সেখানে
কোনো উপাদান থাকতে পারবে না যা আমার প্রিয় মাতৃভূমিকেই অবজ্ঞা করে। আমি কোনো পথপ্রচারক নই, সুতরাং আমার বিবেচনায় আপনার জন্য দুটো পথ, যদি আপনি আপনার আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে চানঃ

১| বর্তমান জামায়াত-শিবির হতে সকল মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ধারা-ধারণা-চিন্তা নির্মূল করুন। একাত্তরের গনহত্যার দোসরদের ‘ তৎকালীন রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ এর দোহাই দিয়ে রক্ষা না করে বহিস্কার করুন, তাদের বিচারের জন্য উচ্চকিত হোন। তারপর আপনার আদর্শ রাজনৈতিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ নিন। ্কারো মনে ধরলে আসবে, নাহলে বিপক্ষে যাবে, কিন্তু ঘৃণা ছূড়ে দেবে না কেউ অন্তঃত। আমি যতদূর জানি শিবিরের একটা অংশ ৯৪-৯৫ এর দিকে এই প্রশ্নটা সামনে এনেছিলো যে ইসলামী আন্দোলনের জন্য একাত্তরেরর লিগ্যাসি কেনো বহন করা হচ্ছে। যেহেতু দলটা তাদের, তাদেরই এই কাজ করতে হবে, বাইরে থেকে কেউ এসে করে দিয়ে যাবে না। এইটা করার আগে ইরান/মিশরের ইসলামী দলগূলোর সাথে দয়া করে তুলনা করুন, তাদের আদর্শের সাথে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু তারা কেউ বেঈমান , গনহত্যাকারী নয়।

২। যদি বর্ত্মান কাঠামোতে এই সংস্কার সম্ভবপর না হয়, তাহলে আপনাদেরই দ্বায়িত্ব নতুন কাঠামো তৈরি করে এখান থেকে বের হয়ে সবাইকে আহবান জানানো। কারণ, বোঝাই যাচ্ছে আপ্নারা ইসলামভিত্তিক সমাজ , রাষ্ট্র কায়েম করতে চান, তাতে যথেষ্ট প্রতিজ্ঞ। তাহলে কেনো একটি জাতির অর্জনের সাথে বেঈমানী করে, গনহত্যাদ দোসরদের সাথে নিয়ে তা করতে হবে? নতুন কাঠামোতে যান।

মন্দের ভালো বলতে কোনো সমাধান নেই, বিশেষত তা যদি হয় সেইরকম মন্দ – যার ক্ষমা নেই। সেটা যদি হয় বেঈমানী, গনহত্যা, ধর্ষণ এর দোসর, তার আবার মন্দের ভালো!!

[ একাত্তরের গনহত্যার জন্য পাকিস্তানকে বিশ্বের মুখোমুখি করাতে হবে, তার দোসরদের বিচার করতে হবে]
২৪. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এই ধারাবাহিকতার সাথে , তরঙ্গ ও হলদে ডানা কি বলবেন, আজকের এই শোকাবহ বুদ্ধিজীবি শহীদ দিবসে আমাদের জাতির
সূর্য সন্তানদের যে হত্যা করা হয়েছিলো , তাদের কোন বাংলাদেশী বেঈমানরা পাকিস্তানী হানাদারদের কাছে নিয়ে গিয়েছিলো?

আপনাদের কাছ থেকেই ১৬ ডিসেম্বর এর মাঝে কিছু নাম শুনতে চাই। হ্যাঁ বা না।
২৫. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪০
টেকনো বলেছেন: ভাল লাগলো
আরও আলোচনা চাই।
তাহলে আমাদের ভুল জানা গুলো মিটবে।
ধন্যবাদ
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যালো উবুন্টু ম্যান, হ্যাঁ সাথে থাকুন। আপনার কোনো মতামত বা অভিজ্ঞতা, যাই হোক না কেন , দিন।

২৬. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৮
হলদে ডানা বলেছেন: জনাব লেখক, আমি তো ছাত্রশিবিরের কোন নীতি নির্ধারক নই, ফলে এর নীতিগত কোন পরিবর্তন করা আমার জন্য সম্ভব নয়। আবার আমার একার পক্ষে এমন কোন নতুন দল গঠন সম্ভব নয় যা শিবিরের চেয়ে ভাল কোন কর্মসূচি পালন করবে। এ ক্ষেত্রে আমার প্রতি আপনার কি আহ্বান, শিবিরে অবস্থান করবো, নাকি অন্য কোন নতুন দলে যোগ দেব, দিলে কোন দলে যোগ দেব? আমি তো বিশ্বাস করি ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘবদ্ধ চেষ্টা করা ফরজ, করআন হাদিসের নির্দেশ।

শিবির যেহেতু ছাড়তে বলছেন, বিকল্প পথ দেখানোও আপনার দায়িত্ব। অপেক্ষায় রইলাম।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: ২। যদি বর্ত্মান কাঠামোতে এই সংস্কার সম্ভবপর না হয়, তাহলে আপনাদেরই দ্বায়িত্ব নতুন কাঠামো তৈরি করে এখান থেকে বের হয়ে সবাইকে আহবান জানানো। কারণ, বোঝাই যাচ্ছে আপ্নারা ইসলামভিত্তিক সমাজ , রাষ্ট্র কায়েম করতে চান, তাতে যথেষ্ট প্রতিজ্ঞ। তাহলে কেনো একটি জাতির অর্জনের সাথে বেঈমানী করে, গনহত্যাদ দোসরদের সাথে নিয়ে তা করতে হবে? নতুন কাঠামোতে যান।

মন্দের ভালো বলতে কোনো সমাধান নেই, বিশেষত তা যদি হয় সেইরকম মন্দ – যার ক্ষমা নেই। সেটা যদি হয় বেঈমানী, গনহত্যা, ধর্ষণ এর দোসর, তার আবার মন্দের ভালো!!

আপনার আদর্শ আমার পছন্দ হলে গ্রহন করবো, পছন্দ না হলে রাজনৈতিকভাবে , আদর্শগত ভাবে মোকাবেলা করবো। সেখানে আর যাই থাকুক , কোনো ঘৃণার উপাদান থাকবে না।


আপনাকে আর একটা প্রশ্ন করেছিলাম এই বিজয়ের মাসে। আপনি নিঃসঙ্কোচে উত্তর দিন।

২৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: কাল আমার ইউনি ক্লাসমেট,আমাদের জিনিয়াস, যে বেশ ধর্মভীরু, চট্টগ্রামের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গতকাল রাতে নিশ্চিত করলো যে সে এই নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারদের ভোট দেবে না, দেবে সম্ভবত ‘না’ ভোট। তার আসন টা সাতকানিয়ার।

গ্রেট। আমার প্রত্যাশা ছিলো চল্লিশ শতাংশ হিসাবে দশজনে চারজনকে বুঝাতে পারা, এক্ষনে দেখি সর্বসাকুল্যে ছয়জন হয়ে গেলো, ছয়টা ভোট! আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে...
২৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
@ হলদে ডানা, @ তরঙ্গঃ নির্বাচনের কাজে ব ব্যাস্ত? আমার লেখার একটা অংশ আবার পড়ে বলুন, আপনাদের কি ধারণা জামায়াত আর কস্মিনকালেও এককভাবে নির্বাচনে যেতে পারবে? ক্ষমতার রাজনীতির ভাগ নিতে গিয়ে জামায়াত কোন পাঁকে পড়েছে বুঝতে পারছেন?


আমি যা বুঝলাম তা হলো, আচম্বিত কিছু না হলে (সবাই জেগে না উঠলে) আজ থেকে পাঁচ-দশ বছর পরেও হয়ত জামায়াত-শিবির টিকে থাকবে, প্রশাসনে অনেক জায়গায় তাদের আরো লোক ঢুকবে, হাসপাতাল-কোচিং-ইন্ড্রাস্ট্রী-ব্যাংক এর জমজমাট ব্যাবসা চালিয়ে যাবে, হয়ত ক্ষমতার ভাগ ও পাবে, কিন্তু যে স্বপ্ন দেখিয়ে তারা অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, সেই ইসলামী সমাজ/রাষ্ট্র/বিপ্লব কিচ্ছু করতে পারবে না। ধর্মানুভূতিকে ব্যাবহার করে ব্যাবসা-রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে একটা প্রজন্মকে বেইমান বেজন্মা বানানো ছাড়া আর কোনো অর্থবহ আঊটপুট থাকবে না...
আর তরুন ভোটাররা। ০১’ উচ্চমাধ্যমিক এর পরের প্রজন্মের উদভ্রান্ত চিন্তাভাবনা নিয়ে অনেকে শঙ্কিত হলেও, কিছু কিছু ব্যাপারে এরা আমাদের চাইতে ও পরিস্কার। একটি ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ [জনাব শাহাদুজ্জামানের ভাষায়] জাতির প্রজন্ম হিসাবে এর অন্তঃত তাদের ম্যান্ডেট রাজাকার, গণহত্যার দোসরদের দেবে না এই আশা রাখছি। ভোটের পর তাই সিট নয়, আমি দেখবো পার্সেণ্টেজ।
আপ্নারা নতুনদের ‘ব্রেইনওয়াশ’ প্রক্রিয়াতে এখনই মনে হয় ‘ডিফিকাল্টি’ গুলো টের পাচ্ছেন। পাচ্ছেন না?
আলহামদুলিল্লাহ।
২৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৭
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

জামায়াতী রাজাকারগুলা হারতাছে...খুশীতে চক্ষে পানি, আর কি করুম বুঝতাছি না..., পতাকা জড়ায়া লাফ দিতে ইচ্ছা করে... :)

আহাহাহাআআআ..., কি আনন্দ আকাশে বাতাসে...
৩০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০১
রিসাত বলেছেন: জটিল পুস্ট ভালা লাগিছে,, ধইণ্যপাতা
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: আলোচনা আরো চললে ভালো লাগত, অনেকের কাছেই এদের বিভ্রান্ত প্ল্যান ধরা পড়ত। হলো তো না।


অফটপিকঃ আপনি শুনেছিলাম চট্টগ্রাম কলেজিয়েটস। ঠিক?

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: :)

৩২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:১৩
শান্তনার বানী বলেছেন: ধন্যবাদ লেখক এবং মন্তব্যকারীগনকে যারা জামাত-শিবির কে নিয়ে হইচই করেন গালাগাল করেন। আপনাদের মনে রাখা উচিত যাদেরকে আপনারা খারাপ বলছেন তারা নিশ্চই সকল ক্ষেত্রেই খারাপ। আশা করি আপনার মিশন সফল করার জন্য আপনার সামনে তাদের হাতে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কথা উল্লেখ করবেন। আর হা জোট সরকারের আমলে তাদের দুজন মন্ত্রির কোন লুটপাট কিংবা দুর্নীতির উদহারন দিতে পারলে খুশি হব। নিশ্চই তাদের খারাপ কাজের সংখ্যা কম হবেনা। জামাত শিবিরের নেতারা ৭১ এ যে সকল কাজ করেছিল নিশ্চই তারা তা এখনও ছাড়তে পারে নাই কারন তাদেরতো নিয়তই সেইরকম, আশা করি আপনার কাছে তাদের কিছু খারাপ কাজ করার প্রমান পাব। হায়! তারা এত খারাপ কাজ করে কিভাবে এত সুখে থাকতে পারে? আচ্ছা তারা যে সকল প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে তাতে কি কোন দুর্নীতি হয় না? কেন তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে? নিশ্চই কারও সাথে লবিং আছে। দেশে তো্ প্রতিনিয়ত তারা একটার পর একটা ঘটনা ঘটাচ্ছে, তারা সরকারি লোক, বিডিআর, আর্মি সহ বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের লোক সেট করে রেখেছে। তারা সবার চোখ ফাকি দিয়ে এতকিছু করতে পারে তাহলে তো তারা পুরো দেশটাই চালাচ্ছে, তাদের তো তাহলে এখন ক্ষমতায় থাকা উচিৎ। কারন জনগনতো তাদের এত কিছু করার ক্ষমতা দেখেছে। তারা ৭১ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এতকিছু করে কিভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে? তাদের কাউকে জড়িত থাকার কথা শুনাগেলও তো এখন পর্যন্ত কাউকে শাস্তি পেতে শুনিনি। আপনার জানা থাকলে জানাবনে। আর হা দেশে এত মানুষ এত গোয়েন্দা এত দল খাকতেও কেন তারা এত কিছু ঘটাতে পারে? তাহলে কি আমরা আর আমদের দেশ কি ব্যার্থ নয়? আর আমাদের দেশ কে তাহলে ব্যার্থ রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষনাটা জামাত-শিবিরই দেয়ার কথা আওয়ামিলীগ সরকার কেন দেশে-বিদেশে এই দেশ কে অকার্যকর আর ব্যার্থ বলে? তাহলে কি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ, স্বাধীনতা আন্দোলন, আর স্বাধীনতা অর্জন কি ব্যার্থ?
৩৩. ২৭ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: শুধু ভার্চুয়ালে রাজাকার / ড়াজাকার তাড়িয়ে আমরা খুশী থাকবো?
-না, তয় ভার্চুয়াল রাজাকার খেদানিরও প্রয়োজন আচে।
যুদ্ধ চলুক সবখানে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রচুর স্বপ্ন দেখি,কিন্তু প্রচুর হতাশায় ভুগি| প্রচুর কাজ করি,কিন্তু প্রচন্ড অলস| জীবনকে উপভোগ করার পক্ষে, কিন্ত জীবনের সার্বিক যোগফল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ