আমার প্রিয় পোস্ট
- ১ মিনিটে কাজ করবে এমন কিছু ওয়েবসাইট দেখে নিন

কাজে লাগলে জানাইয়েন - মামুন হতভাগা
- ফায়ারফক্স এর আকর্ষণীয় কিছু ট্রিকস...... - মানচুমাহারা
- একটু হাল্কা হাসেন
-- বাংলাদেশ আমার অহংকার - রিফাত হোসেন
- ** নাম না জানা (!) কিছু অসাধারন ও ফাটাফাটি সফটওয়্যার ** - একান্ত কথা
- ইউটিউবে আমার পছন্দের কিছু সুর, সারাদিন বসে বসে যেগুলো শুনি-২ - নুভান
- জুতার ফিতা বাধার কৌশল ও স্যারের ফিতার গল্প... - গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম
- এক ক্লিকে ঘুরে আসুন নিজ জেলা থেকে - যাযাবর রাজিব
- মুভি ডাউনলোড... - আহাসান
- ঢাকায় কোথায় কোন উল্যেখযোগ্য লাইব্রেরীঃ - জুল ভার্ন
ফটোগ্রাফির অষ্টম পাঠ
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
ডিজিটাল ক্যামেরার হাড্ডি গুড্ডি
ফ্লিম ক্যামেরার প্যাচালটা যদি বুইঝা থাকেন তাইলে ডিজিটাল ক্যামেরার কথাবার্তি গুলান এক্কেরে পানি ভাত মনে হইবো। সোজা হিসাব... ফ্লিমটার জায়গায় খালি একটা সেনসর চিন্তা করেন, ব্যস হইয়া গেল ডিজিটাল ক্যামেরা। তাইলে সেনসর জিনিষটা কি এইটা আগে বুইঝা লই।
সেনসরের আক্ষরিক অনুবাদ হইলো যা কিসু একটা সেন্স করে। এই "কিসু"টা যে কোন "কিসু" হইতে পারে। যেমন ধরেন মোশন সেনসর নাড়াচাড়া সেন্স করতে পারে, হিট সেনসর গরম না ঠান্ডা হেইডা সেন্স করতে পারে। এইখানে যে সেনসর নিয়া আলাপ হইবো সেইটা হইলো "ইমেজ সেনসর" যেইটা আলো সেন্স করতে পারে। অবশ্য "ইমেজ সেনসর" শুধু আলো সেন্স কেইরা বইয়া থাকেনা, আলোটারে আবার ইলেকট্রিকাল সিগন্যালেও রুপান্তর করতে পারে।
"ইমেজ সেনসর" সাধারনত দুই ধরনের হয়। সি.সি.ডি (CCD = Charged Couple Device) আর সিমোস (CMOS = Complementary Metal Oxide Semiconductor)। নাম,গঠন যেইটাই হোক দুইটারি একই কাম। আলোরে ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল বানানো। এরা ক্যামনে কাজ করে সেইটা বোঝনের চেয়ে কি কাজ করে সেইটার আইডিয়াটা দরকার বেশি । তাই বেশি থিউরিতে গেলাম না।
ধরেন একটা আয়তোক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব রাজাকার গুলারে গাদাগাদি কইরা দাড়া করানো হইলো আর আপনে একটা গুলতি লইয়া এক একটারে নিশানা কইরা ঢিলা মারা শুরু করলেন। যার চান্দিতে ঢিলা লাগতাসে হে চিল্লান দিতাসে আর আপনের বন্ধু কেউ একজন ক্যাডায় চিল্লান দিলো হেইডা লিখা রাখতাসে ।
এখানে আপনে হইলেন আলোর উৎস, ঢিলা গুলান হইলো আলোর কনিকা ফটোন,রাজাকারগুলান হইলো ফটো সেনসিটিভ সেল, তাগোর চিল্লানোটা হইলো ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল আর আপনের যেই বন্ধু ক্যাডায় ক্যাডায় চিল্লাইলো লিখ্খা রাখতাসে হে হইলো ইমেজ প্রসেসর।
ইমেজ প্রসেসরের কামের কুনো শেষ নাই। এই হালায় ইলেকট্রিকাল সিগন্যালগুলারে পিক্সেল(বিস্তারিত শেষে আসে) বানায়, মেমরিতে সেভ করে, ক্যামেরার মনিটরে দেহায় এমনকি অনুরোধের ফাপরে পইরা কিসু এফেক্টও দিয়া দেয় মাঝে সাঝে। ইমেজ প্রসেসর কতো শক্তিশালি তার উপর ক্যামেরার দামও অনেক নির্ভর করে। যদি আপনের ডিজিটাল ক্যামেরা বা ক্যামেরা ওয়ালা ফোনের ম্যানুয়ালটা কাসাকাসি থাকে তাইলে এটট্টু কষ্ট কইরা ২টা জিনিষ খুইজা বাইর করেন ওইখানে । এক, "সেনসর টাইপ" এ কি লেখা আসে? সিসিডি না সিমোস? আর দুই, "ইমেজ প্রসেসর টাইপ" এ কি লেখা আসে? যেমন আমি জানি আমার ক্যানন ৪৫০ডি এর সেনসর টাইপ হইলো "সিমোস" আর ইমেজ প্রসেসর টাইপ হইলো "ডিজিক ৩"।
যাউকগা আগের লেখাটায় বলতেসিলাম ফ্লিমের কি কি সাইজ হয়। একই রকম ভাবে সেনসরেরও কয়েকরম সাইজ হয়। কি টাইপের ক্যামেরা সেইটার উপর নির্ভর করে সেইটাতে কি সেনসর ব্যবহার করা হইসে। মোবাইল ক্যামেরার ছবি বাসার ডিজিটাল ক্যামেরার মতো সুন্দর আসে না ক্যান? শুধু মেগাপিক্সেল কম ওই জন্য না কিন্তু। ছবি সুন্দর হয় কারন মোবাইল ক্যামেরার ইমেজ সেনসর ছোট আর ডিজিটাল ক্যামেরার ইমেজ সেনসর বড়। আবার আইফোনে কিন্ত ইমেজ সেনসর অন্য মোবাইলের চেয়ে বড় তাই এইটাতে ছবি ভাল আসে।
ফ্লিম এস.এল.আরের কথা এর আগের লেখায় বলা হইসে। এইবার সেইটার ফ্লিমের যায়গায় একটা ইমেজ সেনসর কল্পনা করেন। হইয়া গেলো ডিজিটাল এস.এল.আর। ডিজিটাল এস.এল.আরে বেশ কয়েক ধরনের সেনসর ব্যবহার করা হয়। ইমেজ সেনসরের সাইজটা যদি ফিল্মের সাইজের সমান (৩৫ মি.মি. বাই ২৪ মি.মি.)বা কাসাকাসি হয় তাইলে সেইটারে বলা হয় ফুল ফ্রেম সেনসর আর ক্যামেরাটারে বলে ফুল ফ্রেম ডিজিটাল ক্যামেরা।
কিন্তু কোন ক্যামেরার ইমেজ সেনসর যদি ফুল ফ্রেম সেনসর এর চেয়ে ছোট হয় তাইলে কি হইবো? তাইলে ফুল ফ্রেম সেনসরে যে ছবিটা পরতো, ছোট সেনসরে তার সেই একি ছবির চারপাশের বর্ডারের কাছ থেইকা কাইটা মাঝখানে যেট্টুক বাচে ততখানি পরবো। টিফিন বক্স যদি পাইরুটির চেয়ে ছুডু অয় তাইলে চারপাশ ফালাইয়া ঢুকাইতে হয় না? ওইরকম আরকি।
এই কাইটা ফেলনের ঘটনাডারে কয় ক্রপিং আর কোন সেনসর কতখানি কাটবো তারে কয় ক্রপ ফ্যাকটর। যেমন আমার ক্যামেরার (ক্যনন ৪৫০ডি) ক্রপ ফ্যাকটর ১.৬ । এইটার মানে হইলো ফুল ফ্রেম সেনসরের চেয়ে আমার ক্যামেরার সেনসর ১.৬ গুন ছোট।
ক্যামেরার কিননের সময় (অথবা কিন্না ফালাইলে কিননের পরে) ক্যামেরার ক্রপ ফ্যাকটর জানাটা দরকারি। ফুল ফ্রেম ইমেজ সেনসরে ক্রপ সেনসরের তুলনায় কম নয়েজ আর বেশি ডিটেইল ছবি পাওয়া যায়। এই পার্থক্যটা খুব ভাল মতো বোঝা যায় কম আলোয় ছবি তুলতে গেলে। যেহেতু কম আলো সেহেতু আই.এস.ও বাড়াইতে হয়। যেহেতু আই.এস.ও বাড়াইতে হয় সেহেতু নয়েজ আসার প্রবনতা বাড়ে। ইমেজ সেনসর যত বড় হয় সেইটা এই নয়েজকে তত ভালভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে।
যেইকারনে ফুল ফ্রেম ক্যামেরায় অনেক হাই আই.এস.ও যেমন ৬৪০০ এ ফটো তুললেও ছবিতে নয়েজ আসে না। কিন্তু একি কাজটা যদি কোন পয়েন্ট এন্ড শুটে করতে যান তাইলে যতই হাই আই.এস.ও সাপোর্ট করুক মোটামুটি ২০০ এর উপরে গেলেই ছবিতে গ্রেইন আসা শুরু করবো। আমার ক্যামেরায় আমি ৪০০-৮০০ পর্যন্ত মোটামুটি ভাল পারফরমেন্স পাই।
কয়েকটা ইমেজ সেনসরের নাম জাইনা রাখা ভাল। তাইলে পরে মিলায়া দেখতে পারবেন ম্যানুয়ালের সাথে (এইখানে বইলা রাখি ক্যামেরার ম্যানুয়াল পরাটা একটা ফরজ কাজ ) । ফুল ফ্রেম ইমেজ সেনসরের আলাদা কোন নাম নাই, এই নামেই পরিচিত। ক্রপ সেনসরের মধ্যে ক্যাননের প্রো লেভেলের গুলায় ব্যবহার হয় APS-H সেনসর ( ২৮.৭ মি.মি. বাই ১৯ মি.মি.) যেইটার ক্রপ ফ্যাকটর ১.৩। নাইকনের ক্রপ সেনসর ক্যামেরা গুলা শুরু হয় ক্রপ ফ্যাকটর ১.৫ থেইকা। সেনসরের নাম DX । ক্যাননের ক্রপ ফেকটর ১.৫ এর সেনসরের নাম APS-C। সনি আলফা সিরিজের কিসু ক্যামেরায় ১.৫ ক্রপ ফ্যাকটরের সেনসর ব্যবহার হয়। এই APS-C সেনসরের মধ্যে আরেকটা আসে যেগুলা ক্যাননের এন্ট্রি লেভেল ডি এস এল আরে ব্যবহার হয় । এইগুলার ক্রপ ফ্যাকটর ১.৬।
ডিজিটাল কমপ্যাকট ক্যামেরা যাকে আমরা বলি পয়েন্ট এন্ড শুট, এ ক্রপ ফ্যাকটর শুরু হয় ৩ থেইকা, যেইটা ৭ পর্যন্ত যাইতে পারে। মোবাইলের ক্যামেরার ক্রপ ফ্যাকটর সাধারনত ১৪ থেইকা শুরু হয়।
ইমেজ সেনসর আর ক্রপ ফ্যাকটর নিয়া এতো কচকচানির উদ্দেশ্যটা যখন ক্যামেরার লেন্স নিয়া কথা কমু তখন বুঝা যাইবো। একই লেন্স, ক্রপ ফ্যাকটরের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ক্যামেরায় ভিন্ন ভিন্ন আচরন করে।
উফফফফফ কাহিল লাগসে।
এই তো গেল ৩৫ মি.মি ফরমেটের ডিজিটাল ক্যামেরার কথা। এ ছাড়া মিডিয়াম ফরমেটের ডিজিটাল ক্যামেরাও আসে যেইটার সেনসরের সাইজ ৩৬ বাই ৪৮ মি.মি এর মতো।
পিক্সেল আর মেগাপিক্সেল
ডিজিটাল ক্যামেরায় আরেকটা টার্ম খুব বেশি ব্যবহার করা হয় যেইটা হইলো পিক্সেল। পিকচার এলিমেন্ট বা সংক্ষেপে পিক্সেল হইলো ছবি বানানির ইট। ইমেজ সেনসর আলোরে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রুপান্তরের পর ইমেজ প্রসেসর পিক্সেলের পরে পিক্সেল সাজায়া ছবি টা বানায়। তয় ম্যাক্সিমাম কয়টা পিক্সেল ব্যবহার করতে পারবো সেইটা নির্ভর করবো সেনসরের সাইজের উপর । এখন আপনের ক্যামেরা যদি প্রসেসর রে কয় আব্বে ওই ! একটা ১০ মেগা পিক্সেলের ছবি বানা তো । তাইলে প্রসেসর মামায় সেনসরের সাহায্য লইয়া দৈর্ঘ্য বরাবর বসাইবো ৩৮৭২টা পিক্সেল আর প্রস্থ বরাবর বসাইবো প্রতি কলামে ২৫৯২টা পিক্সেল। তাইলে টোটাল পিক্সেল হইবো ৩৮৭২ গুন ২৫৯২ = ১০০৩৬২২৪টা পিক্সেল বা ১০ মেগাপিক্সেল।
তাইলে বুঝতেই পারতাসেন আপনের যেই ক্যামেরাই হোক চেষ্টা করবেন যদি মেমরি থাকে তাইলে অবশ্যই সবচেয়ে ম্যাক্সিমাম পসিবল মেগাপিক্সেলে ছবি তুলতে।
আইজকা মনে হয় থামি এইখানে। বেশি হইয়া যাইতাসে
। কিসু না বুঝলে আওয়াজ দিয়েন। নেক্ট পাঠে লেন্স নিয়া কথা কওনের ইচ্ছা রাখি।
হ্যাপি ফটোগ্রাফি
আগের পর্ব গুলার লিংক:
১) Click This Link
২) Click This Link
৩) Click This Link
৪) Click This Link
৫) Click This Link
৬) Click This Link
৭) Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইফ শামস বলেছেন:
খুব ভাল লিখেছেন। ধন্যবাদ। আগের ৭টার লিংক-ও এই লেখার সাথে দিলে আমাদের মত অলসদের সময় বাঁচত। আরো জানার প্রতিক্ষায়...।
লেখক বলেছেন: দিয়া দিসি শামস ভাই
আশা করি উপকারে লাগবে... আমিও আইলশা তো তাই দেই নাই আগে...
আইলশা আইলশা ভাই ভাই
এখানে আকাশ নীল বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, পরে পড়ব!
লেখক বলেছেন: ঠিকাসে...মনে কইরা পইরেন তাইলে ![]()
যীশূ বলেছেন:
নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা কিনছি। এই পোস্টে ট্যাকনিক্যাল অনেক কিছু জানলাম। ধইন্যা আপনারে। অফটপিক: ছবি প্রদর্শনী দেখতে গেছিলেন?
লেখক বলেছেন: নাহ... মিস করসি ![]()
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
ভাই সবাই বলে যে সিসিডি সেন্সর সিমোসের চেয়ে দামী এবং ভাল কিন্তু বাজারে সিসিডি যুক্ত ক্যামেরার দাম কম কারন কি???
লেখক বলেছেন: একটা ক্যামেরায় সিসিডি থাকলে কিছু কমপোনেন্ট কম লাগাইতে হয় সাথে যেমন নয়েজ ফিল্টার চিপ। কিন্তু গঠনগত কারনে সিমোসে আলো কনভারশনের সময় নয়েজ আসে তাই নয়েজ ফিল্টার চিপ বসাইতে হয়। এই কারনে সিসিডি ওয়ালা ক্যামেরার দামটা কইমা আসে।
মজার জিনিষ হইলো, সিমোসে নয়েজ সরানোর পর যে রেজাল্ট টা আসে সেইটা কিছু কিছু ক্ষেত্রে সিসিডি এর চেয়ে বেটার
। নাইকন যখন প্রথম ডিজিটাল এস এল আর ক্যামেরা বাইর করে তখন সেটাতে সিসিডি ছিল । বাজারে যখন গুজব উঠলো যে সিমোসে কম নয়েজ আসে তখন তারা সিমোস বসানো শুরু করে আর ক্যাননের শুরু থেইকাই সিমোস ।
গুরুজী বলেছেন:
সোজা প্রিয় তে!
লেখক বলেছেন: থেংকু ![]()
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
পিক্সেল নয়, কোনো আলোকচিত্রের সাফল্য নির্ভর করে ইমেজ সেন্সরের ওপর। কারন কি???
এই সেন্সর তৈরির রয়েছে দুটো প্রযুক্তি। একটি চার্জ কাপল্ড ডিভাইস তথা সিসিডি এবং অপরটি কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর তথা সিএমওএস।
সিসিডি প্রযুক্তির আলোকচিত্রের মান অনেক ভালো। সে তুলনায় সিএমওএস প্রযুক্তি অনেক পিছিয়ে আছে।
কারন কি??
যদিও সিএমওএস আকৃতিতে ক্ষুদ্র এবং বিদ্যুৎ খরচ কম।
লেখক বলেছেন: কাগু, প্রথমটার উত্তর হইলো, পিক্সেল কোয়ালিটি। ক্যামেরা অনেক অনেক মেগাপিক্সেলদিয়া একটা ছবি বানাইলো, কিন্তু পিক্সেল গুলার প্রপার্টি যেমন উজ্জলতা, রং, গঠন,গভিরতা বেশি সুবিধার না, তাইলে সেই ছবি কি ভালা হইবো? সেনসর এই পিক্সেল কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রন করে।
যেই কারনে মোবাইলের ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়া তোলা ফটো ফোর আরে প্রিন্ট করলেও ফাইটা যায় কিন্তু ক্যনন জি নাইন/ জি টেন ক্যামরায় তোলা ৬ মেগাপিক্সেলের ফটো দিয়া বাংলাদেশে বিলবোর্ডও হয়।
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
সনি সাইবারসট "w220" ক্যামেরাটি কেমন হবে?আমি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা কিনতে ইচ্ছুক,বাজেট ১৫০০০/-।কোনো ভাবেই এর উপরে না।আমাকে একজন বলল এই মডেলটির ব্যাপারে,আমি নেট এ দেখলাম-
12.1 megapixel,
Carl Zeiss® Vario-Tessar®,
4x optical zoom lens,
2.7" LCD,
BIONZ™ image processor,
Smile Shutter™ technology,
Face Detection,
Optical SteadyShot™ image stabilization.
লেখক বলেছেন: লেন্সটা খুব ভাল কিনতু ক্যামেরাটার লো লাইটের পারফর্মেন্স ভালা না। অবশ্য ডিপেন্ড করে আপনে কি কাজে ক্যামেরাটা ব্যবহার করবেন।
যদি সিরিয়াসলি ফটোগ্রাফি করার ইচ্ছা থাকে তাইলে গো ফর এ ক্যানন ওর নাইকন । নাইলে কয়দিন পর নিজেরি মনে হবে ক্যান সনি নিলাম। আপনের বাজেটের মধ্যেই পাওয়ার কথা।
লেখক বলেছেন: ভাল ক্যামেরা। কলিগের আসিলো তাই ইউজ করার সুযোগ হইসে একবার। পয়েন্ট এন্ড শুটের স্ট্যান্ডার্ড ম্যানুয়াল মোডগুলা আসে (MAPS) তাই স্লো শাটারে সীমিত আকারে মজা করনের সুযোগ আসে (সম্ভবত ১৫ সেকেন্ড পর্যন্ত)। ছবির শার্পনেসে এট্টু ঝামেলা আসে যদি রাইতের বেলা তোলেন। ২০০ এর বেশি আই এস ও তে গ্রেইন আসে, অবশ্য এইটা সব পয়েন্ট এন্ড শুটেই আসে। আর খিতা খইতাম? একটা জিনিষ ঘটার জোর সম্ভাবনা আসে যে ১ বছর/৬ মাস পর এইটা বেইচা একটা এস এল আর কিনার ভুত মাথায় উঠতে পারে ![]()
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
কিন্তু কোন ক্যামেরার ইমেজ সেনসর যদি ফুল ফ্রেম সেনসর এর চেয়ে ছোট হয় তাইলে কি হইবো? তাইলে ফুল ফ্রেম সেনসরে যে ছবিটা পরতো, ছোট সেনসরে তার সেই একি ছবির চারপাশের বর্ডারের কাছ থেইকা কাইটা মাঝখানে যেট্টুক বাচে ততখানি পরবো। টিফিন বক্স যদি পাইরুটির চেয়ে ছুডু অয় তাইলে চারপাশ ফালাইয়া ঢুকাইতে হয় না? ওইরকম আরকি। দারুণ করে লিখছেন।
আসলেই ভাল লিখছেন।
খুব ভাল হইছে।
শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই... লেখার সময় মনে হয় খিদা লাগসিলো তাই এরম উদাহরন বাইরইসে ![]()
কাঙাল মামা বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম,
লেখক বলেছেন: থেংকু থেংকু ![]()
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
উপস্থিত, স্যার!
লেখক বলেছেন: ঠিকাসে, হাজিরা বহিতে এন্ট্রি দিলাম ![]()
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
সুখবর বাসায় রাজি হইছে ১৫০০০৳ দিবে আমি ১৫০০০৳ মোট ৩০০০০৳কি ক্যামেরা কেনা যায়?? ধরেন একটু সৌখিন ফটোগ্রাফি করলাম।
টুকটাক গাছের, পাতার বোকে টোকে আরকি। কি কেনা যায়???
লেখক বলেছেন: এট্টু সাহস কইরা একটা নাইকন ডি ৪০ কিন্নালান
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
Nikon D60 vs Canon EOS 450D পাল্লাভারী কোন দিকে ও কেন???
লেখক বলেছেন: পাল্লা আসলে দুই ক্যামেরার ভারেই কাইত্ হইয়া পইরা গেসে কুনদিকে যাওনের আগেই
দুইটাই প্রায় সমান ক্যালিবারের ক্যামেরা তয় দামে ক্যাননেরটা বেশি। পারফর্মেন্সও সমান। ঝামেলাটা লাগে লেন্স কিননের সময়। ক্যাননের একটা লেন্সের দাম দিয়া নাইকনের ২টা কোন কোন ক্ষেত্রে ৩ টাও লেন্স কিন্না ফালান যায় । এইটার কোন কারন নাই... কইতে পারেন ক্যাননের ভাব বেশি তাই
তাই যদি ফটোগ্রাফি থেইকা ইনকাম না থাকে তাইলে ক্যানন পালা এট্টু হতাশাজনক।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
এইডা প্রিয়তে। দারুন লেখছ।
লেখক বলেছেন:
থেংকু থেংকু
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
শুক্র শনি সোম ছুটি। চাইলেই রবি ছুটি পামু। যাইবা নাকি কোথাও?
লেখক বলেছেন: আমার তো ছুটি নাই
....বিয়ার সিজন চলতাসে না?... ২৮ তারিখ পর্যন্ত প্রত্যেকদিন বিয়া করতে হইবো :p
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
হা হা হা হা হা কথা সত্য
লেখক বলেছেন: বিয়া করতে করে মুটা হইয়া যাইতাসি ![]()
লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে.....সরি ![]()
শওকত আহমেদ বলেছেন:
ক্যানন 450D কিনতে চাইছিলাম কিন্তু এখন নাকি অইটা আর নাই। মনে হয় 500D কিনতে হবে কিন্তু দাম ১০ হাজার বেশি। আরেকটা চয়েস আছে নিকন D60 । কোনটা কিনব পরামর্শ দেন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ৫০০ ডি
৫০ডি এর প্রায় সব ফিচার ৪৫০ ডি এর বডিতে ভরলে যেইটা হইবো সেইটা হইলো ৫০০ ডি । তার উপরে আবার ডিজিক ৪ প্রসেসর ।
শওকত আহমেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই আপনার পরামর্শের জন্য । আমার মাথা পুরা আউলা হয়ে আছে গত চারমাস ধরে কোন ক্যামেরা কিনব এই চিন্তায়। কিন্তু আরেকটা কথা আমি কিন্তু একেবারেই নবিশ ।
লেখক বলেছেন: ব্যাপার না শুরুতে তো সবাই নবিশ..ইটস দ্যা ডেডিকেশন দ্যাট মেকস দা ডিফারেন্স ![]()
অগ্রজ বলেছেন:
ব্যাপক হইছে
লেখক বলেছেন: থেঙকু ![]()
লেখক বলেছেন: হ না শিইখ্যা যাওনের কাম নাইক্যা। শিইখ্যা হের পর যায়েন ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
লেখার স্টাইল্টা পছন্দ হইছে । আর ফটোগ্রাফি ভালা পাই।
আপনে দেখি সিরাম বস!
সময় থাকলে একটু রিভিউ দিয়েন (ছবিব্লগ)
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনের ফটো গুলা ভালাই হইসে...দীগন্তরেখার দিকে একটু খেয়াল রাইখেন যাতে সুজা থাকে....সম্ভবত আপনের ওয়াইড কম্পোজিশনের দিকে বেশি ঝোক। যেহেতু আপনের ছবিতে সূর্য একটা কমন সাবজেক্ট সেহেতু সিলুয়্যেট বেশি...সেই ক্ষেত্রে ছবির কালার গুলা একটু ফেড হইয়া যায়, কারন ইয়েলো কাস্টিং অনেক বেশি। তোলার সময় ক্যামেরাতে কনট্রাস্ট বাড়ায় নিয়েন...ছবি শার্প আসবে আর কালার গুলাও ফুটবো ভাল মত ![]()
বেশি আতলামি কইরা ফালাইসি মনে লয়...কিসু না বুঝলে আওয়াজ দিয়েন ![]()
ধরেন একটা আয়তোক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব রাজাকার গুলারে গাদাগাদি কইরা দাড়া করানো হইলো আর আপনে একটা গুলতি লইয়া এক একটারে নিশানা কইরা ঢিলা মারা শুরু করলেন। যার চান্দিতে ঢিলা লাগতাসে হে চিল্লান দিতাসে আর আপনের বন্ধু কেউ একজন ক্যাডায় চিল্লান দিলো হেইডা লিখা রাখতাসে ।
এখানে আপনে হইলেন আলোর উৎস, ঢিলা গুলান হইলো আলোর কনিকা ফটোন,রাজাকারগুলান হইলো ফটো সেনসিটিভ সেল, তাগোর চিল্লানোটা হইলো ইলেকট্রিকাল সিগন্যাল আর আপনের যেই বন্ধু ক্যাডায় ক্যাডায় চিল্লাইলো লিখ্খা রাখতাসে হে হইলো ইমেজ প্রসেসর।
লেখক বলেছেন: সুন্দর কপি পেষ্ট হইসে... সাবাশ আপনেই পারসেন ![]()
গুরুজী বলেছেন:
আপনার আটটা পর্ব কয়েকবার কইরা পড়ছি, ফটোগ্রাফি ভালা পাই।অ.ট.- পহেলা বৈশাখে আপনার সাথে কথা কইতে ইচ্ছা করতেছিল কিন্ত আপনের সাথে অনেকে আছিল দেইখা সাহস পাইনাই
পরেরবার সাহস কইরা কইয়া ফালামু
লেখক বলেছেন: আয় হায় কন কি... আমার লগে কথা কইতে সাহস লাগে? আমি কি এতই ভয়ংকর দেখতে? :o
আর.এইচ.সুমন বলেছেন:
গুরু এতক্ষণ ধইরা সব গুলা পোস্ট গিলা খাইলাম ......বস এই লিংকটা একটু দয়া করে দেখেন ........View this link
আমি এইটা কিনতে চাচ্ছি ....। সাথে আপনার মুল্যবান অভিমত দিবেন পিলিজ ,,,,,,,,,
ফটোগ্রাফির ওপর বেশ মন আনচান করার বদ অবভাস আছে ...
ক্যামেরার অভাবে মোবাইল দিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম .......
ছবিগুলো সব দিলাম মাইন্ড কইরেন না ... স্যার কে প্রাকটিক্যাল কিছু এক্সপেরিমেন্ট দেখালাম ...... আমাকে দিয়ে হবে তো স্যার .....
ক্যামেরা লিংক টা দেখে একটু বলেন এই টা কিনবো না অন্যটা ......
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন:
ভাই আপনে তো ফাটায়া ফালাইলেন।এবার শিখাই ছারমু।ভাই, প্রব্লেম এ পরলে হেল্প কইরেন কইলাম।
ৈহমনতী বলেছেন:
আমি কি পারবো??শিখতে????
সন্জু ৩০৭ বলেছেন:
থাকে কই???আপনার কোন দরকারে যদি কাজে লাগতে পারি তো মনে কিন্চিৎ শানতি পাইবার পারি।
০১৭১৪২৯৩২৬৩
ফটোগ্রাফি আমাকে কোন সুজোগ দিচ্ছে না আমি যতি তার মন গলাতে চেষ্টা করি না কেন।
but i want to learn it passionately.
thanks dear.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















