somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফটোগ্রাফির প্রথম পাঠ

২৫ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফটোগ্রাফির প্রথম নিয়ম হইলো, নিয়ম ভাঙা। কিন্তু একটা নিয়মরে ভাইঙ্গা চুইরা, খিচুরি বানায়া, সেইটা থেইকা তেহারি বাইর কইরা নিয়া আসার আগে, জানতে হইবো নিয়মটা আসলে কি আসিলো। নাইলে নিয়ম ভাঙ্গাটাও ঠিক জুইতের হইবো না।

আমার এই লেখার উদ্দেশ্যটাও কিন্তু সেইটা। যাদের একটা ফটো তুলার পর মনের ভেতর অন্য রকম একটা আনন্দ হয়, তারা আর কি কি ভাবে এই আনন্দ আরো বেশী কইরা পাইতে পারে, তার কায়দা কানুন গুলান একটু চিনায়া দেওয়া। আপাতত আপনের ক্যামেরা আসে কি নাই ওইটা নিয়া চিন্তা কইরেন না, কারন এখন যা কমু তা পড়তে হইলে ক্যামেরা জীবনে একবার দেখলেও চলবো, ক্যামেরা থাকনটা আবশ্যক না। তাইলে আসেন আর প‌্যাচাল না পাইরা ফটোগ্রাফির নিয়মের দুনিয়ায় প্রথম পা ফালাই।

এক্সপোজার (Exposure)

ফটোগ্রাফি জীবনের প্রথম এবং শেষ পর্যন্ত এই শব্দটা আপনার অসংখ্যবার শুনতে হইবো। তাই আমি মনে করি এইটা দিয়াই ফটোগ্রাফির টার্ম শিক্ষা শুরু করা উচিত।

ফটো কি? ফটো জিনিষটা হইলো আলোর একটা খেলা। ফ্লিম ক্যামেরার কথা যদি চিন্তা করেন তাইলে, আলো যখন সাবজেক্টের উপর থেইকা প্রতিফলিত হইয়া আইসা ফ্লিমের ইমালশানের উপর পরে তখন এর উপর আলোক সংবেদী (পুজা বেদী না.. photo sensitive :P ) একটা বিক্রিয়া হয় আর যেইটা তৈরী হয় আমরা সেইটারে বলি ফটো। আর ফ্লিমের আলোর সংস্পর্শে আসা টারে বলে, "ফ্লিমটা আলোতে এক্সপোজ হইলো" ।

ডিজিটাল ক্যামেরায় যেহেতু ফ্লিমের কারবার নাই, তাই এইখানে এক্সপোজ হওয়া মানে হইলো ভিতরে সেনসরটার উপর আলো পড়া। ডিজিটাল আর ফ্লিম ক্যামেরা কেমনে কাম করে সেইটা নিয়া আরেকদিন লেখার ইচ্ছা রাখি। ওহন এক্সপোজারে ফেরত যাই।

তো সেনসর বা ফ্লিমের উপর আলো পড়াটারে যদি এক্সপোজার কই তাইলে এই আলোটারে কন্ট্রোল করার কায়দাটারেই আমরা বলতে পারি এক্সপোজার কন্ট্রোল করা । আলো যদি বেশী পরে তাইলে বলা হয় ওভার এক্সপোজ হইসে আর যদি কম পরে তাইলে বলা হয় আনডার এক্সপোজ হইসে। ছবি ওভার এক্সপোজ হইলে সাদা সাদা বেশি লাগে আর আনডার এক্সপোজ হইলে মনে হয় দুনিয়া বড়ই আন্ধাইর।

এক্সপোজার কন্ট্রোল করা হয় তিনটা জিনিষ দিয়া: অ্যাপারচার (Aperture), শাটার স্পিড (Shutter Speed) আর আই.এস.ও (ISO) ।

এই তিন বস্তু কি খায় না মাথায় দেয় ...সেইটা নেক্সট পোস্টে কমুনে। লিখতে লিখতে হাপায় গেসি আজকে... ওহন যাই গা.. যাওনের আগে আমার একটা ফটুক আপনেগো লাইগা গিফ্ট...হেপ্পি ফটোগ্রাফি :)
৪২টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×