বিদ্রূপে সাজানো সব কৃষ্ণমৃত্যু সাঙ্গ হলে
জীবনের ক্যানভাসে ঢেউ;
সময় বহন করি,
করতলে ডালিমের ফুল
জীবন যাপন করি, প্রহরিণী খুলে ফেলে অম্বর প্রাসাদ-
মরন যাপন করি, শ্রুতিতে আদিম সময়সুর
আঁধার মূর্ছে পরে দিপালী দিপালী
শ্রাবন পীড়ন থেকে যুগ্মধারায় জাগে অবাক শিশুর চোখ,
পড়শি বেদনার মত সনাতন অন্ধকার বুনে বুনে
দ্যুতিমান হয়ে ওঠে নিবিড় আঁধার
রাত্রি আকাশ জাগে বিজলি বিজলি
শ্রাবণ দিনের প্রয়াণ সাঙ্গ হলে
অর্চিত দূর্বাঘাস,
শেফালী শরীর মারিয়ে
শুরু হয় মৃগয়া উৎসব।
সূর্যশিশির দেখে দেখে
হরিণের হিরে চোখ নাচে,
নাচে বৃষ্টিবৃক্ষ
প্যারাডাইস বার্ড
নীলাভ ফড়িং, শ্বেত প্রজাপতি ---
নদীরেখা আঁকে জল রূপালি রূপালি
তৃষ্ণার ওষ্ঠজ্বালা শান্ত শীতল হলে
মহীশুর চন্দন মেখে জেগে ওঠে
মুক্তার মত ভোর।
যাপনের বিষ
নীলকণ্ঠ বেয়ে বেয়ে
পরিস্রুত হয়
উৎস বীজ বোনা গান
শিবরঞ্জনী সুরে সুরে খুলে দেয়
জীবনের উদ্বেল আলোপ্রার্থনা
ভোরের আকাশ কত সোনালী সোনালী !
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



