সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে)
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১০
সামহোয়ারে সবচেয়েকার্টুনপ্রিয় ব্যক্তিটির নাম ইবনে সালাম। এমনিতে তাকে কালেভদ্রে দেখা যায়। ক'দিন আগে জাগারান ওরফে আশরাফ রহমানের উপার্জনে ভাগ বসিয়ে সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু তার কার্টুনপ্রেম পরীক্ষিত। ভদ্রলোকের হবি ইসলামবিরোধীকার্টুন জমানো। তাই অমনিবাস যখন ভুলে মহানবীর কার্টুন প্রোফাইলে দিলো, সবার আগে আগুন লাগিয়ে দিলেন ইবনে সালাম (যাকে অনেকে সালাম আঙ্কেলের ছেলেও ডাকেন)। প্রথম আলোর ফানম্যাগ আলপিনের কেলেঙ্কারিও তিনিই প্রথম সামহোয়ার ইন ব্লগে আনার হকদার। দৈনিক নয়াদিগন্ত কপিপেস্ট মারা তার সেই বিখ্যাত পোস্ট দৈনিক প্রথম আলোর সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন আলপিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা:-কে বিদ্রূপ করে কার্টুন প্রকাশ ! সামহোয়ারে আসার পরই আগুন লেগে যায়। পাঠকদের জন্য চমকপ্রদ হচ্ছে এই পোস্টে কিছু প্রগতিশীল বলে কথিত ব্লগারের মন্তব্য।
সালামপুত্রের আশীবার্দের পর ব্লগে পোস্ট পড়তেই থাকে। অনেক ধ্রুপদী পোস্ট সংশ্লিষ্ট ব্লগার ব্যান খাওয়ায় দৃষ্টির আড়ালে চলে গেছে। প্রথম আলোর অপরাধ এবং কার্টুনিস্ট আরিফের গ্রেপ্তারের সবচেয়ে দুর্দান্ত পোস্টটি দিয়েছিলেন পারভেজ নামে একজন। তার প্রথম আলোর আলপিন বাজেয়াপ্ত কার্টুনিষ্ট আরিফুর রহমান গ্রেফতার পোস্টে উনি আরিফের আকা কার্টুনের দারুণ বর্ণনা দিয়েছেন মর্দে মুসলমানদের ঈমান জাগাতে। লিখেছেন প্রসঙ্গতঃ প্রথম আলোর সাময়িকী ‘আলপিন’-এ একটি কার্টুনে একটি হুলো বিড়ালের মুখে দাড়ি লাগিয়ে তার নাম দেয়া হয় ‘মোহাম্মদ বিড়াল’। এছাড়া ‘সংযম’ নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে ব্যঙ্গচিত্র।
এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের বিবৃতিতে এই ব্যঙ্গচিত্রের তীব্র প্রতিবাদ করা হয়েছে।
ব্লগের অন্যতম জামাতি বুদ্ধিজীবি মাহুমুদ রহমান অসাধারণ এক আবিষ্কার করে পোস্ট দেন। আরিফের কার্টুনে বিড়াল আকাটাও যে ছিলো আসলে উদ্দেশ্যমূলক সেই রহস্য ফাস করেন তিনি প্রথম আলোর বিদ্রুপ মেগাজিন আলপিন প্রসংগে নামক পোস্টে। এটা পড়েই আমরা জানতে পারি আবু হোরায়রাও প্রথম আলোর ষড়যন্ত্রের শিকার। সেখান ব্লগের জামাতে ইসলামী চেতনার ঝাণ্ডা উড্ডীয়মান রাখতে শপথ নেওয়া ছাগুরাম দারুণ একটি মন্তব্য করেছেন : ত্রিভুজ বলেছেন: ৫
কৌতুকটা ছিলো একটা নির্দোষ কৌতুক মাত্র.. কিন্তু কার্টুনটায় দাড়ি টুপিওয়ালা এক হুজুরের ছবি দিয়ে বেশ ভাল করেই মুসলমান ও তাদের ধর্মকে ইঙিত করা হয়েছে। এর ভেতর আছে প্রথম আলোর মুসলিম বিদ্বেষী মনোভাব। সুতরাং তারা এটা ইনটেনশনালীই করেছে।
আশার আলো ভাল একটা মন্তব্য করেছিলো। টেষ্ট কেস! আসলেই টেষ্ট কেস! দেখতে চেয়েছিলো এদেশে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে কিনা। এযাত্র ওরা পার পেয়ে গেলে পরবর্তীতে আরো বড় ধরনের আঘাত করবে সন্দেহ নাই।
ধন্যবাদ মাহমুদ ভাই।
এরপর সামহোয়ারের পাঠের দিক দিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করা পোস্টটির জন্ম। বগুড়ার সূর্য্যসন্তান মেহেরুল হাসান সুজনপ্রথম আলোর আলপিনেই প্রথম নয়, শিবিরের পত্রিকাটিও দেখুন পোস্টটি দিয়ে জামাত শিবিরের মুখে জুতা ঘষে দেন।
ছাগলের পাল তবু হাল ছাড়েনি। এই পোস্টেরও কিছু নমুনা মন্তব্য তুলে দেয়া হলো :
ত্রিভুজ বলেছেন: আলপিনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মূল কারনটা হচ্ছে আলপিনে একটি ছবি একে সেটাকে 'মোহাম্মদ' বলে আখ্যায়িত করেছে যা খুবই খুবই নিন্দনীয়। এই বিষয়টা আমাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধীরা বুঝবে আশা করিনি।
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: @মাথামোটা
আমার পালানোর কি আছে?
আমি কৌতুকের কথাগুলো জানতে চেয়েছি। স্বাপ্নিক জানিয়েছেন, তাকে ধন্যবাদ।
আপনার ফালতু চিল্লাচিল্লিতে আমারে কখনো পাবেন না।
আমারে নিয়া এখানে টিটকারী মারতেছেন কেন?
সবুর করেন, কারা কারা ব্লগে উস্কানী দিয়া গালাগালির পরিবেশ তৈরী করেন তার একটা দলিলসমেত রিপোর্ট আমাকে তৈরী করতেই হবে দেখছি।
(পাঠকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারিতে অকালে বিদায় নিতে হওয়ায় এই দলিলসমেত রিপোর্টটি আর আলোর মুখ দেখেনি)
চতুরভূজ বলেছেন: একটি শিশু এবং একটি পত্রিকার সম্পাদক এক হল?
অজানা একজন বলেছেন: আরে তুমিওতো একই লাইনের লোক । বাহ ভাল মেমোরী আছে ত তোমার । আর শিবিরের পত্রিকার কার্টুন আছে তা তুমি জানলা ক্যামনে । এহন ত মনে হইতাছে তুমিই শিবিরের লোক ।
সুজন বাছা কবে থিকা এই ধান্ধা খুলছ । এখনো তো পাকা হও নাইকা । এমন কার্টুন দিলা যার ক্যাপশনই বোঝা যায়না ।
আরও বড় কইরা দেও যাতে মাইনষে বুঝবার পারে ।
ছাগুদের নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে গিয়েছিলো্ একটা পোস্টে। মুছে ফেলা কার্টুন গ্যাঞ্জাম (সন্ধ্যাবাতি) পোস্টটিতে গেলে দেখা যাবে সেই গৃহযুদ্ধের উৎকৃষ্ট নমূনা। মূর্খ ধর্মান্ধ আর জ্ঞানী ধর্মান্ধের যুক্তির সে লড়াই বাধিয়ে রাখার মতো।
সন্ধ্যার হাতে নাকাল হয়েই খালাস হয়নি ছাগু। গদাম খেয়েছে শ্রদ্ধেয় মানবী আপুর হাতেও।
কার্টুনিস্ট আরিফ এবং মানবীর একটি প্রশ্ন! পোস্টের বিশেষত্ব হচ্ছে এখানেই মন্তব্যে আরিফের মুক্তি পাওয়ার খবরটি জানান এক ব্লগার।
এর বাইরে আরেকজনের একটি আন্তরিক পোস্ট দিয়ে আমার লেখা শেষ করছি। জনাব মাহমুদ মামুন আমি কার্টুনিষ্ট আরিফ বলছি (একটি কল্পিত আত্মকথা) নামের হৃদয় ছোয়া লেখাটি লিখেছিলেন।
পড়ুন পোস্টগুলো এবং মন্তব্যগুলো। ঘুরে আসুন মৌলবাদীদের জান্তব মুখেশোর সামনে থেকে।
আর পোস্ট ব্যবহৃত ছবিটি রূদ্র আরিফ থেকে হিমুরূদ্র বনে যাওয়া এক াল মাহমুদের কমেন্টের স্ক্রিন শট (এদেরও চিনে রাখা দরকার আছে)
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ঘনাদা বলেছেন:
রূদ্র আরিফ?
এস্কিমো বলেছেন:
চিনলাম।
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
তখন ব্লগে ছিলামনা। আহা কত কিছুই মিস করেছি!
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আমার নামের সামনে এমডি নাই, বাবা মা কে ধন্যবাদ। ব্যাপারটা আসলেই একটা ঘিনঘিনে পর্যায়ে চলে গিয়েছে।বর্ণ চোরা জামাতী ভন্ড আস্তবাতির 'ডিগবাজি' পোস্ট ও তাতে গৃহযুদ্ধের অবতারণা দেখে যার পর নাই মুগ্ধ হলাম।
তার চেয়েও বড় কথা সে পোস্টে আবার ঐতিহাসিক রাজাকার পুত্র ওয়ামী ও বিশিষ্ট ২৪ ঘন্টার ব্লগার 'কৌশিক' একই সুরে একই ভাষায় সহমত পোষণ করে আস্তবাতিকে সাধুবাদ দিচ্ছে।
বিচিত্র এ বঙ্গ সন্তানেরা।
জেনারেল বলেছেন:
সাঈফ শেরিফের মন্তব্যে উত্তম জাঝা
অমিত বলেছেন:
সত্যিই সেলুকাস...
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
ইবনে সালামের প্রথম পোস্টে কয়েকজন পেরগতিশীলের কমেন্ট মার্ক করা হইলো।
পলটু বলেছেন:
তিনকোনা আরিফের ফাঁসি চাইয়া একটা পোস্ট দিসিল। ঐদিন খুঁজতে গিয়া দেখি বাচ্চা রাজাকারটা সেই দুই মাসেরই সব পোস্ট ডিলিট/ড্রাফট কইরা ফেলাইছে 
আহ্ আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম..............
পোস্টে সৈয়দ
মনিটর বলেছেন:
এই তো কয়দিন আগের ঘটনা।যারা আরিফের ফাঁসি চেয়েছে, মোল্লাদের পক্ষে ছিল আওলংজেব/ইবনে সালাম/তিরিবুজ/ফজু এলাহি সব গুলার জন্য আকন্ঠ ঘৃনার বমি।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে নিয়া গেলাম
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
লিংকটা সাক্ষাতকারে নিয়া গেলাম কুবরিক
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
লন বস, কুনু সমস্যা নাই
নীল-লোহিত বলেছেন:
ছাগুর খুন করনের পোষ্ট টা কি ডিলিট দিসে
লেখক বলেছেন: খুজলাম, পাইলাম না তো
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
ঐ সময় অনেক কিছুই বায়রায় আইছিলো
লেখক বলেছেন: ঠিক
ঘনাদা বলেছেন:
রুদ্র আরিফ কি কইলেন না?
লেখক বলেছেন: হুনছিলাম রূদ্র আরিফ নাকি ভোল পাল্টাইয়া হিমু রূদ্র হইছে। শোনা কথা, কান দিয়েন না, দুইডার কোনোডারেই চিনি না
নীল-লোহিত বলেছেন:
ছাগু তার শিং দিয়া যে খুন করব কইসিল সেটা ডেরাফট করল কেন?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সকলের অবগতির জন্য. .. উক্ত পোস্টে যে স্ক্রীনশটটা দেয়া আছে.. তাতে পুরান ছাগু ওষ্টেলিয়া প্রবাসী বুয়েটের শিবির নেতা 'আওরঙ্গজেব' এর মার খাওয়ার কাহিনী বর্নিত হয়েছে।কথিত আছে বুয়েটে ছাত্রলীগের পোলাপানের হাতে আওরঙ্গজেব একবার মাইর খাইয়াছিলো... আফসুস সেই জমানায় মোবাইল ও আছিলো না... থাকলেও ক্যামেরা ছিলো না ঘটনার ভিড্যু নিতে...
তাই চিন্তা করতেছিলাম দেশে গেলে একবার ... যারা আওরঙ্গজেবরে পিডাইছিলো তাগো কারো সাক্ষ্যাৎকার নেয়া যায় কিনা...
এই হইলো গিয়া আয়াতের শানে নুযূল..
শয়তান বলেছেন:
উলঙ্গজীব গেল আটাশ অক্টোবরে আসছিলো তার পাকি দুস্তের মাতম লৈয়া ।মাগার সুবিধা কর্তারে নাই
রনি রাজশাহী বলেছেন:
ফেভারিতে নিলাম।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
রেফারেন্স সামারি পোষ্ট। চক্ষু বন্ধ কইরা প্রিয়তে।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
প্রিয়তে রাইখা দিলাম।।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















