আমার প্রিয় পোস্ট

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

মণিপুরী মুসলিম আদিবাসীদের ঈদ উদযাপন এবং জীবনযাত্রা নিয়ে কিছু তথ্য

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫

শেয়ারঃ
0 20 0


কোমর তাঁতে পাঙন মেয়েদের দক্ষতা অসাধারন

পাঙন নারী কৃষিকাজে পুরুষের সমান পারদর্শী

পাঙন কৃষাণী

মাঠে কাজ করছে পাঙন কৃষাণী

ফসলের মাঠে পাঙন নরনারী কঠোর পরিশ্রম করে থাকে

গৃহপালিত পশুর ঘরের পাশে দাঁড়ানো পাঙন তরুন

মণিপুরীদের মধ্যে ইসলাম ধর্মের অনুসারী সম্প্রদায়টি "পাঙন" বা "পাঙ্গান" বা মণিপুরী মুসলিম হিসাবে পরিচিত। বাংলাদেশের সিলেট, মৌলবীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার নানান স্থানে প্রায় পঁচিশ হাজার মণিপুরী মুসলিম বাস করে। ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও পাঙনরা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ঠ্য ও ঐতিহ্য আজো বজায় রেখেছে। তাদের ঘরবাড়ি, পোষাক-পরিচ্ছেদ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা স্বতন্ত্র এবং বৈচিত্রে ভরপুর।

পাঙনরা সুন্নী মুসলিম। ধর্মীয় বিশ্বাস এক হলেও স্থানীয় বাঙালী মুসলিম জনগোষ্ঠির সঙ্গে পাঙনদের সামাজিক কোন সম্পর্ক নেই বললেই চলে। তাদের ধর্মাচরন, সমাজব্যবস্থা ও রীতিনীতির সাথে বাঙালী মুসলমানদের যথেষ্ঠ পার্থক্য রয়েছে। পাঙনরা প্রচন্ড ধর্মভীরু ও রক্ষনশীল। পাঙন মেয়েরা কঠোর পর্দপ্রথা মেনে চলে। নিজেদের সম্প্রদায়ের বাইরে বৈবাহিক সম্পর্ক পাঙন সমাজ অনুমোদন দেয়না। পাঙনদের মসজিদগুলোতে কেবল পাঙন ইমামরাই ইমামতি করতে পারেন। নানান সামজিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তারা মাতৃভাষা ও ঐতিহ্যকে গুরুত্ত্ব দিয়ে থাকে। তাদের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে কোরান শরীফের তর্জমা ও তাফসীর, বিভিন হাদিসের পাঠ ও ব্যাখ্যা সবকিছু মাতৃভাষায় করা হয়ে থাকে। এছাড়া বিয়ের দিনে "কাসিদা" নামে পরিচিত এক ধরনের লোক ঐতিহ্যবাহী বিয়ের গান ও নাচের অনুষ্ঠান থাকে যা পাঙনদের একান্ত নিজস্ব।

ঈদ পাঙনদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। ঈদের দিনে গোত্র বংশ নির্বিশেষে সব শ্রেণীর পাঙন এক কাতারে সমবেত হয় এই বিশেষ দিনটিকে উদযাপন করার জন্য। ঈদের জামাতও নির্দিষ্ঠ স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। বলাই বাহুল্য ঈদের জামাতে ইমামতির ভার থাকে যথারীতি পাঙন সম্প্রদায়েরই কোন মৌলভীর উপর। মসজিদে, দোকানে, হাটবাজারে, খেয়াঘাটে সবখানে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পালা চলে। আত্মীয় স্বজন ও পরিচিত জনদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয়। পরিবারের সবার জন্য নতুন জামাকাপড়ের ব্যবস্থা করা হয়। এদিন মেয়েদের জন্য পর্দা কিছুটা শিথিল থাকে। ঈদের দিনে পাঙন মেয়েদের ঐতিহ্যবাহী পোষাক পড়ে দল বেঁধে আত্মীয় স্বজনের বাড়ী বেড়াতে যাওয়ার দৃশ্য চেয়ে দেখার মতো।

পাঙন জাতির নৃতাত্ত্বিক বিবর্তনের ইতিহাস মণিপুরীদের অপরাপর শাখা বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈদের থেকে আলাদা যদিও তিনটি জনগোষ্ঠিই অষ্টাদশ শতাব্দিতে আদিভূমি মণিপুর ত্যাগ করে বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন স্থানে বসতি গড়ে তোলে। মণিপুরে মুসলমানদের সর্বপ্রথম এবং সর্ববৃহৎ অভিভাসন ঘটে মুঘল আমলে। সে কারনে ইতিহাসবিদদের ধারনা "পাঙন" শব্দটি এসেছে "পাঙ্গাল" শব্দ থেকে যার উৎপত্তি "মুঘল" থেকে (পাঙ্গাল>মুঙ্গাল>মুগাল এভাবে)। অনেকে আবার পাঙ্গাল শব্দটিকে "বাঙ্গাল" শব্দের বিবর্তিত রূপ বলেও মনে করেন। পাঙনদের শারীরিক গঠন ও দেহাবয়ব মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়াদের মতোই মিশ্র আর্য-ভোটব্রহ্মী। তাদের মাতৃভাষা মণিপুরী মৈতৈ ভাষারই একটি রূপ।

পাঙনরা প্রচন্ড পরিশ্রমী জাতি। ভিক্ষাবৃত্তিকে এরা মনুষ্যজন্মের নিকৃষ্ট পেশা বলে মনে করে। কৃষিকাজ ছাড়াও তারা বাঁশ ও বেত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি ও আসবাব তৈরীতে দক্ষ। পাঙন মেয়েরা কৃষিকাজে পুরুষের সমান পারদর্শী। এছাড়া কোমর তাঁতে কাপড় বোনা এবং সুচীকর্মে পাঙন মেয়েদের অসাধারন দক্ষতা রয়েছে। মণিপুরীদের পরিধেয় ফানেক বা চাকসাবির উপর পাঙন মেয়েদের সুঁই সুতার সুক্ষ কারুকাজ দেখলে বিষ্মিত হতে হয়।


ঈদের শুভেচ্ছা সবাইকে ।


ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা: ওইনাম লানথই

আরো পড়ুন:
* হামোম প্রমোদের এই পোস্টটি
* The Pangons
* Socio-economic survey of Manipuri Muslims

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মণিপুরী মুসলিমপাঙনপাঙ্গানঈদ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: যেতালো ডাঙর সাউরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: :)

২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
সবাক বলেছেন: দারুন তথ্য+চিত্র
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ ।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: ন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। প্রিয়তে রাখলাম।
৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৫
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য। প্রিয়তে রাখলাম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ এবং ঈদের শুভেচ্ছা।

৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
মানবী বলেছেন: "ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও পাঙনরা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ঠ্য ও ঐতিহ্য আজো বজায় রেখেছে।"

- বিশ্বের সব দেশের মুসলিমদের তাঁদের ভিন্ন ভিন্ন নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আছে। ধর্ম আর দেশজ বা সামাজিক ঐতিহ্য দুটি ভিন্ন জিনিস :-)


পাঙনদের ধর্মীয় আচারের বর্ণনা পড়ে বিশ্বের অন্য কোন মুসলিমদের চেয়ে ভিন্ন মনে হলো না। মনিপুরী সংস্কৃতি তাঁদের ঐতিহ্য এখানে তাঁদের স্বাতন্ত্র থাকবেই।


পাঙনদের ঈদ উদযাপন বা ধর্মীয় আচার পালের ছবি আশা করেছিলম :)


আরেকটি চমৎকার পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ।
ভালো থাকুন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত। আপনার পর্যবেক্ষন ক্ষমতা অসাধারন স্বীকার করতে হবে।

ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ঈদের শুভেচ্ছা।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিহন।

১০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল...অনেক ধন্যবাদ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও ... আর ঈদের দশ কেজি শুভেচ্ছা, প্রীটি সোনিয়া ।

১১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৪
শয়তান বলেছেন: খবর কি আপনের ? থাকেন কই ?
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: আছি আরকি। গীতার একটি অনুবাদ প্রকাশনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম তাই ব্লগে নিয়মিত আসা হয়নি। যাক শেষ পর্যন্ত কাজ ঠিকমতো হয়েছে। ... আপনার কি খবর?

১২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৪
...অসমাপ্ত বলেছেন: ...আজ রাতে ফটো সহ বেশ কিছু দারুন পোস্ট পেলাম। এটি আরো একটি। ভাল লেগেছে। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৩. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯
শয়তান বলেছেন:
আমিও ব্যাস্ত ছিলাম । এখন একটু ফ্রী ছুটিতে । ভালো থাকবেন ।

১৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৮
মাহবুব লীলেন বলেছেন:
পাঙানদের পরিচয়ের বড়ো দুটো অংশ বোধহয় বাদ পড়ে গেছে
পাঙানরা পাঙান নয় বরং মৈতৈ পাঙান নামে পরিচিত
এবং এদের সূত্রপাতে বাবার দিক থেকে এরা বহন করে পাঠান রক্ত এবং মায়ের দিক থেকে মৈতৈ রক্ত

এবং সেখান থেকেই এরা ধর্মের দিক থেকে ফলো করে পিতৃকূলে ধর্ম মুসলিম আর কালচার এবং ভাষার দিক থেকে মাতৃকূলের মৈতৈ ভাষা ও সংস্কৃতি

মৈতৈ এবং বিষ্ণুপ্রিয়ারা মণিপুরি হলেও থাকে আলাদা এবং তাদের ভাষাও আলাদা

পাঙনদেরার মৈতৈদের অংশ
তাদের ভাষা সংস্কৃতিও মৈতৈ
তারা থাকেও মৈতৈদের আশেপাশে

তবে পাঙানদের যেভাবে রক্ষণশীল বলা হয়েছে বিশেষভাবে মেয়েদের তা আমার কাছে মনে হয়নি
বরং মনে হয়েছে তারা মৈতৈদের মতোই উদার
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

পাঙনরা মৈতৈ ভাষায় কথা বলে কিন্তু তাদের সংস্কৃতি মৈতৈ এ বিষয়ে দ্বিমত পোষন করছি। পাঙনদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ধর্মাচরন, আচার, রীতিনীতি, খাদ্যাভ্যাস ও সমাজব্যবস্থা আছে যা মৈতৈ বা বিষ্ণুপ্রিয়াদের সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পাঙনদের মৈতৈ-পাঙন বলার আদৌ কোন ভিত্তি নেই। তারা স্বতন্ত্র জাতিসত্তার অধিকারী। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত পাঙনরা নিজেদের তা ভাবতে গর্ববোধ করেন। ভারত এবং বাংলাদেশের সরকারী দলিলপত্রে পাঙনরা স্বতন্ত্র জাতিসত্তা এবং মণিপুরী জাতির একটি শাখা হিসাবে স্বীকৃত।


পাঠান রক্ত আর মৈতৈ রক্ত নিয়ে যে কাহিনী বলেছেন সেটা নিয়ে ইতিহাসবিদ ও গবেষকদের মধ্যে যথেষ্ঠ মতপার্থক্য আছে। মণিপুরী রাজবংশের ইতিহাস 'চৈথারোল কুমবাবা'তে ভিন্ন কথা বলা হয়েছে। মৈতৈ গবেষক ঝালজিৎ সিংহ তাদেরকে মোগল বংশধর বলেছেন। অন্যদিকে আর ব্রাউন, গাঙ্গুমেই কাবুই প্রমুখ লেখকরা বলেছেন কাছাড়ি/বাঙালিদের বংশধর। অধুনাকালের গবেষনায় পাঙনরা খ্রীষ্ঠিয় ৭ম শতকের আগে মণিপুরে ছিল এমন কথাও দাবী করা হচ্ছে ( Click This Link) এসব কারণে আমি বিতর্কিত ইতিহাসের দিকে যাইনি।

"তারা থাকেও মৈতৈদের আশেপাশে" এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন? অস্টাদশ শতকে বাংলাদেশে যখন মণিপুরীদের অভিবাসন ঘটে তখন থেকেই মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া এবং পাঙন তিনটি সম্প্রদায়ই সিলেট অঞ্চলের নানান স্থানে পাশাপাশি বসবাস করা শুরু করে । এই সহজ কারণে দেখা যায় মৈতৈ, বিষ্ণুপ্রিয়া এবং পাঙন গ্রামগুলো কাছাকাছি। পাঙনরা বরং বিষ্ণুপ্রিয়াদের আশেপাশেই থাকে। কমলগঞ্জের কালারায় বিল, ঘোড়ামারা, ভানুবিল, শুকুরউল্লা ইত্যাদি পাঙন বসতিগুলো ঘুরে এসে আমার কথার সত্যতা যাচাই করার জন্যঅনুরোধ করছি।

ঈদের শুভেচ্ছা।

১৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২১
রহমান হেনরী বলেছেন:
.. যাই করেন আর যাই লেখেন, জামাত-শিবিরের বিপক্ষে যায় এমন কিছু লিখবেন না, ব্যান খাইবেন ; এইটা জামাতিদের ব্লগ ___
না বুইঝা আমি কিন্ত্ত ১ম পাতায় ঢোকা থেকে আজই (ঈদের দিন) ব্যান খাইছি...
সাবধান !
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন: কি হৈসিল?!

১৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪২
রণদীপম বসু বলেছেন: চমৎকার ! ভালো পোস্ট।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০০
অচন্দ্রচেতন বলেছেন: আপনার লেখা খুবই উপভোগ করি। অনেক ধন্যবাদ!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৬

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা জানবেন।

১৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭
ছায়ার আলো বলেছেন: ধন্যবাদ ভালো পোস্টের জন্য :) +
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৪
বাইত যামু বলেছেন: এবারের ঈদে আমি যেতে পারিনি আমার শহরে। জীবিকার তাগিদে এই রোবটিক শহরেই আমার ঈদ উদযাপ করতে হয়েছে রোবটের মতোই। এই শহরে আমরা কোন বন্ধু নেই বড্ড অসহায় ভাবে ঈদকে বিদায় দিতে হল। আজ আমার প্রিয় শহরে আমার সকল বন্ধুরা এক হয়েছে দীর্ঘ্য ১০ বছর পর অন্নদা স্কুলের মাঠে। আমিও তাদের আয়োজিত এই উৎসবের আনন্দের আংশিদার হতে চেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম ১০ বছর পর হয়তো আবারও ফিরে পাব হারিয়ে যাওয়া শৈশবের কিছুটা অংশ ক্ষণিকের জন্য হলে। হারিয়ে যাওয়া কোন এক বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে বলব কি খবর দোস্ত কদিন কদিন দেখিনি .............. কিন্তু জীবিকা, ব্যস্ততা আর পারিবারিক দায়িত্ববোধের কাছে আত্নসর্মপণ করতে হল।

প্রিয় শহর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ,
আমি তোমাকে ভুলিনি। প্রাণহীন এই শহরে যতবারই একটু সময় পাই আমি ছুঁতে চাই তোমার বুক। বড্ড রোবটিক হয়েগেছে আমার এই জীবন। অনুভূতিগুলো কেমন যেন ধূসর হয়ে যাচ্ছে। আনন্দকে প্রায়ই বাধ্য হয়েই কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করতে হচ্ছে।

আমার মত এই শহরে হয়তো অনেকেই আছেন। নিতান্ত বাধ্য হয়েই ঈদ উযাপন করতে হয়েছে। চার দেওয়ালের গন্ডিতে কম্পিউটার নামক যন্ত্রের সঙ্গে কিংবা টেলিভিশন নামক কৃত্রিম বিনোদন কেনা-বেচার বক্সটাকে সঙ্গী করে।
এত কিছুর পরও এই শহর নিয়ে আমার অভিযোগ নেই। কেননা এই শহর আমাকে দিয়েছে জীবিকা। দিয়েছে স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার সুযোগ। সবাইকে ঈদ মোবারক।
২০. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১০
বিপ্লব রহমান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোস্টোর জন্য। অনেক কিছু জানলাম। আর ছবিগুলোও খুব সুন্দর।

---
আদিবাসী পাহাড়িদের ওপর আমারও কিছু লেখা ছিলো্ পড়বেন প্লিজ।

দেখুন: ১.
Click This Link

২. http://www.sachalayatan.com/biplobr
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: দরকার ছিলনা, অনেক আগেই পড়েছি :) .... আমার প্রিয় পোস্টের তালিকায় আপনার লেখা একাধিক পোষ্ট রয়েছে।

২১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫০
হাসান বিপুল বলেছেন: লেখাটা ভালো লেগেছে।

একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি, না চাইলে উত্তর দেবেন না-
আপনি কি পাঙন সম্প্রদায়ের?
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: না। আমি মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সম্প্রদায়ের।

২২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৩
প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: @manabi, religion was always a thread to human civilization and culture,there are lots of examples where religions eaten up native cultures.
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে আংশিক সহমত। উদাহরন হিসাবে বলা যায় হিন্দুধর্মের বলয়ে আসার পরে মণিপুরী সংস্কৃতির অনেক আদিম গুরুত্বপুর্ণ উপাদান বিলুপ্ত হয়েছে। এছাড়া অস্টাদশ শতকে ধর্মপ্রচারকেরা পুরাতন সাহিত্য ও সংস্কৃতি যেগুলো হিন্দুধর্ম প্রচারে বাধা হতে পারে বলে মনে করেছে, সেগুলো ধ্বংসসাধন করতে শাসকগোষ্ঠীকে প্ররোচিত করেছিল।

২৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: আপনার ইমেইল ঠিকানাটা দেবেন দয়া করে?
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: দিয়েছি ।

২৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন: অনেক কিছু জানার পোস্ট। প্রিয়তে।
২৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:১২
পারাবত বলেছেন: ভানুগাছে এদের দেখা পেয়েছিলাম, খুবই ভদ্র ব্যবহার

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবী করছি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ