আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

বিষু উৎসবঃ বর্ষবরণ নানান জাতিতে নানান রূপে
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১২
আগামীকাল সূর্যোদয়ের পরপরই শুরু হবে মণিপুরীদের বিষু উৎসব। বাংলাদেশের মৌলবীবাজার, সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার মণিপুরী বসতিগুলোতে চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে সাতদিন ব্যাপী এই উৎসব পালিত হয়। এই উৎসবের মাধ্যমে পুরাতন বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়ারা বছরের শেষ দিনটিতে 'বিষু' বা 'চেরৌ' আর মণিপুরী মৈতৈরা 'শাজিবু চৈরৌবা' উৎযাপন করে। আর এ দিনটিই পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমাদের কাছে 'বিঝু', মারমাদের নিকট 'সাংগ্রাই', ত্রিপুরাদের 'বৈসুক' এবং অসমীয়াদের 'বিহু' এবং বাঙালীদের কাছে 'চৈত্র সংক্রান্তি'।
মণিপুরীদের বিষু উৎসব
বছরের শেষ দিনটিতে মণিপুরীরা সুর্যোদয়ের আগেই ঘরদোর, ঘরের চারপাশ এবং ঘরের যাবতীয় ব্যবহার্য বস্ত্র আসবাবপত্র পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ সেরে ফেলে। তুলসীপাতা ভেজানো পানি ছিটিয়ে ঘর এবং বসতভিটা 'পবিত্র' করার পর রান্নাবান্না শুরু হয়। রান্না মানে অসংখ্য পদের নিরামিষ রান্না। এরপর লৌকিক দেবতা "আপোকপা" এবং কুলদেবতা "লামরদৌ" এর উদ্দেশ্যে ভোগ নিবেদন করাতে হয়। আগে একশ আটটি রান্না ভোগ দেয়ার প্রচলন ছিল, এখন সবক্ষেত্রে তা সম্ভব হয়না। ভোগ নিবেদনের পর চলে সম্প্রীতির নিদর্শন হিসাবে ঘর থেকে ঘরে রান্না করা খাবার বিনিময়ের পালা। সন্ধ্যায় তৈরী হয় নানান জাতের পিঠা। মণিপুরী লেইসাঙ বা মন্দিরগুলো আরতি, পালা, কীর্তন ও মৃদঙ্গের শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কোথাও কোথাও বসে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য এবং গানের আসর। রাতভর চলে তরুণ তরুনীদের ঐতিহ্যবাহী নিকন (বিশেষ ধরনের পাশাখেলা), গিল্লা, লাকাটি ইত্যাদি নানান খেলা। বিষুর দিনটিতে যারা গ্রামের বাড়ীর বাইরে থাকেন তাদেরকে বাড়ী ফিরে আসতে হয়, আর যারা গ্রামের বাড়ী থাকেন তাদের বাইরে যাওয়া বারন। বিষুর দিনে কারো কাছ থেকে ধারকর্জ করা নিষেধ, অন্যথায় বছরের বাকী দিনগুলো ধারদেনার ডুবে থাকতে হতে পারে বলে মণিপুরীদের বিশ্বাস।
![]()
চাকমাদের বিঝু
চৈত্র মাসের শেষ দুইদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথম দিন, এই তিনদিন চাকমা সমাজে বিঝু উৎসব পালিত হয়। বিঝু উৎসবের প্রথম দিনটি হলো ফুল বিঝু। এদিন ছোট বড় সবাইকে ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নান করতে হয়। ছোটরা পাহাড় থেকে ফুল পাতা লতা সংগ্রহ করে নিজের বাড়ীঘর সাজায়। তরুণ তরুণীরা বয়োবৃদ্ধদের স্নান করিয়ে আশীর্বাদ গ্রহন করে। বৌদ্ধমন্দিরে বুদ্ধমুর্ত্তি স্নান করানো হয় এবং মন্দিরের চারপাশে আলোকবর্ত্তিকা সাজিয়ে পুজা দেয়া হয়। এদিন চাকমারা অন্য কোন কাজ করেনা। বছরের শেষ দিন হলো মুল বিঝু। এদিন ঘরে ঘরে পাজন রান্নার আয়োজন চলে। এছাড়া চালের পিঠা, বিরনধানের খই, তিলের মোয়া ইত্যাদিও তৈরী করা হয়। সবাই বাড়ী বাড়ী ঘুরে বিঝুর খাবার খেয়ে আসে। এজন্যে কোন নিমন্ত্রনের দরকার পড়ে না। বিকেলে ঐতিহ্যবাহী নৃত্যগীত ও খেলাধুলার আসর থাকে। আর বিঝু উৎসবের শেষ দিনটি অর্থাৎ নতুন বছরের প্রথম দিনটি হলো গোজ্যাই-পোজ্যা দিন। গোজ্যাই পোজ্যা মানে গড়াগড়ি খাওয়া। এদিন হলো বিঝুর খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে বিছানায় গড়াগড়ি খাওয়া, মানে বিশ্রাম। বছরের প্রথম দিনটি ভাল ভাল খাবার খেয়ে আনন্দে আরাম আয়েসে কাটানো গেলে বছরের বাকী দিনগুলোও ভালভাবে কাটবে বলে চাকমাদের বিশ্বাস। বিঝুর তিন দিনে চাকমারা কোন প্রাণীহত্যা করেনা।
![]()
ত্রিপুরাদের বৈসুক
পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠি পুরোনো বছরেকে বিদায় এবং নাতুন বছরকে স্বাগত জানায় বৈসুক উৎসবের মাধ্যমে। ভুড়ি ভোজের আসরের মধ্যে নাচ গানের মাধ্যমে ধর্মীয় দেবতা শিবের অনুগ্রহ মাগে ত্রিপুরারা। বৈসুক উৎসবের তিনটি পর্ব - ১. হারি বৈসুক, ২. বিষুমা বৈষুক ও ৩. বিসিকাতাল। হারি বৈসুক বছরের শেষ দিনের আগের দিন। এদিন গরু, মহিষ, ছাগল ইত্যাদি গৃহপালিত পশুর গলায় ফুলের মালা পরানো হয়। এদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে ফুল সংগ্রহ করে পুজা এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের পালা চলে। পরদিন হলো বৈসুক উৎসবরে মুলপর্ব বিষুমা বৈসুক। এদিন 'কচুই পানি' বা পবিত্র পানি দিয়ে ঘরদোর পরিস্কার করা হয়। ঘরে ঘরে মদ, পিঠাপুলি ও নানান পদের রান্নার আয়োজন এবং অতিথি আপ্যায়নের চলে। বছরের প্রথম দিনটিতে বিসিকাতাল। ছোটরা বয়োজ্যেষ্টদের স্নান করিয়ে প্রনাম করে আশীর্বাদ নেয়। বৈসুক উৎসবের ছয়-সাতটি দিন গ্রামে গ্রামে পরিবেশিত হয় ত্রিপুরাদের ঐতিহ্যবাহী 'গরাইয়া নৃত্য'।
![]()
মারমাদের সাংগ্রাই
পুরাতন বছরের শেষ তিনদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন এই চারদিন মারমা জনগোষ্ঠি সাংগ্রাই উৎসব পালন করে। চারদিনের পর্ব্বগুলো হলো যথাক্রমে - সাংগ্রাউ আকিয়ানিহ্ , সাংগ্রাই আক্রাইনিহ্, সাংগ্রাই আতানিহ্ এবং লাছাইংতারা। প্রথম দিনে ছোটবড় সবাই শোভাযাত্রা করে বুদ্ধমুর্তিকে নদীর ঘাটে নিয়ে আসে। তারপর কলাপাতার তৈরী ভেলায় বুদ্ধমুর্তিকে চন্দনসিক্ত পানি ও দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়। সাংগ্রাই উৎসবের পরবর্তী দুইটি দিন মারমা সমাজের পাড়ায় পাড়ায় আয়োজন করা হয় পানি খেলা। একে অন্যেকে পানি ছিটিয়ে মারমারা পুরোনো বছরের সব দুঃখ গ্লানিকে ধুয়ে মুছে শেষ করতে চায়। নতুন বছরের প্রথম দিনটি মারমারা হাসি আনন্দে তাদের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই আকা নৃত্যগীত দিয়ে বরন করে। এদিন পানিখেলা হয়না।
![]()
অসমীয়াদের বিহু
বিহু হলো অসমীয়া বা অহম জনগোষ্ঠির সর্ববৃহৎ উৎসব। বিহু উৎসবের সাথে অসমীয়াদের কৃষিনির্ভর সমাজ ব্যবস্থার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বছরে তিনটি বিহু পালিত হয় - বোহাগবিহু, কাতিবিহু ও মাঘবিহু। বোহাগবিহুর সময় ধানের বীজ বোনা হয়, কাতিবিহুতে চারগাছ রোয়া হয় আর মাঘবিহুতে ধান কেটে গোলায় তোলা হয়। তিনটির মধ্যে বোহাগবিহু সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপুর্ণ। একে রঙালীবিহুও বলা হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয় রঙালিবিহু। এদিন গৃহপালিত গরুকে বাড়তি আদরযত্ন করা হয়। গরুকে হলুদ আর তেল দিয়ে মাখিয়ে ফুলের মালা পরিয়ে সাজানো হয় এবং খোলা মাঠে ছেড়ে দেয়া হয়। ছোটরা বড়দের জন্য লাল পাড়ের গামছা উপহার দেয়। পুরো বৈশাখ মাস জুড়ে অসমীয়া সমাজে চলে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় বিহুর গান ও নাচ।
![]()
বিষুর উৎপত্তি ও বিকাশ
সংস্কৃত "মহাবিষুব" শব্দ হতে "বিষূ" শব্দটির উৎপত্তি বলে ধারন করা হয়। আসামের প্রখ্যাত পুরাতত্ত্ববিদ রাজমোহন নাথের ভাষ্য অনুসারে "দ্বিষু" অর্থ্যাৎ যেদিন বিষুবরেখা সূর্যালোক দ্বারা দ্বিধাবিভক্ত হয় সেই দিনটি বিষু। আর ড. প্রফুল্ল দত্ত গোস্বামীর মতে সংস্কৃত শব্দ বিষুবন থেকে শব্দটির উৎপত্তি। বিষুর আভিধানিক অর্থ সাম্য বা সমতা। বিষুবরেখার সমবিভক্তি ও দিনরাত্রির দৈর্ঘ্যের সমতা বাংলাদেশের প্রান্তিক ও অবহেলিত জনদের জীবনধারায় এসে সামাজিক সংহতি ও সাম্যের রূপ নিয়েছে। বিষু সবার দু:খ-কস্ট আনন্দ-বেদনা হতাশা-বঞ্চনা ভাগাভাগি করার দিন। ভারতবর্ষের পশ্চিমে পাঞ্জাবে "বৈশাখী" উৎসব, দক্ষিনে কেরালায় গিয়ে "ভিজু", এরপর দেড়হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে বাঙালীর "চৈত্র সংক্রান্তি", আসামে এসে অসমীয়াদের "বিহু", মণিপুরী বিষ্ণুপ্র্রিয়াদের "বিষু", চাকমাদের নিকট "বিঝু" এবং ত্রিপুরীদের নিকট "বৈসুক" হবার নেপথ্যে কারণ অবশ্যই কাকতালীয় হতে পারেনা। তবে কি সুদুর অতীতে ইতিহাসের কোন এক সময়ে এইসব জাতিগোস্টির পুর্বপুরুষদের মধ্যে কোনরূপ পারস্পরিক নৈকট্য বা যোগাযোগ ছিল?
সবাইকে বিষু উৎসবের শুভেচ্ছা। নতুন বছর সবার জীবনে আনন্দ ও আশার বার্তা বয়ে আনুক।
![]()
ছবি ( ক্রম অনুসারে):
১. বিষু বা চৈরৌবা উৎসবে বিভিন্ন পদের রান্না
২. লৌকিক দেবতার উদ্দেশ্যে ভোগ
৩. চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী বিঝু নৃত্য
৪. বৈসুক উৎসবকালীন ত্রিপুরাদের ঐতিহ্যবাহী গরাইয়া নৃত্য
৫. মারমাদের পানি খেলা
৬. অসমীয়াদের বিহু নাচ
৭. মণিপুরীদের নিকনখেলা নিয়ে আর.কে. চন্দ্রজিৎ সিংহের পেইন্টিং
সহায়তাঃ
১. R.M. Nath, The Background of Assamese culture, 2nd Edn, 1978
২. G.K. Ghosh, Tribals and their culture in Manipur and Nagaland, 1985
বিষু উৎসব সম্বন্ধে আরো পড়ুন:
* The festival of Bishu
* The Biggest Festival of Bishnupriya Manipuri: Bishu
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আদিবাসীদের বর্ষবরন, মণিপুরী সংস্কৃতি, বিষু উৎসব, চৈত্র সংক্রান্তি, বৈসাবি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: যেতালো ডাঙর সাউরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১০
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকেও।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
এই উৎসবগুলি আছে বলেই-যাবতীয় দুঃখ-কষ্ট সত্ত্বেও জীবন এত বর্ণিল সুখি ও আনন্দময় ।নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ...
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
শুভ নববর্ষ। সকলকে সব্বাই কে।
লেখক বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকেও।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ...।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও। শুভ হোক নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এই উৎসবগুলি আছে বলেই-যাবতীয় দুঃখ-কষ্ট সত্ত্বেও জীবন এত বর্ণিল সুখি ও আনন্দময় ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জ্বরা-
অগ্নিস্নানে শূচি হোক ধরা।
রসেরো আবেশরাশি
শুষ্ক করি দাও আসি-
আনো আনো, আনো তব প্রলয়েরো শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক...
শয়তান বলেছেন:
আচ্ছা কালের পরিক্রমায় আপনাদের এসব উৎসবেও কি কোন পরিবর্তন এসেছে ?
কেমন আছেন অসীম ? অনেকদিন পর .......
লেখক বলেছেন: পরিবর্তনতো অবশ্যই এসেছে। সময়ের সাথে উৎসবগুলোর ধরন ও মেজাজ পাল্টেছে, কিছু কিছু উৎসব কর্পোরেটকরন হয়েছে ইত্যাদি কিন্ত আমি বলবো মানুষের শেকড়ের প্রতি টান এবং আদিপুরুষদের জন্যে ভালবাসা একটু কমেনি।
ভাল আছি। শুভ নববর্ষ।
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
শুভ নববর্ষ
লেখক বলেছেন: নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: শুভ হোক নববর্ষ।
সান্তনা বলেছেন:
গেওর্গে আব্বাসের কবিতা পড়ে আমি শুধু মন্তব্য করেছিলাম।কিন্তু দেখা গেল তিনি আমার মন্তব্য শুধু মুছেই শান্ত হননি আমাকে ব্লকও করেছেন,
আমি তার সম্পর্কে এমন খারাপ কোন মন্তব্য করি নাই যে তিনি আমার মন্তব্য মুছে দেবেন।
তার কবিতা যে সবার ভাল লাগতে হবে তা কেন তিনি মনে করেন?
ভিন্নমতের প্রতি যাদের শ্রদ্ধাবোধ বা সহনশীলতা নেই তারা চরম মৌলবাদের ধারক ও বাহক।
লেখক বলেছেন: আজ থাক সব। নব আনন্দে জাগো আজি.............শুভ নববর্ষে হৃদয় হর্ষে...
রাশেদ বলেছেন:
শুভ নববর্ষ!
লেখক বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকেও।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
পোস্টটি পড়ে আধা-জানা বিষয়গুলো আবার ঝালাই হলো। এরকম ছোটবড়ো সব জাতিগোষ্ঠী একই সময়ে নববর্ষ উৎসবে মেতে উঠছে -- সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: বিষু উৎসবকে ম্রো’রা চাংক্রান, খেয়াংরা সাংগ্রান, খুমিরা সাংগ্রায় বলে থাকে। বাংলা নববর্ষ পালন করেনা। এছাড়া সিলেটের খাসিয়ারা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে একই ভাষাগোষ্ঠীর বম, লুসাই ও পাংখোয়ারা বৈসাবি উৎসব উদযাপন করেন না। তারা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হওয়ায় খ্রিস্টান ধর্মীয় উৎসবই উদযাপন করে থাকে।
বিষু ও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছা আপনার জন্যে।
লেখক বলেছেন: নতুন বছরের শুভেচ্ছা আপনার জন্যেও, দস্যু বনহুর!
ব্লগবন্ধু বলেছেন:
চমৎকার তথ্যবহুল পোষ্ট । লেখককে ধন্যবাদ । একটি বিষয় জানার ছিল । ঢাকা শহরে আমরা যেমন রমনা বটমূলে বর্ষবরণের মূল উৎসব পালন করি, উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর্ও কি নিজ নিজ এলাকায় উৎসব পালনের সুনির্দিষ্ট স্থান রয়েছে?? কেউ স্থানগুলোর নাম জানালে উপকৃত হবো ।
লেখক বলেছেন: ১. বিষু উৎসব মৌলবীবাজারের কমলগঞ্জের প্রায় প্রতিটি মণিপুরী গ্রামেই অনুষ্ঠিত হয়। কমলগঞ্জের মণিপুরী থিয়েটার প্রতিবছর ঘোগামারা উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে বিষু ও বর্ষবরন উৎসব আয়োজন করে থাকে। এছাড়া মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীতেও বিষুর অনুষ্ঠান হয়্
২. বান্দরবানের রাজবাড়ি মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে মারমাদের সাংগ্রাই পোয়ে উৎসব হয়। বুদ্ধমূর্তি স্নান করানো হয় উজানিপাড়ার সাঙ্গু নদীর ঘাটে। এরপর রাতে পাম্প হাউস, উজানিপাড়া ও এলাকার বিভিন্ন স্থানে থাকে পিঠা তৈরির আয়োজন।
লেখক বলেছেন: বিষুর শুভেচ্ছা আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ঘোগামারা > ঘোড়ামারা হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। নববর্ষের শুভেচ্ছা থাকলো।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
মহাকালে মিলিয়ে গেল আরো একটি বছর। বাঙালীর আনন্দ-বেদনায় ১৪১৫ সাল। ১৪১৬- এর নতুন সূর্যকে বরণ করতে আজ বাঙালীর ঘুম ভেঙেছে নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা নিয়ে। নিজ সংস্কৃতির আবহে আমরা স্বাগত জানাব নতুন বছরকে। আজ সবার কণ্ঠে বেজে উঠবে আবাহনের সুর ' এসো এ বৈশাখ, এসো এসো......।'
নতুন বছরের প্রতিটি দিন যেন হোক বর্নিল, আনন্দময় এবং উচ্ছ্বাসে পরিপূর্ণ।
আপনার সুস্বাস্থ্য কামনায়----------------------------------------------
লেখক বলেছেন: নতুন বছরের জন্য শুভেচ্ছা ও শুভকামনা, আপনার জন্যেও।
নিশা সিনহা বলেছেন:
।। শুভ নববর্ষ ।।
লেখক বলেছেন: বিষু বারো নুয়া বসরর হারৌপা থাইল। বলিপাংকাল ইয়া থাইবাং।
হোরাস্ বলেছেন:
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এই উৎসবগুলি আছে বলেই-যাবতীয় দুঃখ-কষ্ট সত্ত্বেও জীবন এত বর্ণিল সুখি ও আনন্দময় ।নববর্ষের শুভেচ্ছা।
প্রিয়তে নিলাম। +
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: নতুস বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
চাচামিঞা বলেছেন:
তথ্যবহুল এই পোস্ট টি অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। ধন্যবাদ এবং শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: ধনবাদ আপনাকেও। শুভ নববর্ষ।
শাহ্ আসাদুজ্জামান বলেছেন:
সকল নববর্ষের বিষুব আনন্দে উদ্বেল হোক এই ধরিত্রী। আলোকদীপ্ত ঝড়ো বৈশাখের তোড়ে চৈত্রের সকল আঁধার হোক সংক্রান্ত। শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: বিষুব আনন্দে উদ্বেল হোক ধরিত্রী। শুভ নববর্ষ। .
.... বিষু উৎসবে আমন্ত্রন আপনাদের সবাইকে।
লেখক বলেছেন: কি পাইনি তার হিসাব মেলাতে মন মোর নয় রাজি,
আজি হৃদয়ের আলোতে ছায়াতে বাঁশরী উঠিছে বাজি।
ভালো বেসেছিনু এই ধরণীরে,
সেই কথা মনে আসে ফিরে ফিরে...
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
নববর্ষের শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: ... বৈশাখী শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন সবখানে সবসময়।
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন:
কালচার ! কালচার !
লেখক বলেছেন: ... এই কালচার বা সংস্কৃতিই জীববৈচিত্র বাঁচিয়ে রেখেছে, ধরনীকে সৌন্দর্য্য ভরিয়ে তুলেছে।
শুভকামনায়....
ম্যাভেরিক বলেছেন:
চমৎকার লেখা। অনেক কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। .... বিষু ও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
জলপাই দেশি বলেছেন:
অনেক নতুন জিনিস জানলাম। লেখককে ধন্যবাদ। বাংলাদেশের আদিবাসী সম্প্রদায় আমাদের গৌরব, আমাদের বহুমুখি সংস্কৃতির সৌন্দর্য। একে লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
বিদগ্ধজন বলেছেন:
উপরের মন্তব্যটা মুছে ফেলুন। যা দিতে চেয়েছিলাম তা আসেনি। সরাসরি পোস্ট প্রিয়তে।
সাইফ আহেমদ বলেছেন:
বিষু ও নববর্ষের শুভেচ্ছা.................
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
শুভ নববর্ষ। আনন্দের চেয়ে আপনার কাছে কৃতজ্ঞতাই বেশি এমন পোস্ট দেবার জন্য!
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা পড়ার জন্য।
মধুমিতালী বলেছেন:
আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা এমন পোস্ট দেবার জন্যনতুন িকছু শেখা যানার মােঝ নতুন সংযোজন হলো, আমাদেরই সংস্কৃতির একটি অঙ, আমরা যখন েদশ েফলে িবদেশে আগ্রহী তখন দেশী ভানডার েথকে উপহার পেলাম মনে হলো
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য এবং মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।





















সবগুলো উৎসব আনন্দমুখর হোক এই শুভেচ্ছা রইল।
এই তথ্যবহুল পোস্টটি আমার প্রিয়তে যাচ্ছে।