জেবনের অসংখ্য খায়েশের মইধ্যে একটা হইলো গিয়া পার্লারে যাইয়া সাজোন। তাও আবার য্যানো-ত্যানো দিনে না। স্বয়ং আমার বিবাহর দিনে। :!> :!>
ভাবসিলাম ঢাকার শহরে বিবাহখানা হইলে দুই জায়গার কুনো এক জায়গা থিক্কা সাইজ্যা আমু। পরথম পছন্দ আছিলো এই বেটির কাছে যাওন
ভাবলাম এইরাম কইর্যা বুজি সাইজ্যা ব্যাটাগো বাড়িত যামু
কিন্তু কিয়ের কি। বেটিতো এমুন কাম কর্সে যে ডরে নাই।
এর চেয়ে আমার গেরামের পার্লারের বেটিরাই ভাল। ডাক দিলে ভ্যানে কইরা
নিজেরাই বাড়িত আইয়া সাজাই দিয়া যাইবো।
ভাবসি থাউগ্গা বেটিগোর কাছে যাওনের কাম নাই। নিজে নিজেই ঘরে বইয়া জবজবা কইর্যা হাঁস মার্কা নাইরকেল ত্যাল দিমু মাতায়(তিব্বত কদুর ত্যাল দিবার চাইসিলাম পরে বাদ্দিসি। ঐডা দিলে মাতা ঠান্ডা অওনের বদলে গরম হইয়া ফাইট্টা যাওনের চান্স আছে)
হের পরে ধুলা পাউডারের
ডিব্বাডা থিক্কা ইট্টু পাউডার দিমু।
এইবার মুখে তিব্বত ছুনু(আমি তো ভুইল্যাই গেসিলাম এইডাক কতা, বিলাই আপু মনে না করাই দিলে ছুনু না দিয়াই যাইতামগা)

হের পরে রান্দন ঘরেত্থনে কালির পাতিল আইন্যা
হেইডার ত্থনে কালি নিয়া চোক্কে দিমু।
হের পরে গরুর গাড়ীতে কইরা
এমনে যামুগা।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



